ফিঙ্গার
আমি একটি ফিঙ্গার দিতে গেলে আমার ফিঙ্গার নেওয়া যাবে না বলছে। 500 ঘুষ দিলে ফিঙ্গার নেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি একটি ফিঙ্গার দিতে গেলে আমার ফিঙ্গার নেওয়া যাবে না বলছে। 500 ঘুষ দিলে ফিঙ্গার নেয়।
নরমালি নামজারি বা মিউটেশন করতে গেলে ভুমি অফিস এবং এসি ল্যান্ড অফিস ২০/২৫ হাজার টাকা নেয়। এছাড়া এরা কাজ করে নাহ৷ এইবার তাই ই বলেছি দিব অগ্রীমও দিয়েছি ৫ হাজার, বলেছি কাজ হলে বাকিটাও দিব, কিন্তু এরা প্রথমে বললো হবে পরে বলে নাহ হবে নাহ এইটা তো খ-তফসিল, অর্পিত সম্পত্তি। ৬০ হাজার লাগবে, খ-তফসিল আইন অনেক ২০১৩ ২৮(ক) আইনে বাতিল করে দিয়েছে। বললাম মানে নাহ। আমি ২০/২৫ হাজার অফার করেছি। করবে নাহ কাজ। কি করার পরে একজন দুদক এর অফিসার দিয়ে ভুমি অফিসে কল দিয়ে ফাইল এগিয়ে নিতে বলি। গেলাম কিন্তু কাজ হলো নাহ, আগের পুরাতন খতিয়ান অনলাইন নাই, তাই কাজ হবে নাহ। কি করবো? এসি ল্যান্ড এ যান, গেলাম, ১৫ দিনের টাইম লাইন বেধে দিল। আমার সাথে একজন গেছে উনি ২০ দিন ধরে ঘুরছে। উনারও খতিয়ান অনলাইন হয়নি। এখন আমি সেই লাইনে
ভাবি প্রথমে খারিজ এর আবেদন করলাম তারপরে কেস নাম্বার পরলো। তারপরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসার অর্থাৎ নায়েবের কাছ থেকে প্রস্তাব নিয়ে আসলাম। তারপরে উপজেলা এসিল্যান্ড মহোদয় এর অফিসে জমা দেওয়ার সময় ২২০০ টাকা এর আর একটা চার্জ নেওয়া হয় এটা দিলে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে খারিজ হয়ে যায়। তখন কোন কাগজ পত্র কিছুই লাগে না। এই হচ্ছে অবস্থা
ঘটনা ২০১৯ সালের আমি হটাৎ খেয়াল করি আমার এসএসসি সার্টিফিকেটে বাবার নামের কিছু অক্ষর ভুল আছে। সেটা সংসধনের জন্য আমি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে গেলে আমি সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ফরম পূরন করি ও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকড্রাফ করে করি প্রতি কাগজ সংসধনির জন্য সে পর্যন্ত সব ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু কাগজ জমা দিতে গেলে অল্প সময়ে কাজ করিয়ে দিবো বলে আমার কাছে অফিস সহকারী সে ৩০০০ টাকা দাবি করে নতুবা কাগজ জমা নিবে না বলে জানায়। পরে পরিচিত এক স্যার উনি নিশ্চিত ভালো মানুষ তার সাথে আমার পরিচয় হয় এবং উনাকে আমার সমস্যা কথা বললে সে নিজে গিয়ে ফাইল জমা করান এবং ওই অফিস সহকারী কে শাসান যাতে এধরনের কাজ না করেন পরি সঠিক সময়ে আমার কাজটি সম্পুর্ন হয়েছে আর কোন সমস্যা হয়নি।।।। ধন্যবাদ ওই অফিসার যিনি নিঃস্বার্থ রুপে তার কাজ করেছেন।।।
নামজারি করার কথা। সব করে দিবে 8000 চায়
“সার্ভারের সমস্যার কারণে টাকা জমা দিতে দেরি হয়েছে । দুপুর ১টার পর পাসপোর্ট অফিসের গেটে পুলিশ প্রবেশ করতে দেবে না। অফিসে অনেক ঝামেলায় ঢুকলাম, অফিসে ঢুকে দেখ আসনে কেউ ছিল না। কিছুক্ষণ পর একজন এলো এবং আমাকে বলো দ্বিতীয় তলায় যেতে একবার বলো তৃতীয় তলায় যেতে এতে প্রায় ১ ঘন্টা শেষে আমাকে জিজ্ঞাসা করা হলো কে আপনাকে কে পাঠিয়েছে তাকে ফোন করতে ফোনে কথা বলা পর আমার ডকুমেন্টস সিল দেয় সিল দেওয়ার পর ছবি তুলতে একই ঘটনা ছোট বাচ্চা নিয়ে হয়রানি করেছে অনেক ।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য আমার কাছ থেকে নিকলী থানার এসআই ৩ হাজার টাকা ঘুষ চাইছি সেটা নাকি তাদের খরচ স্যার বিনিময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করে দিবে এক সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাবে অন্যথায় নাকি হবে না
অনলাইন রিটার্ন দাখিল অসমর্থ হলে পেপার রিটার্ন দাখিল করা যাবে মর্মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিগত ২৮/৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে বিশেষ আদেশ প্রচার করেন। আমি তৎপ্রেক্ষিতে বিগত ১৫/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে আমি করদাতার পর্যাপ্ত উপকরন এবং পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকার কারণ উল্লেখ পূর্বক আবেদন করেছি কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় সমাধান না করে অনৈতিক অবৈধ উৎকোচ দাবি করেন।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র মিটারের জন্য টাকা জমা দিয়েছি দুই বছর পশ্ন করলে উত্তর দেয় আবেদন করা হয়েছে দুই বছর একই কথা
হেবা দলিল করতে যেখানে সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকা লাগে সেখানে মৌলভীবাজার সাবরেজিস্টার অফিস আমার কাছে ২৫০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে। মৌলভীবাজারের সাবরেজিস্টার অফিস, বিআরটিএ,ও পাসপোর্ট অফিস ঘুষের কারখানা।
জমি নাম জারির করার জন্য আবেদন করেছিলাম, সেখানে প্রতি শতাংশে ১০ হাজার টাকা অতিক্রিতো দাবি করেছিল ভূমিক কর্মকর্তারা আমি ওই মুহূর্তেই প্রত্যাখ্যান করেছিলাম
সরকারি ফি ৫০৳, সচিবকে দিতে হয় ৩০০ থেকে ৪০০টাকা, সরকারি ফি ১০০ টাকা সচিবকে দিতে হয় ৭০০/৮০০ টাকা, এটা ভাগ হয়, UNO অফিস সহ সকলে ভাগ পায়
ঝিনাইদহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে গেলে সকল কাগজ সঠিক থাকার পরেও ফাইল ছুড়ে মারে এবং বলে আপনি পাসপোর্ট পাবেন না,আপনার কাগজে ভুল আছে,কি ভুল আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনি নিজেই খুজে দেখেন কোথায় ভুল করেছেন। কিন্তু কোন ভুল দেখাতে পারেন নি,পরে এডি স্যার এর রুমে ফাইল নিয়ে দেখালে তিনিও বলেন কাগজপত্র সঠিক আছে।নিচের ডেস্কে বসা ব্যাক্তিকে ডেকে কথা বলেন এবং আমাকে সাথে করে নিচে নামার সময় বলেন ২০,০০০ টাকা দিয়ে যান, কোন কাগজ ঠিক করা লাগবে না,১ সপ্তাহ পরে এসে পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন,টাকা দেইনি বলে আজ ৭ দিন পাসপোর্ট অফিসে ঘুরে ঘুরে আজো পাসপোর্ট করতে পারিনি। আজ আবার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে।
নাম জারি করতে গেলে বলে ৮০০০টাকা লাগবে আমি বলি কেন সরকারি ১১৭০ টাকা লাগার কথা । তিনি বলেন ৮০০০লাগবে করলে করেন নইত যান।
আমি 11 নং ওয়ার্ড এ প্রত্যয়ন এ আবেদন করি, যেটা কাউন্সিলর অফিস থেকে 100 টাকায় পাওয়া যায়, কিন্তু আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়, যেমন ঠিকানা ঠিক নেই, জন্মস্থান ঠিক নেই, বাবা মায়ের নাম অক্ষড় গড়মিল, সহ নানা ভাবে হয়রানি করা হয়। পরবর্তীতে দালাল গেইটের বাহিরে দাড়িয়ে বললো 1000 টাকা দেন সব ঠিক হয়ে যাবে।
এটি জমির নামজারি করতে হবে যার জন্য টাকা ছেয়েছিল
They wanted 70k to expand the amount of pension and give it faster. They were people from Sena Kollan Sangstha.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফাইল জমা দিলে চাহিদা মত 500-1500/- টাকা দিলে সার্টিফিকেট 7 দিনে দেয় আর টাকা না দিলে সার্টিফিকেট পেতে 20 দিন-30 দিন এর বেশি লাগে
প্রাইমারি শিক্ষক হিসেবে বদলি হতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ১৫০০০ টাকা দাবি করেন। না প্রদান করতে চাইলে বদলি আবেদন বাতিল করে দেন
There are so many broker in front of Passport office ,Agargaon where they requested me to provide 10 k taka bribe and that person communicate with officer where the token were given ( Mathar chul kom) and he just take the money and communicate with high official and broker to settle the dead. Unfortunately that day the server was not functioning, the broker told me if you want to make the pasport you have to go to Siddirganj branch-Narayanganj, can I arrange it? Then I went to Siddirganj Passport office and agreed to provide 10 k taka to respective broker and he sent me to Siddirganj and I give my finger. This is the process of ghush, but after getting the passport, i didn't provide gush.