নাম জারি
আমার কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি/
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি/
খসরা খতিয়ান করে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হয়রানি
২০১৯ সালে আমি নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম, আমি ঘুষ এর পক্ষে কখনই ছিলাম না এবং থাকবোও না, তাই নিজেই সব কিছু করার সিদ্ধান্ত নেই। লার্নার কার্ড নিজেই করেছিলাম, কিন্তু বিপাকে পড়লাম মেইন লাইসেন্স করার সময়, BRTA তে কর্মরত যিনি আছেন, তিনি নিজেই ঘুষ দাবী করলেন ৬০০০ টাকা চেয়ে বসলেন সব খরচ সহ। তার মানে, ৩৩৪০ টাকা খরচ (২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী), আর বাকীটা ঘুষ। পরে আর লাইসেন্স করা হয় নি। এখন ২০২৬ সাল এ এসে আবার লাইসেন্স করতে দিয়েছি। আমার পরীক্ষা ১৭ আগস্ট ২০২৬। দোয়া করবেন যেন, ঘুষ ছাড়াই পরীক্ষায় পাস করতে পারি।
মানহানির একটা মামলা করেছিলাম সব কিছুর প্রমাণ দেওয়ার পরও পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমাদের কাছে ১ লক্ষ টাকার দাবী করে । কিন্তু আমি না দেওয়ার কারণে আমার মামলা টা ভুল করে দেওয়া হইসে। এ মামলা ভুল প্রমাণিত হওয়ায় পরে যে ব্যক্তি আমার মানহানি করলো সে যদি চায় উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারবে যা অনেক দুঃখ জনক। শুধু তাই নয় আদালত এর প্রত্যেকটা জায়গায় এরকম হয় একবারে পেশকার থেকে শুরু করে যেমন - ১ বার একটা কাগজ দিতেই লেগে গেছে ১০০০ টাকা শুধু তাই না আরও অনেক কে দেওয়া লাগসে অনেক বার করে। এই পর্যন্ত আমার ২ লক্ষ টাকার বেশি চলে গেছে এইটার পিসনে আমার ধারা আর কুলানো সম্ভব না হওয়ায় আমার মামলা টা হলোই না উল্টো আমি যুক্ষিতে পরে গেলাম ।। বাংলাদেশের করাপশন মুক্ত বাংলাদেশ হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য ।।
আমি কিছুদিন আগে ডিপিডিসি এর নারিন্দা জোনের বিদ্যুৎ অফিসে যাই তাদের একজন কর্মচারীর সাথে কথা বলে আমার বাসার জন্য একটি নতুন মিটার নেতার জন্য। নতুন মিটার লাগাতে সাধারণত ১১০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগে কিন্তু তারা আমার কাছে প্রথমে ২০০০০ এবং পরে ১৭০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে টাকা ছাড়া মিঠা লাগানো সম্ভব না টাকা ছাড়া শুধু মিটারের টাকা জমা দিলে বছরের পর বছরও মিটার লাগানো সম্ভব না। আমার পক্ষে এত টাকা দিয়ে মিটার লাগানো সম্ভব না তাই আমি আর কথা বাড়েনি আমি চলে আসি।
প্রাগপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার নামজারি,নাম খারিজ করতে ঘুস চেয়েছে।কাজ না করে প্রতিনিয়ন মানুষকে হয়রানি করছে। টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না।সরকারের কাছে প্রতিকার চায়।এই ঘুসখোর তহশিলদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় এবং জনগনকে হয়রানি করে অর্জিত তার অঢেল সম্পদের হিসাব নেওয়ার জন্য সরকারের নিকট বিনীত প্রার্থনা করছি।
আমি একজন ঠিকাদারের কর্মচারী, LGED টাংগাইল রাস্তার কাজের রিপোর্টের জন্য এই টাকা দাবি করে,বলে যে রাস্তার কাজ সঠিক হয়নি,যেখানে উপজেলা অফিস বলছে কাজ হয়েছে সেখানে জেলা অফিসের লোকজন এই টাকা দাবি করতেছে।এখন টাকা ছাড়া আমি রিপোর্ট পাবো না এবং আমি কাজের বিল করতে পারবো না।
They demanded that we pay VDS on our earnings, but we clearly informed the revenue officer that we are exempt from paying VAT as per the Supreme Court order. However, he demanded that we pay under the table Tk. 4,000,000; otherwise, they will issue a demand note on our total earnings, which may be Tk. 18,000,000. As we kept refusing payment of 4 million, they came down to Tk. 2 million, but we still refused to pay. We took the matter to the higher authorities and explained our position; they told us they would look into it and get back to us. We are now waiting and hope good sense will prevail.
সিটি কর্পোরেশন হোর্ডিং ট্যাক্স এবং যাবতীয় কাগজপত্র ঠিক করে দেওয়ার জন্য সম্মানিত ফ্ল্যাট মালিকগন, ২২-০৮-২০২৬, ১০ ঘটিকার সময় সেলটেক সপ্তর্ষি কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার অফিস রুমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের একজন উপ কর কর্মকর্তার সাথে কমপ্লেক্সের কমিটির সম্মানিত সহসভাপতিসহ অনন্য সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রতি ফ্লাটের ট্যাক্স এর বিষয় বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই কাজের জন্য উনাকে ফ্ল্যাট প্রতি ১৫ হাজার টাকা ফ্ল্যাট মালিকগন এর দিতে হবে। এর পর উনি আমাদের সকল কাজ করে হোল্ডিং ট্যাক্স নিধারিত করে দিবে। বিল্ডিং এ মোট ১০০ ফ্ল্যাট রয়েছে। সবাই তাকে দিয়ে কাজটি করালে মোট ১৫,০০,০০০ টাকা আমাদের তাকে দিতে হবে। বিষয়টি দেখার অনুরোধ রইল।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা হলেও, সংশ্লিষ্ট নারী কর্মকর্তা তাতে স্বাক্ষর করেননি। বরং, স্বাক্ষর দেওয়ার শর্তে অনানুষ্ঠানিকভাবে নগদ পাঁচশত টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, আমাকে স্বাক্ষরযুক্ত ট্রেড লাইসেন্সটি দেওয়া হয়নি। এরপর আমি দুইদিন পর গিয়ে ট্রেড লাইসেন্সটি সংগ্রহ করেছি।'
বিগত সরকারের আমলে আমার জমিতে সরকারি ভাবে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে ভূমিহীনদের । কিন্তু খাস জমি যেই দিকে আছে ওই দিকে না দিয়ে আমার কিনা জমিতে এই ভূমিহীন দের বসবাস করতে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে । একই দাগে খাস জমি যেই দিকে খাস জমি ওই দিকে না করে আমার জমি তে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে । কিন্তু পরে আমি ভূমি অফিসে গিয়ে বিস্তারিত জানাই । কিন্তু খাস জমি যেই দিকে আছে ওই দিকে নিতে বলে ভূমি অফিসে কর্মরত অফিসার । সরকারি আমিন আমার কাছে ঘুষ চাই ১০ হাজার টাকা । আমি দিতে চাই নি তাই আমার কাজ ও হয় নি ।
আমি একজন প্রবাসী ২০০8 সালে ৩০ শতাংশ জমি কিনেছি তার পর আমি প্রবাসে চলে আসলাম জমি আমার নামে রেকড করতে দিলাম কিন্তু রেকোরড হল ২৮ শতাংশ আমি প্রবাস থেকে এসে দেখতে পারলাম তখন আমি জানতে চাইলাম জমি আমি কিনলাম ৩০ শতাংশ দলিলে আছে ৩০ শতাংশ কিন্তু রেকড কেন ২৮ শতাংশ আমাকে বলে সরকার রাস্তার জন্য ২শতাংশ নিয়ে গেছে জমি আমার আর সরকার নিয়েগেছে টাকা ছারা এটা কি জাইহোক আমি প্রবাসী আমার সময় নাই দৌরা দৌরি করবো আমাকে যে আবার প্রবাসে জেতে হবে কি করবো মেনে নিলাম চলেগেলাম আবার প্রবাসে আমি জমি টা ছিল রাস্তা থেকে অনেক নিচু তাই জমি টা কে রাস্তা সমান মাটি দিয়ে ভরাট করালাম আমি তো প্রবাসী দেশে না কি জরিপ হয়েছে আমি জানিনা জরিপে আমার জমি কে ২৮ শতাংশ থেকে ১৩ শতাংশ ভুমি সম্পদ দেখিয়ে ১৫ শতাংশ করে দিয়েছে আমি যখন দেশে আসলাম খাজ
আমরা ৪ জন পাসপোর্ট ফাইল জমা দিতে যাই।নিজেরাই অনলাইন আবেদন করে।সব কাগজ ঠিক ছিল আমাদের । পাসপোর্ট অফিসের ১০১ এ ২ জন কর্মকর্তা রিজের্ট করেন ।দেখান যেন একজন আংকেল এর বাবার নাম উনার বাবা NId থেকে উনার NId একটা শব্দ আলাদা ছিল।তাই সবার আমাদের অন্য দিন এ ডেট দেন।পরে পরিচিত একজন আমাদের passport অফিসের পাসে কম্পিউটার দোকানে যেতে ড বলল।আমরা গেলাম ।তারা অফিসের সাথে কথা বলে ওইদিনে ফ্রিঞ্গার প্রিন্ট ও ছবি পাসপোর্ট অফিসের করে দিবে ।তবে যদি জনপতি১৩০০ টাকা দিই ।তবেই ওইদিন এ করে দিত
আমার জমি নামজারি করার জন্য ৩৫ হাজার টাকা দাবি করেছেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একজন কর্মকর্তা। বর্তমানে তার অধীনে কতগুলা দালাল কাজ করে সে দালালের মাধ্যমে টাকা দাবি করে অন্যথায় কাজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা অনিয়ম হচ্ছে রাজামহার ভূমি অফিসে। আমি তার সুস্থ বিচার দাবি জানাচ্ছি।
লাইসেন্স শাখার সবাই টাকা চায়
for enlistment government selected fee is 5750 tk with vat but even my all documents is perfect .asked for 21000.if i not agree i can get enlistment even all the prosses is online
মধ্যনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ প্রদান না করায় নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। একই বণ্টননামা ও মালিকানা কাগজপত্রের ভিত্তিতে একটি নামজারি আবেদন মঞ্জুর এবং অপরটি নামঞ্জুর হয়। ই-নামজারি কার্যক্রমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আবেদনকারীকে বারবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ডেকে নেওয়া হয় এবং ভূমি উন্নয়ন করের নামে আইনবহির্ভূত অর্থ দাবি করা হয়।
শোরুম এবং পারসোনাল সকল কাগজপত্র সহ যখন আমি নিজে সাবমিট করতে যাই এবং একাধিক দিন চেষ্টা করি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আমাকে ঝুলিয়ে রাখা হয় এরপর যখন বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করি ১৫০০ টাকা দেয় এবং এক দিনে নাম্বার বের করে দেয়।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। সকল ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো। তবুও আমার ডকুমেন্টস রিজেক্ট করে এবং বলে যে নাগরিক সনদ লাগবে যদিও আমার NID ছিলো। আমি বলেছি এই ডকুমেন্টস লাগে সেটা তো কোথাও দেখিনি। উনি কোন কথায় বলেনি।পাশে দাড়ানো আনসার আমাকে বলেছে ২০০০ হাজার দেন, সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি পরবর্তীতে সরাসরি এডির রুমে যায়, উনাকে সব বলি উনিও আমার সাথে বিরক্তিকর সুরে কথা বলে। তারপর বলে আমার অফিসে কোন ঘুষ নাই, আপনাকে সন্দেহ করেছে তাই নাগরিক সনদ চেয়েছে।পরে বললাম আমি ঢাবির স্টুডেন্ট, রাজশাহীতে তেমন থাকি না।যদি সম্ভব হয় বিষয় টা দেখেন। পরে একটা সাইন দিলো আমার কাজ হয়ে গেলো।আর আনসারকে আসার সময় বললাম ভাই সবাইকেই মরতে হবে।টাকায় জীবনের সবকিছু না।
প্রতিটা জন্ম নিবন্ধন ২০০ টাকা এক্সট্রা, ট্রেড লাইসেঞ্চ ৩০০০, নাগরিক সনদ ৫০০,প্রতিটা মানুষের কাছে টাকা নেয়। না দিলে কাগজে ঝামেলা আছে বলে ঠিক করে আনতে বলে।