সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৭,৭৪৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
শিক্ষা অফিস

অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের ফাইল বিষয়ে

আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। রিটায়ার নেওয়ার পরে। বাবার পেনশন আর প্রভিডেন্ড ফান্ডের টাকা উঠানোর জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে উঠে। প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিস বলে ফাইলে অনেক সমস্যা এটা লাগবে অমুক সারের সাইন লাগবে টাকা ছাড়া সাইন করে না।ধাপে ধাপে টাকা৷ নেয় উপজেলা শিক্ষা অফিস তার পরে ঘুরে ঘুরে জেলা শিক্ষা অফিস ৩ দিনের কাজ ফেলে রাখে ৩০ দিন।টাকা নেওয়ার পরে ৩ দিনে হয়ে যায় এবং সবশেষে উপজেলা একাউন্টস অফিস ও টাকা নেয় আর ভয় দেখায় টাকা না দিল পরবতর্ীতে ফাইলের সমস্যা হবে। প্রত্যেক অফিস টাকা না নেওয়া প্র্যন্ত কাজ বন্ধ রাখে। শেষে ৩০০০০ টাকা নিয়ে সব কাজ হয়। শিক্ষকরা বাধ্য থাকে কোনো স্পারিশ ও হয় না বলো এগুলা দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং পত্নীতলা উপজেলা শিক্ষা অ ৳৩০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

ভ্যাট নিবন্ধন

এই অফিসে রাজস্ব আদায় হয় কিনা জানি না,তবে ঘুষ আদায় হয় রীতিমত। নোয়াখালীতে যত ব্যবসায়ী আছে, তারা রাজস্ব দেন বা না দেন তাকে প্রতিমাসে ৩৫০০ টাকা ঘুষ দিতেই হবে। না হলে ব্যবসা বন্ধের হুমকি, আইনে জটিলতা ফেলানোর হুমকি দিচ্ছে সরাসরি।এখন ব্যবসায়ীরা ঝামেলায় জড়াতে চান না তাই,অনুরোধ করে ৫০০ কমে বা বেশি দিয়ে আসতে বাধ্য হয়। বিশ্বাস না হলে আয়কর অফিস ভিজিট করতে পারেন।তাদের ঘুষের রেঞ্জ দেখলে আপনি ব্যক্কল হতে বাধ্য হবেন।

ঘুষ দিইনি
নোয়াখালী জেলা রাজস্ব কর্মকর্তার কর্যালয় ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ওষুধ

ইসিজির ক্ষেত্রে টাকা নেয় ১০০ টাকা করে। এটা কি ক্ষেত্রে দিতে হয় আমার জানা নেই। সরকারি সেবা ফ্রি হওয়ার কথা কিন্তু ভিতরে টাকা দিতে হয় কেন।

ঘুষ দিয়েছি
নাটোর ৳১০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ময়মনসিংহ হাসপাতালে, আনসারদেরকেও ঘুস দিতে হয়

আমার বাবাকে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে যাই, ডাক্তার রা, ক্যান্ডেলা এবং সেলাইন আনতে বাহিরে ফার্মিসিতে আমাকে পাঠায়, বেশ ভালো আমি আনছি।কিন্তু আমি লক্ষ করতেছি তাদের ব্যাবহার, অনেক বাজে।ধরে ধরেনা, কতো কি।অবশেষে যখন বুঝতে পারলাম এখানে বাবাকে রাখা যাবেনা, তারপর বাহির হলাম হাসপাতাল থেকে, কিন্তু আনসার আমাদের কাছে ৮০০ টাকা দাবি করলো,কিন্তু আমি দেইনি, তারপরে সেয়ি আবার আমাদের ক্লিনিক সিলেক্ট করে দেয়, কিন্তু আমিতো বোকা না, এম্বুলেন্স আনছে আমাদের নিয়ে যাবে ক্লিনিকে। কিন্তু আমি তাদের কথায় যাইনি,।

ঘুষ দিইনি
ময়মনসিংহ ৳৮০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি

বাবার মৃত্যুর পর প্রথম ঘুষ দিয়ে মেয়েদের জমি না দিয়ে ছেলেরা জমি নামজারি করে নেয়,পরে মেয়েরা আবার নামজারি বাতিলের আবেদন করে তখন টাকা নিয়ে নামজারি বাতিল করে,,,বলে বন্টন নামা ছাড়া কাউকে নামজারি করে দিবে না,, কিছুদিন পর আবার কোনো নোটিশ না দিয়েই টাকার বিনিময়ে ছেলেদের নামজারি করে দেয়,,পরে ছেলেরা কিছু দাগের জমি বিক্রি করে দেয়,,, কিছুদিন পর বোনরা খুঁজ পেয়ে বাকি দাগে নামজারি আবেদন করে,, এখন বলে দাগে দাগে নিতে হবে,,, অনেক টাকার বিনিময়ে বছরের পর বছর হয়রানি করতেছে,,, এখন 500000 টাকা দাবি করছে মেয়েদের কাছে,,, এখানে ভূমি অফিস ও এসিলেন্ট অফিস এর লোকেরা দুই পক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে,, বছরের পর বছর হয়রানি করতেছে

শুধু দাবি করেছে
এিশাল ৳৫.০০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

থানায় জিটি করতে গিয়ে হয়রানি শিকার হয়েছে

বিভাগ ঢাকা জেলা কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জ থানায় জিটি করতে গিয়ে হয়রানি শিকার হয়ে পড়ে জিটি না করে ফিরে আসছে আর দালাল টাকা চেয়েছিলেন

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

দাগের পরিমান সংশোধন

উপজেলা ভূমি অফিসে দাগের অংশ সংশোধনের জন্য মিস কেস করি। সেটা সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আবেদনটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হস্তান্তর করে। ছয় মাস পেড়িয়ে যাচ্ছে দেখে আমি সেটার খোঁজ নিতে উপজেলা অফিসে যাই সেখান থেকে জানানো হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে রিপোর্ট এখনও আসেনি আমি যেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করি। আমি যথারীতি তাদের কথা মত ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করতে গেলে সেখান থেকে নায়েব আমার কাছে বিস্তারিত শুনে ফাইল বের করেন এবং বলেন তিনি নাকি প্রতিদিন ফাইলটা দেখেন কিন্তু ফাইলের লোককে খুঁজে পান না যদিও ফাইলে আমার ফোন নম্বরসহ ঠিকানা উল্লেখ ছিলো। তারপর আমি বলি এখন তো ফাইলের লোক কে খুঁজে পেলেন কাজ টা কতদিন হবে তখন আমাকে জানানো হলো আগামীকাল রোজা তাই আজকে দিনের মধ্যে পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে আজকের মধ্যেই কাজ টা হবে।

ঘুষ দিয়েছি
গুরুদাসপুর,নাটোর। ৳৫.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ভুমি সেবা।

নাম জারি করতে প্রয়োজন ১১৫০ টাকা, সেখানে আমার কাছ থেকে অন্যান্য সবাইকে(এসি ল্যান্ড) ম্যানেজের কথা বলে, বেশি অর্থ দাবি করে-x নামে একটা ছেলে,পরে দিতে বাধ্য হয়েছি

ঘুষ দিয়েছি
ভোলা সদর। ৳৭.৫ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমির দাখিলা

জমির দাখিলা কাটা বাবদ ১০০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছিল। এই টাকা ছারা ওনারা দাখিলা দিবে না, বিভিন্ন সমসয়ার কথা বলে,টাকা দাবি করেছিল।

ঘুষ দিয়েছি
চর বিশ্বাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী ৳১০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্ম নিবন্ধ

যে জম্মনিবন্ধের সরকারি ফি -১৫০ টাকা, সেখানে এখন নে ৪০০-৫০০ টাকা সে সাথে সকিদার, দপাদার, ফাইল আনা-নেওয়া বাবদ অল্প কিছু হাদিয়া বলে যায় আরো ২০০-৩০০ টাকা এই মিলে খরচ ১০০০ টাকা কি করে জনগণ বাচবে

ঘুষ দিয়েছি
চকরিয়া ৳৫০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিষ্ট্রী

জমি রেজিষ্ট্রেশন করার সময় সরকারি বাজার মূলের চেয়ে অতিরিক্ত মূল লেখলে ২% ঘুষ দিতে হবে। তা না হলে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে পরব না। তাই সমতায় আইসা ১% ঘুষ দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রী করলাম।

ঘুষ দিয়েছি
ইউনিয়ন পরিষদ ৳৭০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারির জন্য,সব কিছু সঠিক থাকার পর, অনেক গুরার পর। নামজারির জন্য 6500 নিল।

নিজে আবেদন করলে ভূল হবে,রিপোর্ট সঠিক নাও পেতে পারি।অনেক ঘোরাঘুরি করতে হবে ইত্যাদি ।তাদের দিয়ে 7000 টাকা দিয়ে করলে সব সহজে হবে।

ঘুষ দিয়েছি
চাঁদপুর সদর মৈশাদি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৳৭.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

বিদেশে যাওয়ার জন্য ফিংগার দিয়েছিলাম কিন্তু ঐখানে নমীনি এড দেই নি পরে দিতে গেলাম তখন টাকা চায়,

বিদেশে যাওয়ার জন্য ট্রেনিং করেছিলাম কিন্তু ঐখানে নমীনি এদ দেই নি পরে দিতে গেলাম একদম ফাস্ট ফ্লোরে প্রথমে যে ডেস্ক আছে সেখানে মহিলা অপারেটর ছিলো সে ১০০ টাকা চায় আর তা না দিলে নাকী হবে না

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

সরকারী বিল পাস করতে ঘুষ

সরকারী খাদ্য সংগ্রহ করতে অগ্রিম লোন দেওয়া হয় তা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বরাদ্দ সাপেক্ষে বিল সমন্বয় করে।কিন্তু ট্রেজারী বিল ফেলে রাখে টাকা না দিলে সময় ক্ষেপণ করে।

ঘুষ দিয়েছি
সিংড়া নাটোর ৳২.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ছাড়া যেসব সার্টিফিকেট সংশোধন করতে হয় অর্থাৎ ২০০০ সালের আগের সেসব করার জন্য স্ব-শরীরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যেতে হয় এবং রেজিস্ট্রেশন,এডমিট, মার্কশিট সব সংশোধন এর পরে সার্টিফিকেট সংশোধন। প্রত্যেকটা কাগজ সংশোধন এর জন্য ৬-৭ দিন লাগে কিন্তু ওখানের অফিস সহায়ক এক লোক আছে ও অনৈতিকভাবে প্রতিটি কাগজের জন্য ৫০০ করে টাকা নিয়ে ১ দিনের মধ্যে দেয় যার জন্য যাদের কাজ সময়মতো হবার কথা তাদের কাজ সময়মতো হয় না। অনেক সময় লেগে যায়। দূর দূরান্ত থেকে যারা এসব কাজের জন্য ঢাকায় আসে তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। একেকটা কাগজ ৭-১৫ দিন, সার্টিফিকেট সহ ৪ টা কাগজ করতে মাস খানেক, এর পিছে বসে থাকা লাগে। তার উপর আবার এরকম অনিয়ম।

ঘুষ দিয়েছি
গাজিপুর ৳৫০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

বাৎসরিক আয় কর

বাৎসরিক ৬০ হাজার টাকা আয় কর এসেছে। কর কর্মকর্তা বললেন আপনি আমাকে 7000 টাকা দেন আর সরকারি খাতে তিন হাজার টাকা জমা দেবো। তাতেই আপনার বাকি ৫০ হাজার টাকা কর মৌকুফ করে দেয়া হবে।

ঘুষ দিয়েছি
যশোর ৳৭.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য