mutation
নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের কুতুবপুর ভূমি অফিসের তহসিলদার টাকা ছাড়া এক পা নড়েন না। উনি বলে উনার অফিস খরচই আছে মাসে ৪ লাখ টাকা তাই উনাকে টাকা দিয়েই কাজ করানো লাগবে ।যদিও আমার বড় ভাই প্রশাসনে থাকাতে আমার কাছে ২য় বার টাকা চায়নি ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের কুতুবপুর ভূমি অফিসের তহসিলদার টাকা ছাড়া এক পা নড়েন না। উনি বলে উনার অফিস খরচই আছে মাসে ৪ লাখ টাকা তাই উনাকে টাকা দিয়েই কাজ করানো লাগবে ।যদিও আমার বড় ভাই প্রশাসনে থাকাতে আমার কাছে ২য় বার টাকা চায়নি ।
একটা ক্রয় কৃত জমি পরবর্তীতে খতিয়ানে "ভেস্টেড প্রপার্টি" হিসেবে খতিয়ানের মন্তব্য কলামে লিপিবদ্ধ থাকায় নামজারি/জমাখারিজ করে খতিয়ান বা রেকর্ড সংশোধনের জন্য নিয়েছে।
বলেছিল আপনাদের বকেয়া বিল করতে হলে ৫% দেওয়া লাগবে। না দিলে বিভিন্ন হয়্রানি করবে এবং পরবর্তীতে অনেক জামেলা করবে।
শতকরা ৫% ঘুষ না দিলে কোন বিল পাস হয় না
জেলা প্রাইমারি অফিস হতে প্রথমে ফাইল বিভাগে পাঠানো হয় কিন্তু বিভাগ থেকে আর ফাইল পাশ হয় না। এভাবে নয় মাস পর দফারফা হয়।
বিষয়: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ এবং অনলাইন নবায়ন অপশন পুনরায় চালুর দাবি আমি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের Citizen Charter অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত ফি আদর্শ কর তফসিল অনুযায়ী গ্রহণ করার কথা এবং অনলাইন নবায়নের ক্ষেত্রে Rocket ও T-Cash-এর মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। নবায়নের নির্ধারিত সেবা সময় ২ কার্যদিবস। কিন্তু বাস্তবে আমার অভিজ্ঞতা/অভিযোগ অনুযায়ী, একটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য মোট প্রায় ১১,০০০
আমার আব্বাকে গত 1/9/2026 সকাল ১০ ঘটিকায় ফ্যাক্টরিতে কাজ করা অবস্থায় বাম হাতের দুইটা আংগুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, থানা সদর হসপিটালে ইমার্জেন্সি থেকে রেফার্ড করে সিরাজগঞ্জ সরকারি মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার্ড করে, তাদের ইমার্জেন্সিতে ৫ ঘন্টা বসিয়ে রেখে সময় ক্ষেপন করে ডাক্টার আসবে আসতেছে এমন করে ষ্টাফ কর্তৃক ১০০০ টাকা ঘুষ আদায় ও ১২৬০ টাকার মত টেষ্ট মত করেও রিপোর্ট ও সার্জারী পেতে পেতে সন্ধ্যা হবে বলায় ,রোগিকে তাদের দেখানো পার্শ্ববর্তি বেসরকারি মেডিকেলে ১৫০০০ টাকায় অপারেশন করানো হয়... কিন্তু দেরি হওয়ায় বিচ্ছিন্ন আংগুল আর জোড়া দেওয়া সম্ভব হবে না বলে ডাক্তার জানায়। যদি এটাই কারন হয় তবে কেন ৬ ঘন্টা রক্ত পরা অবস্থায় রোগিকে ৬ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হলো?
আমি একজন বাংলাদেশী এবং সিংগাপুর প্রবাসী, গত 2020 সালে আমার ডিজিটাল পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আমি চিন্তা করি নতুন করে , ই পাসপোর্ট করতে আমাদের মুন্সিগঞ্জ জেলার পাসপোর্ট অফিস এ যাই এবং আমার সকল ডকুমেন্ট ফাইল জমা দিলে বলে সেখানে র একজন দায়িত্ব রত অফিসার যে আপনার পাসপোর্ট নবায়ন হবে না যদিও জিঙগেস করেছিলাম কি কারণে হবে না, কোনো সুদূর উত্তর দেননি, কিন্তু যদি আপনার আর্জেন্ট হয় তাহলে আমাকে 17000হাজার টাকা দেন আমি করে দিতে পারি, না হলে আপনাকে চাপাইনবাবগঞ্জ যেতে হবে কাগজ ঠিক করতে, যখন আরেক অফিসার কে বললাম আমার টা কেনো হবে না সে বলে আমাদের জুনিয়র অফিসার যা বলে তাই করেন আপনার সাথে এতো কথা বলার সময় নাই, শেষ পর্যন্ত 17000 হাজার টাকা দিয়ে ই পাসপোর্ট নবায়ন করি
টাকা নাদিলে করনিক ভূল সংশোধন হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। অফিস সহকারি
ট্রেড লাইসেন্স করে দিয়ে ২০০ ঘুষ যাকে বকসিস বলে
অনেক বছর খাজনা দেইনা তাই। খাজনা বাবদ ১৫০০ আসছে কিন্তু চেয়েছে ৫০০০ বাধ্য হয়ে দিতে হইছে
ইউনিয়ন অফিসে চেয়ারম্যান একটা স্বাক্ষর জন্য গ্রাম পুলিশকে দিতে হয়েছে মারিয়া ইউনিয়ন অফিস
ডিফেন্স সাইড এ দেখা যাই যারা রিট্যার্ড করেন তাদের পেনশন এর টাকার জন্য ৫০০ -২০০০০+ ঘুষ প্রদান করা হয়। যদি না দেওয়া হয় তাহলে কাজ গুলো প্রক্রিয়াধিন থেকে যাই। বি: দ্র: মানুষ তার নিজের কাজ টা বেতন এর বাহিরের টাকা ছাড়া কবে থেকে করবে??
Office of the Registrar of Joint stock companies and firms. অডিট রিপোর্ট অনলাইনে জমা দেওয়ার পর পকেট খরচ না দিলে জীবনে পাশ হয় না।
আমার কাছে টাকা চেয়েছে
আমি আমার মা এর সাথে সঞ্চয় পত্র করতে হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস এ যাই। সেখানে পোস্ট মাস্টার প্রথমে 8000 টাকা চেয়েছিল পরে 5000 টাকা দিয়ে সঞ্চয় পত্র করা হয়।
আমি নিজে ঘুষ, হাদিয়া হারাম উপার্জন করি না। সুদ লেনদেন করি না। তারপরও ভ্রমণ ব্যয়বিল উত্তোলনের সময় ৫% তাদের দেওয়া লাগে।
সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার আবেদন বাতিল করে দেয় এবং পরবর্তীতে একটু উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘুষ দিলে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করে ।।
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেছিলাম আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
টাকা না দিলে ফেল করায় ২ মাস পর ডেট দিচ্ছিলো। প্রথম বার হয়রানীর স্বীকার হই