নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মূত্য সনদ তুলতে ২০০০ টাকা চায় মেম্বার
আমি একটা খারিজ করেছিলাম এক বছর আগে ভুলবশত আমার খাদরিজের হোল্ডিং খোলা হয় নাই তারপর আমি অফিসে যাই বললাম ফোল্ডিং খোলার জন্য তারপরে নায়েব বলে যে হোল্ডিং খুললে ২০ হাজার টাকা লাগবে।
আমার ৬ বছর বয়সী মেয়ের জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপি জমা দিয়েছিলাম, ওরা বলছে যে ইউনিয়ন পরিষদের যে হাতে লেখা কপিটি জমা দিতে হবে, আমরা দালাল না ধরে নিজে নিজে পাসপোর্ট জমা দিতে গেছিলাম, ওরা জমা নিচ্ছিল না পরে চার হাজার টাকা দিলে জমা নেবে বলছিল, আর না হলে গ্রাম থেকে গিয়ে ওই চেয়ারম্যান থেকে হাতে লেখার জন্মসনদ নিয়ে আসতে হবে.
খাজনা টাকা দেওয়া হয়েছে ৪০০০ খাজনা পরিশোধ করেছে মাত্র ৭০০ টাকা। বাকি টাকার কোন কাজ আর রশিদ নাই এবং টাকাও নাই।
হোল্ডিং টেক্স দিতে গিয়ে লোক পাওয়া যায় না। থাকলে ৯১৫ টাকা হলে ১০০০ টাকা দিলে অবশিষ্ট ৮৫ টাকা ফেরত দিতে চায় না। এখনও হাতে ও রিসিপ্ট কাটা হয় যার কোন দালিলিক প্রমাণ থাকে না। অথচ ঢাকা উত্তর অনেক আগে থেকেই অনলাইনে হোল্ডিং টেক দেওয়া যায়। দক্ষিণে কেনো এটা হয় না?
টিটসি ময়মনসিংহ আগামি মটোর ড্রাইভিং কোর্সের আবেদন এ-র জন্য ফর্ম তুলার সময় সবার কাছ থেকে ১০ টাকা করে নিচ্ছিলো
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এমপিও করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল
আমি ঘুষের টাকা না দেওয়ার কারনে আমার নকলটি এখনও সরবারহ করে নাই।আমি নকল আনিতে গেলে সে আৃার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবী করিতেছে।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার শ্রীপুর পৌরসভা কার্যালয়ে জন্ম সনদ সংশোধনের জন্য গেলে একজন কর্মকর্তা বলেন যে তাকে টাকা দিলে সে আর্জেন্ট কাজটা করে দিবেন দুই দিনের ভেতরে। আর টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘুরতে হবে অফিসে এবং আমি ঘুস দেয়নি স্বাভাবিক ভাবেই জমা দিয়েছি আজ একমাস হলো এখনও কাজটি হয়নি।
১০ শতাংশ কান্দা জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম নেত্রকোনা, মদন উপজেলায় কিন্তু টাকা ছাড়া খারিজ করতে পারিনি।
লাইসেন্স নবায়ন কপি প্রিন্ট চাইলে টাকা চায় ১০০ টাকা
আমি ফ্যামিলি কাড তথ্য সংগ্রহ কারি হিসাবে আবেদন কারি পরিক্ষা দেই সব কিচু অনেক ভালো হয়েছিলো। তার পর স্থানিয় বি.এম.পির নেতা বাড়িতে এসে বলে যদি তথ্য সংগ্রহ কারি হতে চাই তাহলে তাকে ২০০০০ টাকা দিতে হবে না হলে জিবনে হবেনা। আমার থেকে অনেক খারাপ স্টুডেন্ট এর হল আমার হলো না। এমন কি যারা পরিক্ষা দেয় নাই তাদের ও হলো। যদি চাকরি এমনি হয় তাহলে এত নাটকের কিছু ছিলো না
নামজারি করতে টাকা চেয়েছে
Cantt Board people didn't issue completion certificate for getting gate pass
আমি নিবন্ধন করতে চাইছি, আইনজীবী বলেছেন এতে ১০,০০০ টাকা খরচ হবে এবং বিষয়টি কর্মকর্তাকে সামলাতে হবে। আমি অপেক্ষা করছি, এখন আমার কী করা উচিত?
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর বর্তমান নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে শতকরা ৯০% চাকরি প্রত্যাশি টাকার বিনিময়ে চাকরি নিচ্ছে।বিষয় টি ক্ষতিয়ে দেখার বিনিত অনুরোধ রইলো।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেছি।আগে ও অনেকবার করা হয়েছে।তখন সরকারি ফি ছিলো ৫০০ টাকা আর পুলিশদের দিতে হতো ৫০০-১০০০ টাকা।বর্তমানে সে ফি বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়েছে।তারপর ও পুলিশ আজকে কাগজ পত্র জমা দিতে যাওয়ার পর গাড়ি ভাড়া চা নাস্তা বাবদ টাকা দাবি করে।আমাকে অনেকক্ষণ বসিয়ে রেখেছিলো।আমি পরে দিতে অস্বীকৃতি জানাই।পরে না দিয়েই বেরিয়ে চলে আসি থানা থেকে।এমন টা সবার সাথেই হচ্ছে।কেউ কেউ ৫০০ টাকা দিয়েছে
আমার বাসার মিটার পরিবর্তন করার দরকার ছিল পল্লী বিদ্যুতের লোকের দ্বারা করালে অনেক টাইম লাগে অনেক মাসের পর মাস ঘুরায়ে কিন্তু চেঞ্জ করে দেয় না। এই কারণে আমার দালাল ধরতে হয়েছিল সে আমার ১২০০০ টাকা দাবি ১ সপ্তাহের ভিতরে কাজ করে দিবে বলে অগ্রীম ৫০০০ হাজার এবং বিকাশে ২০০০ নিয়ে আজকে প্রায় দেড় বছর হতে চলল ফোন রিসিভ করে না।
আমি চার শতাংশ জমি৷ খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম। অফিস সহায়ক আমার কাছে ১৫০০০হাজার টাকা চেয়েছিল।
০৩ / ০৯ /২০২৬ পার্বতীপুর থানার বর্তমান ওসি ও কয়েকজন এ এস আই থানার মধ্যে সালিশের নামে নতুন ব্যবসা খুলে বসছে। কোনো কিছুর প্রমান ছাড়াই, মানুষের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়ে সেই অভিযোগের ভয় ভীতি দেখিয়ে থানায় বিচার সালিসের নামে টাকা পয়সা আদায় করছে। যে বিষয় গুলোতে কোর্ট সিদ্ধান্ত নিবে সেই বিষয় গুলোতে থানা কিভাবে সিদ্ধান্ত দেয় তা আমার বোধগম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা না থাকলেও তারা আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দিচ্ছে যেনো তাদের সাথে আমি একটা সেটেল ডাউন করি টাকা দিয়ে। নতুবা আমাকে অমুক তমুক করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। অথচ মাদক নিয়ে এদের ফোন করলেও এরা কোনো পদক্ষেপ নেয় না কিন্তু মানুষকে হয়রানি করতে এরা সিদ্ধহস্ত।