সোনালী ব্যাংকে নতুন একাউন্ট খোলার জন্যেসোনালী ব্যাংকে নতুন একাউন্ট খোলার জন্যে
সোনালী ব্যাংকে নতুন একাউন্ট খোলার জন্যে প্রতি অ্যাকাউন্টে ২০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। এই টাকাটা বাধ্য হয়ে দিতে হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সোনালী ব্যাংকে নতুন একাউন্ট খোলার জন্যে প্রতি অ্যাকাউন্টে ২০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। এই টাকাটা বাধ্য হয়ে দিতে হয়
একটি তদন্ত রিপোর্টে দারা বাদ দয়ে সঠিক রিপোর্ট দিতে বলায় টাকার দাবি, না দিলে কেইস জটিল করে দেয়, তাই বাধ্য হয়, সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্তে এসএই রা এইসব টাকা খায়, আরো বলে যে, ওসিকে ভাগ দিতে হয় তাই কাটা বেশি লাগে
গত ০১/০৯/২৬ ইং তাং বায়জিদ বোস্তামী পোস্ট অফিসে স্পিড পোস্টের মাধ্যমে পার্সেল পাঠাতে গিয়েছিলাম। তারা আর আমাকে সব ধরনের অসহযোগিতা করে, এবং পার্সোনাল ডাক টিকেটে গুলো আমাকে দিয়ে লাগায়। পরে জিজ্ঞেস করলাম যে, সকল কিছু আমি করে দিলাম আপনারা কিছুই করলেন না এটা কেমন ধরনের সার্ভিস হলো। তখন পোস্ট অফিসের ভেতর জিনিস সরকারি সিল মারেন তিনি আমাকে বললেন আপনি ১০০/১৫০ টাকা বকশিস দিলে আমরাই করে দিতাম সব। তারমানে উনাদেরকে যদি আমি ১০০/১৫০ টাকা দিয়ে দিতাম তাহলে উনারা আমাকে সকল ধরনের হয়রানী গুলো করত না।
আমি এই জাবত ১০ বার BRTA তে এপ্লাই করেছি। কোন পরিক্ষা তে ফেল করিনি আমাকে ফিঙ্গার পিন্ট ও চোখের ছাপ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তি রশিদ ও দিছে কিন্তুু ২০২০ সাল থেকে এখনো লাইসেন্স হাতে পাইনি মূল লাইসেন্স এর জন্য। ১০,০০০ ঘুষ দাবি করে গাজীপুর BRTA একই ভাবে রাজশাহী BRTA আমার কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্ত রশিদ আছে
বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙস্রী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া মৌজায় একটি জমি ১৯ শতাংশ ১৯৬৭ সনে সরকার নিলামে একজন ক্রেতাকে বিক্রি করে। তখন থেকে ৪৯ বছর ক্রেতার নামে নামজারি ও তার ভোগ দখলেই ছিল জমিটি। হঠাৎ ২০২৫ সনে দেখা গেল ভূমি অফিস থেকে অন্য দুইজনের নামে এই জমি থেকে ৫ শতাংশ নামজারি করে দেয়া হয়েছে। ১৯৬৭ সনে যিনি নিলাম সূত্রে জমির মালিক হয়েছেন তাকে শুনানিতেও ডাকা হয়নি। এর বিরুদ্ধে ১৫০ ধারায় মিস কেস করতে গেলে ভোগান্তির শেষ নেই।
Amake direct call dye documents niye jawar kotha bolechilo thanai. Then bole j kisu cha nastar taka aante.
নতুন বৈদ্যুতিক মিটার নামিয়েছি গত ২ বছর আগে, তখন জানতাম না কত টাকা লাগে, আমাদের থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছে + খাম্বা থেকে আমার বাড়ি পর্যন্ত সার্ভিস তার আমাদের টাকা দিয়ে কেনাইছে। আমাদের মিটারে লোড ১ কিলোওয়াট ও লাগেনা কিন্তু ওনারা ইচ্ছা করে ৪ কিলোওয়াট দিয়ে দিছে আমাদের না জানিয়ে। প্রতি মাসে এর জন্য বারতি ১২৬ টাকা করে কেটে নিচ্ছে কোনো প্রয়োজন ছাড়া। যখন তাদের সাথে যোগাযোগ করলাম কিলোওয়াট কমানোর জন্য আমার কাছে ৭০০ টাকা ঘুষ চাইলো। মানে এমন একটা কারনে ঘুষ চাইলো যাতে আমার কোনো দ্বায় ই নেই। তখন বুঝতে পারলাম ওরা ঘুষ খাওয়ার জন্যেই ইচ্ছাকৃত ভাবে সবার মিটারে কিলোওয়াট বাড়িয়ে দেয়। খুলনা পাওয়ার হাউস মোরে অবস্থিত ওয়েস্ট জোন পাওয়ার
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এর সাথে সংশ্লিষ্ট যতগুলো শাখা আছে সবগুলোতেই প্রতিদিন লেনদেন হয়।এখানে সর্বনিম্ন ৫০০টাকা, আর সর্বোচ্চ হিসাবের বাইরে। এই লেনদেনের সাথে যারা সেবা নেয় তাঁরাও জড়িত। কারন তাঁরাও সুবিধা নেয়।বিশেষ করে সিএন্ডএফ,শিপিং,ভেন্ডার, বার্থ অপারেটর,ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং, ব্যাবসায়ী ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান।
I bound to give bribe in this office
Amake directly call dye thana teh documents niye jete bola hoyechilo, ar bola hoyechilo kisu cha-nastar khoros aante.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সারটিফিকে এর জন্য গিয়েছিলাম।থানার মুনসি বলছে তিন হাজার টাকা লাগবে,আমি বললাম এক হাজার টাকা সরকারী ফি, তিন হাজার লাগবে কেন। বলছে এক হাজার আমাদের, একহাজার এস,পি সাহেবের,আর এক হাজার সরকারী ফি।দিলে হবে না দিলে হবে না। আনেক জরুরী ছিল,অনুরোধের পর ২৭০০ টাকায় দিতে রাজী হয়।টাকা দেয়ার পর বললাম রিসিট দেন,বলে পুলিশের রিসিট লাগে না কি?এক সপ্তাহের কথা বলে দুই সপ্তাহ পরে দিছে।
আমার জন্ম নিবন্ধন আর স্কুল সার্টিফিকেট এক ছিল না তাই ঠিক করার জন্য নতুন জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে গেছিলাম,, গিয়ে কথা বললাম তো বলল এই সমস্যা সেই সমস্যা পরে বলল ৩০০০ টাকা দিলে আজকেই হয়ে যাবে,, উপায় ছিল না খুব জরুরি লাগত তাই ২৫০০ টাকা দিয়ে করে নিছি 😔😔
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকায় পি আর এল মঞ্জুরের জন্য ৫০০০টাকা দাবি করে, আমি ৩০০০টাকা দিয়ে যথেষ্ট অনুরোধ করি, অবশেষে ৫০০০টাকা দিতে বাধ্য হই। চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য ৬০০০টাকা দাবি করে, আমি ৩০০০টাকা দিয়ে কাজটি করে দেয়ার অনুরোধ করে চলে আসি।এক মাস পর সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিকে মোবাইল করলে,উনি আমাকে জানান,'আপনি তো চাহিদা মতো টাকা দেননি, স্তরে স্তরে টাকা দিতে হয়,বাকি ৩০০০টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দিন'। বাধ্য হয়ে টাকা পাঠিয়ে দিই। সর্বশেষ পেনশন মঞ্জুরের জন্য সিনিয়রদের কাছ থেকে জেনে প্রস্তুতি নিয়েই ডিজি অফিসে যাই এবং ১৪০০০টাকা দিয়ে আসি।
ল্যান্ড সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনাল, ময়মনসিংহ এর বিচারক ৫ (পাচঁ) লক্ষ টাকা ঘুষ না দেওয়ার আমার জমি বিবাদীরপক্ষে আদেশ দেয় আদালত। আমি গরিব মানুষ এত টাকা নাই, থাকলে দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে হলেও বিপদ থেকে মুক্ত হতাম।
পৌরসভার বিল্ডিং পাসের জন্য আমার কাছে থেকে পৌরসভার চাকরি করে এক কর্মকর্তা কাছে আমার ফাইল দিয়েছি কিন্তু পাস হয় নাই ।তার ব্যক্তিগত সিমেন্ট ব্যবসা আছে সেখান থেকে সিমেন্ট কিনতে হবে বলে সেটাও নিয়েছি কিন্তু তারপরেও আমার বিল্ডিং পাস না করে উল্টা জরিমানা করে বেশি টাকা দাবি করছে। অথচ সেই ব্যক্তি আমাকে বলেছিলো কাজ শুরু করেন এর মধ্যে পাস করে দিবো। এখন পর্যন্ত আমার বিল্ডিং পাসের করে নাই এখন রাস্তা কথা বলে বন্ধ করে রাখছে।
আমাদের এক বড় ভাই জমির খাজনা দিতে গেলো, আমরা অনেক বছর খাজনা দি নাই,জমিও অনলাইনে নাই,আক্তার মিয়ার হাট ভুমি অফিস আমাদের বড় ভাইয়ের থেকে ২০০০০হাজার টাকা চাইলো আর তিনি ২০হাজার টাকা দিলো কিন্তু যখন আমাদের বড় ভাইকে রশিদ দিলো পরে দেখি রশিদে উল্লেখ করেছে মাত্র ৩হাজার টাকা আর বাকি ১৭হাজার টাকা তারা সরকার কে না দিয়ে তাদের পকেটে রাখলো।সরকারি টেক্স তাদের পকেটে গেল।
BMET অফিসে ফিঙ্গার দিতে গেলে অবৈধ ভাবে টাকা দাবি করে। কম শিক্ষিত কমজানা মহিলাদের থেকে এই ব্যবসা করে। ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ ফিলাপ করার পরও ওরা বলে এটা হয় নাই ওইটা হয়নি এগুলি বলে মানুষের থেকে টাকা দাবি করে। যদি আর্থিক লেনদেন করে তাহলে তো অবশ্যই মানি রিসিট দিবে তো মানি রিসিট দেয় না। কারণ সম্পূর্ণ টাকা হইলো পকেট মানি (ঘুষ)।
When I attended to give thumbs impression for my driving license. They let me know that the file is not updated to take thumb impressions. Then I told him what can i do. Receiving sms i came to give my thumbs. With a exchange of Tk.5000/- i had to settle that issue.
মাত্র ৬ শতক জমি খারিজে দেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম জমিতে কোন ভেজাল নাই শুধু কাতের দলিল 1996 সনের এজন্য বলে টাকা দিতে হবে, তবুও আমি বলছিলাম যেভাবে যতটুকু পাই অতটুকি খারিজ দেন
গতবছর ফেব্রুয়ারিতে আমি বেনাপোল বর্ডার হয়ে ভারতে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন পুলিশের এক অফিসার আমার পাসপোর্ট দেখে ফিরিয়ে দেয়। কারণ জানতে চাইলে বলে পাসপোর্টে ডলার অ্যান্ড্রোজমেন্ট না থাকলে যাওয়া যাবে না। যেখানে ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়ে ভিসা পাওয়া সম্ভব, ভারত সরকার আমাকে ভিসা দিয়েছে, আমার কাছে বৈধ পাসপোর্ট আছে। তবুও এমন ব্যাবহার। কোথাও অভিযোগ করব সে সুযোগ নেই, কোন অফিসারের নেম ট্যাগ নেই। খুলে রাখা সব। বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গেলে দেখবেন, কাচ ঘেরা একটা কেবিনে কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকে। সমস্ত ঘুষ হয়ে বেয়াদবের কাছে জমা হয়। প্রথমবার গিয়েছিলাম, অভিজ্ঞতা নেই, বাধ্য হয়ে টাকাটা দিয়েছিলাম।