দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা কার্ড নবায়ন
খাদ্য অধিদপ্তর হতে ১৫ টাকা কেজি মূল্যে চাল বিতরণের কার্ড নবায়নের জন্য অবৈধভাবে ২০০ টাকা দাবি করেছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খাদ্য অধিদপ্তর হতে ১৫ টাকা কেজি মূল্যে চাল বিতরণের কার্ড নবায়নের জন্য অবৈধভাবে ২০০ টাকা দাবি করেছিলো।
জমি খারিজ করতে গেলে নায়েবসহ স্টাফ বিপুল পরিমান টাকা চায়। টাকা না দিলে কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও প্রস্তাব প্রেরন করে না এতে খারিজ বাতিল হয়ে যায়। বর্তমানে মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিচ্ছে। এমনকি টাকার বিনিময়ে সমস্যা জনিত জমি খারিজ হয়ে যায়।
নামজারী করতে চাই কম্পিউটার দোকানে টাকা দিলে ফাইল পার হয়।সরাসরি করতে গেলে হয়রানি করে।
আমার আব্বু দীর্ঘদিন সৌদ আরব থাকেন, আম্মুকে তিনি সৌদি আরবে নিতে গিয়ে ভিসা জটিলতায় পড়েন , তাদের বিবাহের নিকাহ্ পত্র অনলাইন করতে বলেন সে জন্য কাজীর থেকে নিকাহ্ পত্র নিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হয় এবং জেলা সাব রেজিস্টার অফিস থেকে সেটার অ্যাপ্রুভাল নিতে হয়, সাক্ষী হিসেবে আমি নিজে সেখানে উপস্থিত হই, আমার পিতা মাতার বিবাহ বৈধ সেটার জন্য সাব রেজিস্টার অফিস থেকে রিকোয়েস্ট অ্যাপ্রুভ করতে হয়,সাব রেজিস্টার অফিসের এক কর্ম রত কালো এক ব্যক্তি কাজীর মাধ্যমে 30000 টাকা দাবি করেন রিকোয়েস্ট অ্যাপ্রুভ করার জন্য
আমি আগারগাঁও BTRC এর অফিসে আবেদন করি. আমার সিম দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে ব্লক হয়ে যায়। সেটি পুনরায় সচল করার জন্য আবেদন করি , উনারা টাকা(3500) ছাড়া সিম দেবে না. আমি ৭/৮ মাস ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি।
সংশ্লিষ্ট এনজিও হতে প্রকল্প বর্ষ সমাপ্তির প্রেক্ষিতে প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন করা হলে প্রকল্প এলাকায় তদন্ত সম্পন্ন করে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য ১০০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হচ্ছে। যেহেতু ঘুষ এনজিওর নীতিমালার লঙ্ঘন করে, তাই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং আবেদনটি উপেক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
Police Clarence এর জন্য আবেদন করা হইছে এর কিছুদিন পর কল আসলে আমি থানায় যায়। যাবার পর সব কিছু দেখার পর বললেন ( চা ) এর টাকা দোও। ৫০ টাকা দিছিলাম উনি নেয় নাই। ১০০০ টাকা দাবি করছে
১৭ জুন ২০২১, সাইন্সল্যাব, ঢাকা, আমার একটি মোবাইল চুরি হয়। নিউ মার্কেট থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা। আমি সাধারন ডাইরি করি। এস আই আমার মোবাইল খোজে দেওয়ার জন্য ১০,০০০ টাকা দাবি করে। মোাইলের দাম ছিল ৩০,০০০ টাকা। আমি ছাত্র অবস্থায় এত টাকা দিতে পারবনা বলেছিলাম, তাই সে আমার মোবাইল খোজে দেয়নি।
কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে সেবা প্রদান করতে গড়িমসি করায় পরবর্তীতে আমি নিজেই হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিয়েছি।
ভূমি নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। ঘুষ দেয়নি বলে নায়ক সাহেব ফাইল ছাড়ছে না
অনেক খারাপ ব্যবহার করেছিল। বারবার ঘোরাচ্ছিল। পরে আমি দুদকের এক বন্ধুকে দিয়ে ফোন করিয়েছিলাম পরে ছেড়েছিল এমনিতে।
আমি আমাদের একটু পুরাতন দলিলের নকল তুলতে রংপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে য়াই। নকল টি তুলতে চাইলে আমার কাছে প্রথমে ৩০০০ টাকা চারয় পরে ২৫০০ টাকা কেটে দেয়। বেশি দাম চায় তাই আমি নকল টি তুলি নাই।
একটা কাবিননামা সত্যায়ন করতে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে তারা আমাদের ডকুমেন্টস ভুল আছে বলে করে দিতে চাই না। পরবর্তীতে বলে টাকা দিলে করে দিবেন।আমার ডকুমেন্টসে কোনো ভুল ছিলো না।
সেনাবাহিনীতে সৈনিক হতে অনারারী ক্যাপ্টেন পর্যন্ত যে সকল সেনাসদস্যরা পেনশনে গমন করে।তখন তাদের প্রতিটি রেকর্ডের সংশ্লিষ্ট এফ পি ও /এফ সি করণিকদের প্রতিটি সেনাসদস্যদের নিকট ৫০০০০/- হতে ১৫০০০০/- টাকা পর্যন্ত দাবি করে,যা সেনাবাহিনীতে ২৫/৩০ বচর চাকুরী করার পর অবসরে গমনের সময় অত্যন্ত গর্হিত কাজ।কেও না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে যা মোটেই কাম্য নয়।
আমার জন্ম নিবন্ধন ঠিক করার জন্য আমার কাছে ৫০০ টাকা চাইছে
প্রথমে একটা পরামর্শঃ সিটি কর্পোরেশনের পর “পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ” নামে দপ্তর বাড়াবেন প্লিজ। এরপর, আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে জানতে পারলাম, দালাল ধরে লাইসেন্স না করলে কিংবা আপনার বড় কোন মামা-খালু বা সরকারী কানেকশন না থাকলে আপনি যত ভালই পরীক্ষা দেন, আপনাকে ফেইল দেখানো হবে। কোনভাবেই আপনি দালাল ছাড়া পাশ করতে পারবেন না। আর দালাল ধরলে কোনরকম পরীক্ষা দিলেই আপনি পাশ। এটি কিভাবে সমাধান হবে আমার মাথায় আসে না। যুগ যুগ ধরে এই পদ্ধতি চলমান আছে।
নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে গিয়ে আমি হেনস্তার স্বীকার হয়েছি। আমি মূলত চাকুরীজীবী। ছুটি নিয়ে আসা খুব কষ্টের। কিন্তু দালালের সাথে কন্ট্র্যাক্ট না করার কারণে অফিসার স্যারেরা আমার ফাইল সাইন ই করেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি তোলার জন্য চাকুরির রিস্ক নিয়ে আমি কয়েকদিন গিয়েছি। একদিন গিয়ে দেখি আমার ফাইল টেবিলের নিচে পরে আছে। আমি অফিসারের সামনে আমার ফাইল ছিড়ে ফেলেছিলেম।
খারিজ করতে গিয়েছিলাম কাগজগুলো ছিল কিন্তু আমাদের করে দেয়নি উল্টো আরো বলে দিছে যদি টাকা না দেই তাহলে অন্যের নামে করে দিবে
আমার বাবার জমি কিনেছিল। কিন্তু সাথে সাথে নাম জারি করেনি। পরে গিয়ে দেখা যায়, পূর্বের মালিক ধোকাবাজি করে তার নামে নামজারি করে রেখেছে। আমরা তা আমাদের নামে করতে চাইলে তারা পূর্বের মালিকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে আমাদেরকে তা করে দিতে অস্বিকার করে।
২০২৩ সালে আমার সাবেক স্ত্রী কর্তৃক থানায় হয়রানির শিকার হয়ে লিগ্যাল এইডে যাই আইনী সহায়তা পেতে। ওখানকার অফিস সহকারী দ্রুত সহায়তা পেতে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়। নতুবা ১ মাস পর ডেট দেবে বলে জানায়। আমি তা দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং প্রতিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হই।