নামজারি বা খারিজ
ভূমি নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। ঘুষ দেয়নি বলে নায়ক সাহেব ফাইল ছাড়ছে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভূমি নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। ঘুষ দেয়নি বলে নায়ক সাহেব ফাইল ছাড়ছে না
অনেক খারাপ ব্যবহার করেছিল। বারবার ঘোরাচ্ছিল। পরে আমি দুদকের এক বন্ধুকে দিয়ে ফোন করিয়েছিলাম পরে ছেড়েছিল এমনিতে।
আমি আমাদের একটু পুরাতন দলিলের নকল তুলতে রংপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে য়াই। নকল টি তুলতে চাইলে আমার কাছে প্রথমে ৩০০০ টাকা চারয় পরে ২৫০০ টাকা কেটে দেয়। বেশি দাম চায় তাই আমি নকল টি তুলি নাই।
একটা কাবিননামা সত্যায়ন করতে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে তারা আমাদের ডকুমেন্টস ভুল আছে বলে করে দিতে চাই না। পরবর্তীতে বলে টাকা দিলে করে দিবেন।আমার ডকুমেন্টসে কোনো ভুল ছিলো না।
সেনাবাহিনীতে সৈনিক হতে অনারারী ক্যাপ্টেন পর্যন্ত যে সকল সেনাসদস্যরা পেনশনে গমন করে।তখন তাদের প্রতিটি রেকর্ডের সংশ্লিষ্ট এফ পি ও /এফ সি করণিকদের প্রতিটি সেনাসদস্যদের নিকট ৫০০০০/- হতে ১৫০০০০/- টাকা পর্যন্ত দাবি করে,যা সেনাবাহিনীতে ২৫/৩০ বচর চাকুরী করার পর অবসরে গমনের সময় অত্যন্ত গর্হিত কাজ।কেও না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে যা মোটেই কাম্য নয়।
থানায় একজন মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছে তখন পুলিশ এটা মিটমেট করার জন্য ৳500 দাবি করে
আমার জন্ম নিবন্ধন ঠিক করার জন্য আমার কাছে ৫০০ টাকা চাইছে
প্রথমে একটা পরামর্শঃ সিটি কর্পোরেশনের পর “পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ” নামে দপ্তর বাড়াবেন প্লিজ। এরপর, আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে জানতে পারলাম, দালাল ধরে লাইসেন্স না করলে কিংবা আপনার বড় কোন মামা-খালু বা সরকারী কানেকশন না থাকলে আপনি যত ভালই পরীক্ষা দেন, আপনাকে ফেইল দেখানো হবে। কোনভাবেই আপনি দালাল ছাড়া পাশ করতে পারবেন না। আর দালাল ধরলে কোনরকম পরীক্ষা দিলেই আপনি পাশ। এটি কিভাবে সমাধান হবে আমার মাথায় আসে না। যুগ যুগ ধরে এই পদ্ধতি চলমান আছে।
নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে গিয়ে আমি হেনস্তার স্বীকার হয়েছি। আমি মূলত চাকুরীজীবী। ছুটি নিয়ে আসা খুব কষ্টের। কিন্তু দালালের সাথে কন্ট্র্যাক্ট না করার কারণে অফিসার স্যারেরা আমার ফাইল সাইন ই করেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি তোলার জন্য চাকুরির রিস্ক নিয়ে আমি কয়েকদিন গিয়েছি। একদিন গিয়ে দেখি আমার ফাইল টেবিলের নিচে পরে আছে। আমি অফিসারের সামনে আমার ফাইল ছিড়ে ফেলেছিলেম।
খারিজ করতে গিয়েছিলাম কাগজগুলো ছিল কিন্তু আমাদের করে দেয়নি উল্টো আরো বলে দিছে যদি টাকা না দেই তাহলে অন্যের নামে করে দিবে
আমার বাবার জমি কিনেছিল। কিন্তু সাথে সাথে নাম জারি করেনি। পরে গিয়ে দেখা যায়, পূর্বের মালিক ধোকাবাজি করে তার নামে নামজারি করে রেখেছে। আমরা তা আমাদের নামে করতে চাইলে তারা পূর্বের মালিকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে আমাদেরকে তা করে দিতে অস্বিকার করে।
২০২৩ সালে আমার সাবেক স্ত্রী কর্তৃক থানায় হয়রানির শিকার হয়ে লিগ্যাল এইডে যাই আইনী সহায়তা পেতে। ওখানকার অফিস সহকারী দ্রুত সহায়তা পেতে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়। নতুবা ১ মাস পর ডেট দেবে বলে জানায়। আমি তা দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং প্রতিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হই।
আমার মায়ের নামে মিজমিজি তে ৩ শতাংশ জমির BDS survey করার জন্য গেলে তারা আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করে।আমি সেটা দিতে অস্বীকৃতি জানাই,তখন আমকে তারা তুই-তুকারি করে বলে তোর জমির কাজ হবে না,এইভাবেই পরে থাকবে, ভবিষ্যতে বিপদে পরবি,চানমারি উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে যা বুজলাম যে সবাই এই ঘুষের সাথে পুরোপুরি ভাবে জড়িত। আমার কাছে তাদের সবার পরিচয় আছে এবং কিছু প্রমান আছে।
৩ বছর আগে করা ট্যাক্স রিটার্ন ফাইলে ১৬ লাখ টাকার হিসাব চায় (আত্মীয় থেকে ধারপ্রাপ্ত) এবং সুরাহা করে দেয়ার জন্য ৫ লাখ টাকা ঘুষ চায়। যখন পর্যাপ্ত প্রমাণ হাজির করা হলো তখন বললো ১০ বছর আগের ফাইল নাই কেনো। সেই সময়ের কয়েকটা ফাইল আপডেট করার জন্য ১৫-২০ হাজার টাকায় করে দিবে এমন অফার করে ট্যাক্স ইন্সপেক্টর। সহকারী কর কমিশনার এর সাথে কথা বলেও লাভ হয়নাই। উনি ইন্সপেক্টর এসাইন আমাদের সামনে করে দেয়ার পর তখনই এই অবস্থা। সবাই ই জড়িত এ ব্যপার গুলোতে।
নামজারি করার জন্য আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম সেখান থেকেই আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যা দেখায় আমারে কাগজে আমি বিভিন্ন বার কাগজ ঠিক করে নিয়ে যাই তারপরে তারা বলে যে এই কাগজ ভুল ও আমাকে এভাবে হয়রানি করতে থাকে তারা।একপর্যায়ে তারা আমার কাছ থেকে টাকা চায় তাহলে কোন কাগজেই সমস্যা থাকবে না 20 হাজার টাকা। আমি তারপর সে সেখানকার দালালের মাধ্যমে গিয়ে আমার কোন কাগজ আর ঠিক করতে হয়নি অটোমেটিক কাজটা হয়ে গেছে আরো কিছু কাজ বাকি আছে আর একটা নামজারি করতে হবে তো দালালের মাধ্যমে গেলে সবকিছুই সম্ভব আপনি নিজে করতে যাই তাহলে পারি না ঘুষ দিলে সবই সম্ভব বাংলাদেশ
বি ডি এস জরিপ গোপালগঞ্জ ঘোষের চর এলাকায় এসে জরিপ কর্মকর্তারা পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছে। টাকা ছাড়া তারা কোনো কাজ করে দিচ্ছে না। এছাড়া এলাকার ভূমিদস্যু দের থেকে টাকা খেয়ে তারা একজনে জমি অন্যের নামি রেকর্ড এ তুলে দিচ্ছে। তারা যে নকশা প্রস্তুত করেছে সেখানেও এস এ / আর এস এসব পর্যালোচনা না করে তাদের ইচ্ছা মত ভূমিদস্যু দের সহায়তায় নকশা প্রস্তুত করছে।
বিএড স্কেলের জন্য একজন কম্পিউটার অপারেটরের কাছে যাই। সে তার পারিশ্রমিকের চেয়ে ২০০০ টাকা বেশি দাবি করে। কারণ জানতে চাইলে জানায় বাড়তি অর্থ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের হাদিয়া।
কাগজ পত্র সব ঠিক ঠাকার পরেও আমাকে ২ বার ফেরত দেয় ফরমে ব্যাংক জমার তথ্য লিখি নাই বলে, কিন্তু আসলে এটা দেওয়াই লাগে না, তার পর এক আনছার সাইডে গিয়ে ১৫০০ টাকা দাবি করে বলে ১৫০০ টাকা দিলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই জমা করায় দিবে। তারপর আমি দামা দামি করলেও পরে আর টাকা দেইনি, সে ১৫০০ টাকার নিচে করতে নারাজ, আমি অন্যান্ন অনেকের মাধ্যমে জেনেছি যে পাসপোর্ট অফিসে চ্যানেল ফি ধরা হয় যটা ১৩০০ টাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
job will be confrim, if i pay 100000 tk at LGED ofice
আমার ২ টি লাইসেন্স এর সমস্ত ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরে নারায়ণগঞ্জ ডি সি অফিসে ৭০০০০০ টাকা ঘুষ চায় আমি না দেওয়ার জন্য ৮ মাস যাবৎ আমার ফাইল আটকে আছে