জন্ম নিবন্ধন সংশোধন
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন জে এস সি সার্টিফিকেট এর সাথে বয়সের সাল অমিল ছিলো। সংশোধন এর জন্য গেলে বলে টাকা লাগবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন জে এস সি সার্টিফিকেট এর সাথে বয়সের সাল অমিল ছিলো। সংশোধন এর জন্য গেলে বলে টাকা লাগবে।
মোহাম্মদপুর জোনের / ঢাকা সিটি করপোরেশনের ট্যাক্স কর্মকর্তাকে উক্ত টাকা ঘুষ হিসাবে দিতে বাধ্য হই।
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিল দুই ভাই এক একটা পাসপোর্ট ৫৭৫০ টাকা সেখানে সে নিয়েছে ৯৫০০ টাকা
আমার SSC সার্টিফিকেট আনতে গেলাম, বললো ৩০০ টাকা লাগবে। বললাম কমাই রাইখেন। বললো কম নাই। আমি তর্ক করি নাই কারন তারা স্যার। তখন পরিশোধ করে আমার সার্টিফিকেট আনছি।
আমার সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর মূল সার্টিফিকেটের সাথে ভোটার আইডি কার্ডের নামের বানানে ভুল ছিল। তারপর আমার আইডি কার্ড সংশোধন করতে তিন মাস সময় যায়। তিন মাসের মধ্যে আমার বেতন স্থগিত করে। এমন সময় আমার স্কুলে যাওয়ার যাতায়াতের ভাড়া ও পকেটে ছিল না। তারা আমার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, তখন নিরুপায় হয়ে দুই হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে। প্রথম বেতন বিল করতে হয়েছিল।
নাটোর পাসপোর্ট অফিসে একটি পরোক্ষ ঘুষ ব্যবস্থা আছে। যে ব্যক্তি কাগজপত্র চেক করে, তার কিছু কম্পিউটার ফর্ম ফিলিং দোকানের সাথে যোগাযোগ আছে। আপনি যদি সেই দোকানের মাধ্যমে যান, তাহলে আপনার কাগজপত্র চেক ছাড়াই পাস হয়ে যাবে, অন্যথায় সেই ব্যক্তি আপনাকে হয়রানি করবে। তাই আমি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে গিয়েছিলাম এবং আমার পাসপোর্ট করতে আরও ২০০০ টাকা বেশি দিয়েছি।
আমার তারিখ ছিলো তারিখের মাস বাড়ানোর জন্য ঘুষ দিয়েছি
আমি জমি ক্রয় করি নাম জারি করতে যাই আমার কাছে দশ হাজার টাকা দাবি করে না হলে নামজারি করবে না আমি ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করি
আমি প্রবাসে আসার সময় প্রথম আমি একটা পাসপোর্ট করি পরে আমি সেই পাসপোর্ট দিয়া বিদেশে আসতে না পাড়ার আমার পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। আমি পরবর্তী তে আরেকটা পাসপোর্ট করতে গেলে আমার এনআইডি কার্ডের সাথে মিল না থাকায় আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়,,পরে আমি সেই টাকা দিতে বাধ্য হই 🥲
আমার NID কার্ড বানানোর জন্য ২০২১ সালে সব কাগজ পত্র ঠিক করে ফটিকছড়ি উপজেলা অফিসে যাই। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর আমাকে গেইট এর ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয় নাই।এ পর্যায়ে জোর করে আমার ফাইল গুলা একজন কর্মচারীকে দেই সাথে আরো কিছু আমার মতো ভুক্তভোগীরাও দেয়।কিন্তু ১০ মিনিট পরে আমাদের ফাইল গুলা অফিসের গেইট এর ভিতরে গলিতে ছুঁড়ে ফেলে যায়।কিন্তু আমাদের পরে আসা কিছু লোকজন নাম বলে নিয়ে যাচ্ছে আর সব কিছু কমপ্লিট করতেছে। পরে বুঝলাম দালাল ছাড়া হবে না সারাদিন কষ্ট করে নিরুপায় হয়ে রাতে একজন দালাল দরলাম ১৫০০ টাকা কন্টাক ১০ মিনিটে কাজ করে দিলো।সকাল ৭টা বাজে গেছি রাত ৮টা বাজে কাজ করলো ১৫০০ টাকা ঘুষ এর বিনিময়ে
বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ সংযোগ দেওয়ার জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও আরও ৫০০০০ হাজার টাকা ঘুষ চায়, ঠিকাদার ও বিদ্যুৎ আফিসের এক কর্মকর্তা, আমার সংযোগটি জরুরি হওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকা টা দিতে হয়েছে।
আমার ভোটার আইডিতে নামের ভুল আছে নির্বাচন অফিস এ যাওয়ার পরে বলল হবে না, ওইখানে অফিসের পিয়ন বলল ২০ হাজার টাকা দিলে করানো যাবে। আমি বললাম তাহলে আমার সংশোধন করানো লাগবে না।
পাসপোর্ট ভেরিফাই করার জন্য যখন পাসপোর্ট বের হয় প্লিজ তদন্ত করে রিপোর্ট দেয় এই রিপোর্টটা বের করার জন্য ১০ হাজার টাকা দাও পুলিশকে না হলে তারা রিপোর্ট দিবে না এবং আটকে রাখবে এমনকি আটকে রেখেছিল প্রায় টাকাটা কন পরিশোধ করা হয়েছে কপালে টাকা দিয়েছে তখনই তারা দিয়েছে পরিশোধ করার পর তারা পাসপোর্ট দিয়েছে
লক্ষীপুর বিআরটিএ আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দেই। পরীক্ষা শেষে আমার ফিঙ্গার ম্যাচ হচ্ছিলনা। ২-৩ বার ট্রাই করার পরে আমাকে বলে নির্বাচন অফিস থেকে ঠিক করে আনতে। আমি সেখানেও যাই। তারা এপ্লিকেশন জমা নেয়। তারপরেওএসে দেখি ফিঙ্গার ম্যাচ হচ্ছিলনা। পরে এক পিয়ন আড়ালে ডেকে নিয়ে বললো ২০০০ টাকা দিলে ঠিক করে দিবে। তার প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি বড় পোস্টধারী এক অফিসারের রুমে নিয়ে যায়। ঠিক ৫ মিনিট পরেই ফিঙ্গার দিলে তা ম্যাচ হয়ে যায়। আরও একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় , জিকজাক টেস্টের সময় ভিডিও করতে নিলাম সখের বসে, সেখানে একজন এসে বলে “আপনি কি স্যারের কাছ থেকে অনুমতি নিছেন? ভিডিও বন্ধ করেন মিয়া “। আমি বন্ধ করলাম এবং পরে বুঝতে পারলাম যারা টেস্ট এ ফেল করেছে সবাই পাশ ১০-১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে।
মিরপুর ১২ BRTA শুধু মোটরসাইকেলর ড্রাইভিং এর জন্য আবেদন করি, সমস্ত প্রসেস সঠিক ভাবে কমপ্লিট করার পরো, ফেইল মেসেজ আসে। পরবর্তীতে আবার পরিক্ষার জন্য যায়। তাদের কয়েকজন স্টাপের কাছে গেছি, সবাই ৩৫০০ টাকা করে দাবী করে, এবং বলে টাকা না দিলে কখনোই ড্রাইভিং লাইসেন্স মিলবে না। বাধ্য হয়ে পরে টাকা দেই।
বাড়ির যায়গার খাজনা দিতে গেছিলাম, ভুমি অফিসে ডুক্তে হাতের ডান পাশ্বের ভবনে ডুকার সময় ডান পাশ্বে একজন কর্মকর্তা নাম জানিনা সম্ভবত পায়ে সমস্যা আছে, অনাকে জিজ্ঞেস করলাম যায়গার খাজনা দিতে এসেছি উনি কাগজ পত্র দেখে বল্লো ৩২০০০ হাজার টাকা দিতে, আমরা শুনে অবাক এতো টাকা কি করে হলো, ভদ্রলোক আমাকে বল্লো বড় সাবের কাছে গিয়ে আলাপ করতে,জন্য বড় সাবের কক্ষ ডান থেকে ১/২ কক্ষ পরে গেলাম উনার কাছে উনি কাগজ দেখে ভেবে চিনতে বল্লো ২৫০০০/ টাকা দেন কক্ষের ভিতরেই আমার পরিচিত একজনের সাথে দেখা হলো যা বুজলাম আমার পরিচিত লোকের আনা গোনা বেশি উনি সহ সুপারিশ করলো তার পরে বল্লো ঠিকাছে সর্ব শেষ ১৮০০০/টাকা দেওয়ার জন্য কিন্তু আমাদেরকে টাকার রশিদ দিবে ১৪০০০/ টাকার, কি করার আছে মেনে নিলাম। পরিচিত লোক না থাকলে ২০হাজার দিতে হতো।
আমার দলিলে নাম ভুল ছিলো, কিন্তু আমি সত্য তা যাচাই করে নিয়েছিলাম চেয়ম্যান থেকে তার পর ও আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিছে। না দিলে না কি দলিল হবে না
গুশ দেওয়ার আগে বলছে গাড়িতে ওবার এসএস গ্রিল এবং গুশ দেওয়ার পর কোনো ওবার এসএস গ্রিল নয়।
অনলাইনে ৩ বার আবেদন করার পরে দালাল ছাড়া যাওয়াতে ফিরিয়ে দিছে এখন ৪ ৫ মাস ইচ্ছে করে পেন্ডিং রাখছে।
বিমান বাহিনীর বেসামরিক অফিস সহকারী কাম -কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ২০১৫ সালে ভাইবাতে দাবি করে, ভাইবা শেষে পিয়নকে পিছু পিছু পাঠায়, আমি পিয়নকেও না করে দিই।