Trade Licence renew
Taka Dile Renew kore Print kore dibe kimba soft copy dibe,Noile Dibe Nah
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Taka Dile Renew kore Print kore dibe kimba soft copy dibe,Noile Dibe Nah
আমি পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়ে কাগজ জমা দেওয়ার সময় আমাকে বলে খরচের টাকা দিতে অন্যথায় কাজ হবে না। আজকে ৮ মাস চলতছে আমার সার্টিফিকেট সংশোধন করে দেয়নি।
I thought I required a character certificate to apply for police clearance certificate at that time, I went to the Ward Councilor Office, I currently reside in Bashundhara, but for temporary relocation, the ward councilor office was moved to Dhaka North City Corporation, Zone-3 (Mohakhali). I went there, firstly they were adamant about not giving me the character certificate because my land lord did not pay the the yearly fees to rajuk. And they told me, they were told not to assist any tenants coming from Bashundhara as they cannot hold Bashundhara R/A owners accountable for this fee. So I requested if there was any other way. Then, they asked for a bribe of BDT 5,000. I refused and left.
তাড়া বলেছিল আমাদের স্যার যেখানে যায় সেখান থেকে কিছু টাকা পয়সা নেয়। আপনি কত দিতে পারবেন। আমি তাকে বলি ভাই আমি এখনো ব্যবসাটা শুরু করি নাই ব্যবসাটা শুরু করি রিনিউ করার সময় কিছু দেই? সে বলে না আমাদের স্যার যখন যায় তখনই নেয়। পরে আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হই। সে তার স্যারের সাথে কথা বলে আমাকে এসে জানায় আপনি ফাইনাল কত দিতে পারবেন বলেন। আমি তখন তাকে সেই ৫০০ টাকার কথাই জানায়। উপরন্তু তারা মোট পাঁচজন এসেছিলেন সবাইকে হাফ কেজি করে হ্যান্ডওয়াশ গিফট হিসেবে দিতে চাই। তাড়া সেটা গ্রহণ করেন। এবং টাকা বেশি পরিমাণে না হওয়ায় তাড়া সেটা নেননা। পড়ে আমার নিরাপত্তা সমস্যা দেখিয়ে ফাইলটা রিজেক্ট করা হয়। অগ্নি নির্বাপক লাগিয়ে আবার আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
মৎস্য ও মৎস্যপন্য রপ্তানিতে নন-প্যাকার লাইসেন্স করতে হয়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ঘুষ দেওয়া লাগত প্রতিটি লাইসেন্স এর জন্য ২০০০টাকা। ২০২৬ এ এসে নতুন ঘুষ এর চার্ট অনুযায়ী প্রতি লাইসেন্স এ ঘুষ দেয়া লাগে ৫০০০০ টাকা। অফিসার — ও —র জন্য ছোট উদ্যোক্তারা এক্সপোর্ট করতে পারছে না ফলে দেশ রেমিটেন্স বঞ্চিত হচ্ছে।
পাথরঘাটা জোনের বিদ্যুৎ অফিসে(অফিস রেয়াজুদ্দীন বাজার) প্রধান প্রকৌশলী ও ডিভিশণাল প্রকৌশলীরা মিলে হরিলুট করছে জনগণের। টাকা দাবি করেছে ১লাখ টাকা তাদের অথরাইজ কিছু এজেন্ট(—, —) আছে তাদের মাধ্যমে। তারা এমনভাবে কথা বলবে তারা ১টাকাও নেয় না। কিন্তু বাস্তবতা হল প্রধান প্রকৌশলী একটু হাই লেভেলের কাজ করার জন্য ৫০হাজার-৩লাখ এর নিচে কোন কাজে হাত দেয় না।
কাহিনীটা হচ্ছে আমার একটা মিটার নষ্ট ওইটা ঠিক করানোর জন্য ওই লোকটাকে বারবার বলা হয়েছে লোকটা বলছে যে সরকারি লোক আসলে আমি এটা ঠিক করে দিব এরকম করে উনি আট থেকে নয় মাসে নষ্ট রাখছে উনি ওই মিটার টার একটা এভারেজ রিডিং লেখা নিয়ে গেছে পরে যখন ছয় সাত মাস পরে ওইটা ঠিক করার জন্য তারে চাপ দেওয়া হয়েছে তখন সে আসছে। তখন আইসা বলতাছে যে এখনই মিটার মধ্যে রিডিং অনেক বেশি হয়ে গেছে ৬০-৭০ হাজার টাকা লাগবো আমি মিটার চেঞ্জ করার জন্য আমি বলছি আমাকে এডিটিং এর প্রমাণ দেখান তো উনি কোন কারনে প্রমাণ দেখাতে পারেনি উনি গা চুরি করে চলে গেছে ঠিক এর কিছুদিন পরে উনি একটা অফিসার নিয়ে আসছেন আমার ছবি টবি টুইটলা নষ্ট মিটার নষ্ট বইলা আমাকে অনেকে নষ্ট করছে
আদালতে ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে না পারার কারণে আমি ৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার কাছে কল রেকর্ড এবং ডকুমেন্ট প্রমাণ রয়েছে।
কারমাইকেল কলেজ রংপুরের সবচেয়ে প্রাচীন ও সুনামধন্য কলেজ হলেও এর ভিতরে চলে রমরমা দুর্নীতির ব্যবসা। কলেজের 12th এর টেস্টের পর অকৃতকার্য ছাত্রদের টাকার (১০০০০) বিনিময়ে এডমিট কার্ড প্রদান করে অনেক শিক্ষার্থীর জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে । এছাড়াও বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানান অনিয়মের আতুরঘর। দুর্নীতির অপর নাম ই যেন কারমাইকেল
আমার গাড়ীর কাগজ হারায় গেছে, উঠাতে গেলাম, বল্লো যে হবে না, আমি জিডি করে নিয়ে গেছি, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স ও নিয়ে গেছি,বলছে যে তাও হবে না, পরে বলছে ভাই ৩০০০ হাজার টাকা দেন করে দিচ্ছি, পরে রিকোয়েস্ট করে ২৭০০ দিয়ে করে নিয়ে আসছি
ধানমন্ডির দিক থেকে আমি বাইক নিয়ে এসে সায়েন্স ল্যাব মোড় এ ইউ টার্ন নিয়েছি, ওখানে নাকি ইউ টার্ন নেওয়া নিষেধ সাইনবোর্ড দেওয়া ছিলো কিন্তু রাস্তা ফাকা আমি সেভাবে খেয়াল করি নাই, সাথে সাথে আমাকে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড় করাইলো আমার সমস্ত কাগজ চেক করে, সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরে ও বলে যে মামলা হবে ট্রাফিক আইন না মানার জন্য, সার্জেন্ট কে অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরে পাশে এক কনস্টেবল ডেকে নিয়ে বলে যে ১ হাজার টাকা দেন ছেড়ে দিচ্ছি পরে আমি বলেছি আমার কাছে টাকা নাই দয়া করে আমাকে ছেড়ে দেন কিন্তু সে কোনো কথা না শুনেই ২ হাজার টাকার মামলা দিয়ে। ওখানে ডিউটিরত সার্জেন্ট এর নাম (—) কনস্টেবল এর নাম (—)
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দাবি করেছে,এবং তা বিকাশের মাধ্যমে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ১৩০০ টাকা দাবি করেছে৷ পরে আমি আর করিনি
they are telling my papers have problem all page are not included then computer man ask for his expense for this service , first time i didn't pay (demand was 3000) anything then the reject my application , then 2nd time i pay the computer man,
আমার বিয়ের কাবিননামা সম্পূর্ণ ফ্রি পরিশোধ করা হয়েছে এটা রশিদ আমার কাছে আছে। আমার এবং আমার স্ত্রীর উচ্চ শিক্ষার জন্য ডেনমার্কে আবেদন করি। স্পাউচ হিসেবে আমার আবেদল করা লাগে সেজন্য পাসপোর্ট বা অন্য অন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করতে আমাদের কাবিননামা রেজিস্ট্রার কপি প্রয়োজন পরে। সেজন্য আমাদের বিয়ের কাজীর শরণাপন্ন হয়। সরকারি ফ্রি ৫০ টাকা এবং বউ খুঁজার বাবদ ১০ টাকা ফ্রি হওয়া স্বত্তেও সে আমার কাছে ৩০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং এটা দিতে হবে নয়তো সে দিবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি দিতে রাজি না হওয়ার সে পরে আমাকে উক্ত কাবিননামা টি দেয়নি।
Cumillar, Burichong sub register a, khotiyan related akta kajer jonno atto tk cay.
আমি ঢাকা উত্তর সিটিকর্পোরেশন মিরপুর ১০ নাম্বার এ ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা চাইল। আমি দেইনি।
নেত্রকোণা সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে বিশাল ঘুষ বানিজ্য শুরু হয়েছে। ১লক্ষ ৮০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লক্ষের বেশি ডাক উঠেছে। এই নিয়োগে নজর দেওয়া উচিত। পুরো শহর এর দিকে দৃষ্টিপাত করছে।
The person who check documents said there is something wrong with my documents. i need to go to my education board and fix my name. it’s just a dot (Md.). after that he said me that go to this room and talk with a person. that person said we can solve this issue but i need to provide money. then i said how much she said 20,000. after arguing with she said 19,000 and after few seconds she said last 18,000.
একটা জিডি করতে গেছিলাম। লেখালেখি করার জন্য ২০০ টাকা নিছে। পরে জমা দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে। ৯৯৯ এ কল দিয়ে এটার সমাধান হয়। বাট সে আমার কাজটা করেনি আমি বুঝতে পারছি। কয়েকদিন পর জিডি তুলে নেওয়ার জন্য আবার যাই৷ এবং সে বলে "আগেরবার তো কিছু দিলেন না, এইবার যদি চা নাস্তার জন্য কিছু দিতেন" আমি পরে ৫০ টাকা দিয়ে আসছি।