মালিকানা পরিবর্তন
আমার ইমারজেন্সি দরকার ছিলো, নিরুপায় হয়ে দাবিকৃত টাকা দেওয়া লেগেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ইমারজেন্সি দরকার ছিলো, নিরুপায় হয়ে দাবিকৃত টাকা দেওয়া লেগেছে।
জমি খারজ। সরকারি খরচ ১২০০। চেয়েছিল ১০০০০।
তহশিলদার জমি নামজারি অনুমোদন করতে গেলেই টাকা চান। না দিলে ভুয়া প্রতিবেদন দেন৷
ওখানে জাওয়ার পর ওরা বলে। ২৫০০৳কম হলে আমরা পারবো না। এটা হইচ্ছিলো নাটোর সাব-রেজিস্টি আফিসে
নামজারি করতে ৭০০০ টাকা দিতে হবে না হয় হবে না।
আমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য। পেনশনের টাকা পেতে তাদের ১৫০০০ দিয়েছি। সময়কাল ছিল মে -জুলাই ২০২৪ সাল
যদিও ওয়াসা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান,এখানেও অনেক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।আমার একটি নতুন সংযোগ প্রয়োজন হওয়ায় ওয়াসা অফিসে গিয়ে কথা বলি।যেখানে ডিমান্ড নোট অনুযায়ী সরকার পাবে ১৬,৮২৫টাকা। সেখানে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন অযুহাত,অফিস খরচ, ইত্যাদি বলে সর্বমোট ৪২,০০০হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে।
আমি ১৮ তম নিবন্ধনে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে একটা স্কুলে যোগদান করি। যে খানে NTRCA আমাকে রিকমেন্ডেশন দিয়েছে সেখানে আমার MPO ফাইল এপ্রুফ করার জন্য আমার হেডমাস্টার আমি সহ আরো চার জনের কাছ থেকে ৩০০০০ করে মোট ১৫০০০০ টাকা নিয়েছিল। আমরা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম তারাতাড়ি বিল পাবার জন্য। আমরা এই টাকাটা দিয়েছিলাম হেডমাস্টারকে।। প্রতিটা MPO প্রতিসঠানের হেডমাস্টার যে কি পরিমান দুর্নীতির সাথে জড়িত , তা আমরা বুঝি।। এগুলো নিয়ে যদি সরকার সচেতন হত, এদের লাগাম টানা সহজ হত।।
আমার দোকান রাজধানীর একটি বড় শপিং মলে। প্রতি ৬ মাসে এই শপিং মল থেকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ঢাকা পল্টন অফিসে ২০০০০০০ টাকা দিতে হয়। বিনিময়ে উক্ত মার্কেটে ওরা পরিদর্শন করবেনা এবং লাইসেন্স করতে হবে না এই সুবিধা দেয়।
মারামারি মামলায় সকালবেলা তিনজনকে মানিকগঞ্জ সদর থানায় ওয়ারেনকৃত আসামি এনে ঢুকানো হয় গারদে আমি অকিলের মাধ্যমে জামিন করায় জামিন পাওয়ার পর বিকেল বেলা যখন গারদ থেকে বের করে দেয় যিনি গারদের গেট খোলান তিনি টাকা দাবি করেন তাকে দিলাম ২০০ টাকা
জবের ভেরিফিকেশনের জন্য নির্ধারিত পুলিশ ভাই আমার কাছে টাকা দাবি করে।পরে বাধ্য হয়ে ১ হাজার টাকা দেয়।কিন্তু সে ১ হাজার টাকা নিবে না। পরে আমি ২ হাজার টাকা পরিশোধ করি।সখিপুর থানার ঘটনা এটি।
কেউ নিজে আবেদন লিখে নিয়ে গেলে নানা অযুহাতে তা কেনচেল করার পরামর্শ দিয়ে ফেরৎ দেয়। অফিসের সামনে কম্পিউটার দোকান রয়েছে সেখান থেকে ঘুষের টাকা সহ সেইম আবেদনটি জমা নেন। দালালরা হুয়াটস এপপ এর মাধ্যমে তথ্য অফিসারদের সরবরাহ করে থাকে। রুন নং 101 এবং 205 নং কক্ষতে বসা অফিসার গনই সব নিয়ন্ত্রন করে। সরকারের দোষ দিয়ে লাভ নাই। যে সরবারই আসুক এই সমস্ত ঘোষখোর ভালো হবে না। প্রতি দিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। আমার ছেলের জন্য পাসপোট করতে গিয়ে আমি এর শিকার হই। বাধ্য হয়ে দালালকে টাকাি দিয়েছি পরে। তার আগে আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে পেমেন্ট করি। নিজে ছেলেকে নিয়ে ফরম জমা দিতে গেলাম। সারাটা দিন আমার মাটি হলো। নিচে উপরের দুড়াতে দুড়াতে।
একটি নিকাহনামা আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এটাস্টেড করার জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে সেটি জেলা রেজিস্টারে নিকট অনুমোদনের জন্য গিয়েছিল। জেলা রেজিস্টার অনুমোদন না দিয়ে একটা ভুলের জন্য ২ সপ্তাহ ঘুরিয়ে পরে ঘুষ নিয়ে সাথে সাথে অনুমোদন দেয় এবং পরদিনই আমি কাগজটা এটাস্টেড পেয়ে যাই। অথচ সেই ভুলটার জন্য ১ টানে তারিখটা কেটে দিয়ে অনুমোদন দিয়ে দিতে পারত।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে নাম সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম। সেখানের ৩০২ নাম্বার রুমে নাম সংশোধনের কর্মকর্তারা বসেন। তখন একজন আমাকে বললো ব্যাংক ড্রাফট করতে হবেনা আমি করে দিব। টাকা আমার কাছে দিন তাও খুব জোড় কণ্ঠে। তারপর সে আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করলো নাহয় কাজ হবেনা। কিন্তু আমি টাকা দেয়া সত্যেও সে আমার কাজটি করে দেয়নি। চাইছিলাম বোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিব কিন্তু সময় ছিলোনা। আর তাছাড়া তার রাজনৈতিক বড় পরিচয় আছে।
আমার গ্রামের 10 শতাংশ জায়গা খারিজ করার জন্য কাগজপত্র নিয়ে আমার আত্মীয় কে অফিসে পাঠাই সেখানে কাগজের বিভিন্ন ভুলত্রুটি অহেতুক উল্লেখ করে ১২০০০ টাকা দাবি করে ।12000টাকা না দিলে কোন ভাবেই খারিজ করা সম্ভব না ।অনেক ঘোরাঘুরির পরে আমি বাধ্য হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। দুই মাস ধরে অনুরোধ করছি ঘোষ ছাড়া ঐ অফিসে কোন কাজ হয় না আমার জানা মতে
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার একটি কলেজে বিনা রশিদে(অবৈধভাবে )ভর্তি ফরম বাবদ ৩০০ টাকা, প্রবেশপত্র বিতরণের সময় বিভাগ থেকে ৩০০ টাকা, পরীক্ষার ফরমপূরণের সময় ফরম বাবদ ৩০০ টাকা, ব্যবহারিক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে ২০০ টাকা,অনার্স চতুর্থ বর্ষের ভাইবার সময় ১০০০ টাকা করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক আদায় করা হয়।এর বিনিময়ে পরীক্ষার হলে ছাড় দেয় এবং ব্যবহারিক, ইনকোর্স ও ভাইভায় বেশি নাম্বার দেয়।
বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট থানায় আমার কাছ থেকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা নেওয়া হয়। মূলত, আমার বর্তমান উপজেলা তারাকান্দা, কিন্তু আমার NID-তে পূর্বের উপজেলা ফুলপুর উল্লেখ থাকায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাজের জন্য আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০,০০০ টাকা দাবি ও গ্রহণ করা হয়। উক্ত অর্থ থানার অভ্যন্তরেই গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আমাকে বলেন যে, “আপনি নিজে ময়মনসিংহ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আসতে পারবেন না, আমরা নিজেরাই ময়মনসিংহ থেকে নিয়ে আসব।” এভাবে থানার ভেতরেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত কাজে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে, যা অনিয়ম ও দুর্নীতির শামিল বলে আমি মনে করছি।
ভূমি অফিসের ঘোষের সংকিপ্ত নাম হচ্ছে LR, একটা ভুমি সেবা সহায়তা কেনদ্রের আবেদন করেছিলাম, উক্ত সেবা কেন্দ্র অনুমোদন দিতে আমার কাছ থেকে 50,000 টাকা ঘুষ দাবী করে। আমি ঘুষ দিতে প্রত্যাখ্যান করায় আমার কাজ টা হয়নি।
রিমান্ড রিপোর্ট যেনো সঠিক প্রদান করে সেজন্য টাকা দিয়েসি ।কিন্তু তারপরও মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েসে তদন্ত ওসি ।
আমি সকাল ৭.৩০/৪০ এর দিকে মিরপুর-১ এর চাইনিজ এর বশিরুদ্দিন রোড থেকে বের হয়ে ডান পাশের রোড দিয়ে ঢুকে ইউটার্ন নিতে গেলে আমার বাইক দার করায় আর বলে আমি নাকি উল্টাপথে এসেছি। তারপর কাজ পত্র দেখতে চায় আমিও দেখাইতেছিলাম এরি মধ্যে আমার বাইকের চাবি নিয়ে যায়, তারপর ১ম ৩ হাজার টাকা দাবি করে আস্তে আস্তে ১ হাজার টাকার মামলা দিয়ে দেয়, এরপর সিলিপ নিয়ে সেই সকালে বিভিন্ন যায়গায় ঘোরাঘুরি করে মামলার টাকা পরিশোধ করি শিওরক্যাশের মাধ্যমে দোকান থেকে, তারপর তাকে খুজে বেরকরতে অনেক সময় চলে যায়, পরিশোধকৃত সিলিপ পাওয়ার পর সিলিপ নিয়ে আমার বাইক ছেড়ে দেয়। তাদের একজন বলে একবার ডাম্পিং এ দিলে আর নাকি বের করা যাবে না এসব হুমকিও দিয়ে ছিল, বাইক ডাম্পিং সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানতাম না, আরেকজন বলেছিল ওনার বস নাকি এরকমই।