নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খাজনা টাকা দেওয়া হয়েছে ৪০০০ খাজনা পরিশোধ করেছে মাত্র ৭০০ টাকা। বাকি টাকার কোন কাজ আর রশিদ নাই এবং টাকাও নাই।
হোল্ডিং টেক্স দিতে গিয়ে লোক পাওয়া যায় না। থাকলে ৯১৫ টাকা হলে ১০০০ টাকা দিলে অবশিষ্ট ৮৫ টাকা ফেরত দিতে চায় না। এখনও হাতে ও রিসিপ্ট কাটা হয় যার কোন দালিলিক প্রমাণ থাকে না। অথচ ঢাকা উত্তর অনেক আগে থেকেই অনলাইনে হোল্ডিং টেক দেওয়া যায়। দক্ষিণে কেনো এটা হয় না?
SFC, বাংলাদেশ নেভিতে যারা সরবরাহের কাজ করেন, তাদের বিল প্রদান করেন। SFC, মিরপুর-১৪ অবস্থিত। বিল নিতে হলে বিল একাউন্ট এর উপর ১% হারে টাকা দিতে হয়, যারা বিল প্রসেস করবে। আর চেক এর জন্য মহিলাকে প্রতি লাখে ২০০/ টাকা দিতে হয়।
টিটসি ময়মনসিংহ আগামি মটোর ড্রাইভিং কোর্সের আবেদন এ-র জন্য ফর্ম তুলার সময় সবার কাছ থেকে ১০ টাকা করে নিচ্ছিলো
সমস্ত্র কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল টি পাসপোর্ট অফিস থেকে বাহির করে দিছে। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে গেলে একই ডকুমেন্টস দিয়ে কাজ করে আসছি।
পোস্ট অফিস থেকে টাকা তুলতে হয়রানি । তাদের টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিভিন্ন অজুহাতে সময় খেপন করে এবং পরবর্তীতে তাদের আবদার পুরুন করে টাকা তুলতে সক্ষম হই।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এমপিও করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল
আমি ঘুষের টাকা না দেওয়ার কারনে আমার নকলটি এখনও সরবারহ করে নাই।আমি নকল আনিতে গেলে সে আৃার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবী করিতেছে।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার শ্রীপুর পৌরসভা কার্যালয়ে জন্ম সনদ সংশোধনের জন্য গেলে একজন কর্মকর্তা বলেন যে তাকে টাকা দিলে সে আর্জেন্ট কাজটা করে দিবেন দুই দিনের ভেতরে। আর টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘুরতে হবে অফিসে এবং আমি ঘুস দেয়নি স্বাভাবিক ভাবেই জমা দিয়েছি আজ একমাস হলো এখনও কাজটি হয়নি।
Driving license এর জন্য ১০০০০ টাকা খরচ করতে হয়েছে । এই টাকা এক দালাল কে দেওয়া হয়েছে
নামজারি করতে ভূমি অফিস এর এক কর্মচারী ১৫০০০ টাকা দাবী করলে তাকে টাকা দিয়ে নামজারি করতে হয়
১০ শতাংশ কান্দা জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম নেত্রকোনা, মদন উপজেলায় কিন্তু টাকা ছাড়া খারিজ করতে পারিনি।
আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য পুলিশ আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে। আমার সব কাগজ পত্র ক্লিয়ার এবং আমার নামে কোনো মামলা নাই, তারপর ও তিনি আমার থেকে টাকা দাবি করে। আমি যখন দিব না বলছিলাম তখন আমাকে ওল্টা দমক দেয় যে, আমার পাসপোর্ট ভেরিফাই করবে না, লেইট করবে। আমি বাধ্য হয়ে দাম দর করে ১৫০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট ভেরিফাই করালাম।
লাইসেন্স নবায়ন কপি প্রিন্ট চাইলে টাকা চায় ১০০ টাকা
আমি ফ্যামিলি কাড তথ্য সংগ্রহ কারি হিসাবে আবেদন কারি পরিক্ষা দেই সব কিচু অনেক ভালো হয়েছিলো। তার পর স্থানিয় বি.এম.পির নেতা বাড়িতে এসে বলে যদি তথ্য সংগ্রহ কারি হতে চাই তাহলে তাকে ২০০০০ টাকা দিতে হবে না হলে জিবনে হবেনা। আমার থেকে অনেক খারাপ স্টুডেন্ট এর হল আমার হলো না। এমন কি যারা পরিক্ষা দেয় নাই তাদের ও হলো। যদি চাকরি এমনি হয় তাহলে এত নাটকের কিছু ছিলো না
আমার কাছে সময় কম ছিল তারাতারি পাসপোর্ট করা লাগবে পরে একজন পাসপোর্ট এর দালাল ধরি তারাতারি করার জন্য সে প্রথমে ৭০০০ টাকা চাইল সময় ১ মাস লাগবে। তারপর আমি বললাম আমার ১৫ দিনের মধ্যে লাগবে পাসপোর্ট। পরে বলল করে দেওয়া যাবে তবে কিছু টাকা লাগবে আরো বাড়তি। আমি বললাম টাকা ত নিচ্ছেন ই সে বলে উওঠল তারাতাড়ি বলে কথা। তারপর আমার ভিসা চিন্তা করে তাকে তারাতাড়ি করার জন্য আরো ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে।
রাস্তা ঢালাই হলে তাকে ২০০ টাকা দিতেই হবে।
নামজারি করতে টাকা চেয়েছে
উল্টোপাল্টা ভুল ধরে তার বলে পাসপোর্ট অফিসে তারা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের পেপার সাবমিট করবেনা, এই বলে ভেরিফিকেশন পুলিশ আমার পেজ থেকে ঘুষ খায়, আর মানসিকভাবে প্রচুর ডিপ্রেস করে দেয়, মানসিকভাবে তখন আমি খুব আঘাত পাই এবং কষ্ট পাই
Sub register has fixed .5% as bribe for registration of Power of Attorney