জন্ম নিবন্ধন সংশোধন
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন জে এস সি সার্টিফিকেট এর সাথে বয়সের সাল অমিল ছিলো। সংশোধন এর জন্য গেলে বলে টাকা লাগবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন জে এস সি সার্টিফিকেট এর সাথে বয়সের সাল অমিল ছিলো। সংশোধন এর জন্য গেলে বলে টাকা লাগবে।
জমির নামজারী করতে ৭০০০ হাজার টাকা দাবি করে।
লক্ষীপুর বিআরটিএ আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দেই। পরীক্ষা শেষে আমার ফিঙ্গার ম্যাচ হচ্ছিলনা। ২-৩ বার ট্রাই করার পরে আমাকে বলে নির্বাচন অফিস থেকে ঠিক করে আনতে। আমি সেখানেও যাই। তারা এপ্লিকেশন জমা নেয়। তারপরেওএসে দেখি ফিঙ্গার ম্যাচ হচ্ছিলনা। পরে এক পিয়ন আড়ালে ডেকে নিয়ে বললো ২০০০ টাকা দিলে ঠিক করে দিবে। তার প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি বড় পোস্টধারী এক অফিসারের রুমে নিয়ে যায়। ঠিক ৫ মিনিট পরেই ফিঙ্গার দিলে তা ম্যাচ হয়ে যায়। আরও একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় , জিকজাক টেস্টের সময় ভিডিও করতে নিলাম সখের বসে, সেখানে একজন এসে বলে “আপনি কি স্যারের কাছ থেকে অনুমতি নিছেন? ভিডিও বন্ধ করেন মিয়া “। আমি বন্ধ করলাম এবং পরে বুঝতে পারলাম যারা টেস্ট এ ফেল করেছে সবাই পাশ ১০-১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে।
আমার কাছে অর্থ চেয়েছিলাম কিন্তু আমি তা দেইনি
আমি দেড় শতাংশ জমি ক্রয় করলাম ৬ মাস আগে ওয়ারিশদের কাছ থেকে , উক্ত ভূমির সর্বশেষ রেকর্ড আর এস অনুযায়ী সাব রেজিস্ট্রেশন অফিসে রেজিস্ট্রেশন করলাম, জমি খারিজ প্রক্রিয়া করতে গেলে যেখানে সরকারি খরচ ১১০০ টাকা, কিন্তু ভূমি অফিসের আওতাধীন তফসিল অফিসে ৯০০০ টাকা দাবি করা হয়, আমরা রাজি হই করার জন্য কিন্তু পরবর্তীতে হবে না বলে কাগজপত্র সমস্যা আছে ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয়
বিমান বাহিনীর বেসামরিক অফিস সহকারী কাম -কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ২০১৫ সালে ভাইবাতে দাবি করে, ভাইবা শেষে পিয়নকে পিছু পিছু পাঠায়, আমি পিয়নকেও না করে দিই।
অনলাইনে ৩ বার আবেদন করার পরে দালাল ছাড়া যাওয়াতে ফিরিয়ে দিছে এখন ৪ ৫ মাস ইচ্ছে করে পেন্ডিং রাখছে।
বাড়ির যায়গার খাজনা দিতে গেছিলাম, ভুমি অফিসে ডুক্তে হাতের ডান পাশ্বের ভবনে ডুকার সময় ডান পাশ্বে একজন কর্মকর্তা নাম জানিনা সম্ভবত পায়ে সমস্যা আছে, অনাকে জিজ্ঞেস করলাম যায়গার খাজনা দিতে এসেছি উনি কাগজ পত্র দেখে বল্লো ৩২০০০ হাজার টাকা দিতে, আমরা শুনে অবাক এতো টাকা কি করে হলো, ভদ্রলোক আমাকে বল্লো বড় সাবের কাছে গিয়ে আলাপ করতে,জন্য বড় সাবের কক্ষ ডান থেকে ১/২ কক্ষ পরে গেলাম উনার কাছে উনি কাগজ দেখে ভেবে চিনতে বল্লো ২৫০০০/ টাকা দেন কক্ষের ভিতরেই আমার পরিচিত একজনের সাথে দেখা হলো যা বুজলাম আমার পরিচিত লোকের আনা গোনা বেশি উনি সহ সুপারিশ করলো তার পরে বল্লো ঠিকাছে সর্ব শেষ ১৮০০০/টাকা দেওয়ার জন্য কিন্তু আমাদেরকে টাকার রশিদ দিবে ১৪০০০/ টাকার, কি করার আছে মেনে নিলাম। পরিচিত লোক না থাকলে ২০হাজার দিতে হতো।
আমার ভোটার আইডিতে নামের ভুল আছে নির্বাচন অফিস এ যাওয়ার পরে বলল হবে না, ওইখানে অফিসের পিয়ন বলল ২০ হাজার টাকা দিলে করানো যাবে। আমি বললাম তাহলে আমার সংশোধন করানো লাগবে না।
সরকারি ফির বাইরেও পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য থাকলেও ঝামেলা হবে না। চা নাস্তার জন্য তিন হাজার টাকা দাবি। আর পাসপোর্ট অফিসের সামনে প্রত্যেকটা দোকান যারা এসব কাজ করে তাদের সাথে কন্টাক আছে অফিসের লোকজনের।
প্রাথমিক (কিন্ডারগার্ডেন) পড়ানোর জন্য অনুমোদন চেয়ে আবেদনের পেক্ষিতে প্রথমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ৫০০০/- নিয়ে ফাইলটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠায়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ১০০০০/ নিয়ে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে পাঠায়। যোগাযোগ করলে বলে ভিজিট করে অনুমোদন করা হবে। গত জুন/২৬ মাসে কুড়িগ্রাম অফিসের একজন প্রাথমিকের ইন্সট্রাক্টর দিয়ে স্কুল ভিজিট করান। ভদ্রলোক সৎ মানুষ, ভাল রিপোর্ট ও দিলেন। কিন্তু পুরা জুলাই/২৬ অপেক্ষা করে অনুমোদন কোন কপি পেলাম না। আগষ্ট/২৬ বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করতে গেলে দুবার ঘুরায়ে কর্মকর্তা ২৫০০০/-টাকা আরেকজনের মাধ্যমে চেয়ে বসেন। এদিকে পড়ানোর অনুমোদন না পেলে প্রাথমিক বৃত্তির জন্য আমার স্কুল থেকে শিক্ষার্থীর সরাসরি অংশগ্রহণ প্রায় অনিশ্চত।
সিলেট বন্দরবাজার ফ্লাইওভার নিচে ট্রাফিক সার্জেন আমাকে দাঁড় করান এবং আমার সকল ডকুমেন্ট চেক করেন আমার না যানা সত্বে দেখে আমার বাইকের কাগজ ১৩ দিন ডেট ফেল তখন ওনার সাথে যে সিপাই এগুলা আছে আমার থেকে ৫০০ টাকা দাবি করতেছে ৫০০ টাকা দিলে বাইক ছেড়ে দিবে আমি বললাম এটাতো আমার না জানা সত্ত্বে হয়েছে আমি এইখানে বাইকটা রেখে যাচ্ছি পাশেই ব্যাংক আছে আমি নবায়ন করে আসছি ওরা বলল ৫০০ টাকা দেন না হয় বাইক রেকার করে দিব আমি বললাম সমস্যা নাই যদি সময় না দেন বাইক রেকার করেন আমি সরকারের ঘরে টাকা দিব বাট আপনাদেরকে এক টাকাও দিব না তখন আমার বাইক রেকার করা হয় এদের এই ঘুষ বাণিজ্যের কি কোন প্রতিকার পাবেনা এই দেশের জনগণ
গত 5 আগস্ট 2024 এর ভুয়া মামলা, বাদীর নোটারি হলোফনামা আছে, কিন্তু police একসেপ্ট করে না, পরে থানা inquiry করে কোন অপরাধ পাই নাই, কিন্তু নতুন ওসি এসে বাসায় রাত দিন শুধু হয়রানি, এর পর দাবি 10লক্ষ পরে 3লক্ষে রাজি হয়। কিন্তু আমি প্রত্যাখান করি। অনেকদিন পলাতক ছিলাম। কেন চার্জশিট দিচ্চে না। আইন এই বিষয়ে কোন সাহায্য করছে না। কোন অপরাধে, এক তিল পরিমান ও রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম না। তাও কেন আমাদের জীবন নস্ট করছে। বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছি বলে। তারেক সাহেব কি করছে, আপনার plan কি আমাদের জুলিয়ে রাখা। আল্লাহ যে একজন আছেন পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রের হয়েনারা কেন যে থা ভুলে যায়। আপনারা আমাদের জন্যে আওয়াজ তুলুন, বদির সরকারের জন্যে। কান্না শোনার দায়িত্বে যারা আছে police-আইন তারা হল প্রদান কসাই, ঘুষ ছাড়া কিছুই বোঝে না ।
Nana Mara jawar por , Nanur name pantion transfer Korarr jonnow khush chichilo Bangladesh railway, chattogram
ট্রেনে টিকেট না কেটে খাবারের বগিতে সিলেট টু আখাউড়া ৩০০ টাকা করে দেওয়ার জন্য, আমরা ৩ জন ছিলাম।
নামজারির সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও কোন দোষ ত্রুটি খুঁজে না পেয়ে উনি ওয়ারী সার্টিফিকেট দাবি করেন। যখন দেখলেন ওয়ারিশ সার্টিফিকেট আছে তখন উনি বললেন এটা ডেট এক্সপায়ার হয়ে গেছে নতুন করে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট নিয়ে আসবে অন্য একজনের মাধ্যমে আমার থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়
আমি গাড়ি নিয়ে আসার পথে গাড়ির সব কাগজ আর হেলমেট পড়া ছিলো, হয়রানি মূলক পোশাক আশাক ঘুষ দাবি করে না হলে মামলা দিবে আমি টাকা দেই নাই পরে মামলা দিয়েছে।
১৭/৯/২০১০,,,আগারগাঁও তিন নামবার কাউন্টার ৭৮৭৯ কোড পাসপোর্ট সেবা দিছেন তার মুল্য ৩৫০০টাকা, কোড নাম্বার টি নেওয়া সেখানখার একজন লোকের মাধ্যমে, লোকটি ছিলো ৩ নামবার কাউন্টার লোক, ৩ নামবার কাউন্টার দেওয়ার সাথে আমার রিনো করার জন্য পাসপোর্ট সেবা দেন, কোষট পাইছি,
খসড়া খতিয়ানে ভূল করে দিছে টাকা না পেয়ে
আসসালামু আলাইকুম। আমার বাবা মারা গেছে দীর্ঘ সাত বছর। উনাকে বিভিন্নভাবে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে যাতে পেনশন না নিতে পারে। পরবর্তীতে হাইকোর্ট থেকে একাধিকবার রায় ওনার পক্ষে আসছে এবং পেট্রোবাংলা কে বলছে উনার পেনশন গুলো দিয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু পরবর্তীতে কোন অগ্রগতি না হতে আমরা পরবর্তীতে যোগাযোগ করি। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর আবার তারা আমাদেরকে সব কাগজ জমা দিতে বলে আমরা সব কিছু জমা দিয়েছে কিন্তু কোন ফলশ্রুতি হচ্ছে না মোভ করতেছে না সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি। এমতাবস্থায় সরকারি অফিসগুলো পেনশন এর জন্য খুবই হতাশার জায়গায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার আম্মা বয়স্ক এবং খুবই অসুস্থ মানুষ উনার চিকিৎসা দরকার এবং এই টাকাটা ওনার খুবই দরকার। যদি সরকারের নজরে পড়ে তাহলে আশা করি ফল পাবো।