বাৎসরিক আয় কর
বাৎসরিক ৬০ হাজার টাকা আয় কর এসেছে। কর কর্মকর্তা বললেন আপনি আমাকে 7000 টাকা দেন আর সরকারি খাতে তিন হাজার টাকা জমা দেবো। তাতেই আপনার বাকি ৫০ হাজার টাকা কর মৌকুফ করে দেয়া হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাৎসরিক ৬০ হাজার টাকা আয় কর এসেছে। কর কর্মকর্তা বললেন আপনি আমাকে 7000 টাকা দেন আর সরকারি খাতে তিন হাজার টাকা জমা দেবো। তাতেই আপনার বাকি ৫০ হাজার টাকা কর মৌকুফ করে দেয়া হবে।
সেবাটি ছিলো জমি সংক্রান্ত, দলিলসহ জমির সকল ডকুমেন্টস থাকার পরেও এসিল্যান্ড অনুমোদন দিচ্ছেন না.. যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন তালবাহানা করেন এবং উনার অফিসের সহকারীরা স্যারের খরচ হিসাবে টাকা দাবি করতেছেন!
মৃত্যুর সনদপত্র একবার তুলতে খরচ হয় ৩৫০ টাকা/ কোন কারণবশত হারিয়ে গেলে /আবার তুলতে গেলে ৫ টাকার পরিবর্তে আবার ৩৫০ টাকা দিতে হয় /সবচাইতে ইউনিয়ন পরিষদে ঘুস হয় লেনদেন বেশি
আমার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে চাকরি হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এসআই ২৫০০ টাকা দাবি করে। ১৫০০ টাকা দিলেও উনি অনেক জোর করেন। বলেন ২৫০০ টাকাই লাগবে। বাধ্য হয়ে আমাকে পরিশোধ করতে হয়।
নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড অফিস। খারিজ করতে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব কাগজ ঠিক ছিল। এসি ল্যান্ড অফিসার নিজেই জড়িত।
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। এখন তাদের প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব
A foreign EPZ is being asked for this during the official visit of customs people. I was present there, they asked for the money to our commercial team. Then it's negotiated after 2 weeks of pursuing upon the permission from Germany owner. Our everything is ok. We don't sell outside in BD anything. Don't over invoicing or under invoicing of the company. Asset also perfect on BD RSM audit and indian team audit by SAP also. Now you see where we are living.
আমরা একটি চাকুরির মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্সে ট্রেনিং একাডেমিতে আসি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, ক্লাসে সততা শৃঙ্খলা নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখার পাশাপাশি পাশের জন্য কোন ধরনের আর্থিক লেনদেন, অসদুপায়, ও বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে নিষেধ করা হয় এবং আমরা সবাই সেভাবেই চলছিলাম কিন্তু ফাইনাল পরীক্ষার কিছুদিন আগে থেকে কেন জানি স্যারদের মেজাজ গরম থাকে, আমাদের নানা দোষত্রুটি ধরা হয়, পান থেকে চুন খসলেই নোটিশ দেওয়া হয়, পরীক্ষায় ফেল করানোর গল্প শোনানো হয়। এক পর্যায়ে তারা ইঙ্গিতে টাকা দাবী করে নতুবা ফেল করানোর ইঙ্গিত দেয়। দাবী পূরণ সাপেক্ষে সবাই পাশ করে।
প্রতি পর্যায় অফিসেও পুলিশ ৩ বার ঘুষ নিয়েছে তাঁর বিনিময়ে পাসপোর্ট প্রাপ্তি এগিয়ে দিয়েছে।
পাসপোর্ট এর সাথে জন্মনিবন্ধন এর বয়সের ৪ বছরের ব্যবধান ছিল। ১৫,০০০ টাকার বিনিময়ে দোহার উপজেলা অফিসের UNO সাহেবের সহকারী ১৫০০০ টাকা দাবি করে। সেই দাবি পুরন করে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করানো হয়েছে। UNO সাহেবের ID & PASSWORD এই UNO সাহেবের সহকারী ই ব্যবহার করে। তিনি বয়স সংশোধন এর জন্য টাকা ছাড়া কাজ করে না। যত শক্ত ডকুমেন্টস থাকুক।
আমি সাবস্টেশন ব্যাবসা করি . পতিটা সাবস্টেশন লাইন্সেস করতে হলে ঘুস দিতে হয় ,
পিবর বাজারের জানগ্রামের একজন মুহরি,জমি খারিজ করতে লাগে ১১০০ টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে ২০০০০ টাকা, খাজনাও পরিশোধ করেছে।যাইহোক টাকা নিলেও কাজ করেছে। বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা ভুমিকা অফিসে ঘুষের রাজত্ব, জমি দলিল করতে গিয়েছিলাম, ঘুষ দিয় করতে হয়েছে, লিগাল কাজ তাও ঘুষ দিতে হয়
পাসপোর্ট অফিসে গেছিলাম,কাগজপত্র সবই ঠিক ছিলো, কোন সমস্যা নাই। ছিলো না শুধু 'চ্যানেল' নামের ঘুষবানিজ্য । তাই আর পাসপোর্ট হয়নি।
আমার জমির নামজারি করতে গিয়েছিলাম। ঘুষ চারা করা যাচ্ছে না।
প্রশিক্ষণ শেষ করলে ১টি ইনক্রিমেন্ট যোগ হবে, যার কারনে আমি ডিপিএডে যেতে চাইলে আমার নিকট ৫০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি বলি আমি যাবো না, ফলে আমাকে ৬ মাসের মেডিকেল নিতে বলে, বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে প্রশিক্ষণে যাই। পাশাপাশি বদলির সময় ও আমি ৪০০০ টাকা দিয়েছি, যদিও বদলি অনলাইনে হই, তবে ছাড়পত্র টাকা ছাড়া দেয় নাই।
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে আমার নিকট ফি ব্যতিরেকে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা দাবী করে।
সিলোট কাস্টমস অফিসে আমি সরকারি নিয়ম মেনে টাকা দিয়ে আমার পণ্য আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অফিসে গিয়ে বুঝলাম, বাড়তি টাকা ছাড়া আমার পণ্য আনা সম্ভব নয়, এডি সাহেবের রুমে গেলে সরাসরি ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন, পরে অনেক কষ্টে বুঝিয়ে ২০ হাজার টাকা দেওয়া লাগছিল। প্রথমদিকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে একাধিকবার অফিসে যেতে হয়েছে। আমি সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অফিসে গিয়ে বুঝলাম, শুধু নিয়ম জানলেই হবে না, বাড়তি টাকাও দিতে হবে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে একাধিকবার অফিসে যেতে হয়েছে। প্রতিবারই নতুন কোনো কথা বলা হয়েছে। এডিকে ঘুষ না দিলে সঠিকভাবে কোনো কাজই হয়না।
অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে বলতে পারবোনা। শুধু ঘরটি পূরণের জন্য ১০০০ টাকা লিখেছি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নির্দিষ্ট অফিস থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের সনদ সহ অন্যান্য কাগজপত্র উত্তোলন করার জন্য নির্দিষ্ট ফিস নেওয়ার পরও অনেক হেনস্তা করে। প্রথমে একটা তারিখ দেয়। পরে অমুখ তারিখে উপস্থিত হলে যে টেবিলে আমার ফাইল বা কাগজ নেই সেখানে আমাকেই নিজে থেকে খুঁজে দেখতে বলা হয়। এভাবে দীর্ঘক্ষণ হেনস্তা করার পর কয়েক ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। তারপরও যখন আমি ঘুষ অফার না করে না বোঝার ভান করে বোকার মত ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকি তখন একপ্রকার বাধ্য হয়ে তাদের পরিচিত এক জায়গা থেকে আমার ফাইলটা বের করে কাগজে প্রয়োজনীয় কাজ করে আমাকে তাচ্ছিল্যের সাথে সনদ ও অন্যান্য কাগজ দেওয়া হয়।
আমার মায়ের পাসপোর্ট করছি ওমরা হজ করার জন্য সেখানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে পাসপোর্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে আমি পরিচয় দিছি আমি আর্মির লোক আমার বেলায় ঘুষ নেন কিন্তু আমার মায়ের পাসপোর্ট এর ব্যাপারে ঘুষ নিয়েন না তারপরও সে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সো আই এম ভেরি স্যাড
জমি নাম জারি করতে গেলে তারা বলে এটা সমস্যা আছে,টাকা লাগবে।