ডেপুটেশন + যে কোনো ধরনের সাইন
থানা শিক্ষা অফিসার, তার কাছে যে কোনো ধরনের সাইন নিতে গেলে ৫০০ টাকা অথবা এক প্যাকেট বেন্সন সিগারেট দেওয়া লাগে। ডেপুটেশন এর কথা বলে যার কাছে যেভাবে পারে টাকা নেয়। আর শো কজ করে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার প্রমান আমার কাছে আছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
থানা শিক্ষা অফিসার, তার কাছে যে কোনো ধরনের সাইন নিতে গেলে ৫০০ টাকা অথবা এক প্যাকেট বেন্সন সিগারেট দেওয়া লাগে। ডেপুটেশন এর কথা বলে যার কাছে যেভাবে পারে টাকা নেয়। আর শো কজ করে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার প্রমান আমার কাছে আছে।
ট্রেজারি অফিস রংপুর আগাগোড়া পিয়ন থেকে অফিসার পর্যন্ত সবাই পয়সা খায়, টাকা না পেলে কোন বিদেশ সাইন করে না, তাদের প্রত্যেকটা বিলের একটা পারসেন্টেন্স থাকে তারা বলে বিল আসে, বাজেট আসে নাই, বাজেট আসছে এন্ট্রি দেয়নি, টাকা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে এন্টি হয়, দিনের বিল দিলেই পাওয়া যায়, টাকা না দিলে ৫ দিন ৭ দিন ১৫ দিন লাগে,
তখন অনলাইনে আবেদন নতুন শুরু হয়েছে। অনলাইন এবং অফলাইন দুইটাই চালু আছে। অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করলে শুধু বায়োমেট্রিক নেওয়ার কথা। কিন্ত সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস ম্যানুয়ালি জমা নেয়। বারবার ফেরত পাঠায়। যেখানে সবগুলো ঠিক না হলেঅনলাইনে আসে না। সেখানে দালাল ধরতে বাধ্য করে।
জমি জরিপ এসে, তারা কাগজ পএ ঠিক থাকা সত্বেও নানাভাবে হয়রানি করে! তারপর তারা টাকা দাবি করে, বলে ৫ লক্ষ টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে! তারপর ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করতে বাধ্য হই!
আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি ভূলবশত সরকারের নামে রেকর্ড হয়ে যায়, পরবর্তীতে মামলায় আমরা জিতে যায় এবং সরকার আপীল করার পরও হেরে যায়, অতঃপর পাবনা জজ কোর্ট এডিসি রাজস্ব কে প্রকৃত মালিকদের জমি বুঝিয়ে দিতে বলে। এরপর সাথিয়া এসি ল্যান্ড অফিস থেকে মাঠ পর্যায়ের একটা প্রতিবেদন আনতে নোটিশ দেয় এডিসি রাজস্ব। প্রতিবেদন এ আমাদের পক্ষেই তথ্য আসে, কিন্তু পাবনা ডিসি অফিস থেকে আমাদের জমি অবমুক্ত না করে শুরু হয় আমলাতান্ত্রিক হয়রানি, অফিসের কর্মচারীরা বলতে থাকে ভিপি কেস এর সম্পত্তি টাকা ছাড়া উদ্ধার করতে পারবেন না এবং ১৫ লক্ষ টাকা দাবী করা হয়। আমরা রাজি না হলে আবার প্রতিবেদন আনতে নোটিশ দেয়, আমরা আবার প্রতিবেদন নিয়ে আসি, কিন্তু কোন কাজ হয়নি। উপরন্তু তৃতীয়বারের মতো প্রতিবেদন আনতে বলে......!?
খতিয়ান এর নকল এর জন্য ১৭ টা খতিয়ান ১৭০০০ টাকা দিলাম , না দিলে নকল দিবে না
রোগীর জন্য বেড ব্যাবস্থা করে দেওয়া ট্রলি দেওয়া, স্যালাইন ফিট করা।
I had to make new passport without giving extra money I could not get the passport in due time.
সে বলে ছিলো একাগজ টা আনতে তাদের নাকি টাকা খরচ হয়েছিল তাই
এটা না দিয়ে কাজ হবে না
নিম্নে দলিলের নকল (Certified Copy) এর ফিসের হার দেয়া হলঃ দফা ‘জি (এ)’ অনুসারেঃ কোন হেতু, ভুক্তি বা দলিলের নকল প্রস্তুতকরণ বা প্রদানের ক্ষেত্রেঃ (অ) বাংলায় লিখিত প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা তার অংশ বিশেষের জন্য- ১৬ টাকা। (আ) ইংরেজি ভাষায় লিখিত প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা তার অংশ বিশেষের জন্য- ২৪ টাকা। দফা ‘জি (বি)’: কোন আবেদনকারী, কার্যালয়ের অন্যান্য নকলের কাজ অপেক্ষা, তাহার প্রার্থিত নকলের জন্য অগ্রাধিকার চাইলে, তাহাকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে হইবে, বা যদি নকলটি প্রতি পৃষ্টায় ৩০০ শব্দ-বিশিষ্ট চার পৃষ্টার অধিক হয়, তাহলে প্রতি পৃষ্টার জন্য ১৫ টাকা হারে অতিরিক্ত ফি দিতে হবে। কিন্তু আমার কাছে ২৫০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। আমি ২২০০ টাকা দিতে সম্মতি হয়ে জাবেদা নকল তুলতো দিয়েছি।
আমি আমার এক ছোট ভাই কে নিয়ে যাই HSC এর সার্টিফিকেট তুলতে। সেখানে থাকা অফিস সহকারী স্যার আমাদের থেকে সরাসরি টাকা চায়। জিজ্ঞেস করলে বলে এটা নিয়ম সবাই দেয় কিছু একটা দিয়ে নিয়ে যাও। অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেওয়া লাগে স্যার দেখে কিছু বলতেও পারি নি
মেয়র কতৃক মনোনীত ব্যক্তি দিয়ে সরকারি দপ্তর সিটি করপোরেশনের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আমাদের পৈত্রিক জায়গা জবরদখল করে উকিল লেলিয়ে হয়রানির পাশাপাশি মোটা অংকের টাকা দাবি। উক্ত জায়গার খতিয়ান, খাজনা সব আপডেট আছে আমাদের নামে। উদ্দেশ্য নাম মাত্র মুল্যে আমাদের থেকে জায়গাটা লিখে নেওয়া।
আমার ফ্যামিলির জন্ম সনদের জন্ম সাল এস এস সি সার্টিফিকেট সাথে মিল ছিলো না , তা জন্য আমি আবেদন করেছি একে একে ৪ বার। যখন যেবাবে বলা হইছে তখন সেই ভাবে আবেদন করেছি , তাও কাজ হইনি, অন্য এক লোক দেখিয়ে দিলো সে ২০০০ টাকা নিলো , অই দিন আমার কাজটা হয়ে গেলো ।
ভূমি অফিসে এটি একটি রমরমা ব্যবসা হয়ে দাড়িয়েছে। সরাসরি ডিল করছেন ওনারা। প্রতিটা কাজের জন্য দাম ফিক্সড করা। নামজারি করতে ১১০০ টাকা লাগে। অথচ তারা ৭,০০০-১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। দালাল ছাড়া সরাসরি করতে গেলে তারা গরিমাসি করে। তাই সাধারন জনগণ হিসেবে আমি এই জুলুমের শেষ চাই।
বর্তমান সময় আমি জানি নামজারি করতে সরকারি একটা ফি আছে তার থেকেও আমার কাছ থেকে অনেক বেশি নেওয়া হয়েছে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে আমি জানি এতে এত টাকা নেওয়া হয় না। কি করবে বলেন টাকা না দিলে তো কাজ করবে না আমাদের এ কাজ নিয়ে ঘুরাবে, এইজন্য এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছে সরকারের কাছে একটি দাবি এইসব সেক্টর থেকে দুর্নীতি বন্ধ করার।
চাকরিরত অবস্থায় সরকারি চাকরিজীবী মারা গেলে যে যে ধাপে টাকা উঠাতে হয় সব জায়গায় দশ বিশ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয়েছে এভাবে ১ লাখ টাকা গেছে। এখনো কল্যান তহবিলে দুই লাখ টাকা পায়নি
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করেছিলাম গত ১ মাস আগে, পুলিশ ফোন করে বলে থানাশ আসতে ভেরিফিকেসনের জন্য। থানায় গেলে পুলিশ ১০০০ টাকা দাবি করে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আমার ইমারজেন্সি ছিল তাই ৬০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।প্রতি থানা ঘুষের মুল কারখানা।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বানিজ্য শাখায় কারিগরি লাইসেন্স (স্বর্নকার) নবায়ন করতে অতিরিক্ত টাকা প্রধান করতে হয়।৪র্থ শ্রেনির কর্মচারি থেকে উপর পর্যন্ত ভাগ যায়।সবচেয়ে বড় দুর্নীতিটা হয় যখন আপনি নিজে কাজটা করতে যাবেন। জেলা প্রশাসক নির্ধারিত এসটিডি ফান্ডে উত্তরা ব্যাংক শাখায় জমা দিতে হয় ৫০০ কিন্তু আপনাকে বলবে ১০০০ জমা দেন। সাথে যোগ হবে লাইসেন্স পি, ট্যাক্স ও ভ্যাট। এদিকে ঘুষ দিয়ে করে সেটা ১৩০০ টাকার মধ্যে করে দিবে।প্রশ্ন হল স্বাভাবিকভাবে করতে গেলে অনেক টাকা লাগে দেখুন ঘুষ দিয়ে করলে তেরোশো টাকায় হয়ে যায়। এই শুভঙ্করের ফাঁকি সবাই কে ক্ষতি করছে। জেলা প্রশাসন সেটা অনলাইনেও করবে না আবার বাণিজ্য শাখায় এ বিষয়ে নাগরিক সনদ নাই যে কোন খাতে কত টাকা করে ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
আমি ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে শাহগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমি নামজারি করার জন্য যাই। তখন আমার দললিলে সামান্য নামের ভুল ছিল। সেই নামের ভুল টার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে একটি প্রত্যায়ন গ্রহণ করি। তারপরেও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর আমার কাছ থেকে ১০,০০০ হাজার টাকা দাবি করে। ওনাকে ১০,০০০ হাজার টাকা সে আমার জমির নামজারি করে দিবে না হলে সে নামজারির কাজ করবে না পরিষ্কার করে বলে দেয়।