বেতন কাজ
আমার বাড়ি পরিবর্তনের জন্য ৩১০০০ টাকা পাই। পুরো টাকা তুলতে ঘুষ দিতে হয়েছে ৭০০০ টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাড়ি পরিবর্তনের জন্য ৩১০০০ টাকা পাই। পুরো টাকা তুলতে ঘুষ দিতে হয়েছে ৭০০০ টাকা।
লাইন ছাড়া দ্রুত ফাইল চেক করা ও ছবি তোলা ।
স্কুলের কর্মচারী সবার কাছে টাকা চেয়েছে টাকা দিলে বলেছে ফুলমার্ক দিয়ে দিবে SSC প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায়। স্কুল শিক্ষকরা পাশেই অবস্থান করছিলেন।
আমাদের ৬ জন শিক্ষকের ২০১৩ সালের বকেয়া ২য়,৩য় টাইমস্কেল অনুমোদন হয় ২০১৮ সালে।সর্বসাকুল্যে বকেয়া দাঁড়ায় প্রায় ২২ লক্ষ টাকা।বারবার চাহিত ডকুমেন্টস যথাযথ প্রেরণ করা হলেও নানা তাল বাহানায় ৫০০০০০ টাকা দাবিকৃত ঘুষ না দেওয়ায় অদ্যাবধি বকেয়া অনুমোদন হয়নি। আর আশা নাই।
Ami Gulshan a nijer kisu kagojpotro hariye jaoyay gd Korte gesilam. Tarpor prothome Ami gd ta korechilo sundor moto. Kintu sekhane onaraamar passport no. Lekhe ni . Tai amake punoray sei gd ta Korte hobe. Ami next a gesilam .onara Amar gd ta ar korben na. Pore ek police officer eshe bole Tomar student manush ja icche dao.pore 200 taka disi ,niye nilo.
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস যেনো ঘুষের মহাস্বর্গ। সেখানে পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে একজন আবেদন গ্রহনকারী সব কাগজ নিরীক্ষণের ভিড়ে বিশেষ কিছু ছিলের খুঁজে ব্যস্ত থাকেন। কাগজে দালালের ছিল নেই মানে আবেদন গহণ হবে না। সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্তেও আবেদন গ্রহণ হয় নি। বিশেষ কিছু এজেন্টের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত পেমেন্ট করায় পরবর্তিতে সাথে সাথে আবেদনটি গ্রহনযোগ্যতা পায়। প্রসাশন আর দালালরা মিলে মিশে ঘুষ খাচ্ছেন নির্ভিঘ্নে।
জন্ম নিবন্ধন, পাঁচটির জন্য ৭৫০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে,
2 bar tk chara liscence er jonno try korsi but oai nai. Ora tokhon thekei tk dabi korsilo. 3rd time na pere disi and bikalei message paisi je hoyea gese.
দালালের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স এ ১০০০০/- ও গাড়ির নাম বদলাতে ৩০০০০/- পরিশোধ করতে হয় ।
আমার মা ও বাবার পেনশনের টাকা উত্তলনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস জেলা শিক্ষা অফিস ও ট্রেজারী অফিসে প্রায় ৮০০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল। মসজিদের মাইক কেনার জন্য কিছু টাকা রেখেছিলাম, তার থেকেও সেই সময় আমাকে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে এই কাগজের সমস্যা ওই কাগজ লাগবে বিভিন্ন তালবাহানা দিয়ে সময় নস্ট করত। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ১ বছর ঘুরাঘুরি করে কোন সমাধান না পেয়ে এক রকম ব্যাদ্ধ হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা দেবার পরে কোন সমস্যা ছাড়াই বা মার পেনশনের টাকা টা পেয়ে যাই।
আমার দাদার জমির খাজনা বকেয়া থাকায় আমি দিতে গেলে তারা অনেক টাকা জরিমানা দাবি করে । তারপর তাদের পরামর্শে খাজনা পরিশোধ ও জরিমানার বদলে তাদের খুশি করতে বলে । তখন তারা টাকা দাবি করে ।
সরকার কর্তৃক ঘোষিত নামপত্তনের জন্য যে পরিমান টাকা দিতে হয়, তার কয়েকগুন পরিমান টাকা দিয়ে একটা জমির নামপত্তন করতে হয়। যার ফলে প্রতিয়মান হয় ভূমি সেবায় বাংলাদেশের মানুষ অধিক পরিমান দূর্ণীতিগ্রস্থের স্বীকার হচ্ছে। এই দূর্ণীতির আতুর ঘর হচ্ছে মফস্বল শহর। যেখান থেকে বেশী দূর্ণীতি হয় এবং সারা দেশে বিস্তার ঘটায়। তাই দূর্ণীতিরোধে বিষয়টি সরকার বা আপনারা বিবেচনায় রাখতে পারেন।
বিচারিক কার্যক্রম সংক্রান্ত একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমাকে ৯০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করেন। প্রয়োজনীয় বিচারিক সেবা পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে আমি ৯০,০০০ টাকা প্রদান করি। উক্ত অর্থ কোনো বৈধ সরকারি ফি হিসেবে নয়, বরং অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল। এর ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়েছি।
আমার সব আছে,ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরসাইকেলর লাইসেন্স, টেক্স টোকেন মেইন কপি সাথে ছিল না,কিন্তু সব ডকুমেন্টস মোবাইলে ছিল, কেস দিলে আমার ক্ষতি হবে তাই ১০০০ টাকা দাবি করে,আমার ক্যাশ ছিল না,তখন তারা পাশের একটা বিকাশ এজেন্টের নাম্বার দিয়ে বলল এখানে দিতে,দেয়ার পর একজন সাথে সাথে হিসাব দিল আজ কত জমা পড়েছে।
আমি যখন ভোটার হওয়ার জন্য সব কাগজপত্র জমা দিই সব ঠিক আছে কিন্তু ভোটার বাছাই পর্ব দিন এলাকার প্রতিনিধি থাকেন। সন্ধার সময় দফাদার সাহেব ফোন দিয়ে বলেন আমার ঠিকনা বান্দরবান এর লামায় আমার ববার ঠিকানা ওকিয়া টেকনাফ আমি বাদ পড়ে গেছি, ঐখানে গিয়ে ভোটার হইতাম। তখন আমি নতুন ব্যাবসা শুরু,ব্যাবসা খুব ভালো চলতেছে ঐ সুযোগে তারা আমাকে বলে ওকিয়া গিয়ে ভোটার হইতে অনেক টাকা খরচ হবে মিনিমাম ১০দিন সময় লাগতে পারে মিনিমাম দশ দিনে ১০হাজার টাকা খরচ হবে দশ দিনে নাও হতে পারে তাই তাই আমাদেরকে ৭০০০টাকা দাও আমরা নিরবাচন অফিসে কথা বলে ভোটার করিে দিতে পারব আমি ও নিরুপাই দিয়ে দিলাম তারপর আমি বললাম না হলে কি হবে ওরা বলতেছে হবে ১০০% তারপর আর বুঝার বাকি রইল না
জমি সংক্রান্ত মামলা দাখিল করার সময় টাকা নিয়েছে। উকিল বললেন টাকা নাদিলে ঠিক মতো মামলা এন্ট্রি করবে না। অহেতুক কাগজের ভুল ধরবে এবং সময় নষ্ট করবে
খাজনা দিতে গিয়েছিলাম, তারা অতিরিক্ত টাকা ছাড়া খাজনা নিবে না।
আমি ডাক্তার দেখানোর জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যখন যাই তখন আমাকে দেখার পর ডাক্তার বিভিন্ন রকম পরীক্ষা দেন তার মঝে ছিল আল্ট্রাসাউন্ড আমি ডাক্তার সাহেব আমাকে বলেন ১৫ নং ওয়ার্ডে যাওয়ার জন্য যাওয়ার পর যখন টিকিট কাটার জন্য যাই আমাকে টিকিট না দিয়ে ওই খানে অবস্থানরত একজন আয়া কে দিয়ে টেস্টের জন্য পাঠান । অনেক খন বসার পর টেস্ট করানো হয় । করানোর পর আমার কাছে ৩০০ টাকা চাওয়া হয় আমি তখনো যানতাম না যে টেস্টের দাম ২২০ টাকা পরে ৩০০ টাকা দিয়ে আসার পর অন্য একজন এর কাছে শুনতে পাই টেস্টের দাও মাত্র ২২০ টাকা।
তারা আমার কাছে সরাসরি কোন ঘুষ চায়নি তবে আমার ফাইল টি আটকে রেখেছে সেই জানুয়রি মাস, ২০২৬ থেকে । এবং ট্র্যাকিং এ কোন কিছু উল্লেখ করেনি যে কেন আটকে রেখেছে ।
আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী আমার জিপিএফের সুদ মুক্ত স্টেটমেন্ট নিতেও ১০০০ টাকা দাবি করেছে আমার বদলি হলে প্রতিবার চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৫০০ এবং ঢাকা সেগুনবাগিচায় এক হাজার দিতে হয়েছে। শুধু আমার না প্রতিটা সরকারি চাকরিজীবীকে বদলি হলেই সংশ্লিষ্ট জেলা বা মহানগর হিসাবরক্ষণ অফিস টাকা না দিলে বেতনের শেষ প্রত্যয়ন পাওয়া যায় না।