প্লান অনুমোদন
নতুন বিল্ডিং করার জন্য প্লান অনুমোদন দিতে অতিরিক্ত ২০০০০ টাকা দাবি করেন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন বিল্ডিং করার জন্য প্লান অনুমোদন দিতে অতিরিক্ত ২০০০০ টাকা দাবি করেন
আমি একটি কোম্পানির হিসাব বিভাগের দায়িত্বে আছি..কোম্পানির মালিক আমাকে খুব বিশ্বাস করে....বাংলাদেশের নতুন একটা সেক্টরে ইনভেস্ট করে ফ্যাক্টরি প্রতিষ্ঠা করে আমার কোম্পানি ওনার, সেই 2016 থেকে আমি এখানে আছি...নিয়মঅনুযায়ী 2015-2016 অর্থবছর থেকে এখন পর্যন্ত সব ফাইলই এ্যাসেসমেন্ট এ আটকে আছে........প্রতি অর্থবছরের জন্য সার্কেলের কমিশনার 10 লক্ষ ঘুষ দাবি করেন....এইগুলিরতো আসলে কোনো প্রমান থাকে না ...ভুক্তভোগি বুঝে কতটা পেইন....একটু নতুন কোম্পানি,,,নতুন ইনোভেশন....অনেক কিছুই গোছানো নাই থাকতে পারে...সিস্টেম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে যা জমা দেওয়ার তা আমার মালিক দিতে রাজি.........তার বাহিরেও বড় এমাউন্ট ঘুষ না দিলে ফাইলে সাইন হবে না........ আমি জীবনে বহু জায়গাতে ঘুষের কাহিনী শুনেছি,দেখেছি.......এতটা কোথাও না
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে একটি এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করছি, সরকার নিবন্ধনের জন্য সমাজসেবা ও এনএসআইকে রেখেছে। টাকা না পেলে জড়াতে থাকে সঠিক পেপার , সঠিক কার্যক্রম পেলে ও । টাকা না দিলে সমাজসেবা অফিসের লোক বলে আপনাদের এসব ফালতু কাজ কে করতে বলে। টাকা না হলে সমাজসেবা কাগজ দেয় না অন্যদিকে এনএসআই ও নেগেটিভ দেয়। টাকা না দিতে পারায় অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এনএসআই নেগেটিভ রিপোর্ট দিছে, যারা প্রচন্ড ভালো কাজ করে। নিবন্ধনে সরকারি দপ্তর সমাজসেবার এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে টাকা না দিলে সাতক্ষীরাতে কাগজ ট্রান্সফার হতে বছর সময় লাগে। ভালো কাজ করে তাদের নিবন্ধন দেয় না অন্যদিকে কাজ না করে টাকা ও ক্ষমতার জন্য বেনামে ও নিবন্ধন দেয়।
ডাক্তার আমাকে রুট ক্যানেল করার জন্য সুপারিশ দেয়। যখনই সিরিয়াল নিতে কাউন্টারে যায় তখন আমাকে বলে পরের মাসে আসো। পরের মাসে গেলাম তারপর আরও দুই মাসের ডেট দেয়। তারপর পাশেই বসে থাকা দালালরা বলল টাকা ছাড়া হবে না। আমি নিজেই তা প্রত্যক্ষ করেছি
maa pensions er taka jonno ghus cheyechilo. pension er kostei amar maa mara jay.
চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়ে নিম্ন মানের সরকারি চাকরি ধরতে গেলেও ঘুষ চাচ্ছে।বলতে গেলে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে এরখম ঘুষের ভিত্তি তে চাকরি দেওয়া।যেখানে যোগ্য ব্যাক্তি টাকার কাছে হেরে যাচ্ছে।৪-৫ লাখ এমন করে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ এর প্রতি সেক্টরে এখন ঘুষ আর ঘুষের বিনিময়ে চাকরি।।।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা সরকারি ফি জমা দিতে হয় আমাকে বললে সরকারি ফি এত টাকা জমা দিতে হয় এবং আমাদের এত টাকা দিতে হবে তাহলে আমি লাইসেন্স করে দিতে পারব।
অফিসের পিয়নরা ইচ্ছাকৃত ভাবে ফাইল আটকে রাখে। তারা বলে ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না, অমুক দিনে আসেন। এভাবে ঘুরাতে থাকে। কিন্তু তাদের টাকা পেলে আধা ঘন্টার মধ্যে ফাইল বের করে দেয়
বেসরকারি প্রভাষক পদের MPO আবেদন করতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি উন্নয়ন কাজের নাম করে ৫০০০০৳ দাবি করে। মূলত এটা ঘুষ।
ওইখানে যাওয়ার পর আন্সার বাহিনী আমাকে অপমান করেছে,, প্রত্যেকের কাছে ৩০০ করে টাকা চাইছে লাইনে দাড় করিয়ে দিবে তাই৷ যারা টাকা দেয় তাদেরকে সামনে দিয়ে দেয় আর তাদের কাজ অনেক সহজ করে দেয়,,, এভাবে ধাপে ধাপে তারা টাকা নিয়ে থাকে,, আর বিদেশ আসার আগে অনেক জায়গায় এমন টাকা নিয়ে থাকে৷ বিশেষ কিরে মেডিকেল করার আগে যে পেপার নিতে হয় এখন সম্ভবত যমুনা ফিউচার পার্কে,, সেখান থেকে বের হবার পর রিকশা ওয়ালা থেকে শুরু করে পুলিশ পর্যন্ত ঘুষের সাথে লিপ্ত,, তারা নানা ভাবে হয়রানি করে টাকা আদায় করে৷ বিশেষ করে তারা বিভিন্ন ফটোশপের দোকানে নিয়ে গিয়ে জোড় করে ছবি তুলিয়ে ৫০০-৬০০ টাকা হাতিয়ে নেয়৷ তাদের সাথে বসে থাকে পুলিশ৷ আমরা কিছু বললেই পুলিশের হুমকি খেতে হয় এতে করে টাকা না দিয়ে উপায় থাকেনা৷ তারপর আসে মেডিকেল করার পালা,,
জেলা পরিষদ সাতক্ষীরা কার্যক্রম বিহীন প্রতিষ্ঠানদের অর্থ ও ক্ষমতার বিনিময়ে কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ প্রদান করে । যেমন: দেবহাটা উপজেলার অস্কারপুর শহীদ আসিফ বন্ধু মহল । আর যে সব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কার্যক্রম করে তাদের বরাদ্দ পেতে হয়রানি হতে হয়, চাঁদা দাবি করে। পরিবর্তন হওয়া জরুরী ।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে (২০১৮ ইং সালে) আমার বাবা ভর্তি ছিলেন। আমরা আগে ভর্তি হওয়া সত্ত্বেও টাকা দেইনি বলে বেড পাইনি। রোগীকে বেড দেওয়ার/ব্যবস্থা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন আয়া/ঝারুদার টাকা দাবি নিচ্ছিল।
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। আবেদন এ সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও অনলাইন নিবন্ধন এ নামের বানানে ভুল আছে। পরে পুনরায় আবেদন করি পুনরায় ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে সংশোধন করতে হয়েছে। তারও ভুল আছে।
নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র করতে ফরিদগঞ্জ নির্বাচন অফিসে গেলে দ্বায়িত্বরত পিয়ন কি কি কাগজ লাগবে সেটা জানানোর জন্য ১২০ টাকা দাবি করে
ফাইল আটকিয়ে। এর জিন্য আমি একমাসের বেতন পাইনি।
হালিশহর রোড, নয়া-বাজার মোড়ে অবস্থিত ভূমি অফিসে ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি নিজেদের নামে নামজারি খতিয়ান করার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলাম। সেখানে কর্মরত একজন কর্মচারী নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য আমার নিকট ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা দাবি করেন। উক্ত অর্থ প্রদান না করায় এখনো পর্যন্ত নামজারি খতিয়ান সম্পন্ন করতে পারিনি।
আমার ছেলের জন্য নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন (অনলাইনে আবেদন করেই গিয়েছিলাম) তারা ৩০০ টাকা দাবি করেন। যখন আমি বললাম টাকা দিব না টাকা দিলেও রশিদ লাগবে তখন তাবলেন মেম্বারের সাইন নিয়ে আসতে।
আমি একজন শিক্ষার্থী, এইবার এসএসসি পরিক্ষা দিয়েছি এবং আলহামদুলিল্লাহ পাস করেছি জিপিএ ৫.০০ পেয়ে। আমি আমার বিদ্যালয় থেকে প্রশংসা পত্র আনতে গেলে সেখানে ৩৫০ টাকা করে দাবি করতেছে এবং তা ছাড়া দিতেছে না। বরঞ্চ আমাদের ক্লাসমেট একজন যে কি ফ্রি তেই তা নিছে। অথচ তাদের থেকে আমার আর্থিক অবস্থা অসচ্ছল। সুধু এইটুকুই না, সারা বছর আমাদের সাথে এভাবে অনেক টাকা বেশি নিছে। আমরা চুপ ছিলাম, এখন প্রশংসা পত্রের জন্য কথা বললে আমাদের সাথে এমন ভাবে কথা বলতেছে যেনো আমরা কোনো ছাত্র না। বিদ্যালয়ের নাম : কাঠালবাড়ি দ্বীমুখি উচ্চ বিদ্যালয়, জুম্মাহাট, উলিপুর, কুরিগ্রাম।
ভোটার কার্ডে অনেক ভুল এসেছে বাবার নামের একটা অক্ষর আসে নাই নিজের নামে ভুল। অনলাইন আবেদন করার পরও যখন আসতে ছিলো না। তখন জেলার ভোটার অফিসে গেলে কম্পিউটারে যে বসা ছিলো সে দেখালো আবেদন এসেছে শুধু কনফার্ম এ মাউস দিয়ে ক্লিক দিলে ওকে বাট এই ক্লিক দিতে ৩০হাজার লাগবে
অনেক বছর গ্রামের হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসেবে আছি।।সহকারী অধ্যাপক পদোন্নতি হইছে গত বছর অক্টোবরে।। যার অবস্থান ই মেডিকেল এ।।কিন্তু এখন পোস্টিং দিচ্ছেনা।।যারা গিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ৬ বা ৮ বা ১০ লাখ ঘুষ দিলে হচ্ছে।। না হলে না।।অন্য ডা রেরা ঘুষ দিয়ে নিচ্ছে সমানে পোস্টিং।। আমার টাকাও নাই ঘুষ দেয়ার ইচ্ছাও নাই।।ফেসবুকে একদিন এ সংক্রান্ত লেখার কারণে আইডি হ্যাক হয়েছিলো।।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সবচেয়ে দুনীতিগ্রস্ত।।