নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অভিযোগের বিষয়: ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে অনৈতিকভাবে ১,০০,০০০ টাকা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির অভিযোগ আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং “ইত্যাদি বাজার” নামে একটি দোকান পরিচালনা করি। আমার দোকানের মাসিক ভাড়া ৪০,০০০ টাকা। ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অফিসে গেলে আমাকে জানানো হয় যে দোকানের ভাড়ার ওপর ১৫% হারে প্রতি মাসে ৬,০০০ টাকা ভ্যাট দিতে হবে। একই সময়ে আমাকে বলা হয়, দোকানটি বাড়ির মালিকের নামে না রেখে আমার নামে করার ব্যবস্থা করলে নাকি ভ্যাটের বিষয়টি বিশেষভাবে/সহজে সমাধান করে দেওয়া সম্ভব হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে আমাকে বলা হয়, “স্যারকে খুশি করার জন্য চা খাওয়ার জন্য ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা দিতে হবে।” আমি এই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সেখান থেকে চলে আসি
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম। সেই অফিসের এক কর্মচারি বলে তোমার কিছুই করতে হবে না।আমাকে ১০০০০ টাকা দিবা সব কিছু হয়ে যাবে।তারপর টাকা দিলাম পুরোটাই যখন রিটেন পরিক্ষা দেওয়ার পর মৌখিক পরিক্ষা দেই তখন মেজিস্টেট তখন ৫ টি প্রশ্ন করে আমি ৩ বলতে পারছিলাম। তারপর সে আমাকে লালকালি দিয়ে বের করে দেয়। অনেকই কিছুই ধরে নাই তাও পাশ। আমার পাশে৷ একজন যখন লিখিত পরিক্ষা দিয়েছে তার নিজের নাম খাতায় লিখতে পারে না।এই হলো দেশের অবস্থা।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙস্রী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া মৌজায় একটি জমি ১৯ শতাংশ ১৯৬৭ সনে সরকার নিলামে একজন ক্রেতাকে বিক্রি করে। তখন থেকে ৪৯ বছর ক্রেতার নামে নামজারি ও তার ভোগ দখলেই ছিল জমিটি। হঠাৎ ২০২৫ সনে দেখা গেল ভূমি অফিস থেকে অন্য দুইজনের নামে এই জমি থেকে ৫ শতাংশ নামজারি করে দেয়া হয়েছে। ১৯৬৭ সনে যিনি নিলাম সূত্রে জমির মালিক হয়েছেন তাকে শুনানিতেও ডাকা হয়নি। এর বিরুদ্ধে ১৫০ ধারায় মিস কেস করতে গেলে ভোগান্তির শেষ নেই।
দুই হাজার টাকা চাইলে আমি তা দিতে অস্বীকার করি এবং আমাকে ভর্তি না করে অন্যত্র যেতে বলে।
শিক্ষা সনদ সংশোধন করতে হবে তাই তারা টাকা চেয়ে ছিলো,, এখানে অনেক দালাল রয়েছে, কর্মরত অফিসাররা যারা শংশধনের আবেদন করে থাকেন যারা মেসেজ পাঠান যা দেখে আবেদন কারি মিটিং এ যেতে পারে এবং পরবর্তিতে সংশোধন হয়ে থাকে সেই মেসেজ তারা টাকা না দিলে পাঠান না অর্থ দাবি করেন।
টাকা না হলে পাসপোর্ট হবে না
BMET অফিসে ফিঙ্গার দিতে গেলে অবৈধ ভাবে টাকা দাবি করে। কম শিক্ষিত কমজানা মহিলাদের থেকে এই ব্যবসা করে। ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ ফিলাপ করার পরও ওরা বলে এটা হয় নাই ওইটা হয়নি এগুলি বলে মানুষের থেকে টাকা দাবি করে। যদি আর্থিক লেনদেন করে তাহলে তো অবশ্যই মানি রিসিট দিবে তো মানি রিসিট দেয় না। কারণ সম্পূর্ণ টাকা হইলো পকেট মানি (ঘুষ)।
১১৭০৳ সরকারী ফি কিন্তু,ইচ্ছামতো অর্থ আদায় করছে এরা
আমার একটি ক্রয়কৃত জমির নামজারির আবেদনের জন্য রাধানগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। যা আমার নিজস্ব এলাকা নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানায় অবস্থিত। আমার কাছে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ২৫০০০ হাজার টাকা দাবি করেন একটি নামজারি আবেদন করার জন্য।আমার ক্রয়কৃত জমির মূল্য ছিল ৫ লক্ষ টাকা। আমি ঘুষ বাবদ দাবি করা ২৫০০০ টাকা দিতে অসমর্থ ছিলাম এবং আমি নামজারির আবেদন না করেই ফেরত চলে আসি।
আমার ছোট ভাই সৌদি আরব থেকে ভোলা আশার পথে। আমাদের ভোলা ইলিশা ঘাটে কুলিরা ২ হাজার টাকা। দাবি করচে৷ যদি তাদের কে ২ হাজার টাকা নাই দেই তাহলে তারা। বিদেশ লাগিজ নিতে দিবে না। এটা সুধু আমার সাথে না। এমন টা সব প্রাবাসি দের সাথে এরা করে। আমি এটার প্রাতিকার চাই
চারটি জমি নাম জারি করাতে গেলে 30,000 টাকা চায় পরে 20,000 দিয়ে নাম জারি করাই। কিন্তু সরকারি মূল্য 1175 টাকা।
জমি দলিল দাখিল করা হয়েছিল দলিল পার হবার আগ মূহুর্তে ঘুষ দাবি করে।৩৫০০০ টাকা
পারিবারিক সম্পত্তি তার একটা বন্টন নামা দলিল করবে এই দলিলের জন্য সাব রেজিস্ট্রি অফিসার গুলশান এবং তার দালাল 25 লাখ টাকা দাবি করে এই টাকায় ওপারগতা প্রকাশ করলে দলিলটি বিভিন্ন অজুহাতে রেজিস্ট্রি করতে ধনিয়া প্রকাশ করে
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। কাগজ পত্র জমা দিয়ে গিয়ে বেশ কয়েকদিন হয়রানির শিকার হয়।পরবর্তী আনসার সদস্য বললো বাড়তি ১৫০০ টাকা দেন একদিনেই হয়ে যাবে। যদিও টাকা দেয় নি।
গত ০১/০৯/২৬ ইং তাং বায়জিদ বোস্তামী পোস্ট অফিসে স্পিড পোস্টের মাধ্যমে পার্সেল পাঠাতে গিয়েছিলাম। তারা আর আমাকে সব ধরনের অসহযোগিতা করে, এবং পার্সোনাল ডাক টিকেটে গুলো আমাকে দিয়ে লাগায়। পরে জিজ্ঞেস করলাম যে, সকল কিছু আমি করে দিলাম আপনারা কিছুই করলেন না এটা কেমন ধরনের সার্ভিস হলো। তখন পোস্ট অফিসের ভেতর জিনিস সরকারি সিল মারেন তিনি আমাকে বললেন আপনি ১০০/১৫০ টাকা বকশিস দিলে আমরাই করে দিতাম সব। তারমানে উনাদেরকে যদি আমি ১০০/১৫০ টাকা দিয়ে দিতাম তাহলে উনারা আমাকে সকল ধরনের হয়রানী গুলো করত না।
প্রথমে আমার এক ছোট ভাই থানা থেকে কল দিয়ে বলছে তোমার পাসপোর্ট ভেরিফাই করার জন্য যাবতীয় কাগজগুলো থানায় নিয়ে আসো। পরে ছোট ভাই আমাকে নিয়ে থানায় যায়,সকাল ১১ টার সময় থানায় গিয়েছি তবুও ডিউটি অফিসার তার ডেস্কে আসে নি যেখানে সকাল ৯ টায় থাকার কথা। কাগজ গুলো দেওয়ার পর ২০০০ টাকা দাবি করলে সাথে সাথেই আমি অ্যাকশনে চলে যায়। তুমুল বাকবিতন্ডায় অন্যন্যা পুলিশগন ও সেই রুমে উপস্থিত হয়, তারা তখন অনেক ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল বাট আমি কোনো ভয় না পেয়ে তুমুল ঝগড়া করে, এক টাকাও ঘুষ না দিয়ে চলে আসি
ল্যান্ড সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনাল, ময়মনসিংহ এর বিচারক ৫ (পাচঁ) লক্ষ টাকা ঘুষ না দেওয়ার আমার জমি বিবাদীরপক্ষে আদেশ দেয় আদালত। আমি গরিব মানুষ এত টাকা নাই, থাকলে দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে হলেও বিপদ থেকে মুক্ত হতাম।
মেয়র কতৃক মনোনীত ব্যক্তি দিয়ে সরকারি দপ্তর সিটি করপোরেশনের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আমাদের পৈত্রিক জায়গা জবরদখল করে উকিল লেলিয়ে হয়রানির পাশাপাশি মোটা অংকের টাকা দাবি। উক্ত জায়গার খতিয়ান, খাজনা সব আপডেট আছে আমাদের নামে। উদ্দেশ্য নাম মাত্র মুল্যে আমাদের থেকে জায়গাটা লিখে নেওয়া।
আমি ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে শাহগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমি নামজারি করার জন্য যাই। তখন আমার দললিলে সামান্য নামের ভুল ছিল। সেই নামের ভুল টার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে একটি প্রত্যায়ন গ্রহণ করি। তারপরেও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর আমার কাছ থেকে ১০,০০০ হাজার টাকা দাবি করে। ওনাকে ১০,০০০ হাজার টাকা সে আমার জমির নামজারি করে দিবে না হলে সে নামজারির কাজ করবে না পরিষ্কার করে বলে দেয়।
প্রথমে আবেদন পত্র ৫০ টাকা দাম কিন্তু নিয়েছে ১০০ টাকা। আজিমপুর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গোরস্থানের পাশে। কাজটি করার জন্য সরকারি বিধি মোতাবেক ৪৫ দিন সময় লাগে কিন্তু উনি কাজটি গড়ি মসি শুরু করেন আজ না কাল কালনা পরশু এমন করেন এবং ৭০০০ টাকা দাবি করেন কাজটি সম্পন্ন করার জন্য । আমার সাড়ে চার মাস সময় লেগেছে পরবর্তীতে আমি একজন ক্রাইম রিপোর্টার দিয়ে উনাকে ফোন করানোর কারণে উনি কাজটি করে দিতে বাধ্য হন।