নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বায়োমেট্রিক (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) প্রদান করা হলেও আজ পর্যন্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড হাতে পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে একাধিকবার ডেলিভারির তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে, কিন্তু সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। আরও দুঃখজনক বিষয় হলো, জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত লাইসেন্স প্রদানের অনুরোধ করা হলে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। আর্থিক অসামর্থ্যের কারণে সেই অর্থ প্রদান করা সম্ভব হয়নি। একজন নাগরিকের বৈধ অধিকার পেতে ঘুষের মুখোমুখি হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক ও লজ্জাজনক।
তবে ফ্রি টাকা তারা চায় না তবে এমনভাবে মানুষের সাথে আচরণ করে এবং বারবার সেবাটি দেয়ার নামে সময় পরিবর্তন করে এবং টাকা দিলে খুব সহজেই সেবাটি পাওয়া যায়
আমি নিজে আবেদন করেছিলাম, সেইখানে, তারা বলে এই আবেদন হবে কম্পিউটার দোকান থেকে করতে হবে, সেখানে বলে আরো অতিরিক্ত ১৮০০ টাকা দিতে হবে। না দিলেও আমি আবেদন করে দিবো, পরে না হলে আমাকে বলতে পারবেন না। তাই আমি পরিশোধ করেছি।
NIJA KORA PASSPORT ABEDON 4 BAR REJECT KORECE SOKOL DOCUMENT THAKA SORTE O. BAR BAR EKTA NA HOI EKTA BHUL NA HOLE O BHUL BOLE REJECT KORECE.
আমি একজন রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং রোগীকে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু রোগীকে ওয়ার্ডে নেওয়ার পর কোনো বেড দেওয়া হয়নি। বরং রোগীকে নিচে থাকতে বলা হয়। এছাড়া রোগীর কোনো ফাইলও খোলা হয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বললে ৪০০ টাকা দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত টাকা না দিলে কোনো উপায় নেই—এমন পরিস্থিতিতে পড়ে টাকা দিতে বাধ্য হই। টাকা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাজগুলো করা হয়। এই ঘটনাটি হাসপাতালের Male Ward No. 13-এ ঘটে। একজন রোগী ভর্তি হওয়ার পরও এভাবে বেড না দেওয়া, ফাইল না খোলা এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমার মায়ের বাবার সম্পত্তি আমার মামা দখল করে রেখেছে এক সময় আমরা চট্রগ্রাম কোর্ড কর্তিক রায় পেয়ে জায়গা বুঝে পাই রায়ের কপিও আছে তখন আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারণে জয়গাতে কিছু করতে পারি নাই পরে যখন করতে গিয়েছি দেখলাম আমার এক মামা জায়গার ১/৩ অংশ দখল করে দেখেছে বিভিন্নভাবে সামাজিক শালিশ এর মাধ্যমে ও সে ছাড়তে নারাজ পরে আমরা রাউজান থানার সপোর্ধ হই থানাতে দায়িত্ব পায় এস আই এক কর্মচারী আমিও চাকরির সুবাদে বাহিরে থাকায় সে পর্যায়ক্রমে আমার আম্মু থেকে ঘুষের টাকা চাহিয়া নেয় এবং আমার মামা থেকেও মোটা অংকের টাকা খায় এবং পরে সে বলে যতটুকু আছে জায়গা কর না হলে তোর নামে উল্টো মামলা দিবো
পাসপোর্ট অফিসের হয়রানি ও দালালনির্ভরতার এক বাস্তব অভিজ্ঞতা আমার ব্যক্তিগত পাসপোর্ট করার প্রয়োজন ছিল। নিয়ম মেনে, নিজের প্রয়োজনীয় সব কাজ নিজেই সঠিকভাবে সম্পন্ন করে সিলেট পাসপোর্ট অফিসে ফাইল জমা দিতে যাই। কিন্তু সেখানে গিয়ে শুরু হয় নতুন ভোগান্তি। অফিসের কর্মকর্তারা বারবার বলেন, আমি নাকি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করিনি। একই কারণে আমাকে ৩/৪ বার অফিসে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। একপর্যায়ে পাসপোর্ট অফিসের একজন ভাই আমাকে সরাসরি বলেন— “এভাবে তোমার পাসপোর্ট হবে না। তাদের পকেটে টাকা দিতে হবে। তুমি কোনো ট্রাভেলস এজেন্সির সঙ্গে কন্ট্রাক্ট করে ফাইল নিয়ে আসো, তাহলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে।” বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত হতাশাজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ মনে হলো। শেষ পর্যন্ত আমি একটি ট্রাভেলস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করি।
চট্টগ্রাম · “একটি তদন্ত রিপোর্টে দারা বাদ দয়ে সঠিক রিপোর্ট দিতে বলায় টাকার দাবি, না দিলে কেইস জটিল করে দেয়, তাই বাধ্য হয়, সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্তে এসএই রা এইসব টাকা খায়, আরো বলে যে, ওসিকে ভাগ দিতে হয় তাই কাটা বেশি লাগে”
প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৩ শতাংশ জমির নামজারীর জন্য পূর্বানুমোদন চেয়ে DC অফিসে আবেদন করেছিলাম। DC অফিস উক্ত জমি বিষয়ে প্রতিবেদনের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল চিঠি প্রদান করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার প্রতিবেদন প্রদানের জন্য আমার নিকট থেকে ১৫০০০ টাকা গ্রহণ করে প্রতিবেদন প্রদান করেন। পরবর্তীতে উক্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে পূর্বানুমোদন প্রদানের জন্য DC অফিস আমার নিকট প্রতি শতাংশে ৫০০০/- করে ৩৩×৫=১৬৫০০০/- টাকা DC'র এল.আর ফান্ডে জমা প্রদান করতে বলেন। আমি ADC (Rev) এর সাথে দেখা করেছি তিনিও আমাকে বললেন টাকা জমা দিয়ে দেন এ বিষয়ে কোনও কিছু শুনবো না। বাধ্য হয়ে উত্তরা ব্যাংক, জনসন রোড শাখায় আজ ১৬৫০০০/- টাকা জমা দিয়ে এসেছি।
Jomi Registry Korte gele 7 lac taka ghush dabi Kore. Becoze via dolil gular moddahy akta heba dolil unregistered chilo.
এইখান থেকে লোন নিতে হলে অবশ্যই অফিসের ম্যানেজার থেকে শুরু করে পিয়ন পর্যন্ত সবাই ঘুষ চাই ।ঘুষ না দিলে তারা লোন পাশ করবেনা তাই তাদের কে প্রায় ২০০০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করা হয়েছে
জমি খারিজ করার জন্য ১-১.৫ বছর অপেক্ষা করেছি। শেষে একজন কর্মকর্তা ১৫০০০ টাকা দাবি করেন। উপায় না পেয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
আমি জমির নাম খারিজের পর্চ তুলতে গিয়েছিলাম আমাকে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
স্কুলে শিক্ষকের বেতন ভাতা ও বিল ভাউচার জমা দিলে টাকা ছাড়া স্বাক্ষর দেয় না।
২০২২ সালের ইউপি নির্বাচনের আগের কথা, আমি বিদেশে যাবো কিন্তু তখন আমার আইডি কার্ড ছিলো না ,আমি পোষ্ট অফিস থেকে সব কাগজ রেডি করে ৩ মাস ধরে সারাসরি অফিসে কাগজ নিয়ে যাচ্ছি ,কিন্তু আমার কাগজ জমা নেয় না ,বলতেছে সামনে নির্বাচন তাই ,,আমি কয়েকদিন পর পর গিয়েছি ,,তারপর একদিন ওখানে একটা লোককে আমি বলেছি ,বলার পর আমাকে ঘুষের কথা বলেছে ,তারপর ওখানকার মেডামকে বলেছি ওনি আমাকে ৮ হাজার টাকার কথা বলেছিলো ,আমি ওই দিনেই টাকা দিয়েছি ,১ দিনের ভিতর কাগজ নেয়া ,ফিঙ্গার ও ছবি তোলা হয়েছে ,১ সপ্তাহের ভিতর আইডি কার্ড পেয়েছিলাম,,,।অথচ গত ৩ মাসেও আমার আইডি বানিয়ে দেয়নি নির্বাচনের অজুহাতে
আমার জমি ৫ শতাংশ, ১ টি দলিলে, যে খতিয়ান থেকে জমি কেনা সেখানে ২৬ একর জমি ছিল, সম্পূর্ণ জমির খাজনা দাবী করেছে, ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে। আহাম্মদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, সুজানগর, পাবনা,রাজশাহী, বলে ২৫০০০ টাকা জমা দিলে তার পরে খারিজ হবে। কিন্তু ৫ শতাংশ জমির খাজনা কিভাবে হয় এত। সর্বশেষ ১ সপ্তাহ ঘুরার পরে জমি খারিজ হয়।
আমার ভাইয়ের দেশের বাহিরে যাবার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারিং লাগতো থানা থেকে বলছে টাকা না দিলে আটকে দিবে। আমি বাধ্য হয়ে শেষে এই টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।টাকা ছাড়া কোন কাগজ সাইন হয় না এ দেশে
আমি জমি নামজারি করার জন্য ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম। কাগজ পত্র দেখে নায়েব আমাকে বাহিরে নিয়ে গিয়ে বলল আপনার জমি তো অনেক প্রায় ৫ বিঘা। তো সব মিলে আপনার খরচ হবে ৪৯০০০ টাকা। তা শুনে আমি চলে আসি এবং খাজনা পরিশোধ করে নিজে দোকান থেকে আবেদন করে নিয়ে যাইলে ভুল ধরে।তারপর এক মৌরি কে ১৪,০০০ টাকা দিয়ে সেই নামজারি (খারিজ) করে নেয়।
আমাদের জায়গা ছিল। তো আমার বাবা সেই জায়গার নামজারির জন্য গিয়েছিলেন সেখানে গিয়ে উকিল কে টাকা দিয়ে হয় 50k এর বেশি , তার পর কোর্ট এ নামজারির কাগজপত্র তৈরি করতে কোর্ট কে 1 লাখ টাকার বেশি অর্থ ঘোষ দিতে হয় । আমাদের জায়গা যেসময় নাম জারি গিয়ে যায় তখন কোর্ট এর সেই মহান জর্জকে 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা দিতে হয় মিষ্টি খাবার জন্য। মানে ভাই আইন যেখানে আশ্রয় নেয়, যে ব্যক্তির নিকট আমরা ন্যায়বিচার আশা করি সেই মহান জর্জ (মহিলা) কে মিষ্টি খাবার জন্য 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা দিতে হয়। ছি: Shame on this system and this type of people of our country.
আমার কাঁচামালকে প্রস্তুত পণ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে শুল্ক আরোপ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।