নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টিসিবির ডিলারশিপ নিতে বাধ্য করা হয় নতুবা ডিলারশিপ দিবেনা।আমি একজনের পক্ষ হয়ে রিপোর্ট করতে বাধ্য হলাম।আমি নিজে ওই প্রতিষ্ঠানে একসময় কর্মরত ছিলাম।
২০১৮ সালে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছিল midwife সে পরীক্ষা ২০২১ সালে হয় এবং ২১ সালের নিয়োগ হয় সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগের জায়গায় ১৪০্১ একজন নিয়োগ হয় সরাসরি সেখানে শুধু পরীক্ষা হয় কোনটাই হয় না করোনা মহামারী কারণে তখন মোটামুটি ২২৪৬ জন সেখানে তারা পিলি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়, সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগ হবে হবে মোটামুটি সবাই শিওর ছিল তাদের সরকার চাকরিটা হয়ে যাবে কিন্তু দুর্নীতি কারণে ঘুষ লেনদেনের কারণে , তারা জরুরী ভিত্তিতে বিপিএস ৫ পেপার সহ সকল সার্টিফিকেট এবং জরির কাগজপত্র সনদ ফার্স্ট ক্লাস অফিস জমা দিতে বলেন তখন করোনা কারণে কোন গাড়ি-ঘোড়া চলতেছিল না সবাই প্রাইভেটকার সিএনজির হিসাব নিয়ে ঢাকায় এসে কাগজপত্র জমা দেয় কিন্তু তারা কাগজপত্র জমা দেওয়ার তিন দিনে মাথায় ফাইনাল শিট রেজাল্ট দিয়ে
নামজারি মিসকেইসের মালালা করে সকল দলিলাদিসহ প্রমান সরূপ প্রদান করার পরও নামজারি বাতিল করে দিচ্ছেন না। বিবাদির নিকট হতে ঘুস নিয়ে জমির ন্যায্য হিস্যা অনুযায়ী বাদিদের ফরায়েজ করে দিচ্ছেন না।
সর্বপ্রথম আমি ওখানে পাসপোর্ট বানাতে চাই তখন একজন এসে বলে যে খুব দ্রুত পাসপোর্টটি আমরা করে দেবো । কিন্তু পাসপোর্ট বানাতে যে পরিমাণ টাকা লাগে তার থেকে দ্বিগুণ তারা টাকা চাচ্ছে । ঘটনাটি হচ্ছে ২০১৮ সালের
ঢাকা জেলা জজ আদালত এ সিভিল কোর্ট কমিশনার হিসেবে তালিকা ভুক্ত হয়েছি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী আদালত হতে আমাদের আইডি কার্ড ও অনলাইনে যুক্ত করার জন্য 10000 টাকা দাবি করছিল,তা এখনো দেই না।
ভোটার আইডি কার্ডে বাবার নাম সংশোধন করার জন্য ৩০,০০০ টাকা চেয়েছে পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি
চারঘাট,,, রাজশাহী পরিসংখ্যান অফিস এক পিয়ন ৫০০০০ হাজার টাকা দাবি করে।। কাজ তারাতারি করার জন্য।। আমার নানার প্রভিডেন্ট ফান্ড টাকা তারাতারি তোলার জন্য
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি গত ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখে সৌদি আরব এসেছি। সৌদি আরব আসার জন্য আমি PDO সার্টিফিকেটের জন্য মোবাইল থেকে রেজিস্ট্রেশন করে পরে ট্রেনিং শেষ করি। যখন আমি ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর জন্য গিয়েছি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে তখন দেখতেছি সিরিয়াল ধরে সবাই টাকা জমা দিচ্ছে কেউ দিচ্ছে২৩০ আর কেউ ৩০ টাকা। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা নাই তারা ২৩০ টাকা যাদের রেজিস্ট্রেশন করা আছে তারা শুধু ৩০ টাকা।কিন্তু আমার জানা আছে ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য কোন টাকা লাগে না।সিরিয়ালে থাকা ব্যক্তিদের কে আমি জিজ্ঞেস করলাম ৩০ টাকা কেন দিচ্ছেন আপনাদের তো রেজিস্ট্রেশন বাইরে থেকে করে নিয়ে আসছেন কম্পিউটার দোকান থেকে তারা বললো ৩০ টাকা চাইতেছে তাই দিতেছি। পরবর্তীতে যখন আমার সিরিয়াল আসে আমি আমার রেজিস্ট্রেশনের পেপারটি তাদ
আনুমানিক ২০২২-২০২৩ সালের দিকে সরকার পক্ষ থেকে শিক্ষথীদের ইউনিক আইডি দেয়ার উদ্যোগ নিয়ে ছিল যার কারণে সকল শিক্ষথীদের জন্মনিবন্ধন অনলাইন করাতে হয়ে ছিল। আর এই প্রক্রিয়ার করতে গিয়ে আমি সহ আমার মোট ০৪ ভাই -বোন দের জন্য ৫০০ টাকা করে মোট ২০০০ টাকা এবং পরবর্তীতে একটি সংশোধন এর জন্য আরো ২০০ টাকা মোট ২২০০ টাকা নিয়েছে। তা ছাড়া নতুন জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ৫০ টাকা হলেও ২০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকে।
কাজটি সম্পন্ন করার জন্য 5000/- বেশি চেয়েছেন.
দুইবার সবকিছু রেডি করে জমা দিতে গেছিলাম, দুইবারই এই সমস্যা ঐ সমস্যা বলে আমার ফাইল জমা নেয়নি কিন্তু দালালের একটা কোড নাম্বারে আমার ফেরত দেওয়া ফাইল জমা নেয়।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম টাংাইল। আমার সব কাগজ পত্র ঠিক ছিল। তার পরেও বলে এইটা লাগবে ওইটা লাগবে। পরে আমি অফিসের দালাল কে ২০০০ টাকা দেই। আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।
আমার বাবার নামে, নামকজারি করবো জায়গা, এতে করে ওসখালী ভূমি অফিস থেকে ১২০০০ টাকা চাওয়া হয়, বললাম কিসের টাকা এইটা, ওনারা বলে সরকারি ফিস, সাথে আমরা যে যাবো সেই খরচ
আমি প্রথমে ভূমি অফিসে গিয়েছি আমার পরিচিত লোকের সাথে খারিজ এর বিষয়ে আলোচনা করার জন্য, সে আমাকে খারিজ প্রক্রিয়া বলে দিলো এবং অফিসিয়াল প্রসেসে কাজ করলে অনেক দেরি হবে বলে তারা জানায়, কত দিন লাগবে তা সে বলতে পারবে না। যদি অতিরিক্ত কিছু টাকা প্রদান করা হয় তাহলে দ্রুত কাজ হয়ে যাবে এবং আমাকে বার বার অফিসে আসতে হবে না, তারাই আমাকে কাজ শেষ করে কল দিবে বলে জানায়। সরকারি ফি বাদ দিয়ে 8000 টাকা পরিশোধ করিলাম।
মূত্য সনদ তুলতে ২০০০ টাকা চায় মেম্বার
Regular gush, proti masey gie die asa lage na hole company te audit a fele harrasment kore,
আমি একটা খারিজ করেছিলাম এক বছর আগে ভুলবশত আমার খাদরিজের হোল্ডিং খোলা হয় নাই তারপর আমি অফিসে যাই বললাম ফোল্ডিং খোলার জন্য তারপরে নায়েব বলে যে হোল্ডিং খুললে ২০ হাজার টাকা লাগবে।
আমার ৬ বছর বয়সী মেয়ের জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপি জমা দিয়েছিলাম, ওরা বলছে যে ইউনিয়ন পরিষদের যে হাতে লেখা কপিটি জমা দিতে হবে, আমরা দালাল না ধরে নিজে নিজে পাসপোর্ট জমা দিতে গেছিলাম, ওরা জমা নিচ্ছিল না পরে চার হাজার টাকা দিলে জমা নেবে বলছিল, আর না হলে গ্রাম থেকে গিয়ে ওই চেয়ারম্যান থেকে হাতে লেখার জন্মসনদ নিয়ে আসতে হবে.
আমার জমিনে মামলা চলছে এই জন্য দাখিলা কেটে জমিন ক্রয় করতে হবে তাড়াতাড়ি এইজন্যে বিশ হাজার টাকা নিয়েছে
আমরা ভূমিহীন হওয়ায় বন বিভাগের জায়গাতে বসতি তৈরি করি,বন বিভাগের তারা ১০০০০ টাকায় মৌখিক সম্মতি দেয়, পরবতীতে আমি জানতে পারি এটা বৈধ নয়। ১বছর পরে বন বিভাগের লোক এসে আবার ৫০০০টাকা দাবি করে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি,এবং তাদের কে বলি আপনারা যা করছেন তা আইনের বিরুদ্ধে, আমি টাকা না দেওয়ায় রেঞ্জ অফিসার বাদি হয়ে আমার জন্য বন থেকে গাছ কাটার মামলা করে মামলাটি এখনো চলমান