মিসকেস মামলা
যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করি ২০ বছর সেই মামলা করেছে যে সে জমি বিক্রি করেনি, মামলা শুনানির কোনো তারিখে সে হাজির হয়নি(৫বার শুননির তারিখ হয়) পরে ঐ অফিসের নাজির বলে ৫০হাজার টাকা দেন মামলা নিষ্পত্তি করে দেই ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করি ২০ বছর সেই মামলা করেছে যে সে জমি বিক্রি করেনি, মামলা শুনানির কোনো তারিখে সে হাজির হয়নি(৫বার শুননির তারিখ হয়) পরে ঐ অফিসের নাজির বলে ৫০হাজার টাকা দেন মামলা নিষ্পত্তি করে দেই ।
"এটা হচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভর্তির সময়ের ঘটনা, সাধারণত তারা ক্লাস ৯ এ ভর্তির জন্য ১২ হাজার এর আশে পাশে নিয়ে থাকে। কিন্তু আমার সময় আমাকে জানানো হয়, ক্লাস ৯ এ আর কোনো সিট নেই পরবর্তীতে তারা সিট খালি করে ভর্তি নেওয়ার জন্য এক্সট্রা ৫ হাজার টাকা দাবি করে। নিরুপায় হয়ে ১৭ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি হতে হয়েছে।"
যেকোনো ডকুমেন্ট চাইলে টাকা দিতে হয়—৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।
আমি ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানাতে গিয়েছিলাম ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার নির্বাচন কমিশন অফিসে। সেখানে আইডি কার্ড বানাতে গিয়ে ৩ মাস ঘুরেছি। পরে ১০,০০০ টাকা দাবি করলে ৭,০০০ টাকা দেই, টাকা দেয়ার ১ সপ্তাহের ভেতর আইডি কার্ড হয়ে গেছে
২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর পাসপোর্ট করার জন্য আমি পটুয়াখালী সরকারি পাসপোর্ট অফিসে যাই, আবার লক্ষ্য ছিল প্রবাসে আসবো, পাসপোর্টটা আমার খুবই জরুরি ছিলো,পাসপোর্ট করতে দিলে ৩০০০টাকা আমার কাছে ঘুস চায়,,যেটা দিয়েই আমি পাসপোর্ট করতে পারতো বাদ্য হই।
শ্রান্তি বিনোদন ভাতার কাজে আগ্রহ নেই। বাজেট নাই এগুলা বলে। তাই ঘুষ দিতে হয় প্রায় ৫০ জন মিলে ৫০০০ টাকা দিই।
জন্মনিবন্ধন ভুল ঠিক করতে ও অনলাইন করতে ১০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে ।
আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইপিআই ভারপ্রাপ্ত আছি প্রায় ৮ মাস থেকে । কিন্তু জানতে পারলাম নিয়োগ হচ্ছে । আমি যোগাযোগ করলাম । সেখান থেকে বলা হল ০৪ লক্ষ দিলে আমাকে নিজ বেতনে ইপিআই পোষ্টে দিবে । টাকা না দেবার কারনে আমাকে বাদ দিয়ে একজন অনঅভিজ্ঞ লোকের কাছ থেকে ০৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইপিআই পোষ্টে নিয়োগ দিয়েছে। বিষয়টি খুব কষ্টদায়ক। ৫বছর পরিশ্রম করে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে নিয়োগ পাই । ৮মাস সৎ ও নিষ্ঠার কাজ করতে থাকি। এখন টাকার কাছে হেরে গেলাম। এতদিনে বুঝতে পারলাম সৎ ও নিষ্ঠার কাজ করা টা এ দেশের জন্য অভিশাপ। আমার সন্তান রা আমাকে খোটা দেয় এতদিন সৎ থেকে পরিশ্রম করে কি পেলাম। তবে আমি আশা বাদি সত্যর জয় হবেই।
কোন প্রকার নোটিশ ছাড়া সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করে কাগজ দিয়ে গিয়েছিলো, চার বছর আগে। আপিল বাবদ টাকাটা নিয়েছেন, এবং কাজ করে দিয়েছে। কাজের ক্ষেত্রে খুবই সৎ, একটা পেপার্স দিতে ভুলে গিয়েছিলো৷ সেটা এক বছর পর এসে দিয়ে গেছে৷ চোর হলেই ইমান ভালো আছে।
২টা নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে গেছি বলে এভাবে হবে না। প্রতি পাসপোর্ট এর জন্য ১৫০০ টাকা করে লাগবে। তাহলে সপ্তার মধ্যে পাসপোর্ট পেয়ে যাবে। না হলে নাকি পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা নিবে না। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রত্যাখ্যান করে।
গাইবান্ধা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে ৩ দিনের পিডিও ট্রেনিং করতেছি ২ দিন হলো। এবং আমরা সর্বমোট ১০০ জন ছাত্র আছি। সরকারের পক্ষ থেকে যারা পিডিও ট্রেনিং করবে তাদের প্রত্যেক কে দিন ১৫০×১০০ টাকা দেওয়ার কঘা ছিলো সেটা দেয়নি এবং সবার থেকে Extra হুূদাই ১০০ টাকা করে নিছে।
শ্যামলি পংগু হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহত আমার নানুর অপারেশন এর পরে তাকে রাখার জন্যে বেড পাচ্ছিলাম না। এক পরিচ্ছন্নতা কর্মি নারি সেখানে বেড সিন্ডিকেট করে বলে যানতে পারি। তাকে খুজে বের করে বেড চাইলে সে ৫০০ টাকার বিনিময়ে আমাদের কে একটা বেড ম্যানেজ করে দেয়।
আমি একজন সরকারী কর্মকর্তা আমার প্রতিষ্ঠানে দু্ই বছরের আয়কর ফাইল সমাধানের জন্য আয়কর অফিসে গেলে আয়কর অফিসের বড় বাবু আমাকে বলেন ফাইলটি সমাধান করা হবে। তবে টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হবে। আমাকে ১,০০,০০০/- টাকা দিলে সমাধানের চেষ্ঠা করবো। আমার স্যার বলেন আমারতে সরকারি প্রতিষ্ঠান আমরা এতো টাকা দিবে কিভাবে , তখন স্যার ও সে আলাপ আলোচনা করে ৫০,০০০/- টাকা চুক্তি করে। সেই হিসাবে আমি বড় বাবু এর কাছে টাকাটি দিয়ে আসি।
আমাকে বলেছিল আপনার পাসপোর্ট জব কমপ্লিট হয়নি আপনার পাসপোর্ট এর জব কমপ্লিট করাইতে হবে। জব কমপ্লিট করাইতে আপনাকে আগরতলা যেতে হবে অন্যতায় আমাদেরকে দিয়ে করালে ২৫০০ টাকা দিতে হবে। আমি বললাম এত টাকা কেন ওই লোকটি বলল আমি মাত্র ৫০০ টাকা পাবো বাকি অন্যগুলা স্যাররা পাবে। আমার ছুটি শেষ হওয়ার ২০ দিন বাকি ছিল এমতাবস্থায় আমার আর কোন উপায় ছিল না তাই আমি 2500 টাকা দিয়েছি
১০০০ টাকা না দেওয়াতে আমাকে ৩ দিন ঘুরায়। বলে এই কাগজ লাগবে ওই কাগজ লাগবে। তারপর ১০০০ টাকা দিই। দেওয়ার সাথে সাথে আমার কাজ হয়ে যায় শুধু মাত্র এনআইডি কার্ড দিয়
আমি ঢাকা ওয়াসার মডস জোন-৮ এর অধীন মধ্যবাড্ডা থেকে বলছি। প্রতিমাসে ঢাকা ওয়াসার বিলিং সহকারীকে ২০০০/- ঘুষ দিতে হচ্ছে। তারা পানির মিটার দেখে বিল করে না। টাকা দিলে বিল কমিয়ে দেয়। তাদের নিজস্ব মিস্ত্রি দিয়ে পানির মিটারের রিডিং ও টেম্পারিং করে। ঘুষ না দিলে ইচ্ছামত বিল বানিয়ে দিতে বাধ্য করে। না হলে লাইন কেটে দেয়ার হুমকি দেয়। এর সাথে ঢাকা ওয়াসার ম্যাক্সিমাম সাধারণ বিলিং সহকারী জড়িত।
২০১৮ সালে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আমার জব হয়।কিন্ত একাডেমিক সার্টিফিকেটে নামের সামনে মোঃ ছিলোনা।কিন্তু ভোটার আইডিতে মোঃ ছিলো।প্রতিষ্ঠানটির HRD থেকে আমাকে বলা হয় যতদিন ভোটার আইডিটা সংশোধন করতে পারবেন না, ততদিন বেতন পাবেন না। এরপর নির্বাচন অফিস ও অনলাইনে আাবেদন করি।একে একে চার মাস চলে গেলো কোন কাজ আর হচ্ছে না।চাকরি করতাম রংপুরের পীরগাছা, ভোটার বোদা,পঞ্চগড়ে।এই দুই জায়গার নির্বাচন অফিসে অনেকে কান্নাকাটি করলাম কোন কাজ হচ্ছে না।শেষে গেলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনের কার্যলয়,আগারগাঁও, ঢাকায়।একে একে তিনদিন চলে যায়।পুরুষ মহিলা লাইনের পর লাইন।কারো নামের বানান ভুল। কেউবা বয়স কমাতে আসছে।লাইন আর শে্য হয়না। লাইন শেষ হলে পরে তখন বলছে সার্ভার বিজি।এদিকে পরপর তিনদিন হোটেলে থাকা খাওয়াতো আছে।শেষে টাকা ফুরিয়ে আসে
যার নামে বাড়ি তিনি মারা গিয়েছেন তার ওয়ারিশদের মধ্যে নিয়ম অনুযায়ী নাম জারি করার দাবীকৃত সকল ডকুমেন্টসহ ফাইল করা হয়েছে। এখন তারা কিছু হাস্যকর করে দিয়েছেন যেগুলো সত্যিই হাস্যকর। খালিশপুরের অবস্থিত অফিস ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের উপরের অফিসারের (অন্য অফিস) কাছে ফাইল ফরওয়ার্ড করেন। উপরের অফিসার আবার এই হাস্যকর অসঙ্গতি খুঁজে বের করে। ফাইল ফেরত দেন। (এনআইডিতে থাকা ঠিকানায় খালিশপুর এর বানানৎখলিশপুর আছে কেন?) অথচ এই একই বানানে পূর্বের সমস্ত ফাইল সে কাজ করে দিয়েছে। কেননা এই বানানটি যখন এনআইডি করা হয় তখন শহরের নামের স্থানের ড্রপ ডাউন বক্সে ভুলটা করা ছিল। এখন খালিশপুরের অবস্থিত অফিসের অফিসার অভিমত জানিয়েছেন- "বোঝেন ই তো। এবার ফাইল ফরওয়ার্ড করার পরে একটু যোগাযোগ করেন"।
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৭নং মুশলী ভূমি অফিসে নামজারির সরকারি ফি ১,১৭০ টাকা নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে নামজারি করার জন্য ১০,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
পাশে ডেকে নিয়ে টাকা চেয়েছিলো তখন দিনি পরে দিতে হয়েছে নাহয় পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না