সূচি সংশোধন
একটি কাগজে সমস্যা ছিল যা তারা সংশোধন করে দিবে বলে তিন হাজার টাকা চেয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি কাগজে সমস্যা ছিল যা তারা সংশোধন করে দিবে বলে তিন হাজার টাকা চেয়েছিল।
পরচা প্রতি ১০০-২০০ টাকা
ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার শিক্ষা অফিসে ঘুষ ব্যতিত কোনধরনের ফাইল সামনে আগায় না। আমার বাবা মাদ্রাসার শিক্ষক থাকা কালিন দেখেছি এখনও আমাদের মাদ্রাসার কাগজপত্র ভাইয়া করে কিন্তু প্রতি ফাইলেই টাকা লাগে। আর এটির সাথে বিএনপির লোকজন জড়িত। আগে আওয়ামী লীগ জড়িত ছিলো।
আমার এক চাচা ওয়ারিশ সম্পত্তির না জানিয়ে বিক্রি করেছে এবং ভূমি অফিসার কে টাকা দেওয়ার কথা ছিলো, না দেওয়ায় এখন কোন তথ্য আমাদের দেয় না, আগের টাকা আমরা দিলে আমাদের তথ্য দিবে বলেছেন।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে প্রত্যেকটি নামজারির শুনানিতে ১৫০০ করে টাকা নিচ্ছে না দিলে দীর্ঘ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। টাকা দিলে দ্রুত শুনানি হয়ে কাজ হয়ে যাচ্ছে, টাকা না দিলে তার ভোগান্তির শেষ নাই। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রক্রিয়া চলছে, এই অফিসের প্রায় সবাই এতে জড়িত।
নাম পরিবর্তন ও ও টাকা জমা দেওয়ার জন্য তারা টাকা দাবি করে বিআরটিএর ভিতরে ব্যাংকের অফিসাররা এক্সট্রা টাকা দিলে টাকা তাড়াতাড়ি নেয়। মিরপুর 14 নম্বর বিআরটি তে এরকম অবস্থা ভিতরে সব কয়টা মহিলা অফিসার ঘুষ খায় সিরিয়াল বন্ধ রেখে মোবাইলে যে কাজ আসে সেই কাজগুলো করে আর বাইরে থাকা লাইনের মানুষদের বলে সার্ভার নাই নেট নাই
৭ নং আমজানখোর ইউনিয়নের স্কুল হাট এর ভূমি অফিস থেকে স্থানীয় এলাকার যারা খুব হতদরিদ্র তাদেরকে খুঁজে খুঁজে তাদের জমি কি রকম সে জমিগুলো ভূমি দস্যুরা টাকা খরচ করে টাকা খাইয়ে নিজেদের নামে করে নিচ্ছে। অবৈধভাবে ভোগ করে যাচ্ছে ভোগ করে যাচ্ছে। দেখার কেউ নাই।
উপজেলা আমতলী জেলা বরগুনা ইউনিয়ন কুকুয়া ওয়াড ০৯ মাদ্রাসা নাম রহমত পুর ওই মাদ্রাসা সুপার ব্যাপক দুর্নীতি করে সে অন্তত এলাকার ১০/১২ জন কে চাকরি দিছে প্রতিটা লোকের কাছ থেকে ১০/১২ লাখ টাকা করে নিছে ওনি এতো দুর্নীতি করে ছে
নিজ জেলায় বদলির জন্য ঘুষ।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স গারির লাইসেনস সবই ছিল সুধু হালকা জান, মোটরসাইকেল সংযোজন ছিল না তাই আমাকে কেস দেয়।সার্জেন্টের সামনে দিয়ে ১০০ সহ সহ মানুষ হেলমেট ছারা গাড়ি চালাচ্ছে, তাদের কোন কাগজ নাই,এটা তাদের কোন সমস্যা না, আমাকে কেস দেয়।বর্তমান পরিস্থিতি এরকম চলতেছে ।
জমীর খাজনা পরিশোধ আমাদেরকে বলে যে তাকে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে ভূমি অফিসে যে নায়েব থাকে আমাদের টাকা দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা এবং আমাদের টাকার রশিদ দেবে অনলি দশ হাজার টাকা বলুন কত বড় ঘুষখোর এবং বলে অনলাইনে দিতে গেলে আমাদের নাকি লাগবে ২৭ হাজার টাকা
আমি সঠিক প্রক্রিয়া কাজ টি করতে চেয়েছিলাম। আমাকে কয়েক মাস ঘুরিয়ে পরিশেষে ৫০০০০ টাকা চাই।
আমি ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করি ৬ মাস হয়ে যায় তাদের কাছে জিজ্ঞেসা করলে বলে জানাবো কবে হবে এর মধো এক জন পিয়ন দিয়া টাকার জন্য বিভিন্ন ভাবে তারা বলে টাকা না দিলে কিন্তু আপনার লাইসেন্স হবে না এর পরে ওখান থেকে সব লোক পরিবর্তন হয় নতুন লোক আসে সে খানে আমার একজন কলিগ এর বউ জয়েন্ট করে তার কাছে জিগাসা করলে বলে তাদের নাকি আইডি পাসওয়ার্ড হতে ছয়মাস লাগে।
মাতৃকালিন ভাতা কাঠ করে দিবে ৫০০০০ টাকা লাগবে আসলেই কি এই কাঠ করতে টাকা দরকার হয়
পরিসংখ্যান বিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেনির কর্মকর্তা বদলি করানোর কথা বলে আমার কাছে ১০০০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু পরবর্তী আমি দিতে প্রত্যাখ্যান করি বলে আমার বদলি হলো না।আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বদলি হতে চেয়েছিলাম।
আপনি যদি এই টাকা টা দেন তাহলে কাজ টা চালু হবে ভূমি অফিসের এসিল্যান্ড টাকা ছাড়া কিছু কাজ করে না এবং সকল কর্মকর্তা টাকা চাই
খাস এর নাম করে ১.০০.০০০/=টাকার উপরে দাবি করে।দেই নি বলে খাজনা, নেয় না। এস এ দাগ নাকি খাস অথচ আমাদের সকল দলিল,আর,এস কাগজ আছে।
চাকরি দিবে বলে পনের লক্ষ টাকা চেয়ে ছিলো চট্টগ্রাম সেনানিবাসে এক জন অফিসার আমি রাজি হইনাই পরে আমার চাকরি হয় নাই
হাসপাতালে আমার ভাবির সিজারের পর বাচ্চাটিকে অপারেশন থিয়েটার থেকে আনার সময়, অপারেশন এর গেটে থাকা আনসার বাচ্চা হওয়ার খুশির ভাগ দাবি করে, নাহলে নাকি বাচ্চা নিয়ে বেরোতে দেবে না। ওটির আয়াকে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছিলো, বাচ্চা মুছে দেয়ার জন্য ৫০০ টাকা।
পোনে একশত জায়গা মিউটেশন করার জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে তহসিলদার সাহেব টাকা দাবি করে তখন আমি প্রত্যাখ্যান করি