সেবা
আমি যখন পাসপোর্ট অফিসে যাই সিকিউরিটি আনসার দেখিয়ে এক জন ফটোকপি দোকানদারকে তা ছাড়া নাকি কাজ হবে না করতে পারব না নিজেরা ১০ বছর মেয়াদী ই পাসপোর্ট রেনু করতেই ৭৫০০// টাকা লাগে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি যখন পাসপোর্ট অফিসে যাই সিকিউরিটি আনসার দেখিয়ে এক জন ফটোকপি দোকানদারকে তা ছাড়া নাকি কাজ হবে না করতে পারব না নিজেরা ১০ বছর মেয়াদী ই পাসপোর্ট রেনু করতেই ৭৫০০// টাকা লাগে।
আমি মটর বাইক নিয়ে চাচ্ছিলাম রুপসা, বাগমারা প্রাইমারি ইস্কুলের সামনে থেকে, আামার সাথে গড়ির প্রয়োজনীয় কাগজ না থাকায় পুলিশকে ৫০০টাকা দিয়ে আসতে হলো।
বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন সনদে নামের বানান ভুল হয় ।সংশোধন করতে গিয়েছিলাম কিন্তু ওরা ১৫০০ টাকা দাবি করে ।অথচ খরচ বাবদ নেয়ার কথা ১০০ টাকা করে তিন জনের জন্য ৩০০ টাকা
তহসিল অফিসে অফিসের নিয়ম কিছু বাড়তি টাকা দেওয়া লাগে।
বাচ্চাকে রাত্রে ভর্তি করি ১২ টার পর। সেখানে ডাক্তার অক্সিজেন পাইপ নাকে লাগাতে সাজেস্ট করে। অক্সিজেন সিলিন্ডারের দায়িত্ব থাকা ব্যক্তি বলে ২০০ টাকা লাগবে অক্সিজেন নিতে। যেহেতু বাচ্চাকে নিয়ে সিরিয়াস ছিলাম তাই ২০০ টাকা দিয়ে দেই। পরে সে একটি সিলিন্ডার এনে সেটির লাইন বাচ্চার নাকে দিতে বলে। এটি আমার জানামতে ফ্রি। কারণ এতে অই লোকের কোনো টাকাই খরচ হয় নি আর তাকে এই কাজের জন্যই তো রাখা হয়েছে।
আমি ঢাকায় থাকতে পাসপোর্ট করি। ভেরিফাইয়ের সময় পুলিশ ফোন করে দেখা করতে বলে। আমি দেখা করি সে আমার কাছে ২ হাজার টাকা চায়। আমার কাছে টাকা ছিল না তারপরও বিকাশের মাধ্যমে এনে তাকে টাকা দেই।
পার্সপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর আমার কাগজপত্র সঠিক থাকার পর ও সকাল ৬টায় লাইনে দাঁড়িয়ে দুপুর প্রায় ১টায় যখন কাগজ জমা দিতে যায় তখন বলে আপনার কাগজপত্র ঠিক নাই, সব কালারপ্রিন্ট করে আনেন, পরবর্তী অফিসের পাশে কিছু দোকান থাকে যারা অফলাইনে আবেদন করে পিডিএফ কপি এর উপর একটা সিলমোহর দিয়ে অফিসে যেতে বলে আরো বলে কন্টাক্ট এ করলে ২২০০ টাকা নাকি ব্রোকার ফি বর্তমানে তখন বিকেল প্রায় ৫টা সেই পিডিএফ এর বারকোড স্কেন করে পুরাতন ওয়েবসাইট এ আপলোড করে যা পরবর্তীতে নতুন ই পার্সপোর্ট এর ওয়েবসাইট এ অটো চলে যায়, অথচ আমি ১বার অনলাইন করেছিলাম ও যা কিছু ভুলের কারণে ৬ মাসের জন্য লক হয়ে যায় আইডি কিন্তু সেটা পেন্ডিং থাকা অবস্থায় ও নতুন পার্সপোর্ট চলে আসে যখন ২২০০ টাকা ফি দিয়ে পার্সপোর্ট করি। যদি এই ফি দেওয়া না হয় তবে হয়রানি করায়
আমি লন্ডন থেকে এন আই ডি আবেদন করেছি বাংলাদেশের হাইকমিশনার মাধ্যমে, বাংলাদেশ নির্বাচন অফিস বালাগঞ্জ ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার জন্য গিয়েছিলেন অফিসার বলেছে আবেদনকারী পিতা এবং মাথা নেই সেই জন্য ১৬ হাজার টাকা দিতে হবে পিতা মাতার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট নেই এবং এনআইড়ি নেই সেই জন্যই টাকা দিতে হবে
এস এ খতিয়ান নিয়ে গিয়ে ছিলাম হোল্ডিং এন্টি করার জন্য বলে এতে ঝামেলা আছে এবং অনেক সমায় লাগবে ১ হাজার টাকা লাগবে টাকা দিয়ে ছি কিন্তু আমার হোল্ডিং নাম্বার এন্টি করে দেয়নি আমি টাকা দিয়েছি কাজ করে দেয়া হয় নি আমার কাছে ডকুমেন্ট আছে
আমি পূর্বে একটা সরকারি চাকরি করতাম, বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২০২৩ সালে সেপ্টেম্বরে যোগদান করি। এখন পূর্বের চাকরির পে ফিক্সেশন নিয়মমাফিক বাতিল করে, ডাক বিভাগে পুনরায় পে ফিক্সেশন করতে গেলে এই কাজে নিয়োজিত স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি আমার কাছে প্রথমে ৩,০০০/-টাকা দাবি করে। আমি তা দেই। কিন্তু আমার পে ফিক্সেশন হইতেছিলনা। পরবর্তী স্থানীয় দায়িত্ব ব্যাক্তি জানান ঢাকার বেতন শাখার কর্মকর্তা নাকি আরও ২০,০০০/- টাকা চান। পরবর্তীতে স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আমার কাছ থেকে ১০,০০০/- টাকা নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেন।
মামলার নথি পেতে টাকা। নকল পেতে টাকা।তারিখ এগিয়ে আনতে টাকা।লম্বা তারিখ ফেলতে টাকা। এই টাকাগুলি নেয় সংশ্লিষ্ট মুহুরী। আইনজিবী সহকারীরা নেয় ১ ভাগ ও জর্জ কোট ষ্টাফ নেয় বাকিটা। এটার সংখা প্রতিদিন কম নয়।মোট হিসাবে রেংকিনে আসার মত। জর্জ দের জামিন বানিজ্য ও কম নয়।
আমি জন্ম নিবন্ধন কার্ড সংশোধন করতে গিয়েছিলাম কিন্তু আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে এবং এই টাকা দাবী করে।
আজ থেকে কিছু বছর আগে আমার আর আমার ছোট ভাইয়ের জন্ম সনদ ইংরেজি করণ করার জন্য আম্মু পৌরসভায় যায়। সেখানে প্রথমে বলা হয় এটা এখন করা সম্ভব না! পরে আম্মুকে এক কর্মচারী বলে আপনি কিছু দেন তাহলে পরের দিন নিয়ে যাইয়েন, আম্মু প্রথমে রাজি হয়না কিন্তু পরে উপায় না থাকায় আম্মু ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়! এরকম জীবনের প্রতি ধাপেই ঘুষের নামে সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খাওয়া হচ্ছে! we should atleast speak up!
জমির নামজারি,অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ার কারনে তারা কাজটি বছরের পর বছর ঘুরাচ্ছিল।
আমাকে ইচ্ছা করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় ফেইল করানো হয় পরে পরীক্ষায় পাশ করাতে টাকা চাওয়া হয় তাছাড়া আমার লাইসেন্স দিবে না
পাসপোর্ট করতে যেয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ছিলাম ২০০০ টাকা দাবি করে কিছু করার না পেয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
Ami demra jatrabari kazlay DPDC office a akiti temporary electricity meter er jonno abedon kori. Ja prepaid meter soho maximum cost 10000. Ja Tara 100000 taka dabi kore abong bivhinno vhabe ghurate thake abong oboshese joruri proyojone ami dite basso hoi. Abong meter er connection nei. DPDC amar dekha sobchaite boro gishkhor
পরিবেশ সংক্রান্ত লাইসেন্সের জন্য ২৫০০০ টাকা ঘুষ চাইল, দিলাম। সাথে ৫৭৫০ টাকা আমার নগদ একাউন্ট থেকেই পে করলাম। তাহলে ৫৭৫০ এর জায়গায় লাগল ৩০,৭৫০!
IT'S BECOME THE RULES OF THEIR SYSTEM; NOT A SINGLE DOCUMENT CAN BE MOVED FROM ONE TABLE TO ANOTHER WITHOUT MONEY.
Kaliganj police station a, GD korte giye ghush, dite hoy Chilo. Kaliganj, gazipur, Dhaka, Bangladesh.