লাইসেন্স
ঘুষ ছাড়া পরীক্ষা দিছি। লিখিত পাস করি সর্বোচ্চ নাম্বারে। ভাইবাতে ফেল করায় দেয়। পরপর দুই বার একই ভাবে ফেল। রাগে আর লাইসেন্সই করিনি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঘুষ ছাড়া পরীক্ষা দিছি। লিখিত পাস করি সর্বোচ্চ নাম্বারে। ভাইবাতে ফেল করায় দেয়। পরপর দুই বার একই ভাবে ফেল। রাগে আর লাইসেন্সই করিনি।
নতুন রেজিস্ট্রেশন এর জন্য এড্রেস ভুল ছিল তাই পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল আমি দিতে রাজি হই নাই রিকোয়েস্ট করছি পরে ফ্রিতে করে দিছে অনেক রিকুয়েস্ট করার পর অনেকক্ষণ বসে ছিলাম
Under DG shipping they conduct COC class 1/2/3 exams. And these exams written question and oral both can be clear by paying a huge money. To clear oral exam its required 2 lac and more for COC-3 and for written question it required about 4-5 lac WHICH VERY RANK WISE.
প্রতি জিপিএফ একাউন্ট চালু করতে ৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয় একাউন্টেন্টকে। যা পূর্বের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জড়িত ছিলেন
পাসপোর্ট করতে বাড়তি ১২০০-১৮০০ টাকা দিতে হয় দালাল কে না হলে কতো রকম সমস্যা। আমাকে বলে আপনার ফাইল সাবমিট হয়নি যে পুরন করছে তাকে ফোন দেন।বাহিরের দোকানে যেয়ে সাবমিট করেন ইত্যাদি কতো রকম বাহানা। সাবমিট হয়েছে বল্লে বলর বেশি বুঝেন বসেন সাবমিট হলে আপনাকে ডাকবো।পরে আমি যখন একটু যোর গলায় বল্লাম সমস্যা কী আপনাদের আমার ফরম সাবমিট না হলে একটু লিখে দেন ফরম সাবমিট হয়নি।আর আমার কাগজ ফিরিয়ে দেন তখন আমার কাগজ এপ্রুফ করে।
আমার এনআইডির জন্য নাগরিক সনদ ও খারিজের কাগজ ছিলো না এর জন্য আমার কাছে 20000(বিশ হাজার) টাকা চেয়েছে
৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?
কাগজ সব অনলাইন ভেরিফাই করা তারপরও আবেদন গ্রহণ করেনি, বলা হয়েছে অনলাইন ভেরিফাই কপি হলে হবে না, অরিজিনাল কপি লাগবে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে টাকা দিতে দিতে পকেট খালি হয়েছে। সরকার ও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি। যার কারনে এ এসআইরা নিজের মতো ব্যখ্যা দিয়ে মানুষের পকেট কাটছে। অথচ শুধু পাসপোর্ট দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়ার কথা। অথচ বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রত্যায়ন ঢাকার টা দিলে হবে না। এলাকার টাও দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন বর্তমান ঠিকানায় হতে হবে। সরাসরি না দেখা করলে ডিক্লাইন করে দিবে। মানে যেখানে যেভাবে পকেটে হাত দেয়া যায়।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস এ গেলেই আপনার তথ্যের সমস্যার শেষ নেই । তবে সামনের গেট এ দাঁড়িয়ে থাকা বিসিএস ক্যাডার মানে আনসার গুলো কে ২হাজার টাকা দিলে সব তথ্য সঠিক হয়ে যায় । এভাবেই মাঝে মধ্যে এই আনসার গুলো আপনাকে ডাকবে তারপর সমস্যা সমাধান করে দিবে । ঘুষের পরিমাণ ২ হাজার থেকে শুরু । যার যত বড় সমস্যা তার অঙ্কটা বেশি । ধন্যবাদ বিসিএস ক্যাডার আনসার ভাই ।
গাড়ির কাগজ হারিয়ে গিয়েছিল
পাসপোর্ট এর বাইরে থাকা লোকের মাধ্যমে এবং অনেকগুলো এজেন্সি যারা পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করে এরা দাবি করেছিল
মেয়ে কে এক ছেলে জিলা স্কুল থেকে নিয়ে যায়, প্রথমে পুলিশ এবং পরে কোর্ট এর মাধ্যমে ডিবির শরণাপন্ন হলে তারা লোকেশন বের করে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অগ্রিম পরিশোধ করলে তারা মেয়ে উদ্ধার করে দিবে।
একজন শিক্ষক যত টাকা কল্যাণ ও পেনশন এ পাবে তার ৫% দেওয়া লাগবে ঘুষ হিসেবে। ওখানে অনেক জট এজন্য টাকা দিলে আগে টাকা পাবেন। না দিলে অপেক্ষা করতে হবে যেটা ৪-৫ বছর।
ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করাতে গিয়ে তাদের থেকে এই ঘুষ এর দাবি পেয়েছি
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও সংশোধনের জন্য গেলে অযথা ৩ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ৬,৫০০ টাকা ঘুষ ক্যালকুলেটরে দেখিয়ে নগদ পরিশোধ করতে বলে মহাখালী-৩ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা। যা আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। এখানে উনার আরো সহযোগী যিনি আরো বড় মাপের ঘুষখোর। উনাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি, তদন্ত স্বাপেক্ষে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করার আহবান জানাচ্ছি।
সাধারণত সরকারিভাবে অপারেশন করানো হলে কোনো টাকা নেওয়া হয়না। শুধু মাত্র যদি কোনোপ্রকার সরঞ্জাম( রড, পিন, এলিজার্ব) কিন্তু এরা কয়েকজন অপারেশনের পরে ৪০০০-৫০০০ টাকা দাবি করে বসে। টা নাহলে রুগীর ফাইল দিতে অস্বীকার করে। ডক্টর রা জেনেও এইসবে বাদা দেয়না। আর দিনে ৫-৬ টা অপারেশন হয়। তারও বেশি। প্রতিজন থেকে ৩০০০-৪০০০.
আদালতে ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে না পারার কারণে আমি ৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার কাছে কল রেকর্ড এবং ডকুমেন্ট প্রমাণ রয়েছে।
কাহিনীটা হচ্ছে আমার একটা মিটার নষ্ট ওইটা ঠিক করানোর জন্য ওই লোকটাকে বারবার বলা হয়েছে লোকটা বলছে যে সরকারি লোক আসলে আমি এটা ঠিক করে দিব এরকম করে উনি আট থেকে নয় মাসে নষ্ট রাখছে উনি ওই মিটার টার একটা এভারেজ রিডিং লেখা নিয়ে গেছে পরে যখন ছয় সাত মাস পরে ওইটা ঠিক করার জন্য তারে চাপ দেওয়া হয়েছে তখন সে আসছে। তখন আইসা বলতাছে যে এখনই মিটার মধ্যে রিডিং অনেক বেশি হয়ে গেছে ৬০-৭০ হাজার টাকা লাগবো আমি মিটার চেঞ্জ করার জন্য আমি বলছি আমাকে এডিটিং এর প্রমাণ দেখান তো উনি কোন কারনে প্রমাণ দেখাতে পারেনি উনি গা চুরি করে চলে গেছে ঠিক এর কিছুদিন পরে উনি একটা অফিসার নিয়ে আসছেন আমার ছবি টবি টুইটলা নষ্ট মিটার নষ্ট বইলা আমাকে অনেকে নষ্ট করছে
মৎস্য ও মৎস্যপন্য রপ্তানিতে নন-প্যাকার লাইসেন্স করতে হয়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ঘুষ দেওয়া লাগত প্রতিটি লাইসেন্স এর জন্য ২০০০টাকা। ২০২৬ এ এসে নতুন ঘুষ এর চার্ট অনুযায়ী প্রতি লাইসেন্স এ ঘুষ দেয়া লাগে ৫০০০০ টাকা। অফিসার — ও —র জন্য ছোট উদ্যোক্তারা এক্সপোর্ট করতে পারছে না ফলে দেশ রেমিটেন্স বঞ্চিত হচ্ছে।