লোকাল গার্মেন্টস রপ্তানি অনুমতির জন্য প্রতি ডুকুমেন্ট এর জন্য দিতে হয়।
প্রতি ডুকুমেন্টস এর লোকাল গার্মেন্টস বিশেষ করে দুবাই বা মালয়শিয়ারবা আফ্রিকার গার্মেন্টস রপ্তানীতে এই টাকা দিতে হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতি ডুকুমেন্টস এর লোকাল গার্মেন্টস বিশেষ করে দুবাই বা মালয়শিয়ারবা আফ্রিকার গার্মেন্টস রপ্তানীতে এই টাকা দিতে হবে।
জমি নাম্পত্তন করতে গিয়ে ভূমি অফিস থেকে অন্য অফিস কিসু সাইন করতে পাঠায় ।সেখানে গেলে আমার কাস থেকে ১০০০ টাকা কা ।জানতে চাইলে বলে এটা সবাই দেই ।ডকুমেন চাইলে বলে লাগবেনা ।আমি আর বাড়াবাড়ি করলামনা ভয়ে যদি আমর পেপারে সাইন না করে।তখন ধরে নিলাম এই টাকাটা সবার কাস থেকে নেওয়া হয়।এটা প্রতিনিয়ত চলছে ।আমি ধারণা করি এই টাকার ভাগ উপরের সবাই পাই।তাই কেউ বাধা দেই না
আমার স্ত্রীর মাতৃকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অফিসার( চরফ্যাশন পৌরসভার নিচ চলায় বসে) আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও ১৫০০ টাকা নেয়। অথচ এটি সম্পূর্ণ সরকারি ফ্রি সেবা। আমি যানতে পারি ঐই অফিসার নিয়মিত এমন ঘুস নিয়ে থাকে।
টাকা ছারা সাব-রেজিস্টার জমি বিক্রেরয়ের দলিল রেজিস্টার করবেন না সময় ১৯১৮ সন ইং। টাকা দিতে বাদ্ধ করা হয়।
বরিশাল সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি কক্ষে যত আত্মীয় স্বজনকে হাত পা কেটে যাওয়া রোগি নিয়ে গেছি প্রত্যেকের ব্যান্ডেজ/ক্লিনিং করার পর প্রতিবার ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
ভুমি অফিসের নায়েব, সে আমাকে আমার জমি খারিজ করে দিবে খসড়া তৈরি করে দিবে, যদি তাকে টাকা দেই আর যদি টাকা না দেই তাহলে সে বাতিল করে দিবে, এবং AC Land ভূমি অফিসে পাঠাবে বাতিল হিসেবে যেকোনো ভুল বানায় বাতিল করে দিবে
আমার দাঁতের অনেক সমস্যা হয়েছিল। দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা করছিল। আমি দেশের বাইরে, সিঙ্গাপুরে থাকি। দাঁতের ব্যথার কারণে বাংলাদেশে, আমার নিজ জেলা টাঙ্গাইলে যাই। টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে যাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী টিকিট নিই। টিকিট নেওয়ার জায়গায় অনেক মানুষের ভিড় ছিল। অনেক কষ্ট করে সিরিয়াল ধরে টিকিট নিই। টিকিট নেওয়ার পর ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু প্রথম দিন যাওয়ার পর ডাক্তার আমার সমস্যাকে তেমন গুরুত্ব দেননি। আমাকে পরের দিন ১,৪০০ টাকা নিয়ে আসতে বলেন। পরের দিন আবার হাসপাতালে গেলে আমার সমস্যার তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে আমাকে ঘুরানো হয়। এরপর আবার পরের দিন যেতে বলা হয়। পরের দিন হাসপাতালে গেলে আমার সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করা হয়।
আমার বাবার হজে যাবে বলে পাসপোর্ট এর আবেদন করি। আমাকে বলে এটা করতে হবে ওইটা করতে হবে এই কাগজ নিয়ে আসেন এটা সত্যায়িত করে নিয়ে আসেন অনেক ঝামেলা, কি পেশা ইত্যাদি আরোগ্য সমস্যার কথা আমাকে জানাই। পরে আমি বললাম আমার বাবা হজে যাবে এজন্য কাজটা করে দেন যাতে আপনাদের সওয়াব হবে। আমাকে বলেছে সন্ধ্যার পরে দেখা করবেন আমার নাম্বার নিয়ে যান। করে সেই লোকের নাম্বার নিয়ে সন্ধার পরে দেখা করে এবং ফোন দেই সে আমাকে বলে যে ১২০০ টাকা ছাড়া আপনার এটা করা যাবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন আছে প্রচুর সমস্যা। যে তোর বাবা হজে যাবে আমিও ছোটখাটো একটা ব্যবসার সাথে জড়িত সময় দিতে পারি না তাই বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকার মাধ্যমে কাগজগুলো জমা দিতে সক্ষম হয়। করে পাসপোর্ট হয়ে আসে। হজের যাত্রীর থেকে টাকা খায় তারা বিষয়টা খুবই দুঃখজনক
নামজারি করতে সকল ডকুমেন্টস সাবমিট করার পরও টাকা না দিলে নামজারি হবে না। জিজ্ঞেস করলাম এত টাকা দিতে হবে কেন,বলল ভাই টাকা কি আমি নিবো যতগুলো টেবিলে এই কাগজ যাবে সাবাইকে কিছু না কিছু টাকা দেওয়া লাগে,আর না দিলে কাগজ টেবিলে পরে থাকবে,কাজ হবে না,আমি আপনার কাজটা করে দিবো আমার কিছু খরচ আছে না।পরে দিলাম। নামজারি টা অবশ্যই হযেছে আমার কে কিছুর জন্য আর ডাকে নি।উল্লেখ যে ভুমি অফিস ইউনিয়ন অফিস যে কোন কাজেই জন্যই যাই সরকার যেসব কাজ ফ্রি করেছে তার জন্য কিছু না কিছু টাকা দেওয়া লাগে দিলে কাজ সাথে সাথে হয়,না দিলে দারি কমা নিয়েও হয়রানি হতে হয়,আর এই হয়রানির ভয়ে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়।কারন এর প্রতিবাদ করার কেউ নেই।
আমি গত ২৪ তারিখ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি। ২৫ তারিখ রাত১১:৩০এ বাগেরহাট সদর থানা থেকে কল করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আমি ২৬ তারিখ সেই কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করি। সে আমার সকল তথ্য যাচাই করে বলে সব ঠিক আছে। তার পর বলে অফিস খরচ দিতে হবে ১২০০ টাকা। আমি বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ৬২৫-৬৩০ টাকার মতো দিয়ে ডিল করি। আমি কর্মকর্তার নাম আর কন্টাক নাম্বার প্রকাশ করলাম না
ড্রাইভিং এ পাশ করতে গেলে ৩০০০ লাগবে, এই টাকা দিলে ফেল করলেও পাশ আসলেও তাই হয় ! ঝিনাইদহ বিআরটিএ দালাল অফিস
সেবা পেতে অর্থ দাবি করেছিল
আমার মামার সৌদিতে যাবার জন্য ফিঙ্গার অফিসে গেলে, কম্পিউটার অপারেটর জনাব (M) & (F) ও পিওন (S) নামের ৩ জন্য ব্যক্তি, আমার কাছে মোফার কপি না থাকার কারনে ৪ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তিতে ৩ হাজার টাকায় তারা রাজি হয় এবং ফিঙ্গার দেয়। কিন্তু মজার বিষয় হলো ফিঙ্গার দিতে শুধু পাচপোর্ট লাগে এবং ২০০ টাকা দিয়ে bmet রেজিট্রেশন লাগে, তারা মোফার কাগজ নামের নাটক সাজিয়ে জনগনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
নাম জারি করাতে গিয়ে আমার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে তাদের আশেপাশে প্রচুর দালাল থাকে তারা সরকারি চেয়ারে বসেই ঘুষ দাবি করে বলেই ফেলে সরকারি খরচে তে পারেন সে ক্ষেত্রে কতদিন সময় লাগবে বলতে পারছিনা হতে পারে ছয় মাস কিন্তু আপনি যদি আট হাজার টাকা দেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে এক সপ্তাহের মধ্যে করে দিতে পারব। বাধ্য হয়ে মানুষ তিক্ততায় পড়ে সরকারি অফিসের কর্মকর্তাকেই দিতে বাধ্য থাকে তাদের শক্ত একটি দালাল চক্র সব সময়ই আশেপাশে থাকে। এই টাকা ভূমি অফিসের সকলেই এমনকি এসিলেন্ড সহ তারা খায়। এটা শুধু আলেকজান্ডার রামগতি থানার লক্ষ্মীপুরে নয় সারা বাংলাদেশে একি কাহিনী। সুতরাং মন্ত্রণালয় মূল্যায়ন কর্তৃক এটা কে শক্তভাবে হস্তক্ষেপ না করলে প্রত্যেকটি মানুষকে তারা এইভাবে বাধ্য করে অর্থ আত্মসাৎ করেই যাবে।
একটি প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হওয়ায় বিদ্যালয় থেকে আমাকে শিক্ষা অফিসে বই নিতে পাঠায়। সময় টা ছিল রমজান মাস।গিয়ে দেখি সেখানে আমার মতো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এসেছে বই নিতে।শিক্ষা অফিসের দুজন কর্মচারী এসে বই বিতারন শুরু করে।অর্ধেকের মতো বই দেওয়া হলে বই বিতরণ বন্ধ করে দেয় এবং ঘুসের টাকা পরিসধ করে বাকি বই নিতে বলে। এসময় আমি অর্ধেক বই নিয়েই বিদ্যালয়ে ফিরে আসি
আমি জমি খারিজের জন্য গিয়েছিলাম, কিন্তু ভূমি বিভাগের কর্মকর্তারা আমার কাছে ১,৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি।
এসএসসি পাশের পর বিদ্যালয় থেকে প্রশংসা পত্র চেয়েচিলাম ৫০০ টাকা চেয়েছে য়ার কোনো আইনত ভিত্তি নেই।কারণ শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেগ ফরম ফিলাপের সময় সমস্ত ফি নিয়ে নেওয়া হয়।কিন্তু বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবেই মানুষের উপর জুলুম করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
এখানে প্রতি বিল অফ এন্ট্রি করতে টাকা প্রদান করতে হয় ডাটা এন্ট্রি অপারেটর দের টাকা না দিলে তারা নানা ভাবে কাজের সময় খ্যাপন করেন ।
বাবা নাম নাকি ভুল ছিল। তারপর পাসপোর্ট অফিসের পাশে একটা দোকান থেকে বলে ১৮০০ টাকায় নাকি তাৎক্ষণিকভাবে আবার ভুল সংশোধন করা যাবে। এই দোকানি কিছু না করে পাসপোর্ট অফিসের উপরের লেবেলের কর্মকর্তার সাথে দেখা করে। তারপর ১৮০০ টাকা দিতেই বিষয়টি সমাধান হয়ে গেলে। অথচ বায়োমেট্রিক এর সময় এই সমস্যাটি সংশোধন করা যায়
লাইসেন্স এর জন্য টাকা দিয়েছি