ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক আবু সালেহ পাটোয়ারি, সে একজন মুফাসসির, কিন্তু কোন ঘুষ ছাড়া কাজ করেনা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর কলঙ্ক এই অফিসার
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক আবু সালেহ পাটোয়ারি, সে একজন মুফাসসির, কিন্তু কোন ঘুষ ছাড়া কাজ করেনা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর কলঙ্ক এই অফিসার
আমি ঢাকা উত্তর সিটিকর্পোরেশন মিরপুর ১০ নাম্বার এ ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা চাইল। আমি দেইনি।
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
ফেনী পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট আবেদন ক্যানসেল করতে গেলে সরকারি আবেদন করতে যেখানে ৫১০০ টাকা লাগে সেখানে আমার কাছ তেকে ৮০০০ টাকা দাবি করে বলপ আইডি কার্ড দিবেন ১ ঘন্টা পর এসে ছবি ফিঙ্গার দিয়ে যাবেন ৭ সাপ্তাহ পর পাসপোর্ট নিয়া যাবেন 😑
they are telling my papers have problem all page are not included then computer man ask for his expense for this service , first time i didn't pay (demand was 3000) anything then the reject my application , then 2nd time i pay the computer man,
Cumillar, Burichong sub register a, khotiyan related akta kajer jonno atto tk cay.
The person who check documents said there is something wrong with my documents. i need to go to my education board and fix my name. it’s just a dot (Md.). after that he said me that go to this room and talk with a person. that person said we can solve this issue but i need to provide money. then i said how much she said 20,000. after arguing with she said 19,000 and after few seconds she said last 18,000.
আমার বিয়ের কাবিননামা সম্পূর্ণ ফ্রি পরিশোধ করা হয়েছে এটা রশিদ আমার কাছে আছে। আমার এবং আমার স্ত্রীর উচ্চ শিক্ষার জন্য ডেনমার্কে আবেদন করি। স্পাউচ হিসেবে আমার আবেদল করা লাগে সেজন্য পাসপোর্ট বা অন্য অন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করতে আমাদের কাবিননামা রেজিস্ট্রার কপি প্রয়োজন পরে। সেজন্য আমাদের বিয়ের কাজীর শরণাপন্ন হয়। সরকারি ফ্রি ৫০ টাকা এবং বউ খুঁজার বাবদ ১০ টাকা ফ্রি হওয়া স্বত্তেও সে আমার কাছে ৩০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং এটা দিতে হবে নয়তো সে দিবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি দিতে রাজি না হওয়ার সে পরে আমাকে উক্ত কাবিননামা টি দেয়নি।
রেস্টোরেন্টে নতুন ৩ ফেইজ লাইন নেওয়ার জন্য পিডিবি এক্সেন এর সাথে যোগাযোগ করে আবেদন করা হয়। উনি প্রাথমিক ভাবে ৫ লাখ দিতে বলেন। পরে একটু কমানোর জন্য রিকোয়েস্ট করা হলে এক্সেন সাহেব ফিল্ড ভিজিটে এসে সাত লক্ষ টাকা দাবি করেন। এত টাকা না থাকায় সোলার লাইন লাগানো হয়। পরবর্তীতে সোলার সিস্টেম এড করায় উনি নরমাল কানেকশনের দিতে অপারগতা করেন। একটা নরমাল সিঙ্গেল ফেইজের লাইনের জন্য সাত লাখ টাকা দিতে হবে। যদিও সব ইলেক্ট্রিকাল সাপ্লায় লাইন ঐ রেস্টুরেন্ট পর্যন্ত আছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, বন্দর কিংবা ICD-তে কাজ করেন এমন আমদানি ও রপ্তানিকারকরাই সবচেয়ে ভালো জানেন, কাস্টমসের কার্যক্রমে কী পরিমাণ হয়রানি ও অনিয়মের মুখোমুখি হতে হয়। সবচেয়ে বড় অভিযোগগুলোর একটি হলো, অনেক কাস্টমস কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া ফাইল বা পণ্য সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নিতে অনীহা দেখান। নানা অজুহাতে কাগজপত্র আটকে রাখা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করা কিংবা সময়ক্ষেপণের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এরপর দ্রুত কাজ শেষ করতে অনেক ক্ষেত্রেই ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রপ্তানিকে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি বলা হয়। অথচ একজন রপ্তানিকারককে পণ্য সময়মতো জাহাজীকরণ করতে গিয়ে যদি কাস্টমসের অনিয়ম ও ঘুষের কাছে জিম্মি হতে হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ জাহাজের নির্ধারিত সময় চলে গেলে ডেমারেজ ও
First Name & Last Name এর মাঝখানে কোন স্পেস ছিল না, জাস্ট একটা স্পেস দিবে এইজন্য ১৫০০০ হাজার টাকা দাবি করছিল, পরে তাকে দিয়ে করাইনি, অনেকদিন ঝুলে থাকার পর কি করব আরেকজন কে দিয়ে করাইছি ৫ হাজার
আমাদের একটি জমির ওপর মিস কেইস করা হলে আমরা আমাদের পক্ষে রায় পাই প্রায় ১৫ দিন আগে। সেই রায়ের কপিতে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর দরকার। তারজন্য আমাদের কাছে এখন এই টাকা চাচ্ছে সেখানকার সার্ভেয়ার।
যতগুলো শুরুম আছে সবাই ভ্যাট ফাকি দিয়ে অফিসার কে ঘুস দেয় যে খানে সরকার ভ্যাট পাবে ৪ লাখ সেটা ২০ হাজারে মিটানো হয়
আমি অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার আবেদন করেছি! আবেদন সমন্বয় করতে আমার কাছে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে! আমি এটা প্রত্যাখ্যান করে আমি সমন্বয় না করে চলে আসছি! পরবর্তীতে দেখি আমি তাদের দাবি না মানায় অনলাইন আবেদন বাতিল করে দিয়েছে! ঠিকানা লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম!
একটা জমির পুরনো নামজারী মামলার নথি দরকার ছিল। প্রথমে সব সরকারি নীতি মোতাবেক আগালে এক সপ্তাহেও পাওয়া যাচ্ছিলনা। পরে একজন পিয়ন জানায় সে কাজটা করে দিবে স্যারের জন্য চা পানি সহ দুই থেকে ২৫০০ টাকা খরচ দিতে হবে!
পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের আনসারদের সাথে ঘুষের বিনিময়ে চুক্তি করে নিলে, মরা মাইনষেরও পাসপোর্ট করা যায়। মামলা নিষ্পত্তির কাগজ মূলকপি দেখানোর পরেও, থানার অনুমোদন লাগবে, জেলা প্রশাসকের অনুমোদন লাগবে ব্লা ব্লা... আমি স্ট্রেইট বলে দিছিলাম প্রতিদিন ২০০-৩০০ খরচ করে প্রতিদিন আসবো, তাও আমি ১ টাকাও ঘুষ দিব না। এবং পরেরদিন সাংবাদিক নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেই। তারপর বাসায় এসে বিকেলে পাসপোর্ট অফিসের মেসেজ পাই। পরেরদিন ঘুষ ছাড়াই পাসপোর্ট পেয়েছিলাম। ওদিকে আমার সামনে আমার এলাকার এক ছেলে ৩ হাজার ঘুষ দিছিল। তাকে অফিস থেকে ৩ দিন পর যেতে বলেছিল, কিন্তু ছেলেটি সেদিনই নিতে চাইছিল। পাসপোর্ট অফিসে গেলে ভুলেও তাড়া দেখাবেন নাহ। তাহলে পাসপোর্ট অফিসের সবকিছু থেমে যাবে ৩-৪ দিনের জন্য।
নামের বানান সংশোধন করার জন্য ফাইল জমা দিলাম তিন মাস হলো এখনো কাজ হলো না। এখন প্রতি ফাইলে দশ হাজার করে ঘুষ চায়
ঘুষ ব্যাতিত, নিজে শখে লাইসেন্স করেছি
আমি নিজে আমার গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য গিয়েছিলাম তখন ঝিনাইদহ বিআরটিএর এডি আমার কাছে ডিরেক্ট বলে যে এই ফাইলে ৪ হাজার টাকা লাগবে। তাই আমি ফাইল নিয়ে চলে এসেছি।
নামজারির জন্য টাকা লাগে ১১৫০ তারা চাচ্ছে ১৫০০০ টাকা আমি না বলে দিয়েছি