বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন
সরকারি সেবা যেখানে সবার জন্য ফ্রি,কিন্তু প্রত্যেক নাবিক সাইন অন ও সাইন অফ এর সময় তার এজেন্সির লোক দারা ১০০০-১৫০০ টাকা নিয়ে থাকে চা নাস্তা খাওয়ার কথা বলে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি সেবা যেখানে সবার জন্য ফ্রি,কিন্তু প্রত্যেক নাবিক সাইন অন ও সাইন অফ এর সময় তার এজেন্সির লোক দারা ১০০০-১৫০০ টাকা নিয়ে থাকে চা নাস্তা খাওয়ার কথা বলে ।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্স-রে, সিটি স্কেন করালে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার দ্রুত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সরাসরি ফিল্ম দেখেই চিকিৎসা করেন। কিন্তু ফিল্ম নিতে গেলে সংশ্লিষ্ট স্টাফ ও কর্মীরা টাকা চান। যেখানে ২–৩ মিনিটের মধ্যে ফিল্ম দেওয়া সম্ভব, আমি নিয়েছি ২ মিনিটে, সেখানে দ্রুত নিতে চাইলে চুপিচুপি টাকা চাওয়া হয়। নির্দিষ্ট কোনো টাকা দাবি করেন না; বরং হ্যাংলার মতো বলেন, “কিছু দেন” বা “কিছু দিয়ে যান”—অনেকটা ভিক্ষুকের মতো। বিষয়টি ছোট মনে হতে পারে, তবে এটিও রোগীদের ওপর এক ধরনের হয়রানি। দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক রোগী বিষয়টি না বুঝেই বেশি টাকা দিয়ে থাকেন।
Mpo বিল পাশ করানো। Ntrca teacher
আর্মিতে ছিলাম,,,, পেনশনের সময় দিয়েছি। ঘুষ না দিলে পেনশন কম পাওয়া যাবে এবং সময় লাগবে। ১০০% দিতেই হবে। তাই আমি দিতে বাধ্য হয়েছি। এবং এক দু মাসের মধ্যে পেয়ে গেছি।
আমি ভূমি অফিসে যাই নামজাৱী কৱতে এৱ পৱ যেয়ে আবেদন ফি 500 টাকা প্ৰতিবেদন ফি 500টাকা তাৱ পৱ সব কাজ অফিসাৱ কৱে দিবে 3000 টাকা দিতে হবে তা না হলে আমি নিজে কৱতে গেলে নানান সমস্যা দেখাচ্ছে অফিসাৱ
Union land office er pion dari ala beda bole 6000 tk dan tahole r kisu problem hbena AC land office a o jaite hbena 30 din por aisa papers nia jaben.....opai na pia tk dite badho holam
এখানে যাদের জমি বাংলাদেশ রেলওয়ে অধিগ্রহণ করছে এই টাকার চেক দিতে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণ ঘুষ দাবী করছে না দিলে চেক সই হচ্ছে না। চেক অনুমোদন করতে একবার ঘুস দিতে হয়েছে আবার এখন চেক বিতরণ করবে এজন্য চেক প্রতি ১০ হাজার, 7000 বিভিন্ন পরিমাণে ঘুষ দাবী করছে। মনে হচ্ছে এটা যেন মগের মূল্লক তারা যা বলবে তাই হবে। সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে জুলুম করে টাকা আদায় করছে। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া
বিশ্ব ব্যাংক কর্তৃক BRTC তে BRSP নামক একটি প্গ্রাম চালু আছে যেখানে ড্রাইভিং শেখানো হয় এবং ড্রাইভিং শেষে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়া হয় সরকারিভাবে। কিন্তু ড্রাইভিং এর পরীক্ষা দেওয়ার আগে বিআরটিসি অফিস কর্তৃক আমাদের ৩০০ জনের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া বাবদ ৩০০০টাকা লাগবে এরকম দাবি করা হয়। পূর্ববতী সিসেপ প্রকল্পের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও এরকম টাকা নেয়া হয়েছে এবং আমাদের থেকেও নেওয়া হবে। বিআরএসপি প্রতি বেচে ৩০০ জন স্টুডেন্ট থাকে। এই টাকা পরিশোধ না করলে আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বেগ পেতে হবে এই ধরনের কথা আমাদেরকে জানানো হয়। আর একটা বিষয় হচ্ছে আমাদের সবাইকে ড্রপ টেস্ট করতে হবে এটাই প্রকল্পের একটি অংশ। কিন্তু আমাদেরকে এটাও বলা হচ্ছে ড্রপ টেস্টের টাকা নিজেরা পরিশোধ করতে.
আমি টাকা দিয়েছি, পরে সংশোধন হয়েছে কি না জানি না। আমি ওই রেজুলেশন বই এর ছবি তুলতে চাইছিলাম আমাকে দেয় নাই। আবাট টাকা গ্রহণের রশিদ ও দেয় না-ই। বললাম এটা তো টাইপিং মিসটেক আপনারাই ঠিক করে দিন। আমার তো যাবতীয় কাগজপত্র ঠিক আছে। তাহলে টাকা দিবো কেন তারা বলে যে এটা এভাবেই পাঠাবো তাহলে। তাহলে আর বড় ভুল হবে, তখন মামলা মোকদ্দমা করে জমির কাগজপত্র ঠিক করতে হবে। তাই আর কিছু না বলে ২৫০০ টাকা দিয়েছিলাম।
সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে গেলে টাকা দাবি করে, তাহলে এক্সট্রা ভাবে দেখবে, তার ভিসিট ২০০ টাকা , যতবার তাকে আপনি এক্সট্রা ভাবে দেখাবেন ততবার ২০০ করে টাকা নিবে আমার স্ত্রীকে তিনটি স্যালাইন লিখে দিয়েছিলেন লাইনগুলোর নাম তিনি লিখে দিয়েছিলেন প্রেসক্রিপশনে, পরবর্তীতে আমি বাহিরে থেকে কিনে আনি তিনি পর্যায়ে কর্মে তিনটি লাইন দিয়েছিলেন ২০০ করে টাকা নিয়েছে, যতবার তার কাছে আমার স্ত্রী চিকিৎসার জন্য গিয়েছে ততবারই তাকে অর্থ প্রদান করতে হয়েছে আমি যতটুক জানি প্রায় দুই হাজার টাকার মত দেয়া হয়েছে। আমার মত এরকম অনেকেই ভুক্তভোগী আছেন, চিকন্দি সরকারি হাসপাত
আমি ভুমি রেজিস্টেশন করতে গেছি যখন আমাদের দলিল লেখক সাব রেজিস্টারের কাছে দলিল নিয়ে গেছে তখন সাব রেজিস্টার ২০০০০ হাজার টাকা দাবি করে ঘটনাটি ২০২১ সালের
আমার জরুরি ড্রাইভিং লাইসেন্স কারার জন্য ২০ হাজার টাকা নিছে, ঢাকা তেজগাঁও বিআরটিএ
নামজারি করতে টাকা চায়
আমার পুরাতন পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করার দরকার ছিলো, যার জন্য আমি আবেদন করে সাথে টাকা পরিশোধ করি, আমার আগের পুরাতন পাসপোর্ট থেকে শুধু সিঙ্গেল থেকে মেরিড দেই তার জন্য মুল বিপত্তি, আমি সকল ডকুমেন্টস নিয়ে যাওয়ার পর আমাকে বলে মেরিড তার জন্য কাবিন নামা লাগবে, যেখানে পড়াশোনা করি সেখানে id কাড লাগবে, কিন্তু দুঃখের বিষয় আর কারো লাগতেছে না। পরে আমি বের হয়ে যাওয়ার সময় আনসার আর একজন পুলিশ ডাক দিয়ে বলে কি সমস্যা পাসপোর্ট হয় নাই, তাকে বললাম আমার এই ডকুমেন্টস গুলো লাগবে, আবার টাইম বেশি নেই এনে জমা দিবো, এই দিন আবার বৃহস্পতিবার ছিলো, বিয়ের কাবিন নামা ছিলো কাজীর কাছে ওর কাছ থেকে আনতে হবে। আনতে আনতে পাসপোর্ট অফিস সময় শেষ হয়ে জাবে। পরে পুলিশ বলে আমাকে ১৮০০ টাকা দিন আমি করে দিতে
Amar baba govt. Job korto..unar retired hobar por theke pension er tk pacchilam naa kormoroto der cha nastar bill er jonno...ajk 5 ,kalk arekjon ke 5,avabe kore pray 50 hajar tk dite hoy...abar bole kaouke janale amader nijeder e khoti hbe....
নামজারি বাতিল করে , পরে আমি আর করিনি
আবার দাদার সম্পত্তির রেকর্ডে একটু ঝামেলা ছিল। দলিলে আমার দাদা এবং আমার চাচাতো দাদা দুজনেই আট আনা, আট আনা অংশীদার। কিন্তু রেকর্ডে ভুলবশত কিছু জমি আমার চাচাতো দাদা বেশি রেকর্ড করে নেয়।এই রেকর্ডটি সংশোধন করার জন্য ভূমি অফিসে একটি মিসকেস করি। এ মিসকেসটি করা এক বছর হলেও কাজের কোন অগ্রগতি দেখতে পাওয়া যায় না। শুধু অফিসে দিনের পর দিন ঘুরতেই থাকি। একদিন অফিসের এক পিয়নের মাধ্যমে আমাকে জানানো হয়। এভাবে দিনের পর দিন ঘুরে আপনার কোন কাজ হবে না। কাজ করতে হলে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হবে । শেষমেষ কোন উপায় না থাকায় আমি তাদের সাথে ৫০ হাজার টাকায় চুক্তি করি। এবং ৫০০০০ টাকা দেওয়ার কারণে এক মাসের মধ্যে আমার কাজটি সম্পন্ন হয়।
নামজারি করার জন্য ১৬ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র সঠিক থাকার পরেও। অন্যথায় ঘাস জমি হিসাবে প্রদান করা হবে।
শিক্ষক নিয়োগ (ক) তম গণ বিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ প্রাপ্তির পর এম. পি. ও করন প্রক্রিয়ার জন্য ১০০০০ টাকা দাবি করেন প্রধান শিক্ষক। না দিলে বেতন পাব না। তাই ১০০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। প্রায় ১০-১৫ জন শিক্ষক থেকে এম.পি.ও করন প্রক্রিয়ার জন্য ১০০০০ টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন তিনি ( আমার জানামতে)
নামজারিয়া আবেদন করতে যেয়ে ভূমি অফিস সম্পর্কে আমার অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়। সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়ে যাওয়ার পরও তারা দেখা যাচ্ছে দিনের পর দিন ঘুরাবে। এরা আমাদের পাসপোর্ট অফিস রাজশাহীর থেকেও বেশি ঘুরায়। এবং এটা কোনো কারণ ছাড়া আপনি যতক্ষণ না ঘুষ দিবেন ততক্ষণ আপনাকে ঘুরাতেই থাকে। তো আমি যখন নামজারি আবেদনের জন্য বললাম যে আমার এটা এটা করা লাগবে, তখন আমাকে বলল যে হ্যাঁ হবে কিন্তু ম্যাডাম একটু সমস্যা আছে বুঝতেই তো পাচ্ছেন আপনার জমে অনেক ঝামেলার, ইভেন ওখানে যিনি প্রিয়ন থাকে তা না তার ডিমান্ড অনেক বেশি সে যেকোন একটা নথি বই বের করতে ২০০০,৩০০০ বা ১০০ টাকাও নেই এটা ডিপেন্ড করে যে আপনার জমি কতটুকু আপনি কি রকম ড্রেসআপ করে আসছেন। আপনি বলদ কিনা তার ওপর। এবং আমি বেশ কয়েকবার এই ফাঁদে পড়ে আমি কিছু টাকাও দেই