17,320 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
২০২২ এর একটি সার্কুলার দেখিয়ে আমাকে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য সচিব ওনার চাচা আর উনি দায়িত্ব নিয়ে বলেছিল তিন মাসের মধ্যে আমার জইনিং কনফার্ম করে দেবে। এক বছর পর সরকারীকরণ করে দেবে। আমার কাছ থেকে অগ্রিম 2 লক্ষ বারো হাজার টাকা নিয়েছিল। যার ব্যাংক রিসিট আমার কাছে আছে।
২০২৩ সালে আমার দারিদ্রতার আমার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বায় মাতৃত্বকালীন সুবিধা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল। ফরিদগঞ্জ থানা 15 নং রূপসা ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জহির এখনো পর্যন্ত আমার সেই ভাতার কার্ড চালু হয় নাই। সব সময় আশা দিয়ে যায় করে দেবে।
পিপি বলছে টাকা দিলে পক্খে কথা বলবো না হয় বিরধিদের জামহব করিয়ে দিবো মহরি সই করতে গিয়ে বলছে টাকা দিতে হবে
আপনি যদি একটি মামলার সার্টিফাই কপি তুলতে যান এডভোকেটের দালালেরা দ্রুত করে দেওয়ার নামে আপনার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাইবে।
আমি আমার মা বাবার আমার ছেলে ভাতিজি চোট ভাই র বউয়ের জন্য ৫ টি পাসপোর্ট আবেদন করি ব্যংক ডাপ করি কিন্তু পাইল দেখে বলেন আমাদের এগুলো হবে না বাহিরে ওদের এজেন্ট নিয়োগ আচে ঐ খানে গিয়ে টাকা দিয়ে তার একটা মর্ক দিয়ে চে ঐ মর্ক দেখে আমাদের আগের পুরন করা পাইল জমা নিয়ে চে এটা লক্ষী পুর পাসপোর্ট অফিসে
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। এখন তাদের প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য বেসরকারি মালিকানাধীন সিএনজি ব্যবহার করা হলে এর জ্বালানি ও ভাড়া কে বহন করবে? 👉 দীর্ঘ সময় ধরে বিনা পারিশ্রমিকে গাড়ি ব্যবহার করার আইনগত বা প্রশাসনিক ভিত্তি কী? 👉 থানার রাতের টহল ও জরুরি সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য কি কোনো অনুমোদিত যানবাহন/বরাদ্দ বা সরকারি পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে? 👉 যদি স্থানীয় সিএনজি ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে তাদের যথাযথ ভাড়া ও জ্বালানি খরচ প্রদানের ব্যবস্থা কেন থাকবে না? এখানে মূল বিষয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করা নয়। সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো বেসরকারি গাড়ি ব্যবহার করা হলে তার যথাযথ নিয়ম, অনুমোদন, ব্যয়ভার ও চালকের ন্যায্য পাওনা সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। সিএনজি চালকরাও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে চান। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো পারিশ্রমিক বা জ্বালানি খরচ ছাড়া নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি দিয়ে রাতের সরকারি দায়িত্বে সহযোগিতা করা তাদের জন্যও একটি আর্থিক চাপ। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আহ্বান— বিষয়টি তদন্ত করে সিএনজি চালকদের বক্তব্য শোনা হোক, সরকারি কাজে বেসরকারি যানবাহন ব্যবহারের নিয়ম ও ব্যয়ভার স্পষ্ট করা হোক এবং একটি স্থায়ী ও ন্যায্য সমাধান দেওয়া হোক। সরকারি দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা থাকবে, তবে সেই সহযোগিতা যেন নিয়মতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও ন্যায্য ব্যবস্থার মাধ্যমে হয়—এটাই সিএনজি চালকদের দাবি। 🚖⚖️
ভূমি নায়েব দাবী প্রতি পাইলে ১০,০০০/- টাকা
মিজানুর রহমান প্রধান শিক্ষক উত্তর ভংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাদিরাবাদ ক্লাস্টার মাধ্যমে সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম কাদিরাবাদ ক্লাস্টার এবং ভাসানচর ক্লাস্টারের মেরামতের চেকে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় ১২৫০০/১৫০০০ টাকা নিয়েছে ২৫ টি বিদ্যালয় থেকে। স্লিপ বরাদ্দ হইতে ৩০০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। প্রাক-প্রাথমিক বরাদ্দ হইতে ১৫০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। এছাড়া ২য় প্রান্তিক পরিক্ষার প্রশ্ন ছাফিয়ে প্রতি সেট ১৭ টাকা হারে ৫৬ টি বিদ্যালয় হইতে সকল ছাত্র ছাত্রী মাথাপিছু অথচ বিদ্যালয়ে পরিক্ষায় ফি তোলা হয়নি প্রধান শিক্ষক নিজ বেতন থেকে প্রশ্নের টাকা পরিশোধ করা লাগছে।
নামজারি করতে গেলাম সরকার এতো গর্ব করে বলে নামজারি করতে লাগে ১১৭০ টাকা কিন্তু দাবি করলো ২২০০০টাকা আমি তো অবাক ।সব থেকে মজার বিষয় এটা যে অফিসার রা নিজেই টাকা খায় বাট সেটা পিয়ন এর মাধ্যমে খায়। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো আমি বিষয়টা গর্ভারমেন্ট এর মেইল এ বিষয়টা মেইল করছি কিন্তু কোন উওর নাই ।
গত ৩/৪ মাস আগে। আমি আমার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের যাই। আমার বয়স সংশদন করার জন্য। ঐ খানে যে সচিব দায়িত্ব ছিলো ওনি বলতাছে হবে না।তখন আমি ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারট কাছে যাই। ওনি আমাকে বলতেছে ৫ হাজার টাকা দিলে করে দিবে সময় লাগবে ৭দিন। আমি তখন ওনাকে টাকা প্রধান করে। উক্ত কাজটি করে নি।
মায়ের মৃত্যুর পরে তার নামে থাকা একটি প্রাইভেট কারের মালিকানা পরিবর্তনের জন্য বিআরটিএ অফিস , মিরপুরে যাই। আমাকে বলা হয় ৩ নাম্বার কাউন্টারে যোগাযোগ করতে, প্রায় ২ ঘন্টা অপেক্ষা করেও কাউকে পাওয়া যায় না । কিছুক্ষণ পরপর একজন লোক এসে জানতে চায় কি কাজ? । তাকে বলার পরে সে জানায় নিজে নিজে করতে পারবেন না। কাগজপত্র নিয়ে আসেন, একদিনে করে দিবো। বিনিময়ে কত লাগবে বলার পরে সে জানায় ৪০,০০০ টাকা। আমি কিছু না বলে তার নাম্বার নিয়ে বাসায় চলে আসি।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিল উত্তলন করতে গেলে, ইঞ্জিয়ার সাহেব গন ৫% হারে ঘুষ ছাড়া ফাইল স্বাক্ষর করে না
পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে নামে ভুল ধরে কিন্তু আমার নামে কোনো ভুল ছিলো না
ইউনিয়ন কমপ্লেক্স গত দুই বছর আগে আমার বাবার মৃত্তুর সনদ তুলে নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু ঘর থেকে সেই সনদ হারিয়ে গেছে কিছু দিন আগে সনদ টার প্রয়োজন হয়েছিলো তাই ইউনিয়ন কমপ্লেক্স এ গিয়ে বলার পরে তাদের সারবার থেকে শুধু বের করে বের করে ফোট কপি করে দিয়ে ২০০ টাকা দাবি করে আমি পতিবাদ করি কারণ আগে থেকে করা সনদ শুধু ৫ টাকা লাগা কথা ফটোকপি খরচ পরে আমার কাছে ১৫০ টাকা নিয়ে সনদ দিয়েছে।
এমপিও ভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলের নতুন এমপিও ভুক্ত করার জন্য ফাইল উপজেলায় পাঠানোর জন্য টাকা দিতে হবে। না দিলে ফাইল ছাড়া হবে না। দিতে বাধ্য হয়েছি।না দিলে আমার ফাইল ডান হবে না আর বেতনও হবে না,এখানে নিরুপায়।কিভাবে এর সাথে লড়াই করবো।
খুরশিদ মহল জুনিয়র হাই স্কুল, গফরগাও একটি নাম মাত্র স্কুল, একটি টিনের ঘর বানিয়ে এমপিওভুক্ত করে নামমাত্র স্কুল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি টাকা খাচ্ছে। স্কুল কমিটি করে, শিক্ষক মহল মিলে সিন্ডিকেট করে নতুন শিক্ষক এনটিআরসি নিয়োগ দিলেও তারা সবাই মিলে টাকা খায়।
আমাদের হোসিয়ারিতে ভিজিট করে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেছে এবং তাদের অফিসে গিয়ে কথা বলার জন্য ডেকেছে। সেখানে যাওয়ার পর তারা বলছে সব ঠিক আছে কিন্তু ঠিকভাবে সব চালাতে চাইলে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা দিবে। নয়তো ব্যবসা ঠিক ভাবে পরিচালনা করতে দিবে না।
i have an accident. i need stich. The Word boy demand 200tk. I have to pay.
আমি একটি পাসপোর্ট করার জন্য কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই তারপর আমাকে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় কিছু কিছু লোক এসে আমাকে অফার করে আপনাকে লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনি ৩০০০ টাকা দেন আপনার কাজ দশ মিনিটে হয়ে যাবে তখন আমি তাদের সাথে আলাপ করলাম আপনারা কিভাবে পারবেন আপনারা তো সাধারন মানুষ তখন তারা বলল যে ভিতরে আমাদের স্যার আছে স্যার সরাসরি টাকা নেয় না আমাদের মাধ্যমে কাজ করে