রেজিষ্ট্রেশন
রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য বেশি টাকা চায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য বেশি টাকা চায়
PAKUNDIA UPAZILLA FAMILY PLANING OFFICE PENSION CELL DEMANDED 50000 TAKA FOR PROCESSING PENSION
হোল্ডিং এপ্রুভ করে দিবে তাই তহসিলদার ৬০০০০ টাকা দাবি করেন।
উপজেলা একাউন্ট অফিসে গেলে আমার থেকে ৫০০ টাকা নিতে আমার স্টাফকে বলা হয় দ্রুত সেবা প্রদানের জন্য। পরে আমি নিজে দাড়িয়ে থেকে পে ফিক্সেশন কাজ করাই। কোনো টাকা দিইনি।
আমার দাঁত ইম্পপ্ল্যান্টের পূর্বে রক্তের কিছু পরীক্ষা প্রয়োজন। পিজি হাসপাতালের ডেন্টাল ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে কর্মরত একজন স্টাফকে কোথায় যেতে হবে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে বলেন যে- লাইন ধরে টাকা জমা দিতে হবে। তারপর লাইন ধরে রক্তের নমুনা দিতে হবে। যদি লাইন ছাড়া দিতে চাই তবে ৫০০ টাকা লাগবে।
জায়গা বিক্রি করতে গিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে ভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়, শেষে ৫০ হাজার টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলছে৷ তাই বাধ্য হয়ে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করালাল
নামজারি আবেদন এবং পুরোনো খতিয়ান উত্তোলন করতে 20 হাজার টাকা ঘুষ চাচ্ছে। জমি আমার বাবার ক্রয়কৃত যৌথ খতিয়ান সহ এখন আমার বাবার নামে আলাদা নামজারি করতে হবে দলিল এর অংশ হিসেবে।
RAJUK Plote Lease Deed
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে যাই কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অসিফে। সব ডকুমেন্ট সঠিক থাকা পর, আমার কাছে থেকে পেশার সার্টিফিকেট চাওয়া হয়। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো আমি আমার পেশা বেকার হিসেবে উল্লেখ করেছিলাম। দ্বায়ত্বে থাকা খা**কির পোলা(সরি খারাপ ভাষা ব্যবহারের জন্য) আমার কাছে বেকারের সার্টিফিকেট চাইলো। এইটার প্রতিবাদ করাই, ঐ দিন আর আমি পাসপোর্ট করতে পারে নি। টাকা খাওয়ার ধান্দায় এই রকম আজগুবি কথা বলে। ১৫০০ টাকার বিনিময়ে কোন প্রকার ডকুমেন্ট ছাড়াই করে দিচ্ছিল।
আমি বাংলাদেশ রেলওয়ে তে ২০ তম গ্রেডের চাকরির জন্য আবেদন করেছি। সেখানে তারা ৫ লাখ টাকা দাবি করেছে। ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করলে তারা শতভাগ চাকরি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। এভাবে করে অনেকেই টাকা দিয়েছে কিন্তু প্রতারিত হয়েছে চাকরি ও পায়নি টাকাও তার আত্মসাৎ করেছে। আমাদের এলাকায় এরকম অনেক মানুষ আছে যারা টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়েছে। টাকাও পায়নি বরং টাকা গুলো হারিয়েছে চাকরিও পায়নি আম ছালা দুটোই গেছে।
আমি ভোটার আইডি কার্ড করতে দিছি 24 April 2026 কাগজ যা যা লাগে সব দিয়ে আসছি , তারা বলছে আমার ফোনে SMS আসবে ফিংগার আর ছবি দেওয়ার জন্য ওই সময় চলে আসবেন তারিখ অনুযায়ী আসবেন , আজকে 24 August 2026 পুরো ৪ মাস শেষ এখন ও কোনো SMS আসে নাই , আজকে আমি নিজে গিয়ে বলি সবকিছু , এখন আমি কি করব আর কত দিন অপেক্ষা করব , তারা বলে দেতেছি এই বলে আমাকে ৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখে, আমি পড়ে আবার যাই বলি আমার কাগজ পাওয়া গেছে , তারা বলে না কাগজ নাই পাইতেছি নাহ সময় লাগবে, কিছুখন পরে একজন এসে আমার হাতে টিপ দিয়ে ডেকে নিয়ে যায় , পরে বলে ৫ হাজার টাকা লাগবে আমি সব কিছু ব্যবস্থা করে দিব, শুনে আমার মাথা গরম হয়ে যায় আমি চিল্লা চিল্লি করে চলে আসি । বাংলাদেশ একটা জানয়ার এর দেশ, সরকারি চাকরিতে যারাই আছে সব গুলো রক্ত চুশা,
চাকরি করি আজ ১০ বৎসর হয়ে গেলো কিন্তু কুনো ইনক্রিমেন্ট লাগে নাই তার একমাত্র কারণ গুস না দেওয়া. ডিপার্টমেন্ট এর নাম বিআরটিসি
আমার প্রতিষ্ঠানে কোন কর্মচারী নেই, ওনি আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে আমার কর্মচারীকে আমি ছুটি দেই না, আইডি নেই, অতিরিক্ত ভাতা দেই না, বার্ষিক ছুটি হাবিযাবি দেখিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়েছে । এখন আমাকে এই মামলা শেষ করতে জরিমানা দেওয়া লাগবে ৫০,০০০/- টাকা । এই ধরনের জুলুম করলে আমার মত ছোট খাটো একজন দোকানদার এই দেশে কিভাবে বাচঁবে আপনারা উত্তর দেন । আমার দোষ ওনি প্রথমদিন আমার থেকে টাকা চেয়েছে, বলছে আর কিছু লাগবে না আমি টাকা কেন দিলাম না । আমার লেবার নেই কর্মচারী নেই যেইটা আমার লাগেও না তার পরেও আমি লেবার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছি, আবেদন করার ৩ মাস পরেও সে আমাকে মামলা দিলো তাও মিথ্যা নানান ধারা দেখিয়ে । এখন আমার আসামী সমন এসেছে। যেখানে আমার কোন দোষ নেই সেখানেও আমাকে হয়রানি এবং জরিমানার শিকার হলাম ।
ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর — আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।ঘুষ না দিলে খাজনা গ্রহন বা নামজারি কোন কাজই করে না।খাজনা অনুমোদন করেতে গেলে ও নামজারির প্রতিবেদন দিতে গেলে গ্রাহক কে নথি আনার কথা বলে ঘুষ দাবি করে। বালিয়া ভূমি অফিস এর নায়েব এবং কম্পিউটার অপারেটর — দুই জনই দূর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তা।টাকা ছাড়া তারা কোনো কাজ করে না, নামজারি করতে গেলে অথবা খাজনা দিতে গেলে বিপুল অংকের টাকা দাবি করে।টাকার বিনিময়ে অনেক জমি ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে অন্যের নামে নামজারি করে দেয়। অফিস এর সিসিটিভি তে তাদের কর্মকান্ড এবং তাদের সম্পদের হিসাব, এবং পাসপোর্টে বিদেশের ভিসা দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন। সে সরকারি কর্মী না হওয়া সত্যেও দীর্ঘদিন এখানে কর্মরত আছেদ
উত্তর কাট্টলী ৪২১৭ নং পোস্ট অফিসে কোন চিঠি বা পার্সেল দিতে গেলেই এদের মধ্যে একজন ঘুষ দাবী করে। দিতে না চাইলে বিভিন্ন হয়রানি করে। এটা ভুল, ঐটা ভুল। টাকা দিলে আবার সব ঠিক। প্রায় এমন হয়রানি করে। আল্টিমেট তারা ঘুষ ছাড়া কাজই করবেনা। পোস্ট মাস্টারও এসব সায় দেয় হয়তো তাই তারা হয়রানি করে।
Gov. life verification
নিজের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে গিয়েছিলাম মিনিমাম ১ মাস লেগেছিল করতে... এখন আবার আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে হবে তাই আর অফিসে যাই নাই কারণ ১ মাস সময় দেওয়া সম্ভব নয় তাই বাইরের ফটোকপির দোকানে কথা বললাম ওরা বললো ওদেরকে ১৫০০/- টাকা দিলেই ২ দিনের মধ্যে পেয়ে যাবো তাই ১৫০০ টাকা দিলাম এবং ২ দিনের মধ্যে আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন হয়ে গেলো।
পিজি হাসপাতালে বহিবিভাগ সেবা নিতে এসেছি! সেই সকাল ৯টা থেকে লাইনে.. এর পর যারা আসছে তাদের থেকে ২০০ টাকা করে নিয়ে লাইনের প্রথমে দিয়ে দিচ্ছে বা চেম্বারে ঢুকায় দিচ্ছে, অথচ এখনো আমি লাইনে দাড়ানো , লাইন আগাচ্ছে না
আমি সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে এক্স-রে এর টাকা জমা এবং এক্স-রে করার পরবর্তীতে রিপোর্ট নেয়ার সময় তারা আমার কাছে ১০০টাকা দাবি করে।এটা দেয়া মানে তাদের খুশি করা।
পেনশনের টাকা উত্তোলন করার জন্য ক্লিয়ারেন্স দেয়ার বিনিময়ে পেনশনের একাংশ ঘুষ দাবি করা হয়েছিল।