ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন
ভোটার আইডি কার্ডে ঠিকানা ভুল আছে । সেটা সংশোধনের জন্য বারবার অফিসে গিয়েও কোন ফায়সালা আসেনি তখন অফিসের একজনের সঙ্গে পার্সোনাল ভাবে কথা বললে সে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভোটার আইডি কার্ডে ঠিকানা ভুল আছে । সেটা সংশোধনের জন্য বারবার অফিসে গিয়েও কোন ফায়সালা আসেনি তখন অফিসের একজনের সঙ্গে পার্সোনাল ভাবে কথা বললে সে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে
২০১৯ সালে কলেজের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি, কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসার আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে , টাকা না দিলে বেতনের আবেদনের ফাইল রিজেক্ট করার হুমকি দেয় ,আমাকে চাপে ফেলে টাকা আদায় করে।
জমির খাজনা দেওয়ার জন্য আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। অনেক ঘুরাঘুরি করেও তারা আমার কাজ করে দেয় না। পরে তারা আমার কাছে খাজনা দেওয়ার জন্য 100000 টাকা দাবি করে। বলে যে এই টাকা দিলে খজনা হবে না দিলে হবে না। অনেক কথা বলার পর 50000 টাকায় রাজি হয়েছে। এবং শেষে 50000 টাকা নেওয়ার পর আমাকে মাত্র 500 টাকার রশিদ প্রদান করে। অফিসের কাছে একটি কম্পিউটারের দোকান আছে ওনাকে 100000 টাকার কথা যখন জানালাম তিনি আমাকে আস্বাস প্রদান করে। এবং হেল্প করার কথা বলে। পরে তিনি আমাকে নিয়ে অফিসে গেলেন এবং আমার হয়ে অফিসে অনেক কথা বলে ঘুষের পরিমান 50000 টাকা করলো। এবং এই কাজের জন্য তিনি আমার কছে 10000 টাকা চাইলেন। কোভাবেই মানতেছিলনা পরে তাকে 9000 টাকা দেই। পরে জানতে পারলাম দোকানদার ওদের সাথে শেয়ার আছে। আমার সামনে সুধু অভিনয় করলো।
নামজারি করতে ৩০হাজার টাকা ছেয়েছিলো।পরে তা ৬০০০ + ২ বছর অফিডে আসা যাওয়া করে কোনমতে পার হয়েছি। কিন্তু আমি তাদের মতো করে তেমন কোন ঘুষ না দেয়ায় আমাকে প্রায় ১০০০০ +হাজার টাকা + জরিমানা প্রায় ৯ হাজার টাকা সহ মোট ১৯০০০ হাজার টাকার বকেয়া দেখানো হয়েছে। যতো রশিদই দেখিয়েছি একবার এক চুতা দেখায়। ইবেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ইউনোর কাছে পর্যন্ত ভূমি কর মওকুপের আবেদন করেছি। আমলাদের কাছে গেলেই তারা বাকপটুগীরি দেখায়। রিতিমতো তেক্ত বিরক্ত হয়ে গেছি।আর ভসলো লাগেনা। মনে চায় ইচ্ছে মতো শায়েস্তা করি।পিয়ন থেকে ইউনো।কেওই গুষ থেকে বিরতনা।এটার জন্য শক্তিশালি এবং সৎ ও ন্যয়বান ব্যক্তি প্রয়োজন।
আমি যখন মালয়েশিয়াতে পড়তে যাই, তখন কর্তব্যরত ইমিগ্রেশন অফিসার কোনো কিছু ছাড়াই আমার কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি তাদেরকে দেই, কোনো ঝামেলা হবে এটা আমি চাই না। তাই তাদেরকে দিয়ে আমি মালয়েশিয়া যাই।
বাংলাদেশের ঠিকাদারি ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগগুলোতে (যেমন: গণপূর্ত অধিদপ্তর (PWD), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (RHD), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) প্রভৃতি) দুর্নীতি এবং অনিয়ম একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। ঠিকাদার, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং অসাধু প্রকৌশলীদের ত্রিপক্ষীয় আঁতাতের কারণে সরকারের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও সময় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং কাজের গুণগত মান নিম্নমুখী হয়। অনেক সময় প্রকল্পের শুরুতেই কাজের আসল পরিমাণের চেয়ে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রাক্কলন বা এস্টিমেট তৈরি করা হয়, যাতে পছন্দের ঠিকাদারকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া যায়। ঠিকাদারি খাতে বিল পাস, বরাদ্দ বাড়ানো বা নতুন কাজ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে (যেমন ২% থেকে ১০% ) ঘুস দিতে হয়
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে সরকারি ভাবে দেয়া হয়। কিছু কাজ জমা দিতে হয় আমি দিয়ে ছি। চেয়ারম্যান বলে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে আমি দিয়েছি। আমি এবং আমার বউ চাকরি করি Echotex. Echotex থেকে সেই কাজ টা করে দিয়েছে। Echotex কোন রকর টাকা নেয় নি অথচ চেয়ারম্যান ৩০০০ টাকা নিয়েছে কিন্তু টাকা আর ফেরত দেয় না।
ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি অফিস আমার বাবা জমির খাজনা দিতে গেলে, তারা বলে এক একর প্রতি এক হাজার টাকা করে দিতে হবে। পরবর্তীতে ৭০০ টাকার নিয়ে। হাতে শুধুমাত্র ২০ টাকার খাজনার রিসিভ ধরিয়ে দেয়।
আমার স্থায়ী ঠিকানা সিরাজগঞ্জে একটি উপজেলায়। নরসিংদীতে চাকরির সুবাদে নরসিংদী পাসপোর্ট অফিস পাসপোর্ট করার জন্য সব পেপার জমা জমা দেওয়ার জন্য নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমি বিকাশে পেমেন্ট করার দায়ে আমাকে শাস্তি স্বরূপ পরবর্তী সপ্তাহে আবার যাওয়ার জন্য বলে এভাবে আমাকে চার সপ্তাহে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে যতটুকু বুঝতে পারলাম আমি নিজে নিজে ফাইল প্রসেসিং করার জন্য আমাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। যাই হোক, পরবর্তীতে কাল জমা করে বায়োমেট্রিক দেওয়া হলে আমার নিজ উপজেলায় স্থায়ী ঠিকানা ভেরিফিকেশনের জন্য যে পুলিশ অফিসার আসেন উনি আমাকে ফোন করে বলেন আপনি কোথায় আছেন আমি বলে আমি নরসিংদী থাকি পরে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার আমাকে বলেন আপনি আমাকে খরচ দিতে হবে আমি সিরাজগঞ্জ থেকে এসেছি। আমি তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্য
গর্ভবতী কার্ড করে দিবে বলে ৩০০০টাকা নেই বলে টাকা না দিলে কার্ড হবে না পরে কষ্ট করে টাকা দেই এখন কার্ড হইছে কিনা তাও জানিনা
এজি অফিস ২০০০ টাকা, শিক্ষা অফিস ৪০০০ টাকা ( ছোট টু বড় পোস্ট) ২০০০ টাকা রাজবাড়ি অফিসের আরেক জন নিসে আর ঢাকা অফিসের ফাইল ক্লিয়ার কথা বলে ১০০০ টাকা। এই কাজ এখনো বলবত আছে, এরা ঘুষ ছাড়া কেউ কাজ করে না, প্রমান চাইলে একদিন গেলেই বাহির হইয়ে যাবে।
পাসপোর্ট পুলিশ ব্যারিফিকেশনে করতে এসে টাকা চাইলো টাকা না দিলে পাসপোর্ট থানায় আটকে দিবে।
আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করে অফিসে যাই তারপরে এই টেবিলে নয় ওই টেবিলে এই টেবিলে নয় ওই টেবিলে এরাম করতে করতে আমাকে অনেক ঘোড়ায় তারপরে একজন এসে বলে স্যার বলেছেন ৭০০০ টাকা লাগবে আমি বললাম ১১৭০ টাকার জায়গায় 7000 কেন তারা আমাকে ধমক দিয়ে বললেন খারিজ করলে করেন না করলে অফিস থেকে বেরিয়ে যান তাদের এই দাপট দেখে আমি অসহায় হয়ে তাদের হাতে টাকা তুলে দিতে বাধ্য হই আজ পর্যন্ত তারা আমার মূল কপিটা দেয় নাই।
এই কাগজ লাগবে এটা লাগবে সেটা লাগবে দালাল দিয়ে করাইছি কিছু লাগে নি।
আমি মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের নাম্বার প্লেট এবং স্মার্ট কার্ড করার জন্য সব ডকুমেন্ট নিয়ে গেছিলাম, নিজের কাজ নিজে করবো বলে, কিন্তু বি আর টি এ অফিসার আমার কাগজপত্রের অনেকগুলা ভুল ধরে অহেতুক হয়রানি করে, বাহিরে দোকান আছে ওখানে যান ৮ হাজার টাকা দিবেন ওরা সব করে দিবে। বাস্তবতা হলো ওরা ঘুষ খায় ওইখানে অবস্থিত দালাল এবং দোকানদার দের মাধ্যমে। প্রতিবার একটি করে কাজ নিয়ে যাবেন প্রতিবারই কোন না কোন ভুল ধরে আপনাকে ফেরত পাঠাবে, আর ঘোরাতে থাকবে যেন বাধ্য হয়ে আপনি ঘুষ দেন, একজন মানুষ চাকরি বা ব্যবসা বাদ দিয়ে কয়দিন বিআরটিএ অফিসে যেতে পারে?
টাকা না দিলে ভুগোল কলেজের স্যার নাম্বার দিবে না সঠিক মতো
বর্তমান সরকারে সারের নতুন নীতিমালা করতেছে তো আমি ভাবছি একটা ডিলার নিব কিন্তু আমার কাছ থেকে এত টাকা দাবি করছে বিএনপি'র এক নেতা
Amr driving licence er jonno figure dita jai,tokhon dayitta thaka ghushkhor bola figure neacha na,por e ashen.onk smy opakha kora gela bola, taw hosca na..sa somoy bola 4tar por e ashen..field exam dea.4tar por gela,kew na thakai amr kace misty khawa er jonno 500 tk dabi kora.jahatu ami akta beshorkari job kori suti nawa possible na besi.tai 200 tk dila.sa amr Figure ney.
প্রতি মাসে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার পরে বিভিন্ন কর্মকর্তাদের এই টাকা বন্টন করে দিতে হয়। না হয় অফিসে এসে নানান ধরনের হয়রানি করার হুমকি দেয়।
স্ত্রীর জাতীয় পরিচয় পত্রে স্বামীর নাম দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র আপডেট করতে গিয়েছিলাম, সরকারি ফি সম্ভবত 320 টাকা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ইনিয়ে বিনিয়ে বিভিন্ন কথা বলে দ্রুত কাজ করে দেয়ার কথা বলে 2500 টাকা চেয়েছিল