খারিজ
আমার জমি খারিজ কাতে গিয়ে ছিলাম মেট জমির পরিমাপ ৪ শতাংশ সে আমার থেকে ৩০০০ দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জমি খারিজ কাতে গিয়ে ছিলাম মেট জমির পরিমাপ ৪ শতাংশ সে আমার থেকে ৩০০০ দাবি করে
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স শুরু ৫০০ তারপরে ৪০০
SFC(N) এ প্রত্যেক জন নাবিকের TA/DA এর টাকা নিতে হলে ১০% থেকে ২০% টাকা ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ না দিলে তারা চেক পাঠায় না। আমি ঘুষ না দেয়ায় আমার ১৭০০০ টাকা পাই নাই। তাদের কাছে এ বিষয়ে খোজ নিলে ওই বিল ভাউচারে যারা আছ তাদের সবার সাথে যোগাযোগ করে আসতে বলে। যোগাযোগ এর অর্থ সবাই মিলে টাকা তুলে একজন তাদের দিতে হয়। দিলে ওই বিল ভাউচারে যারা আছে সবার চেক পাঠায়। আর যোগাযোগ (অর্থাৎ সবাই মিলে টাকা তুলে না দিলে) চেক পাঠায় না।
মালিক এর মৃত্যুর পর তার ভাই জালিয়াতি করে আমদের জমি (মঝিনা গ্রাম) বিক্রি করে ফেলায় গত দেড় বছর আগে নারায়ণগঞ্জ এর রূপগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে মিসকেস করা হয় তখন সেখানের দায়িত্বরত কর্মচারীরা জানাই 20000 টাকা দিলে তারা আমদের কেস দ্রুত সমাধান করে দিবে কিন্তু ঘুষ না দেয়ায় তারা কোনো সমাধানে যায় নি এখন ও তারা সেই টাকা দাবি করে এবং শুনানির তারিখ পিছিয়ে দেয় ।
থানা শিক্ষা অফিসে তারা প্রতি সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য ৫০০ টাকা চায়, এটা নাকি তাঁদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যাওয়ার ভাড়া, এই টাকা তাঁদের সরকার দেয় না। সরকারের দেওয়ার কথাও না কারণ এটা সংশোধন থানা শিক্ষা অফিসার নিজেই করবেন, এই সার্টিফিকেট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কোনদিনই যায় না। আমি টাকা দেইনাই বইলা আমারটা ১০ মাস ঘুরাইসে, যা কিনা ১ মাসেই করা সম্ভব ছিল।
আমি আমার ছেলেকে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ভর্তি করতে চেয়েছিলাম তারা বলে বেড খালি নাই তবে টাকা দিলে সম্ভব
আমার বাবা-মায়ের পাসপোর্ট করতে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। NID নম্বরের তথ্যে অসঙ্গতি দেখিয়ে বারবার ঘোরানো, আবার নতুন করে টাকা দিয়ে আবেদন করতে বলা এবং শেষ পর্যন্ত একজন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়। পরে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় ইউনিফর্ম/পরিচয়পত্র ছাড়া একজন বাইরে দেখা করে টাকা নেন। এছাড়া অফিসের বাইরের দালালরাও টাকা নিয়ে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। শেষ পর্যন্ত পাসপোর্ট পেলেও পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল বেশ হয়রানিমূলক ও প্রশ্নবিদ্ধ।
Income tax certificate newar jonne harrass korche onek, then rude behaviour and 100 tk ghush nise, tao somoy moto kaj kore dey ni
এটা সিস্টেম, এটা আগে গোপনে দিতে হয় তারপর কাজ হয়
আমার পিতার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য পিতার পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য গিয়েছিলাম তাদের মধ্যে থেকে একজন আনসার সদস্য ১৫০০ টাকা দাবি করেছে না হলে পাসপোর্ট হবে না আমি ১০০০ দিতে চাইলে বলে যে যে স্যার কাগজপত্র চেক করেছে সে ১০০০ নিবে
টাকা না দেয়ার কারনে বারবার ডেইট চেঞ্জ করেছে। আজকে/কালকে/পরশু এরকম বলতেই থাকে।
Jomi joriper jonno 800000 taka gus cheyeche
পাসপোর্ট অফিসের কম্পিউটারের দোকানিরা মুল অফিসার যিনি সই করে পাঠায় যার কারণে ছবি তোলা যায় পরবর্তীতে। তার সাথে যুক্ত কাগজ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও নানাভাবে হয়রানি করতে থাকে। এভাবে অনেক মানুষের থেকে ঘুস নেয় । ইনাদেরকে চেনাতে অফিসের গার্ড হেল্প করে।
notun jomir kajogpotro registered kora
আমার জমির ওয়ার্কিং খতিয়ান দরকার পরে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গেলে তারা বলে এটা সরকারিভাবে দেওয়া যাবে না। কিন্তু অন্যভাবে দেওয়া যাবে এটার জন্য 6000 টাকা দাবি করে, আমি পরে সেটা প্রত্যাখান করেছি।
এটা একটু বেসরকারি নার্সিং কলেজ। এটি ফরিদপুরের সদরের মধ্যে অবস্থিত নাম রেজওয়ান মোল্লা নার্সিং কলেজ। ভর্তি হওয়ার সময় তারা বলেছিল টোটাল খরচ হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। কিন্তু ইন্টার্নী শেষ করে টোটাল খরচ হয়ে যায় চার লাখ টাকা। সর্বশেষ যে দুর্নীতিটা লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য সরকারের নির্ধারিত ফি মাত্র ২ হাজার টাকা। আশপাশের অন্য কলেজগুলাই ২৫০০-৩ হাজার টাকায় কাজ করে দিয়েছে। কিন্তু এই হসপিটাল এ ১২ হাজার টাকা নিয়েছে। কাউকে বলে কোন সাহায্য পাচ্ছি না। কিছুদিন আগে আমরা অনেক প্রতিরোধ করি, একটা ঘটনা বলি কিছুদিন আগে ইন্টারনি করার জন্য ফরিদপুরের নামিদামি সব কলেজে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা করে নিয়েছে। এই কলেজ ১২০০০ টাকা চায় তখন আমরা প্রতিবাদ করি বিভিন্ন জায়গায় এদের বিরুদ্ধে নালিশ জানায়। ১৮ হাজার দিতে চe
অনলাইন আবেদন সহ উল্লিখিত যাবতীয় সব ডকুমেন্টস নিয়ে যাওয়ার পরও বার বার ভুল ধরতে থাকে, বলে বাইরে কম্পিউটারের দোকানে ঠিক করে আনেন। কি ঠিক করতে হবে জিগ্যেস করলে বলে ওরা(কম্পিউটারের দোকান) পারে, ওদের কাছে যান। বাইরে কম্পিউটারের দোকানে গেলে ১৫০০ টাকা চায়। তখন বুঝে গেলাম কাহিনি। এরপর সরাসরি পরিচালকের রুমে গেলে কাগজ যাচাই করে পাশ করে দেয়।
ছাগলের পিপিআর ভ্যাকছিন নিতে গেছেলাম চৌগাছা পশু হাস্পাতালে গিয়ে দেখি পিপিআর ভ্যাকছিন নাই! পরে টাকা দিলে বলে আছে! তাও আমার ১০ টাকা মাত্র।
ঘুষ ছাড়া পরীক্ষা দিছি। লিখিত পাস করি সর্বোচ্চ নাম্বারে। ভাইবাতে ফেল করায় দেয়। পরপর দুই বার একই ভাবে ফেল। রাগে আর লাইসেন্সই করিনি।
নতুন রেজিস্ট্রেশন এর জন্য এড্রেস ভুল ছিল তাই পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল আমি দিতে রাজি হই নাই রিকোয়েস্ট করছি পরে ফ্রিতে করে দিছে অনেক রিকুয়েস্ট করার পর অনেকক্ষণ বসে ছিলাম