NID
To expedite the delivery of my son’s NID, I had to pay the requested amount at the Election Commission office on R. K. Mission Road.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
To expedite the delivery of my son’s NID, I had to pay the requested amount at the Election Commission office on R. K. Mission Road.
Amar NID te amar date of birth wrong. Amar birth certificate, Passport, driving license bd, driving license Qatar, Qatar ID, shob jaigai date of correct, only NID te wrong. Unara bollo 20000tk dile thik kore debe
আমি ম্যামলা করছিলাম,আমাকে পালটা মিথ্যা মামলা দেয়,শাজাহানপুর থানা পুলিশ 2000 টাকা দাবি করে না দেওয়ায় খিপ্ত হয়ে বলে, মাথা গরম হইলে 2 লাখ দিয়ে ও পার পাবি না,পরে মিথ্যা মামলা কোটে পাঠায়, পরে জামিন নেওয়া লাগছে আমার
আমার এন আই ডি কার্ডের সাথে বাবার নামের কিছু পার্থক্য। যেমন ইউসুফ এ-র যায়গায় ইছুব। চেয়ারম্যান এর প্রত্যয়ন পত্র জমা দিতে হয়েছে। পরে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিয়েছে।
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে ভূমি অফিসে নথি জমা দিয়ে আসার পর ৬ মাস পড়ে ছিল। উল্লেখ্য যে এর মধ্যে বহুবার উক্ত ভূমি অফিসে যোগাযোগ করি। কিন্তু ঘুষের টাকার জন্য নামজারি ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায়নি। পরে বিরক্ত হয়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা দিয়ে উক্ত নামজারি করাতে হয়। তার মধ্যে বিভিন্ন ধাপে ঘুষ নিয়েছিল অফিস সহকারী, তহশীলদার, কানুনগো, ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, শুনানীর সময় আবার অফিস সহকারীর মাধ্যমে এসিল্যান্ডের জন্য টাকা নেয়। সর্বমোট আমার ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
ami amar familyr 4 joner e passport er form submisssion korte jai , kintu passport office er counter e joma debar por ora bole vul ase hobe na, pore office er bahire computer dokan e gele ora bole 4x2000 total 8000 tk lagbe, pore oderke 8000 tk dei ora natun kore form fillup kore, jate amar nid no vul boshai, kintu office tokhon oi vul take r dhore na ebong receive kore, echara police verication e ro 8000 tk lage,
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা তে লিখিত পরীক্ষায় পাস করি এবং মৌখিক পরীক্ষা দিতে গেলে চারটা প্রশ্ন করে দুইটা পারি বাকি দুইটা পারেনি পরবর্তীতে আমাকে বলে আপনি অপেক্ষা করেন আবার ডাকা হবে সবার পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করেছিলাম শেষ পর্যন্ত ডাকেনি আমি নিজে থেকে রুমে গিয়ে বললাম আমাকে কেন ডাকা হয়নি। পরে বলল আপনার পরীক্ষা একবার হয়েছে পরবর্তীতে আবার পরীক্ষা দিতে হবে আমি বললাম আপনি তো বলেছিলেন যে আমাকে আবার ডাকবেন বাহিরে গিয়ে সবকিছু ভালোমতো শিখতে। কর্তব্যরত বিআরটিএ কর্মকর্তা আমাকে বলে বাহিরে আনসারের সাথে কথা বলেন সমাধান হয়ে যাবে। ওরে বাহিরে আনসারের সাথে কথা বলার পরে আনসার বলল ৩০০০ টাকা দিলে অটোমেটিক পাশ হয়ে যাবে। কোন পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না।
আমাদের জমিতে ৮৩ সালে কেনা ছিল। ৯২ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিষদ করা ছিল। ১৯৯৬ সালে বাবা মারা গিয়েছে। আমরা ভাইবোনেরা তখন ছোট ছিলাম। ২০১০ সালে যখন সিটির জরিপ হয় তখন, উপস্থিত না থাকার কারণে নামজারি করা সম্পন্ন হয়নি। তাই নাম জারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম বাড্ডা। প্রথমে তারা বলে যে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করতে হবে। এরপর শেষ আরএসএস এসে সব খতিয়ান যাচাই-বাছাই করে, বলে যে নামজারি করা সম্ভব, শতাংশ প্রতি তিন লাখ টাকা করে পড়বে।
বোন পানিতে পড়ে মারা যায়। হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে লাশ থানায় নিয়ে যাওয়া হয় পোস্টমর্টেম করার জন্য। ওই পোস্টমর্টেম না করার জন্য পুলিশ বিভিন্ন তথ্য নেয় এবং ওসি উপস্থিত নাই বলে আমাদের দেরি করাতে থাকে। কিছুক্ষণ দেরি করানোর পরে ৩০০০ টাকা থানার গেইটের সামনে দিয়ে যেতে বলে। পরে দিয়ে আসলাম।
আমি কিশোরগঞ্জ এর এসপি অফিসে চাকরীর কাগজ ভেরিফিকেশনের জন্য যাই। সেখানে গেলে একজন এসআই আমার থেকে আমার বাড়ির সব তথ্য যাচাই করেন, সব ঠিক ছিলো আমার। পরবর্তীতে আমার এলাকায় ওনি গোপনে গিয়ে এসব তথ্যের তদন্ত করবেন বলেন আমাকে। আমি ওনাকে সালাম দিয়ে যেইমাত্র ওনার রুম থেকে বের হবো, তখনি ওনি হাসি দিয়ে আমাকে ডাক দিলেন, বললেন চা - পানের খরচ দিয়ে যান। আমি কিছু না ভেবেই আমার মা থেকে ৫০০ টাকা এনে ওনার হাতে দিলাম এই ভয়ে যে, ওনি যদি আমার তদন্তে ভেজাল করে এজন্য। পরে সেখান থেকে চলে আসি।
আদালতের সকল কার্যক্রম। যেমন : মামলা দিন দেওয়ার জন্য বা হাজিরা বা সময়ের দরখাস্ত জমা দিতে গেলে ১০০-২০০ টাকা। আদালতে স্বাক্ষী জবানবন্দী প্রদান করলে সেরেস্তাদার, কর্মচারীদের ৫০-১০০ টাকা। কব্জা মামলার টাকা জমা দিতে গেলে সরকার নির্ধারিত চালান নিজেরা করলে হবে না। আদালতের কর্মচারীদেরকে ২০০-৩০০ টাকা দিয়ে করতে হবে। আর উচ্চ মহলের দূর্নীতির কথা নাই বা বললাম।
আমি ড্রাইবিং লাইসেন্স বানানোর জন্য অনলাইনে সব ডকুমেন্টস দিয়ে টাকা পরিশোধ করে তারিখ অনুযায়ী গিয়েছে সশরীরে গিয়ে ডাইভিং পরিক্ষা দেই সবকিছু ঠিক থাকলেও আমাকে রিজেক্ট করা হয়, পরবর্তীতে আমি আর দালাল কে অতিরিক্ত ৫০০০ হাজার টাকা দিয়ে পরিক্ষা দিলে আমার অনলাইনে ডাইভিং লাইসেন্স আসে, দালাল না ধরে কোনো কাজ ই করা যায় না এই দেশে।
সর্বসাকূল্যে ১২০০০৳ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায় না। সরাসরি অফিস কর্মকর্তারা এটি করে থাকে
রাজউক আওতাধীন গুলশান আ/এলাকার ফ্ল্যাট নামজারী। পূর্বেও নামজারী, রাজউকের নামজারী আছে। তবে সিটি দাগ খতিয়ান অনুযায়ী পুনরায় নামজারী করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১২০০০০ টাকা দাবী ছিল। এসি ল্যান্ড নতুন আসছে, এখন তার দাবী ৩লাখ, সর্বশেষ ২২০০০০ টাকা চাচ্ছে। যা এখনো দেয়া হয় নি। এখনো পেন্ডিং আছে।
ঢাকা কোতোয়ালি থানার পুলিশ আমার বাসা থেকে ডাকাতি করে,এবং আমাকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতন করে। এই বিষয়ে বিচার চেয়ে মামলা করার পর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের আদেশে সঠিক তদন্তের জন্য ঘুষ চায় পিবিআইয়ের এএসপি।
কিছুদিন হলো উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল থেকে আগে যারা টিউবওয়েল পেয়েছিল তাদের ফিল্টার দিতেছে। এই টিউবওয়েলগুলো কেউই টাকা ছাড়া পায় নাই বাধ্য হয়ে আমি ৬০০০০ টাকা দিয়ে নিয়েছিলাম। এইবার যখন ফিল্টার দিবে সে সরাসরি ১০০০০ (দশ হাজার টাকা) দাবি করে। সবশেষ টাকা না দিয়ে কোন ভাবেই ফিল্টার না দিলে ৫০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি আমার বড় মায়ের ক্যান্সার রুগের সরকারি আর্থিক সহায়তার জন্য চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা সমাজ সেবা অফিস এর আবেদনের ফরম জমা দিতে যায়।অনেক হয়রানি ও খারাপ মন্তব্য, ঝারি দিয়ে শেষমেশ জমা নেয় এবং ৫০০৳ দাবি করে। না দিতে চাইলে ফাইল জমা নেয় না।সর্বশেষ দিতে বাধ্য হয়। ঘুস ছাড়াও বিশেষকরে রুগীদের সাথে বাজে ব্যহারে সকলে খুবই হয়রানির শিখার আমি নিজেও ভুক্তভোগী 🥲💔
আমি নামজারী করতে নেওয়াতে বলছে ভিবিন্না সমস্যা আছে হবে না। তারপর টাকা বেশি দিলে করতে পারবে। এর আগেও আমি টাকা বেশি দিয়ে করছিলাম। এখানে টাকা না হলে সমস্যা নাই এমন দলিলো নামজারী হয় না। যেখানে সরকারী ফি ১১৭০ টাকা সেখানে এরা ১০ হাজার টাকা নিচে করায় না।
গাড়িটি আমার নামে না থাকায়। তিনি গাড়িটা আটক করতে চেয়েছিলেন। গাড়িটি আমি কিস্তিতে করাই করি। আমার কিস্তি পরিষদ না হওয়া পর্যন্ত গাড়িটি আমার নামে আসবে না। আমি যেহেতু রাইড শেয়ার করি করি। এ অবস্থায় আমার গাড়িতে আটকে গেলে আমার পরিবার পথে বসে যাবে। সেজন্য আমি পুরো টাকা পরিশোধ করে । গাড়ি ছাড়িয়ে নেই। আমার অভিযোগ হচ্ছে বাংলাদেশ কেন কিস্তিতে গাড়ি বিক্রি করা হয়। যদি কিস্তিতে গাড়ি বিক্রি করে তাহলে কোম্পানির নামে গাড়ি থাকলে সেটা কেন সরাসরি গ্রাহকদের হয়রানি করবে?
আমি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিস মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ কার্যালয়ে গিয়েছিলাম, অফিসের স্টাফ বললো এখন ভোটার করা যাবে না। আমি অফিসারের কাছে গেলাম, অফিসার আবার আমাকে পিউন এর কাছে পাঠালো, তখন পিউন আমার কাছে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা চাইলো। বললো স্যার বলছে আপনি টাকা দিলে ভোটার হতে পারবেন। এর মধ্যে অন্য একজন লোক আসলো ভোটার স্থানান্তর করার জন্য, তখন পিউন তার কাছে ৩৫০ (তিনশত পঞ্চাশ) টাকা দাবি করলো। লোকটি টাকা নাই বলে অনুরোধ করতে চাইলো কিন্তু পিউন এবং অফিস স্টাফ ধমক দিয়ে লোক থেকে সরিয়ে দিলো। আমাকেও অসহায়ের মতো চলে আসতে হলো।