নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিল উত্তলন করতে গেলে, ইঞ্জিয়ার সাহেব গন ৫% হারে ঘুষ ছাড়া ফাইল স্বাক্ষর করে না
আমাদের হোসিয়ারিতে ভিজিট করে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেছে এবং তাদের অফিসে গিয়ে কথা বলার জন্য ডেকেছে। সেখানে যাওয়ার পর তারা বলছে সব ঠিক আছে কিন্তু ঠিকভাবে সব চালাতে চাইলে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা দিবে। নয়তো ব্যবসা ঠিক ভাবে পরিচালনা করতে দিবে না।
ঔষধ প্রশাসন এর top to bottom সবাই দুর্নীতি বাজ
গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধে জটিলতায় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন প্রনয়নে বিলম্বিত করে। আমি প্রত্যাখান করায় দীর্ঘ ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে। উল্লেখ্য আমার গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধের জন্য কর্তৃপক্ষ অফিস আদেশ জারী করে। তারপরও কর্তৃপক্ষের আভ্যন্তরীন নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ সম্পুর্ন অযৌক্তিক আপওি অর্থাৎ বিভাগীয় বদলী সংক্রান্ত বিষয়ে আপওি দেয় এবং ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে মর্মে কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে এবং কোন সুস্পষ্ট সুপারিশ করে নাই। দীর্ঘ ২ বছর ৫ মাসের অধিক সময় আমি পাওনা পাইনি। প্রাপ্ত তথ্যের ভিওিতে আমি সকল দাপ্তরিক প্রমানক সহ কর্তৃপক্ষের নিকট এপর্যন্ত ৮টি আবেদন করেছি(সর্বশেষ ২৪.৮.২৬) ministry তেও জানিয়েছি। কমিটির আহবায়ক ইতোমধ্যে বদলী হয়েছেন।
আমি আমার আপনজনের চিকিৎসার জন্য গিয়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ পথ্য পাইনি।
আমার ফ্যাক্টরির জন্য অবস্থানগত সার্টিফিকেট না নিয়ে পরিবেশগত সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে যতনগত সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি ফ্যাক্টরি নির্মাণ অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন করি, তারা আমাকে এই ভুলটা উল্লেখ করে ও শৃঙ্খলা হবে এই হুমকি দিয়ে অবস্থানগত সার্টিফিকেটের জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে তারপর পরিবেশ গত সার্টিফিকেট জন্য আবেদন করতে বলে এবং সেটার সরকারি খরচ ২৫ হাজার টাকা। এবং তার জন্য তার আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে যেন আমি পরিবেশগত সার্টিফিকেট দ্রুত পাই। সর্বমোট তার ২৫ হাজার এর ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখে। অর্থাৎ আমার এক লাখ টাকা তার খরচ হবে। যেখানে আমার সরকারি খরচ এ সর্ব ২৫ হাজার টাকা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।
উনারা এমন ভাবে সাজায় ঘুষ ছাড়া পাস করা সম্ভব না।
আমার বাবার নামে আর এস রেকর্ডকৃত জমি নামজারি আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব করা হয় কিন্তু এসিলেন্ট সাহেব তার সহকারীর মাধ্যমে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ যাবে দাবি করে। আমি উক্ত টাকা না দিলে আমার বাবার নামের নাম জারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেই।
চশমা মাপার সময় ডেট দিয়েছিল চার মাস পরে। এ সময় চক্ষু বিভাগের একজন ডাক্তারের সহকারী মহিলা, একজন মহিলা, বয়স্ক মহিলা এসে আমাকে বলে যে তোমার এটা আমি আজকে চোখের চশমার পাওয়ারটা মাপিয়ে দেবো। বিনিময়ে 100 টাকা দেওয়া লাগবে।
Govt.Hospital e doctor er bodole compounder surjery korse and tk dabi korse
7000 টাকা লাগবে নামজারী করতে
টাকা না দেয়ার কারনে দূরে পদায়ন দিয়েছে
Bumi Office kor dithe gush chay
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স এর ইংরেজী ভার্সন এর প্রিন্ট কপির জন্যে অফিসে গেলে তারা বলে আগের মত সম্পূর্ণ ফিস পরিশোধ করতে, বাস্তবে ইংরেজী ভার্সন এর ডুপ্লিকেট ওঠাতে এত টাকা লাগার কথা না. তারপরও তারা আমাকে বলে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান করতে আমি না করে দিয়েছি
আমার চাচা আহত অবস্থায় মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তাকে এমবিবিএস ডাক্তার দেখে নি বা চিকিৎসাপত্র দেয়নি নার্সরা শুধু নরমাল ঔষধ দিয়ে ২ দিন পরে ছাড়পত্র দিবে বলে জানায় এবং ছাড়পত্রের জন্য ২০০০ টাকা দাবি করে টাকা না দেয়ার ছাড়পত্র দেয় নি এবং দুব্যবহার করে
রেনু করতে আসে পাঁচ হাজার দিতে হয় ১৩ হাজার দালালকে
আমার জমির নামজারি, ও বাবার যে জমি আছে কিছু দাগ নাম্বার ভুল আছে, এগুলো সঠিক করে দিবে যদি ১ লক্ষ টাকা দেই তাহলে। পরে আমি টাকা দেইনি এখনও আমার কাজ ও হয়নি।
নতুন আইডি কার্ডের ছবি তুলা, েটাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, তাই মেসে দেওয়ার জন্য 6000 টাকা দুটি আিইডি কার্ডের জন্য পরিশোধ করেছি। টাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, মোবাইলে মেসেস না গেলে ছবি তুলেতে পারে না। আমাদের হাওড়েরর যাতায়াত করা খুবই কঠিন, একদিনে যাতায়াত করা 500 টাকা লাগে। যেখানে বলে যে, আপনার ফাইল জমা দিয়ে যান, মেসে গেলে আসবেন, যা আমাদের হাওড় এলাকার জন্য খুবই কষ্টকর। তাই ঘুস দিলে আর মেসেসে জন্য অপেক্ষা করতে হেব না।
Told me the whole chagres of the facility wrong,the realammount to be paid was 710 tk,they asked for 1900 tk.
আমার তিন স্টুডেন্ট দিনাজপুর শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে বাইক নিয়ে ঢুকে এসময় এম দিয়ে শুরু নামের এক পুলিশ তাদের আটকায়, প্রথমে গাড়ির চেসিস নাম্বার খুঁজে না পেয়ে চোরাই গাড়ি বলে ভয় ভীতি দেখায় , পরে চেসিস্ নম্বর খুঁজে পেলে সাইডে ডেকে নিয়ে এক হাজার টাকা ঘুষ চায় এবং ৩০ মিনিট সময় বেঁধে দেয়, এই সময়ে বাইকের মালিক ছেলেটিকে দিনাজপুর বড়বন্দর এলাকায় নিয়ে যায়।।। এর মধ্যে ছেলে দুইজন টাকা ম্যানেজ করতে তাদের ভাইকে ফোন দিলে পুলিশ তাদের থানার সামনে নিয়ে গিয়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ১৫০০০০ টাকার মামলা দেয় এবং আরও নানান ধরনের হয়রানি করে।।। ঘটনা এক মাস আগের।।