Heba dolil
Amr baba property heba korte giyacilo,150000 tk cayece ,haluaghat sorkari vumi office
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Amr baba property heba korte giyacilo,150000 tk cayece ,haluaghat sorkari vumi office
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। পাস করার পরেও ফেল করাইছে পরে শুনলাম সবাই টাকা দিয়ে করে
শুরু করিতেছি মহান রাব্বুল আলামিনের নামে ঘটনাটি ছিল নাজিরপুর পিরোজপুরের জমি সংক্রান্ত বিষয় আমাদের নিজেদের জায়গা অন্য একজনে রেকর্ড করিয়ে নিয়ে যায় পরবর্তীকালে আমাদের নামে ওই জায়গাটা রেকর্ড করে আনতে আমাদের ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ভূমি অফিসার কে পরবর্তীকালে আমাদের উকিল মারা যাওয়া আমাদের প্রতিবেশীরা আবার তাদের নামে ওই জায়গাটা রেকর্ড করে নিয়ে যায় আমাদের প্রতিবেশীরা অনেক প্রভাবশালী থাকা সত্ত্বে আমরা ওই জায়গাটা আর আমাদের নামে আনতে পারছি না এখন প্রচুর পরিমাণে ঘুষ দিতে হচ্ছে আমাদের এই হচ্ছে এই দেশের অবস্থা কি বলবো আমার বলার ভাষা খুজে পাচ্ছি না ধন্যবাদ ghush.site ke যে আমার মনের কথা খুলে বলতে পারলাম |
নেত্রকোনা জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের একজন ডাক্তার সে নিজ দায়িত্বের বাইরে বিভিন্ন উপজেলায় দায়িত্ব নিয়ে বরাদ্দকৃত টাকা শুধু বিল ভাউচার করে টাকা আত্নসাত করে। কিছুই কিনেনা। কোন সেবাও দেয়না অথচ সেবা দেওয়ার নামে টাকা নেয়, লাইগেশন না করেও সে লাইগেশন করছে মর্মে স্বাক্ষর করে রোগী প্রতি ২৩০০ টাকা নিজের পকেটে ডুকায়
টিকা দিলে দিতে হবে জন প্রতি।
মিস্কেসে এর জন্য টাকা লাগবে
খাজনা রশিদ সহ যাবতীয় কাগজ থাকা সত্ত্বেও চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকার দাবী ভূমি প্রধান সহকারীর
জেলা রেকর্ডরুম শাখায় মামলার জাবেদা নকলের আবেদন করলে তারা ১০০০ টাকা চেয়ে বসে। আমি দিতে নারাজ হলে তারা ১০-১২ দিন সময় বেধে দেয়। বলে টাকা দিলে আজকেই পাবেন।
আমি জমির খারিজ করতে এ গিয়েছিলাম তারা আমার কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা চেয়েছে।আমার সব ঠিকঠাক ছিল
২০ বছর চাকুরী শেষ করে যখন আমার পেনশন কার্যক্রমের জন্য ফিল্ড পে অফিস এ গেলাম, অডিটর আমার কাছে ৭০,০০০/- দাবী করে। আমি প্রত্যাখ্যান করি।
আমি ধাপে ধাপে অফিসের বিভিন্ন খরচ বাবদ প্রায় ২২ হাজার টাকা দিয়েছি,,আমাকে রিছিড দেয়া হয়ে ১৭৫০০ টাকার,,যাই হোক আমি অফিসের সকল খরচ দিয়েছি,,এখন পিয়ন,,মেনেজার এবং আরো দুই জন আছে,,এই দুই জন আমার লোনের সকল কাজ করে দিয়েছে,,উনাদের নাম্বার ছবি বয়েছ, মেছেজ সব কিছু আমার কাছে আছে,,এখন উনারা বলতেছে,,মেনেজার সার ১৫ হাজার টাকা চাচ্ছে মিষ্টি খাওয়ার জন্য,,যদি টাকা না দেন,,তাহলে মেনেজার সাইন করবে না,,,আমি বলেছি মিষ্টি খাবেন ভালো কথা,, টাকা আমার একাউন্টে আসবে,,আমি সবাইকে মিষ্টি খাওয়াবো,,,তাতে রাজি হয় নাই,,বললো,,আরে ভাই,,আপনি বুঝেন না,,মিষ্টি মানে ঘুষ,,,,,,,এই ঘুষের টাকা না দিলে,,, সার,, সাইন করবে না,,,আমি ঘুষের টাকা দেই নাই,,তাই আমার লোন হয় নাই,,,২২ হাজার টাকা ধরা খেলাম,,,এখনো কল দেয়,,বলে,,,ঘুষ দেন। লোন নেন।
চাঁদপুরে হানারচর ভুমি অফিসে যিনি প্রধান কর্মকর্তা একজন মহিলা, তার সহকারি বালাম খাতা দেখেন মোটা করে মহিলা অনারা টাকা ছাড়া কোনো কাজই করে না, টাকা ছাড়া অনেক ঘুরায়,আজ না কাল, রবি বারে আসেন, শনি বারে আসেন এভাবে ঘুরায় যতক্ষন না টাকার কথা বলছে এভাবে অড়া ঘুরায় দাখিলা, বা খারিজ এর ক্ষেত্রে অনেক টাকা নেয় দাখিলা ২ হাজার, জমি খারিজ ৯ হাজার নেয়।
চাকুরীতে জয়েনিং এর সময় এমপিও আবেদন করতে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করা হয়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই।
Amar choto Vai er sob papers thik thakly passport office niccilo na, jokhon Dalal diye joma dilo tkn niye nilo .
রেলওয়ে যাওয়া জমির টাকা উত্তোলনের জন্য সর্বমোট ১২% চেয়েছিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত খরচের টাকার বিল ভাউচার হিসাব রক্ষণ অফিসে জমা দিলে জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ৫ শতাংশ টাকা না দিলে বিল পাস করেননি পরে বাধ্য হয়ে বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও সাংবাদিকদের জানানো হয়।
বেতকা ইউনিয়নের ভূমি অফিসে চলছে ঘুষের রমরমা ব্যবসা
আমি একটি নিবন্ধন করতে যখন ইউনিয়ন পরিষদ এ যাই। তখন সেখানে দায়িত্বে থাকা উদ্যোক্তা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করে। যেখানে সরকারি ফিস ছিল ৫০ টাকা।
সেবাটি ছিল বদলি সংক্রান্ত। আমি একজন চতুর্খ শ্রেনীর কর্মচারী।আমার শারীরিক অসুস্থতার কারনে নিজ জেলায় বদলির আবেদন করলে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার কাছে বদলির জন্য ৩০০০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে। পরবর্তীতে আমি অপারগতা প্রকাশ করলে উনি আমাকে বলে এমন বদলি সরকারি নিয়ম বহির্ভূত। টাকা ছাড়্ কোন সিস্টেম করা যাবে না।
আমার ভূমির বিডিএস জরিপের পর্চা ও নকশা দিতে ৩০,০০০/- ঘুষ দাবী করে সার্ভেয়ার সহকারী তখন সার্ভেয়ারও তার সম্মতি জানায়।তাদের চাহিদা মত ঘুষ দিলে ঐ দিনই (২৮/০৭/২০২৬ ইং) পর্চও নকশা দিয়ে দিবে জানায়।ইতোমধ্যে তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি।অদ্য ০১/০৯/২০২৬ ইং তারিখেও আমাকে পর্চা ও নকশা প্রদান করে নাই।