জমি খারিজ
জমি খারিজ করার জন্য আমার সবকিছুই ঠিক আছে অনলাইন আবেদন করতে বলেছে অনলাইন আবেদনও করেছি কিন্তু উনি নানান রকম তালবাহানা করে বলে যে দলিল লেখক মাধ্যমে আসছে দলিল লেখক আমার কাছে আট হাজার টাকা দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি খারিজ করার জন্য আমার সবকিছুই ঠিক আছে অনলাইন আবেদন করতে বলেছে অনলাইন আবেদনও করেছি কিন্তু উনি নানান রকম তালবাহানা করে বলে যে দলিল লেখক মাধ্যমে আসছে দলিল লেখক আমার কাছে আট হাজার টাকা দাবি করে
আমার নিকট ৪২০০ টাকার কাজে ৫৫০০ টাকা চাইল। আমি না বলে চলে আসছি।
২০২৪ সালে নতুন দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতে নগর ভবনে গিয়ে এক তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হই; সিঁড়িতে হেনস্তার পর লাইসেন্স শাখায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে মোট ৩৪০০ টাকা নেন। কয়েক দফা ঘুরিয়ে অবশেষে লাইসেন্সটি দেওয়া হলেও রসিদে দেখি সরকারি খরচ মাত্র ৬০০ টাকা (লাইসেন্স ফি ৫০০ ও সাইনবোর্ড ১০০)। নিয়মমাফিক ৬০০ টাকার জায়গায় নেওয়া বাকি ২৮০০ টাকা কোথায় গেল, সেই হিসাব আজও অমীমাংসিত।
পাসপোর্ট অফিসের গেটে যেতেই পাহারারত পুলিশ বলে কোথয় যাবেন আমি বললাম আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ রিনিও করালাগে। আমার হাত থেকে কাগজ গুলো নিয়ে বলে আপনি পারবেন না আমাকে মোট ৮০০০ দিলে আপনি আজকের মধ্যেই সব কাজ সেরে যেতে পারবেন। আমার পাসপোর্ট অফিসের অভিজ্ঞতা ভালোছিল না তাই সব কিছু বিবেচনা করে বাধ্য হয়ে দেই । কারণ পাসপোর্ট আমার জরুরি ছিল।
আমার বাড়ীর বিদ্যুৎ বিলের নামের বানানে একটা বানান সমস্যা ছিলো এজন্য ২০০০ টাকা দাবি করেছে।
নতুন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর আমার এমপিও (MPO) ভুক্তির ফাইল অনলাইনে প্রেরণের জন্য প্রধান শিক্ষক ৩০,০০০ টাকা অনৈতিক সুবিধা দাবি করেন। উপজেলা মাধ্যমিক নিবে 10 হাজার টাকা। জেলা মাধ্যমিক অফিসার নেবে ১০ হাজার টাকা। এভাবে উনি হিসাব দেয়। অনৈতিক অর্থ দিতে রাজি না হওয়ায় ফাইল আটকে রাখা হচ্ছে এবং নানা বাহানা দিয়ে এমপিও ফাইল পাঠাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলেও বিভিন্নভাবে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ইউএনও স্যারকে জানানো হয়েছিল। প্রধান শিক্ষক এমপি মন্ত্রী নেতাদের ধরে বেঁচে যায়।
আমি সমাজ সেবা অফিসে আমার প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করার জন্য যাই, সেখানে এক মহিলা কর্মকর্তা আমার সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নেন, আর একটা ফর্ম পুরন করেন। সব কাজ শেষে সেই মহিলা কর্মকর্তা আমারদের কাছে ৫০০টাকা দাবি করে সেই ফর্ম পুরন ও আনুষাঙ্গিক খরচের কথা বলে। ব্যাপারটা এমন ভাবে বলে যে এই টাকাটা দিতে আমি বাধ্য বা নিয়ম দিতেই হবে সবাই দেয়। আমাদের আসলে জানা ছিল না এপ্লাই করতে টাকা লাগে না। কার্ডের জন্য ১ বছর ৭ মাসে তারা ৮/১০ ঘুরাই অফিসে। তারপর রাগে আমি চিল্লাচিল্লি করে ৫০০ টাকা নেয়ার কথা বলতেই তার ভয় পায় আর আমায় আকুতি করতে শুরু করে। আর এক রাতের মধ্যে কার্ড বানায়া দেয়।( ঘটনা অনেক কথা আছে সব লেখা যাচ্ছে না)। প্রশ্ন এতো মাস ঘুরালো কেন_?
দূর্ঘটনার পর থানায় জিডি করতে গেলে টাকা দাবি করে
আমি গত ১৭ ই জুন আবার ২৮ জুন জন্য টিকেট এর তারিখ পরিবর্তন করি, অনেক বছর আগে টিকিট চেঞ্জ করছিলাম, কিন্তু কাউন্টারে কখনো টাকা নিতো না। সব সময় নগদ ক্যাশ কাউন্টারে টাকা নিতো। এবং রিসিট দিত। এইবার ১৫ এবং ১০ জুন আমি দুইবার টিকেট চেঞ্জ করছি দু বার ই ক্যাশ কাউন্টারে নয় যে টিকিট চেঞ্জ করছে তাই সেই টাকা গ্রহণ করছে, এবং আমাকে কোন রিসিট পেপার দেয় নাই। টাকার পরিমান ৩০০০+৩০০০ টাকা
বিএস খতিয়ানে নাম ভুল উঠেছিল। এসি ল্যান্ডের কাছে গেলে জানালেন এটা এখানে হবেনা। নামের বিষয় আদালত থেকে সুরাহা করে আসতে হবে। উকিলের সাথে পরামর্শ করলে জানালো এটার রায় হতে ২ থেকে চার বছর সময় লাগবে। অথচ ১০/১৫ দিনের ভিতর কাজটা নাহলে আমার বিরাট সমস্যা হয়ে যায়। আবার এক দালালের মাধ্যমে এসিল্যান্ড অফিসে আসি। শেষে ২৫ হাজার টাকা দিলে এসিল্যান্ড কাজটি করে দেয়।
৪ টা নতুন পাসপোর্ট করেছি বিনিময়ে ২৫০০ টাকা করে মোট ১০০০০ টাকা দিতে হয়
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আমি এসএসসি সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। ৫০০ টাকা চা নাস্তার জন্য রেখেছে বলে জানিয়েছে ওনারা।
মাদকদ্রব্য অফিসে একটি ক্লিনিক এর জন্য লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম সেখানে লাইসেন্স করার জন্য এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল।
আমার বিড়াল অনেক অসুস্থ,ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লিখে দিয়েছেন,৷ ০৩ টা ইঞ্জেকশন পুষ করতে হবে, একটা ইঞ্জেকশন পুশ করে দিয়ে,৫০০ টাকা দাবি করেন, অথচ এটি একটি সরকারি পশু-প্রাণী হাসপাতাল,টাংগাইল
আমি ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম আমার মাকে নিয়ে। যাওয়ার পরে টিকেট নিয়ে সিরিয়ালে দাঁড়ায়। সিরিয়াল আসলো মা কে একাই নিয়ে গেলি রোগীর সাথে কাউকে যেতে দিলো না। আমি বললাম সে মুরুব্বি, মানুষ তার মধ্যে লেখা পড়ারও জানে না। বিষয় টা আমাকে শুনতে তো হবে কি হয়েছে। দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা এক স্টাফ বলো ভিতরে গ্যাঞ্জাম করা যাবে না তাই। ৩০। সেকেন্টে রুগী দেখা শেষ। মা কে বললাম কি বলল r তুমি কি বলেছ। মা বলে শুধু বলেছি আমার কোমরের ব্যথা অনেক দিন হলো এর মধ্যে প্রেস্কিপসন লিখে বিদায় করে দিছে। তখন আমি দরজায় থাকা স্টাফ কে বললাম কেমনে কি এত কষ্ট করে ভোরে চলে আসলাম, কি হলো কিছুই বুঝলাম না। সে বলল তাহলে ডিউটি শেষে এসো ৪০০ নিবে সব শুনবে এবং বুঝিয়ে বলবে। আমি অপেক্ষা করে তাই করলাম ডিউটি শেষে তার সাথে দেখা করলাম। টা
আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে গেলে ই-পাসপোর্ট এ ঠিকানা NID এর সাথে ১০০% মিল না হওয়ায় বাতিল করে দেয়। পরে দালাল সব ঠিক করে দিবে বলে দুই হাজার টাকা দাবি করে। কিন্তু পরে একি ঠিকানায় ২০০০ টাকা দেওয়ার পর । জমা নেয়।
আমি পাসপোর্ট করতে গেলে তারা বলে যে কোন এজেন্সি বা দোকানের মাধ্যমে করতে হবে। অন্যথায় আমার পাসপোর্ট আবেদন নেয়া হবে না এবং তারা নেয়না। পরবর্তীতে এজেন্সির মাধ্যমে বা কোন দোকানে আবেদন করে জমা দিলে তারা সেটা জমা নিতে রাজি আছে এবং নিয়েছে।
সরকারি অফিসের কেনাকাটা, অধিকাল ভাতা, ভ্রমণ বিল, জ্বালানি তেল বিল ভাউচার সহ ইত্যাদি সরকারি দপ্তরের কাজের জন্য ৫%/৪% দেওয়া লাগে এজি অফিস / হিসাব রক্ষন অফিস রাজশাহী কে দেওয়া লাগে
আমি পাসপোর্ট আবেদন করার পরে সকল কাগজ নিয়ে জমা দিতে চাই।তারা নামের বানানে ভুল ধরে।আমাকে বলা হয় হেড অফিস বরাবর আবেদন করতে।তারা যদি অনুমোদন দেয় তবেই আমি ছবি উঠাতে পারবো।আমাকে বলা হয় সেটাতে অনেক সময় লাগবে।আমি বাইরে দিয়ে কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে বলতেই তারা বলে ১৫০০ টাকা লাগবে।বাকি সব করে দিবে।আমি ১৫০০ টাকা দিলাম আমার কাজ ১০ মিনিটের মধ্যে হয়ে গেল। আমি ঢাকায় থাকি একবার রাজশাহী গেলে অন্তত ৩০০০ টাকা খরচ হবে ভেবে কোন উপায় না পেয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে কাজ টা করিয়েছিলাম
১। ২০১৯ সালে পিজি হাসপাতালে আমার মা আই সি ও তে ভর্তি থাকা অবস্থায় মারা যান মৃত মায়ের লাশ ওয়ার্ড বয়রা টাকা না দিলে হস্তান্তর করে না বিদায় আমি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। ২। হাসপাতালে রোগী দেখতে হলে ওয়ার্ড বয় এবং ডিউটিতে থাকা আনসার সদস্যদের টাকা না দিলে রোগীর সাথে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয় না।