নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রাউজান থানায় সেন্ডব্যাক এ না মারার শর্তে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল এক এসআই কে ২০২৩ সালে।
এখানে কোন কাজ ঘুষ ছাড়া হয় না, প্রচুর অর্থ লেনদেন হয় এই ভুমি অফিসে, দিন শেষে সবাই টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে বাসায় যায়।
পেনশন হিসাবের জন্যে, যদি টাকা না দেই তাহলে আমাকে ৩থেকে ৪ লক্ষ টাকা কম দেবে।পরে ঠিক ই কম দিয়েছে।
আমি আমার বাবার জমির মিউটেশন করার জন্য আবেদন করি। সরকারি নির্ধারিত খরচ ছিল মাত্র ১১৭০ টাকা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অফিস আমাদের কাছ থেকে ৮০০০ টাকা আদায় করেছে। প্রথমে আমি এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইনি, কিন্তু বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় জনসাধারণকে হয়রানির শিকার করছে। অভিযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও দেখা যায়, ঘুষ ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ করা হয় না। ফলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
1000/- দিয়েছি সার্ভেয়ারকে
২৮ শতক জমি খারিজ করতে ২৮ হাজার টাকা লেগেছিলো, দলিল লেখকের মাধ্যমে তহসিলদার অফিসের মাধ্যমে কাজ করতে হয়েছিল .
আমি প্রথমমত একটি চেয়াম্যান সার্টিফিকেট আবেদন করি অনলাইন থেকে। পরবর্তীতে তা ইউপি অফিস থেকে তুলতে গিয়ে আমাকে চেয়ারম্যান কার্যালয়ে প্রায় একঘন্টা অপেক্ষা করানো হয় এবং আমার কাছে একশত টাকা দাবি করে। আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি এই কারণে যে, আমরা সরকারকে প্রতিনিয়তই প্রতিটি ক্ষেত্রেই ট্যাক্স দিচ্ছি যাতে সরকার আমাদের সেবা প্রদান করে। কিন্তু ট্যাক্স দেওয়ার পরও যখন সেবা পেতে ঘুষ দিতে হচ্ছে, তাহলে আমি কেন রাষ্ট্রকে ট্যাক্স প্রদান করবো?
একটা জিডি করতে থানায় যাই প্রথমে জিডি লিখতে ৫০০ টাকা তা জমা নেয়ার সময় ৫০০ টাকা। এলাকায় পুলিশ গিয়েছিলো কল করে ৩৫০০ টাকা গাড়ির তেল খরচ হয়েছে তার জন্য। মোট ৫০০০ টাকা নিয়েও কোন সমাধান হয় নি। পুলিশ সব সময় এই কাজ টা করছে৷ প্রতিরোধ চাই
বহুতল ভবনের অনুমতি নেওয়ার জন্য অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। আমাদের দ্রুত অনুমোদন দরকার। টাকা না দিলে ফাইল পরে থাকবে। অনেক দিন লেগে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা টা দিলাম। আগে এক লাখের উপর দাবি করতো এখন ষাট হাজারে রাজি। এ মুহূর্তে ৩০ হাজার অগ্রীম দিয়েছি।
আমার বাবা দের শতাংশ জমি কিনেছেন ১৯৮৮ সালে গাজীপুর, পূবাইল,নয়ানী পড়া এলাকায় ৪১নং ওয়ার্ডে । জমিটা আর সে খারিজ করে নি। ২০১৭/ ২০১৮ সালে জমি খারিজ করার সিদ্ধান্ত নেন। এলাকার এক জনের সাথে কথে বললে সে বলে আমার ভূমি অফিসে লোক আছে টাকা দিলে ১মাস এর মধ্যে সব কিছু করে দিবে।আমার বাবা অনেক সত তাই সে তাদের সাথে কথা বলে ভুমি অফিসে কর্ম করতা ৮০০০ টাকা এক সাথে দিয়ে দেয়। আর যে আমাদের এলাকার ছিল সে হঠাৎ একদিন এসে বলে কাজ হয়েগেছে একটা সাক্ষ্য বাকি আছে ১৫০০ টাকা লাগবে। কিন্তু এই টাকা সে নিজেই খেয়ে ফেলছে। ১মাস পার হয়েছে কিন্তু কাগজ আর দেয় না। ৩মাস হয়ে যায় যতো বার যাওয়া হয় তখনি বলে সার্ভার ডাউন। বিরক্ত হয়ে আর ভূমি অফিসে যায় না আমার বাবা।
মেম্বার বাসায় এসে আমার বাবাকে দেখে,, চিকিৎসক এর রিপোর্ট চায় দেওয়ার পর পরে ফোন করে বলে স্যার ৩৫০০ টাকা চাইছে না দিলে কাজ করে দিবে না,,, অনলাইনের খরচ লাগে পরে আমার কাছে দেওয়ার মত টাকা ছিল ২৫০০ তারপরে বলছে ওইটা দেন আমি করে দিবো
০৩ / ০৯ /২০২৬ পার্বতীপুর থানার বর্তমান ওসি ও কয়েকজন এ এস আই থানার মধ্যে সালিশের নামে নতুন ব্যবসা খুলে বসছে। কোনো কিছুর প্রমান ছাড়াই, মানুষের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়ে সেই অভিযোগের ভয় ভীতি দেখিয়ে থানায় বিচার সালিসের নামে টাকা পয়সা আদায় করছে। যে বিষয় গুলোতে কোর্ট সিদ্ধান্ত নিবে সেই বিষয় গুলোতে থানা কিভাবে সিদ্ধান্ত দেয় তা আমার বোধগম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা না থাকলেও তারা আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দিচ্ছে যেনো তাদের সাথে আমি একটা সেটেল ডাউন করি টাকা দিয়ে। নতুবা আমাকে অমুক তমুক করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। অথচ মাদক নিয়ে এদের ফোন করলেও এরা কোনো পদক্ষেপ নেয় না কিন্তু মানুষকে হয়রানি করতে এরা সিদ্ধহস্ত।
হাসপাতালে ভর্তি গরিব রোগির ওষুধ কিনে দেয়ার জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অবস্থিত সমাজসেবা কার্যালয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১০০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য দাবি করেন।ওখানে আসা আরও অনেকের সাথে কথা বলে জানলাম যে রি কর্মকর্তা এরকম ভর্তি গরিব রোগিদের ওষুধ না দিয়েই ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।
দীর্ঘ ১ বছর ৬ মাস লাগছে তারপর ৪০০০০ টাকা দিয়েছি ৪ টা ফাইল হয়েছে কিন্তু এখনও একটা ফাইল আছে, চাকরি চলমান অবস্থায় মারা গেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কতৃক অনুদানের আবেদন এটার জন্য আবার ৩০ হাজার চাচ্ছে এখনও দিতে না পারায় এখনও ফাইল সাইন হচ্ছে না। এছাড়াও উপজেলা একাউন্স অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হয়েছে ২০ হাজার, যেই ফাইলটি আটকে আছে ওটার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হবে।
আমি চার শতাংশ জমি৷ খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম। অফিস সহায়ক আমার কাছে ১৫০০০হাজার টাকা চেয়েছিল।
প্রথমে আমি নিজে জমা দিতে গেছি তারা বলছে যে কাগজ অনেক সমস্যা , পরে যখন জানতে পারলাম দালাল ছাড়া কোন কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে দালালকেটাকা দিলাম তখন সব কাজ একাই হয়ে গেল তখন আর কোন কাগজপত্র লাগে নাই।
২০১৪ সালে আমার নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। সবকিছু ঠিক থাকলেও দায়িত্বরত সহকারী পরিচালক এবং উনার সহকর্মী আমার পাসপোর্ট করতে দেন নি কারণ ওইটা আমার ইউনিভারসিটি টিচার সত্যায়িত করে দিছেন। পরে টাকা দিলে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।
পাসপোর্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজ থাকার পরেও আমাকে অপ্রোয়জনীয় অনেক কাগজের জন্য হয়রানি করা হচ্ছিলো । আমাকে আমার বাবার কাজের স্থানে সে কি কাজ করে সেগুলোর সত্যায়িত কপি , তারপর আমার মায়ের চাকরির ব্যাংক স্টেটমেন্ট , সত্যায়িত কপি । আমার ভার্সিটিতে যেখানে আমি পড়াশোনা করি এরকম অনেক কপি তারা চেয়ে বসে । যা আমার জন্য সংগ্রহ করা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার । এরপর এ পাশের ফটোকপির দোকান এর আড়ালে থাকা দালাল দের কাছে ২ টা ফটোকপি করেছি ২৬০০ টাকায় । আমার জন্ম নিবন্ধন টা পর্যন্ত আর লাগে নি তাদের । বায়োমেট্রিক কম্পলিট করে দিয়ে আসছি ৭ দিন পরে আমার পাসপোর্ট চলে আসছে ।
ami exam e fail koreci onara bolloo amk pass korai dibe tai 1000 tk nice
Amer bill pass korar jonno ghush dabi kore ta na hole bill pass hobe na ei rokom 2 month gele ami tk fia di