প্রতিনিধির মাধ্যমে খাজনা দেয়ার ক্ষেত্রে
গ্রাহক বিদেশে থাকায় তার খাজনা প্রতিনিধি এর মাধ্যমে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গ্রাহক বিদেশে থাকায় তার খাজনা প্রতিনিধি এর মাধ্যমে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছিল।
পরিক্ষা দিলে ফেইল করিয়ে দেয়, জব করি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে করতে হচ্ছে।
আমি আমার মায়ের জন্যে একটি প্রতিবন্ধি ভাতার আবেদন করেছিলাম। অনেক দিন হয়ে গিয়েছিলো কিন্তু তাও কোন আপডেট না থাকার কারণে অফিসে গেলে একজন বলে কিছু খরচ পাতি দাও হয়ে যাবে এরপর ২ বারে ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করি। তার প্রায় ৪ বছর পর এক দাদার জন্যে বয়স্ক ভাতার আবেদন করি কিন্তু তাও এমন ই আটকে রয়েছে অফিসে গেলে বলে বরাদ্দ নাই অথচ আবেদন করেছি তার আজকে প্রায় ১ বছর হয়ে গেলো তার অফিসার এর ফোন নাম্বার নিয়ে এসে তাকে কল দিলাম বললো খরচ পাতি দিতে হবে।
আমি ময়মনসিংহ জেলার,ত্রিশাল উপজেলা, বালিপাড়া ইউনিয়ন এর,,, আমি আমার একটা জমির নাম জারি করার জন্য ২ বার আবেদন করার পরেও তারা মুঞ্জর করতেছিল না ৬ মাস ঘুরার পরে বাধ্য হয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে করা লাগছে,,,,,
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
টলি নিয়ে এসেছেন তাকে দুইশত টাকা, ক্যাটার পরিয়ে দিয়েছে 400 টাকা, প্যাথলজিক্যাল টেস্টে নিয়ে যাওয়া সহাপ্য আবার ২০০ টাকা, সার্জিক্যাল পণ্য ৮০০ শত টাকা, ফুসফুসে জমানো পানি পরীক্ষার জন্য যক্ষার জন্য ৫০০শত টাকা দিতে হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
কাজ না হওয়ায় অফিসে গেলে সরাসরি টাকা চাইল।
না দিলে বিল করবে না তাই দিয়েছি
আমি নিজে অনলাইনে আবেদনটি সম্পন্ন করেছিলাম। কিন্তু তাদের নির্ধারিত দোকান থেকে কাজটি না করানোর কারণে আমাকে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এই সময়ে আমাকে প্রায় ৮–১০ বার নির্বাচন অফিসে যেতে হয়েছে। প্রতিবারই নতুন নতুন সমস্যা দেখিয়ে বলা হয়েছে—এটা নেই, ওটা নেই, এটি ঠিক করতে হবে, সেটি সংশোধন করতে হবে ইত্যাদি। পরিশেষে আমার আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করিয়ে আমাকে তাদের নির্ধারিত দোকানে গিয়ে পুনরায় কাজটি করাতে বাধ্য করা হয়। সেখানে একই কাজের জন্য আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১২০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আমার ধারণা, ওই দোকান থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও কমিশন পেয়ে থাকেন। একটি সাধারণ অনলাইন আবেদন নিজে করার পরও যদি নির্ধারিত দোকান থেকে কাজ না করানোর কারণে একজন নাগরিককে এভাবে দিনের পর দিন অফিসে ঘুরতে হয় এবং শেষ পর্যন
পল্লীবিদ্যুৎ এরনতুন মিটার লাইনক্ররু সংযোগ দিতে গিয়ে টাকা কম হওয়ায় লাইন নাদিয়ে চলে আসে
আমার জমি পরিমাণ ৪৬ শতাংশ।যা আমার সঠিক দলিল ও ফাইনালের আগের পর্চাতে, এবং দখলে বিদ্যমান। কোন ধরনের অন্যদের দাবি বা কোন সমস্যা নেই।ফাইনাল করার ১ মাস আগে ভুমি অফিসে ডাকা হয়।সেখানে নতুন নকশা দেখিয়ে বলা হয় আমার জমির পরিমাণ মাত্র ৩১ শতাংশ।যা অন্য মালিকের দলিল ও দখল জমি থেকে কেটে দিয়ে আমার নামে করে দিতে চায় । তখন আমি আমার দলিল ও পর্চা দেখাতে চাইলে সেগুলো দেখতে অসিকৃতি জানায় এবং অন্যজনের জমি আমার করতে ১০.০০০ টাকা ঘুষ চায়। ঐ টাকা না দিতে পারায় তারা ঐ সমস্যার সমাধান করে নাই।
লটারি প্রক্রিয়ায় টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে কাজ আমার এবং পরিচিত আরও ৪ জনের প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে উক্ত কাজের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৩ টি দপ্তরে মোট প্রত্যেকটা কাজের চুক্তিমূল্যের ৫.৫% টাকা পরিশোধ না করলে সিএস আটকে রাখে এবং Contract Agreement করেন নি। ফলে সবাইকে বাধ্য হয়ে অই টাকা পরিশোধ করতে হয়।
amar theke 9k taka nei, but lage muloto 500 er kom taka
আমার বাসায় নতুন মিটার সংযোগের জন্য আবেদন করি। তাদের যাবতীয় শর্ত পূরণ করি।তারপর ১/ ওয়ারিং চেক করতে আসবে কিন্তু আমি বাসায় না থাকায় অফিসে বসে আমাকে কল দিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করে।দিতে রাজি না হওয়ায় আবেদন বাতিল করে। তারপর আবার আবেদন করি ২/ এবার জেখতে আসে। আমি নতুন বাড়ি করবো বিধায় গোসলখানা থেকে ১০ ফুট দুরে নতুন ওয়ালে ওয়ারিং দেখে বাতিল করে দেয়। তারপর আবার আবেদন করি ৩/ এবার এসে কোন সমস্যা না ধরতে পেরে বিয়ের কাবিন নামা চায়।আমি অনুরোধ করলে পরের দিন বাজারে গিয়ে ৫০০০ টাকা নাস্তা করাইতে বলে।
রায় চূড়ান্ত ঘোষণা দিন রায় করানোর জন্য টাকা চেয়েছে পেশকার।
আমার ছোট ভাইয়ের এই বছর অনার্স কমপ্লিট করার পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরি দিবে বলে ১৬ লাখ টাকা দাবি করা হয় কিন্তু আমি রাজি হয়নি
ভার্সিটি তে দেওয়ার জন্য বাবার আয়ের সনদপত্র আনতে গেলে ১৫০ টাকা চায়, শুধুমাত্র একটি সাইনের জন্য। পরে এক বছর পর আবার একই জিনিসের জন্য গেলে ১০০ টাকা চায়। শুনেছি একেকজনের কাছে একেক আমাউন্ট দাবি করা হয়।
আমি আমার স্ত্রী ও আমার বাচ্চার জন্য অনলাইনে e-Passport-এর আবেদন সম্পন্ন করি। পরবর্তীতে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমার আবেদনপত্র গ্রহণ না করে জানান যে, আরও কিছু অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন কিন্তু বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হয়। কারণ, পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশের একটি কম্পিউটার/অনলাইন সেবা দোকানের মাধ্যমে প্রতি পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা প্রদান করে আমার পূর্বে করা একই আবেদনপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দিলে পাসপোর্ট অফিস কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করে এখানে আমার প্রশ্ন হলো প্রথমবার একই আবেদনপত্র ও কাগজপত্র নিয়ে গেলে যদি অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে কোনো লাগলোনা
আমার জন্ম নিবন্ধনটি ডিজিটাল করার জন্য তিন বছর পর্যন্ত পৌরসভায় ঘোরাঘুরি করেছে আজ নয়তো কাল কাল নয় তো পরশু আসেন সার্ভার নেই এসব কথা বলে বলে আমাকে তিন বছর ঘুরে এসে অতঃপর আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে তারপরে আমি ৩০০ টাকা দেই অতঃপর তারা কাজ করে এবং তিন বছর পরে আমাকে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন দেয়
আমার বাবার ক্রয় কৃত জমিটি অন্য একজনের নামে রেকর্ড ভুক্ত থাকায় আমি ময়মনসিংহ জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করি। মামলায় বিবাদী পক্ষের কোন ধরনের আপত্তি না থাকায়, আমার পক্ষে মামলার রায় পাই। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্তৃক ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে সরজমিনে পরিদর্শন শেষে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার নিকট গেলে ওনার সহকারি যিনি রেকর্ড সংশোধনের দায়িত্বে আছেন তিনি ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন, পরবর্তীতে নগদ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি কাজটি করে দিতে রাজি হয়েছেন।