জমি মিটিশন করার জন্য
একই সেপ্টেম্বর জমির দলি মিউটেশন করার জন্য ২০২৫হলে সালে একবার বাতিল করে দেয় পরে আবার আবেদন করি তারপর কোনটাকে কাজ করে দেয় ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর একদিনে করে দেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একই সেপ্টেম্বর জমির দলি মিউটেশন করার জন্য ২০২৫হলে সালে একবার বাতিল করে দেয় পরে আবার আবেদন করি তারপর কোনটাকে কাজ করে দেয় ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর একদিনে করে দেয়
দলিল ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম!!সময় দিল বিকেল ৪টায়,,সব লিখে দিলাম যেমন দলিল নম্বর,সাল,বিক্রেতা,ক্রেতা সব কিছু সব সকাল ১১টায়!বিকেলে গেলে বলল তা নাকি উনি হারিয়ে ফেলেছেন!যা হোক ৫.৫০ টায় ভেরিফাই করতে পারলাম!!!ঘুষ দিতে হল ১০০০টাকা!!
রেজিষ্ট্রেশন এর সময় খুটিনাটি বিষয় নিয়ে নাজেহাল করে অফিস টাইমের পর সাবরেজিস্টার এর কক্ষে নিয়ে গিয়ে দাড়িওয়ালা পিয়নের মাধ্যমে ঘুষ আদায় করে।এরা সবাই এক সিন্ডিকেট।একজনে ইশারা করলে বাকি সবাই ঐটা নিয়ে নাজেহাল করে
বাংলাদেশ রেলওয়ের সকল স্টেশনে ১১০০ টাকা হতে শুরু করে ৩০০০০ টাকা পর্যন্ত,, কেরোসিন তেলের ভাউচার দিয়ে টাকা নেয় অথচ কেরোসিন তেল বাবদ কোন খরচ নাই,, রেলের লস হয় এসব কারনে। দেখার কেউ নেই,, কেন একজন স্টেশন মাস্টার ২০ বা ৩০ হাজার টাকা প্রতি মাসে নিজের পকেটে নিবে।??
টাকা দেইনি বলে তারা উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিয়েছে
আমি ট্যাক্স দিতে গেলে তারা টেক্স অতিরিক্ত পরিমাণে বলে এবং আমি তাদেরকে সরকারি রেড বললেও তারা আমার কথা শুনে নেই এবং আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা বেশি দিতে বলেছে যার ফলে আমি আর কোন উপায় না পেয়ে আমাকে দুই হাজার টাকা বেশি দিতে হয়েছে।
গেলাম ভুমি অফিসে দাগ নাম্বার বের করতে তখন টাকা চাইলো ৩০০৳ লাগবে - দেখি অনেক লোখ এইভাবে প্রতিদিন পিওন যারা তাদের দৈনিক ইনকাম ১০০০০৳ উপরে।
রাজশাহী জেলার একজন কোন নির্দিষ্ট একটি থানার শিক্ষা অফিসার দীর্ঘদিন ধরে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার এমপিও এবং উচ্চতর স্কেলের (আপার স্কেল) ফাইল অধিদপ্তরে পাঠানোর নাম করে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ঘুষ আদায় করে আসছেন। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজের অনুগত কিংবা জোরপূর্বক নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষক বা কর্মচারীকে তিনি ব্যবহার করেন এবং যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক তার কথামতো চলতে চান না, সেখানকার কাউকে কাউকে বিভিন্নভাবে ( কাউন্ড অফ ব্ল্যাকমেইল) করে ঘুষের টাকা তাদের মাধ্যমে অফিসে নিয়ে আসতে বাধ্য করেন। আমার সাথেও অনেকটাই একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। অধিদপ্তরে এমপিও ফাইল পাঠানোর জন্য আমাকেও প্রায় ৫,০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে (আমার
ঢাকা ওয়াসার পানির মিটার ডিসপ্লে ঘোলাটে হয়ে যাওয়ায় মিটারের ডিসপ্লে পরিষ্কার করে রিডিং না নিয়ে ওয়াসার মিটার রিডার মিটার প্রতিস্থাপন করতে বলে এবং ১৫০০০.০০ টাকা দাবী করে যার মধ্যে ৯০০০ টাকা নতুন মিটারের দাম বাকি ৬০০০.০০ ঘুষ হিসাবে নেয়।
জেমন আমার আগের পাসপোটে নাম চিলো mohammod এই নামটা সংখেপে দিতে হবে md আগের পাসপোট টা তারাই করচে আমার আইড়ি কার্ড় দেখে কিন্তু এখন আবার তারাই টাকা চাইতেচে
জমির নাম জারি হয়েছে এখন খাজনা দেওয়ার জন্য এসিল্যান্ড অফিসে যোগাযোগ করা হলে ওনারা জানালো খাজনা আড়াই লাখ টাকার মত আসবে তবে এসিল্যান্ড অনলাইনে এপ্রুভ করার জন্য ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে। হায়রে বাংলাদেশ মশা মারতে কামান লাগানোর অবস্থা।
বনানী ডেসকো অফিস এ নেট মিটারিং এর আবেদন এর জন্য ৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল ২০২৫ সালে। সেখানকার সুপারডেইন্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এই পরিমান অর্থ দাবি করে সরাসরি
আমি পরে হাত ভেংগে ফেলি পরে পংগু হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার দেখানর পর যখন হাত প্লাস্টার করতে যাই তখন আমাকে বলে ১০০০ টাকা দিতে হবে প্লাস্টার করার জন্য টাকা না দিলে নাকি করবে না তখন আমি কোন উপাই না দেখে টাকা দেই
আমি মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিলাম, আমার ক্যাটাগরি থ্রি ভিসা এমপ্লয়মেন্ট পাস। তো ইমিগ্রেশন অফিসার আমাকে যেতে দিচ্ছিল না, বলল যে বিএমইটি কার্ড লাগবে। আমাকে ইমিগ্রেশন অফিসার বলে যে আমার ভিসা হচ্ছে ভুয়া। অথচ অরিজিনাল ভিসা। তো এইভাবে তারা মানুষকে হয়রানি করে। হয়রানি করে টাকা খাওয়ার চিন্তা ভাবনা করে। তো যারা ক্যাটাগরি থ্রি এমপ্লয়মেন্ট পাস যাদের থাকে, তাদের bmet card প্রয়োজন হয় না। তো এটা আমার সাথে অনেক ঝামেলা করতেছিল, আরকি। ইমিগ্রেশন অফিসারের ইচ্ছা যে সে ঘুষ নেবে। আমি ঘুষ দেইনি। আমি তাকে বলেছি যে bmet লাগে না। অনেকক্ষণ সে আমাকে হয়রানি করেছে। প্রায় ঘণ্টা ধরে আমাকে হয়রানি করেছে। তো আমি এটা অবসান চাই।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন সেবা গ্রহীতা হিসাবে ডিসি অফিসের রাজস্ব শাখায় দুইটি পাওয়ার অফ এটুনি সার্টিফাইয়ের জন্য আবেদন করেছিলাম যেটাকে বাংলায় জাবেদা নকল বলে সেই নকলের কপি তুলতে গিয়ে আজকে তিন মাস এখন পর্যন্ত তাদের দাবি কৃত ঘুষের টাকা না দেওয়াতে আমার নতি পাওয়া যাচ্ছে না বলে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছে যখন আমি টাকা দিতে রাজি হলাম এবং দিলাম এরপরের দিনই নতি পাওয়া যায় এখন জবেদা নকল তৈরি হচ্ছে এই হল ডিসি অফিসের রেকর্ড রুমের বর্তমান অবস্থা।
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করি এবং নির্ধারিত ফি বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গাইবান্ধা পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য যাই। অফিসে যাওয়ার পর সেখানে কর্মরত একজন কর্মকর্তা আমাকে জানান যে সেদিন ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হবে না। এতে আমি হতাশ হয়ে পড়ি। এ সময় অফিসে অবস্থানরত একজন দালাল আমাকে বলেন যে, তাকে ১,৫০০ টাকা দিলে আমার কাজ হয়ে যাবে এবং আমার ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টও নেওয়া হবে। তার কথায় আমি তাকে ১,৫০০ টাকা প্রদান করি। টাকা দেওয়ার পর আমার ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। আমার অভিযোগ হলো, সরকারি সেবাটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পাওয়ার কথা থাকলেও প্রথমে আমাকে ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্
ক্ষতি পুরোনর অর্থ ছাড় করার জন্য টাকা দাবি করে।
একটা ওয়ারিস সনদ নিতে লাগে ৬০০ টাকা,এক টাকা কম হলে দেয় না।কালিগঞ্জ গাজীপুর
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অনলাইন মিটার আবেদন করতে সরকারি জামানত ফি প্রতি কিলোওয়াট ৪৪৮ + আনুসাঙ্গিক খরচ সহ ১২০০ টাকা হলেও একটা মিটারের জন্য প্রদান করতে হয় ৪৫০০/৫০০০ টাকা এই টাকা প্রথমে ইলেকট্রিশিয়ান হয়ে ওয়্যারিং ইনস্পেক্টর বা পিইউসি তারপর ডিজিএম এর পকেটে যায় । ডিজিএম অনলাইন মিটার প্রতি ২০০ টাকা করে নেন