থানায় সাধারণ জিডি ,,, যেমন কোনো কিছু হারিয়ে যাওয়া
গাড়ির কাগজ হারিয়ে গিয়েছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গাড়ির কাগজ হারিয়ে গিয়েছিল
সাধারণত সরকারিভাবে অপারেশন করানো হলে কোনো টাকা নেওয়া হয়না। শুধু মাত্র যদি কোনোপ্রকার সরঞ্জাম( রড, পিন, এলিজার্ব) কিন্তু এরা কয়েকজন অপারেশনের পরে ৪০০০-৫০০০ টাকা দাবি করে বসে। টা নাহলে রুগীর ফাইল দিতে অস্বীকার করে। ডক্টর রা জেনেও এইসবে বাদা দেয়না। আর দিনে ৫-৬ টা অপারেশন হয়। তারও বেশি। প্রতিজন থেকে ৩০০০-৪০০০.
পাসপোর্ট এর বাইরে থাকা লোকের মাধ্যমে এবং অনেকগুলো এজেন্সি যারা পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করে এরা দাবি করেছিল
কাগজ সব অনলাইন ভেরিফাই করা তারপরও আবেদন গ্রহণ করেনি, বলা হয়েছে অনলাইন ভেরিফাই কপি হলে হবে না, অরিজিনাল কপি লাগবে।
ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করাতে গিয়ে তাদের থেকে এই ঘুষ এর দাবি পেয়েছি
প্রতি জিপিএফ একাউন্ট চালু করতে ৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয় একাউন্টেন্টকে। যা পূর্বের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জড়িত ছিলেন
আমার এনআইডির জন্য নাগরিক সনদ ও খারিজের কাগজ ছিলো না এর জন্য আমার কাছে 20000(বিশ হাজার) টাকা চেয়েছে
একজন শিক্ষক যত টাকা কল্যাণ ও পেনশন এ পাবে তার ৫% দেওয়া লাগবে ঘুষ হিসেবে। ওখানে অনেক জট এজন্য টাকা দিলে আগে টাকা পাবেন। না দিলে অপেক্ষা করতে হবে যেটা ৪-৫ বছর।
মেয়ে কে এক ছেলে জিলা স্কুল থেকে নিয়ে যায়, প্রথমে পুলিশ এবং পরে কোর্ট এর মাধ্যমে ডিবির শরণাপন্ন হলে তারা লোকেশন বের করে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অগ্রিম পরিশোধ করলে তারা মেয়ে উদ্ধার করে দিবে।
Under DG shipping they conduct COC class 1/2/3 exams. And these exams written question and oral both can be clear by paying a huge money. To clear oral exam its required 2 lac and more for COC-3 and for written question it required about 4-5 lac WHICH VERY RANK WISE.
৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?
পাসপোর্ট করতে বাড়তি ১২০০-১৮০০ টাকা দিতে হয় দালাল কে না হলে কতো রকম সমস্যা। আমাকে বলে আপনার ফাইল সাবমিট হয়নি যে পুরন করছে তাকে ফোন দেন।বাহিরের দোকানে যেয়ে সাবমিট করেন ইত্যাদি কতো রকম বাহানা। সাবমিট হয়েছে বল্লে বলর বেশি বুঝেন বসেন সাবমিট হলে আপনাকে ডাকবো।পরে আমি যখন একটু যোর গলায় বল্লাম সমস্যা কী আপনাদের আমার ফরম সাবমিট না হলে একটু লিখে দেন ফরম সাবমিট হয়নি।আর আমার কাগজ ফিরিয়ে দেন তখন আমার কাগজ এপ্রুফ করে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে টাকা দিতে দিতে পকেট খালি হয়েছে। সরকার ও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি। যার কারনে এ এসআইরা নিজের মতো ব্যখ্যা দিয়ে মানুষের পকেট কাটছে। অথচ শুধু পাসপোর্ট দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়ার কথা। অথচ বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রত্যায়ন ঢাকার টা দিলে হবে না। এলাকার টাও দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন বর্তমান ঠিকানায় হতে হবে। সরাসরি না দেখা করলে ডিক্লাইন করে দিবে। মানে যেখানে যেভাবে পকেটে হাত দেয়া যায়।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস এ গেলেই আপনার তথ্যের সমস্যার শেষ নেই । তবে সামনের গেট এ দাঁড়িয়ে থাকা বিসিএস ক্যাডার মানে আনসার গুলো কে ২হাজার টাকা দিলে সব তথ্য সঠিক হয়ে যায় । এভাবেই মাঝে মধ্যে এই আনসার গুলো আপনাকে ডাকবে তারপর সমস্যা সমাধান করে দিবে । ঘুষের পরিমাণ ২ হাজার থেকে শুরু । যার যত বড় সমস্যা তার অঙ্কটা বেশি । ধন্যবাদ বিসিএস ক্যাডার আনসার ভাই ।
মৎস্য ও মৎস্যপন্য রপ্তানিতে নন-প্যাকার লাইসেন্স করতে হয়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ঘুষ দেওয়া লাগত প্রতিটি লাইসেন্স এর জন্য ২০০০টাকা। ২০২৬ এ এসে নতুন ঘুষ এর চার্ট অনুযায়ী প্রতি লাইসেন্স এ ঘুষ দেয়া লাগে ৫০০০০ টাকা। অফিসার — ও —র জন্য ছোট উদ্যোক্তারা এক্সপোর্ট করতে পারছে না ফলে দেশ রেমিটেন্স বঞ্চিত হচ্ছে।
নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সাধারন মানুষ পাসপোর্ট করতে গেলে হয়রানি করে, যত কাগজ লাগে সবকিছু সঠিক নিয়ে গেলেও অনেক ধরনের অযৌক্তিক কারন দেখিয়ে এই ভুল, সেই ভুল। কত ধরনের ভুল যে আছে। তো ভুল ধরে আর বলে বাইরে থেকে বা কম্পিউটার দোকান থেকে ঠিক করে নিয়ে আসেন। অফিসের বাইরে, যতগুলা দোকান আছে সবগুলাই এই ঘুষখোরদের সাথে জড়িত। দোকানে গিয়ে যদি বলে ভাই এই সমস্যা এইটা কি করা যায়, ইভেন দোকানে যাওয়াও লাগে না৷ গেইট দিয়ে যখন বের হবে দালাল রা এসে আপনাকেই বলবে কি সমস্যা বলেন সমাধান করে দেই৷ পরে তাদের নিজেদের দোকানে নিয়ে গিয়ে, কাগজে কিছু লিখে দেয়, অথবা তাদের যেই কাগজ দেওয়ার কথা সেই কাগজ এইটার সাথে যুক্ত করে দেয়। তখন আবারও গেলে শুধু NID ফটোকপি হলেই হয় অতিরিক্ত কোনো কাগজ লাগে না হয়ে যায়। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১৭০০লাগে
ধানমন্ডির দিক থেকে আমি বাইক নিয়ে এসে সায়েন্স ল্যাব মোড় এ ইউ টার্ন নিয়েছি, ওখানে নাকি ইউ টার্ন নেওয়া নিষেধ সাইনবোর্ড দেওয়া ছিলো কিন্তু রাস্তা ফাকা আমি সেভাবে খেয়াল করি নাই, সাথে সাথে আমাকে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড় করাইলো আমার সমস্ত কাগজ চেক করে, সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরে ও বলে যে মামলা হবে ট্রাফিক আইন না মানার জন্য, সার্জেন্ট কে অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরে পাশে এক কনস্টেবল ডেকে নিয়ে বলে যে ১ হাজার টাকা দেন ছেড়ে দিচ্ছি পরে আমি বলেছি আমার কাছে টাকা নাই দয়া করে আমাকে ছেড়ে দেন কিন্তু সে কোনো কথা না শুনেই ২ হাজার টাকার মামলা দিয়ে। ওখানে ডিউটিরত সার্জেন্ট এর নাম (—) কনস্টেবল এর নাম (—)
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ১৩০০ টাকা দাবি করেছে৷ পরে আমি আর করিনি
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দাবি করেছে,এবং তা বিকাশের মাধ্যমে।
তাড়া বলেছিল আমাদের স্যার যেখানে যায় সেখান থেকে কিছু টাকা পয়সা নেয়। আপনি কত দিতে পারবেন। আমি তাকে বলি ভাই আমি এখনো ব্যবসাটা শুরু করি নাই ব্যবসাটা শুরু করি রিনিউ করার সময় কিছু দেই? সে বলে না আমাদের স্যার যখন যায় তখনই নেয়। পরে আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হই। সে তার স্যারের সাথে কথা বলে আমাকে এসে জানায় আপনি ফাইনাল কত দিতে পারবেন বলেন। আমি তখন তাকে সেই ৫০০ টাকার কথাই জানায়। উপরন্তু তারা মোট পাঁচজন এসেছিলেন সবাইকে হাফ কেজি করে হ্যান্ডওয়াশ গিফট হিসেবে দিতে চাই। তাড়া সেটা গ্রহণ করেন। এবং টাকা বেশি পরিমাণে না হওয়ায় তাড়া সেটা নেননা। পড়ে আমার নিরাপত্তা সমস্যা দেখিয়ে ফাইলটা রিজেক্ট করা হয়। অগ্নি নির্বাপক লাগিয়ে আবার আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।