Card printing pending 2 Years
আমার বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স "BRTA approval Completed" 8/9/2024 হয়. আজ ২৩/০৮/ট২৬ এখন পযন্ত কার্ডের কোনো খবর নাই. ১৮০০০ টাকা দিলে কার্ড Address send করে দিবে.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স "BRTA approval Completed" 8/9/2024 হয়. আজ ২৩/০৮/ট২৬ এখন পযন্ত কার্ডের কোনো খবর নাই. ১৮০০০ টাকা দিলে কার্ড Address send করে দিবে.
কাহিনীটা হচ্ছে আমার একটা মিটার নষ্ট ওইটা ঠিক করানোর জন্য ওই লোকটাকে বারবার বলা হয়েছে লোকটা বলছে যে সরকারি লোক আসলে আমি এটা ঠিক করে দিব এরকম করে উনি আট থেকে নয় মাসে নষ্ট রাখছে উনি ওই মিটার টার একটা এভারেজ রিডিং লেখা নিয়ে গেছে পরে যখন ছয় সাত মাস পরে ওইটা ঠিক করার জন্য তারে চাপ দেওয়া হয়েছে তখন সে আসছে। তখন আইসা বলতাছে যে এখনই মিটার মধ্যে রিডিং অনেক বেশি হয়ে গেছে ৬০-৭০ হাজার টাকা লাগবো আমি মিটার চেঞ্জ করার জন্য আমি বলছি আমাকে এডিটিং এর প্রমাণ দেখান তো উনি কোন কারনে প্রমাণ দেখাতে পারেনি উনি গা চুরি করে চলে গেছে ঠিক এর কিছুদিন পরে উনি একটা অফিসার নিয়ে আসছেন আমার ছবি টবি টুইটলা নষ্ট মিটার নষ্ট বইলা আমাকে অনেকে নষ্ট করছে
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ১৩০০ টাকা দাবি করেছে৷ পরে আমি আর করিনি
মৎস্য ও মৎস্যপন্য রপ্তানিতে নন-প্যাকার লাইসেন্স করতে হয়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ঘুষ দেওয়া লাগত প্রতিটি লাইসেন্স এর জন্য ২০০০টাকা। ২০২৬ এ এসে নতুন ঘুষ এর চার্ট অনুযায়ী প্রতি লাইসেন্স এ ঘুষ দেয়া লাগে ৫০০০০ টাকা। অফিসার — ও —র জন্য ছোট উদ্যোক্তারা এক্সপোর্ট করতে পারছে না ফলে দেশ রেমিটেন্স বঞ্চিত হচ্ছে।
ধানমন্ডির দিক থেকে আমি বাইক নিয়ে এসে সায়েন্স ল্যাব মোড় এ ইউ টার্ন নিয়েছি, ওখানে নাকি ইউ টার্ন নেওয়া নিষেধ সাইনবোর্ড দেওয়া ছিলো কিন্তু রাস্তা ফাকা আমি সেভাবে খেয়াল করি নাই, সাথে সাথে আমাকে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড় করাইলো আমার সমস্ত কাগজ চেক করে, সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরে ও বলে যে মামলা হবে ট্রাফিক আইন না মানার জন্য, সার্জেন্ট কে অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরে পাশে এক কনস্টেবল ডেকে নিয়ে বলে যে ১ হাজার টাকা দেন ছেড়ে দিচ্ছি পরে আমি বলেছি আমার কাছে টাকা নাই দয়া করে আমাকে ছেড়ে দেন কিন্তু সে কোনো কথা না শুনেই ২ হাজার টাকার মামলা দিয়ে। ওখানে ডিউটিরত সার্জেন্ট এর নাম (—) কনস্টেবল এর নাম (—)
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দাবি করেছে,এবং তা বিকাশের মাধ্যমে।
I thought I required a character certificate to apply for police clearance certificate at that time, I went to the Ward Councilor Office, I currently reside in Bashundhara, but for temporary relocation, the ward councilor office was moved to Dhaka North City Corporation, Zone-3 (Mohakhali). I went there, firstly they were adamant about not giving me the character certificate because my land lord did not pay the the yearly fees to rajuk. And they told me, they were told not to assist any tenants coming from Bashundhara as they cannot hold Bashundhara R/A owners accountable for this fee. So I requested if there was any other way. Then, they asked for a bribe of BDT 5,000. I refused and left.
তাড়া বলেছিল আমাদের স্যার যেখানে যায় সেখান থেকে কিছু টাকা পয়সা নেয়। আপনি কত দিতে পারবেন। আমি তাকে বলি ভাই আমি এখনো ব্যবসাটা শুরু করি নাই ব্যবসাটা শুরু করি রিনিউ করার সময় কিছু দেই? সে বলে না আমাদের স্যার যখন যায় তখনই নেয়। পরে আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হই। সে তার স্যারের সাথে কথা বলে আমাকে এসে জানায় আপনি ফাইনাল কত দিতে পারবেন বলেন। আমি তখন তাকে সেই ৫০০ টাকার কথাই জানায়। উপরন্তু তারা মোট পাঁচজন এসেছিলেন সবাইকে হাফ কেজি করে হ্যান্ডওয়াশ গিফট হিসেবে দিতে চাই। তাড়া সেটা গ্রহণ করেন। এবং টাকা বেশি পরিমাণে না হওয়ায় তাড়া সেটা নেননা। পড়ে আমার নিরাপত্তা সমস্যা দেখিয়ে ফাইলটা রিজেক্ট করা হয়। অগ্নি নির্বাপক লাগিয়ে আবার আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
পাথরঘাটা জোনের বিদ্যুৎ অফিসে(অফিস রেয়াজুদ্দীন বাজার) প্রধান প্রকৌশলী ও ডিভিশণাল প্রকৌশলীরা মিলে হরিলুট করছে জনগণের। টাকা দাবি করেছে ১লাখ টাকা তাদের অথরাইজ কিছু এজেন্ট(—, —) আছে তাদের মাধ্যমে। তারা এমনভাবে কথা বলবে তারা ১টাকাও নেয় না। কিন্তু বাস্তবতা হল প্রধান প্রকৌশলী একটু হাই লেভেলের কাজ করার জন্য ৫০হাজার-৩লাখ এর নিচে কোন কাজে হাত দেয় না।
আমার গাড়ীর কাগজ হারায় গেছে, উঠাতে গেলাম, বল্লো যে হবে না, আমি জিডি করে নিয়ে গেছি, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স ও নিয়ে গেছি,বলছে যে তাও হবে না, পরে বলছে ভাই ৩০০০ হাজার টাকা দেন করে দিচ্ছি, পরে রিকোয়েস্ট করে ২৭০০ দিয়ে করে নিয়ে আসছি
আমি নির্বাচন কমিশনার অফিসে গিয়েছিলাম, আমার এন আইডিতে দেয়া তথ্য সংশোধনের জন্য।অফিসে প্রদর্শিত তথ্য দেখে ওরা আমাকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বলে, অফিস থেকে আসার পরে আমার পরিচিত এক বন্ধুর কাছে জানতে পারি নির্বাচন কমিশনের কর্মরত এক ব্যক্তির নাম, যিনি ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি সম্পন্ন করে দিতে পারবেন। অথচ আমি যখন সংশোধনের জন্য সরাসরি যাই, তারা সেটা প্রত্যাখ্যান করে।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকেছিলো,সেখানে আমার বিস্তারিত জানার পরও কর্তব্যরত ডিএসবি অফিসার শেষ মুহূর্তে ঘুষ চেয়ে বসে । কিন্ত আমি দিতে রাজি হইনি ।
আসালামুলাইকুম, আমি একজন প্রবাসী,—, আমি আমার মাকে ইতালি আনতে আবেদনের মাধ্যমে যথাযথ বাংলাদেশে ইতালি embassy জমা করি অতঃপর embassy আমার মায়ের visa আবেদন reset করে দেয়। কারন আমার দুই বোন আছে তাদের স্বামীর বাড়ি থেকে জীবন যাপন করে আসছে আমর মাকে italy আনতে হলে আমার বোনের লিখিত ডকুমেন্ট এবং আমার মা একজন অসুস্থ certificate ministri করে italy আদালতের মাধ্যমে আমর মায়ের visa rissue হবে। আমি পল্টন এক সরকারি কর্মকর্তার কাছে সকল doc. পাঠানো হলে আমাকে বলে officer সাথে কথা বলে জানাবে 7/8দিন ঘুরিয়ে 10 হাজার দাবি করে। আমি আদালতে date এসে যাওয়ায় আমি আমার বোনদের docকরতে রাজি হওয়ায় আমার এক বোনের doc হয় তার পর আমার কাছে 5 হাজার দাবি করেন আমি না দিলে ministri ডকুমেন্টস online থেকে সরিয়ে দেয়।
নতুন লাইসেন্স করার জন্য
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা হলো, মনে হলো অফিসে পাসপোর্টের চেয়ে টাকারই বেশি মূল্য! নিজে গেলে একটার পর একটা ভুল ধরা হয়, ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কিন্তু দালালের হাতে টাকা তুলে দিতেই সেই ভুলগুলো হাওয়া—ফাইল সরাসরি অফিসারের টেবিলে, কাজও দ্রুত শেষ! তখন বুঝলাম, সাধারণ মানুষের জন্য লাইন, আর টাকার জন্য শর্টকাট!
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য বেশি টাকা দাবি করেছিল
ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক আবু সালেহ পাটোয়ারি, সে একজন মুফাসসির, কিন্তু কোন ঘুষ ছাড়া কাজ করেনা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর কলঙ্ক এই অফিসার
শেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিতে আমরা ৯ জন ডিমস সিকোরিটি সাভিস এর লোক চুক্তি ভিওিক আছি আমাদের আগষ্ট মাসে ৩ বছরের মেয়াদ শেষ হবে। এখন চুক্তি টি সেনা কল্যাণ এর কাছে চলে গেছে। অনেক জায়গায় সেনা কল্যান অভিজ্ঞ ও আগের লোকজন থাকলে ৫ হাজার টাকা জামানত নিয়ে আবার তাদেরকেয় অগ্রাধিকার দেয়। সে ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের একটা অভিজ্ঞতা সনদ দিবে যেটা সেনা কল্যাণ তহবিলের দিলে অথবা অফিস থেকে আমাদের জন্য সুপারিশ করলে আমাদেরকেই রাখবে। কিন্তু অফিসের জি এস স্যার এই সুপারিশের জন্য আমাদের ৯ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ্য ৪০ হাজার টাকা ঘুষ বাবদ চাইতেছে যদি আমরা না দেই তাহলে আমাদের জায়গায় আমাদের পরিবর্তে অন্য লোক তিনি দিয়ে দিবে টাকা নিয়ে। অথচ তিন বছর থেকে আমরা এখানে কর্ম করতেছি।
একটা জিডি করতে গেছিলাম। লেখালেখি করার জন্য ২০০ টাকা নিছে। পরে জমা দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে। ৯৯৯ এ কল দিয়ে এটার সমাধান হয়। বাট সে আমার কাজটা করেনি আমি বুঝতে পারছি। কয়েকদিন পর জিডি তুলে নেওয়ার জন্য আবার যাই৷ এবং সে বলে "আগেরবার তো কিছু দিলেন না, এইবার যদি চা নাস্তার জন্য কিছু দিতেন" আমি পরে ৫০ টাকা দিয়ে আসছি।