সিনজি চালকদের ভাড়া না দেওয়া
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। এখন তাদের প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য বেসরকারি মালিকানাধীন সিএনজি ব্যবহার করা হলে এর জ্বালানি ও ভাড়া কে বহন করবে? 👉 দীর্ঘ সময় ধরে বিনা পারিশ্রমিকে গাড়ি ব্যবহার করার আইনগত বা প্রশাসনিক ভিত্তি কী? 👉 থানার রাতের টহল ও জরুরি সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য কি কোনো অনুমোদিত যানবাহন/বরাদ্দ বা সরকারি পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে? 👉 যদি স্থানীয় সিএনজি ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে তাদের যথাযথ ভাড়া ও জ্বালানি খরচ প্রদানের ব্যবস্থা কেন থাকবে না? এখানে মূল বিষয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করা নয়। সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো বেসরকারি গাড়ি ব্যবহার করা হলে তার যথাযথ নিয়ম, অনুমোদন, ব্যয়ভার ও চালকের ন্যায্য পাওনা সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। সিএনজি চালকরাও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে চান। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো পারিশ্রমিক বা জ্বালানি খরচ ছাড়া নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি দিয়ে রাতের সরকারি দায়িত্বে সহযোগিতা করা তাদের জন্যও একটি আর্থিক চাপ। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আহ্বান— বিষয়টি তদন্ত করে সিএনজি চালকদের বক্তব্য শোনা হোক, সরকারি কাজে বেসরকারি যানবাহন ব্যবহারের নিয়ম ও ব্যয়ভার স্পষ্ট করা হোক এবং একটি স্থায়ী ও ন্যায্য সমাধান দেওয়া হোক। সরকারি দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা থাকবে, তবে সেই সহযোগিতা যেন নিয়মতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও ন্যায্য ব্যবস্থার মাধ্যমে হয়—এটাই সিএনজি চালকদের দাবি। 🚖⚖️