নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অন্যের সম্পদের ভুয়া ওয়ারিস দেখিয়ে ২০১১ সালে জাল দলিল মেইক করে দেয় উকিল কমিশনের মাধ্যমে চাট খিল ভুমি অফিসের লোকজন। এতে তারা প্রায় ৩ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে অবৈধভাবে জমির জাল দলিল সাফ কবলা দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার ভুমিতে ভুয়া নামজারীর বিরুদ্ধে আপত্তি দিলেও জাল দলিল সাফ কবলার পরে খতিয়ান মেইক করে দেয়। এইভাবে ফুল চাটখিল ভুমি অফিস ঘূষের উপর চলে। এদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের কোন নজর নেই।
দালালের মাধ্যমে না করলে হয়রানির শিকার ।
ঘুষ চেয়েছিলো মধুখলি ভূমি অফস এর সার্ভেয়ার ।জমি মিটিশন ২বার আবেদন করিয়েছে শেষ পর্যন্ত জমি তাও কম মিটিশন করিয়েছে
প্রতিটি টিআর কাবিখা থেকে ইউএনও ২০-৩০% টাকা দাবি করে। এক অর্থ বছরেই কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। পাশাপাশি মাটি কাটার বিনিময়ে ঘুষ নেয় ব্রিকফিল্ড এবং মাটিকেখুদের কাছ থেকে।
আমার বাবা আমাদের ভাই-বোনের নামে জমি দলীল করে লিখে দিয়েছে,সেই জমি আমাদের ভাই-বোনের নামে নামজারি করতে গেলে জায়গার পরিমাণ বেশি এ কথা বলে ১লাখ টাকা চায় যদি দেয়া হয় তাহলে নামজারি করে দিতে পারবে অন্যথায় নয়। আমাদের জমির কাগজপত্র সব ঠিক আছে কোন ঝামেলা নেই কিন্তু মাঝখান দিয়ে জমির পরিমাণ বেশি দেখে এই টাকা দাবি করে বসে আছে।
আমার এস এসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেট এ বাবা ও মায়ের নাম এ ভুল ছিলো তা ঠিক করার জন্য আমি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড এ আবেদন করি । এবং পরবর্তীতে সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য। আর এই রিপোর্ট প্রদানের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করেন । এবং বলেন টাকা না দিলে রিপোর্ট খারাপ প্রদান করবেন। এবং আমি বাধ্য হয়ে ২০০০ টাকা প্রদান করি
Nitor hospital a trali free 200 tk ata akdom free but akhnay taka nay word boy ra.onk dalal ase
সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ সেবার জন্যে ঢাকা নির্বাচন সচিবালয় এর পাশে আইসিটি অফিসে গেলে তারা বিভিন্ন কথা বলে পরবর্তীতে যোগাযোগ করে যাওয়া হয় তার মাধ্যমে চা খাওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দিতে হবে এবং সরকার কম্পিউটার প্রশিক্ষনার্থীদের ভাতা হিসেবে যে টাকা প্রদান করবে তা থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুমোদনের পর মোট টাকা হতে কেটে নেওয়া হবে।
সরকারি চাকরির জন্য, স্হানীয় এক পাতি নেতায়, এসে বলতেছে, (উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ) বড় ভাইয়ের নামে একটি সিট আছে, অন্য জনকে দিয়ে দিছিল, ওরা টাকা দিতে পারবে না,তোমরা দেও,চাকরির সিট টা তোমাদেরকে দিয়ে দেই।চাকরির সিট নাকি ভাগাভাগি হয়ে গেছিল🤣 আমার বাবা বলেছিল, আমি হজ করে আসছি, আমার ও যাবে আর সন্তানকে ঘুষ দিয়ে চাকরি করালে,ওর সারাজীবনের কামাই বে-হালাল হয়ে যাবে।এটি বলে সাথে সাথে না করে দিই!
খাজনা টাকা বাদ দিয়ে অতিরিক্ত৭০০০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার কথা বলে কাগজের সমস্যা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে অযাথা সমস্যা দেখিয়ে প্রতারণা করে।
নামজারি আবেদন করেছিলাম, আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা না দেওয়াতে শুনানিতে উপস্থিত থাকার পরেও অনুপস্থিত দেখিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। এই কাজের জন্য সরাসরি এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলেও সম্পন্ন করতে পারিনি।
আমার জমির শ্রেণি পরিবর্তন করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিস, এসি৷ ল্যান্ড অফিস, টি এন ও অফিসে প্রতিবেদন সহ অনুমোদন জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয় ২০২৩ সালে প্রেরণ করলে আজ পযর্ন্ত অনুমোদন না করে বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। এ জন্য বিভিন্ন সময় জেলাপ্রশাসক কার্যালয় তদবির করেও কাজ হয় না ।
বলেছিল আমার কাজ তাড়াতাড়ি করে দিবেন।তবে ৫০০০ টাকা দিতে হবে
নায়েব আমার জমি মেপে দিয়ে সাথে সাথে আমার বাড়ি এসে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা দাবি করে, আমি অনেক তর্কের পরে ২০ হাজার টাকা দেই সে এক লক্ষ টাকা নিতে চায় আমি এক লক্ষ টাকা না দেওয়ার কারনে, সে আমার জমির বিরুদ্ধে একটা মামলা দায়ের করেন, যে খাস করে দিবে জমি এই বলে এর বিরুদ্ধে এডিসি স্যার এর কাছে একটা আবেদন করেছি,
সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগের কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।
বি এম ডিসি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য , হাইকোর্টের রায় থাকা সত্বেও জনপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা করে দাবী করেছিলেন।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনার জন্য গিয়েছি,আমাকে আনুষ্ঠানিক খরচের কথা বলা হয়েছে ১৯০০ টাকা দিতে হবে আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে এসেছি।
আমার একটি জমি মালি মামলা শেষ করে সকল রায়ের আলোকে কালনা প্রদান করি আমার নামে পর্চা হয় নিয়ম অনুযায়ী সার্টি ফাই কপি এক্সিলেন্ট অফিস থেকে তুলতে হয় সেই পর্যাটি দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তালবাহানা করে পরে বুঝতে পারলাম তারা একটি টাকা দাবি করে যার পরিমাণ ৫০০০০ টাকা আমি দিতে অস্বীকার করিলে আমার কাজটি আজও পর্যন্ত সম্পূর্ণ করা হয়নি,
এলাকায় বিএনপি নেতা, আমার পরিবারের লোকজন কে অন্যায় ভাবে অনেক মারে। তারপরে অনেক হুমকি দেয়। তারপর আমারা থানায় মামলা নিতে গেলে, তদন্তে যায়। গিয়ে শাক্ষি সহ প্রমান পায়। পরে আমাদের কাছে টাকা নিয়ে পুলিশ চলে আসে। বলে থানায় আইসেন। পরে থানায় গেলে। বলে কোন মামলা নেওয়া হবে না।চলে যান। তখন আমরা বলি যে আমরা মামলা করবোই। তখন বলে টাকা লাগবে বিশ হাজার। কিন্তু সেটা সম্ভব ছিলোনা। পরে মুখ বুজে চলে আসতে হয়েছে। পরে এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান নাম মাএ শলিস ডেকে মিলিয়ে দেয়। কিছুদিন পরে আবার সেই নেতার পরিবার হুমকি দেয়।আগের মাইরের কথা মনে রাতে বলে। দরকার পরলে আবার মারবে। কিন্তু পুলিশ যদি চাইতো এটাকে একটা সহজ সমাধান করেনদিতে পারতো।
আমি একটা জমি কিনেছি সেই জমি খারিজ করার জন্য কারো শত্রু জমা দেয়ার পরে বলে এই জমি খারিজ হবে না যদি ২১ হাজার টাকা দাও তাহলে হবে তা না হলে হবে না এখন পর্যন্ত আমার জমিটা খারিজ করতে পারিনি