নিয়েছে
আমি গাড়ি নিয়ে গুলশান ২সার্কেলে ওইখানে এক মিনিটের জন্য দাঁড়ায় ছিলাম
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি গাড়ি নিয়ে গুলশান ২সার্কেলে ওইখানে এক মিনিটের জন্য দাঁড়ায় ছিলাম
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে প্রতি বছর দিতে হয়
ঈদের পর CCBD climate center এ মোটরসাইকেনে ঘুরতে যাচ্ছিলাম। মাওনা ওভারব্রিজ পার হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পরই ট্রাফিক পুলিশের চেকিংএ পড়ি, ট্রাফিক পুলিশ আমারে সাইডে নিয়ে বলে ১০০০০ টাকার মামলা হবে, যদি ২০০০ ঘুষ টাকা দেই তাহলে মামলা দিবেনা। আমার কাছে এইপরিমান ক্যাশ ছিলোনা, এরপর অনেক রিকোয়েস্ট করে ১২০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ছাড়া পাই।
আমি রাত ৯ টার দিকে পুরান ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল এর দিকে আসতেছিলাম। তারপর টেকনিক্যাল মোর থেকে আমার বাইক দার করায়। তারপর কাজ পত্র দেখতে চায়, আমি ওই একই দিনে মির্জাপুর থেকে মামলা খেয়েছিলাম রং এ চালানোর জন্য। এজন্য আমার কাছে বাইকের কাগজ ছিলো না শুধু মামলার স্লিপ ছিলো আমি তা দেখাই তারা বলে গারির কাগজ নাই গাড়ি ডাম্পিং এ দিবো নানা হুমকি দেখিয়ে আমার বাইকের চাবি নিয়ে যায় তারপর ১ম এ ৩০ হাজার টাকা দাবি করে আস্তে আস্তে ১০ হাজার নিয়ে আমার বাইক ছেড়ে দেয়। বাইক ডাম্পিং সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানতাম না তারা বলে একবার ডাম্পিং এ দিলে আর নাকি বের করা যাবে না এসব হুমকি দেখায়।
আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট করার জন্য। আমি অনলাইনে টাকা জমা দেই ৫৭০০ টাকা। তারপর অনলাইন ফর্ম এবং কি সকল কাগজ সহ আমার স্ত্রী অফিসে গেলে তারা কাগজ জমা নিতে আগ্রহী দেখায় তারপর সেখানে কর্মরত এক আনসার সদস্য আমার স্ত্রীকে বলে ২৫০০ টাকা দিলে সব কাগজ জমা করে দেবে। এক পর্যায়ে আমার স্ত্রী ১৮০০ টাকা ওই আনচার সদস্য কে দেয়।কিন্তু টাকা নিয়ে ওই আনসার সদস্য কাগজ জমা দিতে ব্যর্থ হয়। তারপর আমার স্ত্রী টাকা ফেরত চাই লে আনসার সদস্য টাকা দিতে রাজি হয় না।
আসসালামু আলাইকুম আমি একটি জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম। জাহাজমারা হাতিয়া নোয়াখালী থানার অন্তর্গত জাহাজমারা ভূমি অফিসে সেখানে আমাকে ১০০০০ টাকা দাবি করে এবং ১০ হাজার টাকা ছাড়া করবে না আমি টাকা পরিশোধ করেছি
আমি NTRCA এর মাধ্যমে নিয়োগ পেলে এমপিও জন্য কাগজ পত্র উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দিতে গেলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, আমি সেটা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
আসসালামু আলাইকুম আমার জমি আংশিক আমার পাশের জমি ওয়ালা খারিজ করে নিয়ে যায় এটা সংশোধন করতে কেস করি এবং বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন জনকে ২০ হাজার টাকা দিয়েছে আজ প্রায় এক বছর ছয় মাস এর উপরে হয়েছে এখন পর্যন্ত কোন প্রতিকার পাইনি এটা হচ্ছে নোয়াখালী থানার হাতিয়া এসিলান্ড অফিসে
সীতাকুণ্ড পৌরসভায় ঘর নির্মাণের অনুমতি নিতে গিয়ে আমার অভিজ্ঞতা সীতাকুণ্ড পৌরসভা এলাকায় আমি একটি জায়গা ক্রয় করেছি। সেখানে ঘর নির্মাণ করতে হলে পৌরসভার অনুমতি নিতে হয়—সেমিপাকা ঘর হোক কিংবা বিল্ডিং। অনুমতির জন্য আমি ২টি আবেদনপত্র কিনেছি, যার জন্য নেওয়া হয়েছে ২০০ টাকা। সাধারণ একটি আবেদনপত্রের মূল্য এত বেশি হওয়ার যৌক্তিকতা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারের কাছে আবেদন জমা দিতে গেলে প্রতিটি আবেদনের জন্য ২,১০০ টাকা করে, মোট ৪,২০০ টাকা নেওয়া হয়। বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল যে টাকা না দিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ আছে বলে মনে হয়নি। এরপর সরেজমিনে জায়গা পরিদর্শনে এসে আরও ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। অর্থাৎ— আবেদনপত্র: ২০০ টাকা আবেদন/অনুমোদন প্রক্রিয়া: ৪,২০০ টাকা
গাড়ির ফিটনেস বা রোড পারমিট বলেন ব্যাংকে টাকা জমার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা দিতেই হবে না দিলে আপনার কাজ হবে না৷
সীতাকুণ্ড পৌরসভায় ঘর নির্মাণের অনুমতি নিতে গিয়ে আমার অভিজ্ঞতা সীতাকুণ্ড পৌরসভা এলাকায় আমি একটি জায়গা ক্রয় করেছি। সেখানে ঘর নির্মাণ করতে হলে পৌরসভার অনুমতি নিতে হয়—সেমিপাকা ঘর হোক কিংবা বিল্ডিং। অনুমতির জন্য আমি ২টি আবেদনপত্র কিনেছি, যার জন্য নেওয়া হয়েছে ২০০ টাকা। সাধারণ একটি আবেদনপত্রের মূল্য এত বেশি হওয়ার যৌক্তিকতা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারের কাছে আবেদন জমা দিতে গেলে প্রতিটি আবেদনের জন্য ২,১০০ টাকা করে, মোট ৪,২০০ টাকা নেওয়া হয়। বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল যে টাকা না দিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ আছে বলে মনে হয়নি। এরপর সরেজমিনে জায়গা পরিদর্শনে এসে আরও ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।
জমির নামজারী করতে ৭০০০ হাজার টাকা দাবি করে।
আমি নিজের তিনটি নামজারির আবেদন নিজে করি। হার্ডকপি ভূমি অফিসে জমা দিতে গেলে বলে রিপোর্ট প্রদান করতে ২০০০ টাকা করে ৬০০০ টাকা লাগবে। নতুবা আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। টাকা না দিলে ফাইলগুলো তারা রাখতে চায় না তাই টাকাগুলো দিতে বাধ্য হলাম
ঘটনাটি কয়েক বছর আগের জরুরী প্রয়োজনে পাসপোর্ট করার প্রয়োজনে পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি
জমির অনেক আগের কাজ না পরিশোধ করতে গিয়ে ৮৫০০ হাজার টাকার কাজ না তফশিলদার লেখা মাত্র 3500 টাকা আর টাকা বাদ বাকি তার পকেটে
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সর্বদাই সবার থেকে সাইন অন ও সাইন অফ এর জন্য ঘুষ নিয়ে থাকে, প্রতিবার দুই তিন হাজার নিলেও একবার ছোট্ট একটা ভুলের জন্য যথাযথ প্রমাণ দেখানোর পরেও ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেয় তারপর আমার কাজ করে দেয়। আর এটাতে শিপিং মাস্টারসহ সকলেই জড়িত কেরানী, এজেন্সি।
বাহিরে ১০/১২ জন দালাল সেট করে রাখে। আইডি কার্ডের ফিঙ্গার দিতে হলে তাদেরকে ২৫০০ টাকা পরিশোধ করা লাগে। তারপর আবেদন ফরমের একটা অংশে শনাক্তকরণ চিহ্ন একে দেয়। অফিসার বুঝে যায় এই আবেদনে ঘুষ পরিশোধ হয়েছে।
আমার NID কার্ড বানানোর জন্য ২০২১ সালে সব কাগজ পত্র ঠিক করে ফটিকছড়ি উপজেলা অফিসে যাই। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর আমাকে গেইট এর ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয় নাই।এ পর্যায়ে জোর করে আমার ফাইল গুলা একজন কর্মচারীকে দেই সাথে আরো কিছু আমার মতো ভুক্তভোগীরাও দেয়।কিন্তু ১০ মিনিট পরে আমাদের ফাইল গুলা অফিসের গেইট এর ভিতরে গলিতে ছুঁড়ে ফেলে যায়।কিন্তু আমাদের পরে আসা কিছু লোকজন নাম বলে নিয়ে যাচ্ছে আর সব কিছু কমপ্লিট করতেছে। পরে বুঝলাম দালাল ছাড়া হবে না সারাদিন কষ্ট করে নিরুপায় হয়ে রাতে একজন দালাল দরলাম ১৫০০ টাকা কন্টাক ১০ মিনিটে কাজ করে দিলো।সকাল ৭টা বাজে গেছি রাত ৮টা বাজে কাজ করলো ১৫০০ টাকা ঘুষ এর বিনিময়ে
আমি প্রবাসে আসার সময় প্রথম আমি একটা পাসপোর্ট করি পরে আমি সেই পাসপোর্ট দিয়া বিদেশে আসতে না পাড়ার আমার পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। আমি পরবর্তী তে আরেকটা পাসপোর্ট করতে গেলে আমার এনআইডি কার্ডের সাথে মিল না থাকায় আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়,,পরে আমি সেই টাকা দিতে বাধ্য হই 🥲
আমি জমি ক্রয় করি নাম জারি করতে যাই আমার কাছে দশ হাজার টাকা দাবি করে না হলে নামজারি করবে না আমি ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করি