নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সাময়িক সনদ ওঠানোর জন্য দুপুর বারোটায় গেলে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলে যে এখন উঠানো যাবে না আজকে আর সম্ভব না আপনাদের আগামীকালকে আবার আসতে হবে। আমরা ফিরে আসতে ধরলে একজন লোক অফিস থেকে এসে আমাদেরকে ডেকে বলে যে আপনারা যদি পনেরশো টাকা আমাকে দেন তাহলে আমি ব্যবস্থা করে দিতে পারব। সে সময় আমাদের সাময়িক সনদ অত্যন্ত জরুরী প্রয়োজন এবং আমরা অনেক দূর থেকে শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধ করার পরে যেই কর্মকর্তারা বলতেছিল যে দুপুর 12 টা বেজে গেছে আজকে হবে না তারা নিজেরাই সেখান থেকে সার্টিফিকেট বের করে যা যা করনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আমাদের সার্টিফিকেট দিয়ে দেয়।
Bike er Name poriborton Korar Jonno BRTA Office Thake Extra 2000Taka Ghus Caice, Ami dei Nai E jonno Amar kaj ta akono pending Hoea Ace,
বলে ফাইল হারিয়ে গিয়েছে কিন্তু বললাম ভাই চা খাওয়াবো ফাইল একটু খুজে দেন। ২০ মিনিট পরে বলে টাকা দেন ফাইল পেয়েছি।
তহসিলদার এর কাছে দাখিলা কাটতে গেলে ২৫০০০টাকাদাবী করে।আমি পরে আসব বলে চলা আসি।
বাবার পেনশন এর টাকা উঠাতে ঘুষ প্রধান,বাবা আর্মি রিটায়াড,senior warrent officer chilen ,২০০১ এ অবসরে যান,পেনশন টাকা উঠাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এ যেখানে ফাইল পাশ করা হয় ,ওখানকার এক কর্মচারী আমার থেকে এই ঘুষ নেন,একজন আর্মি পারসন কে ও বাদ দিলোনা,সেনানিবাসে এই ঘুষ চলে?
জন্ম নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, বাড়ির প্লান পাশ করাতে গিয়ে এই ধরনের ঘুষের সামনাসামনি হতে হয়
অন্যের সম্পদের ভুয়া ওয়ারিস দেখিয়ে ২০১১ সালে জাল দলিল মেইক করে দেয় উকিল কমিশনের মাধ্যমে চাট খিল ভুমি অফিসের লোকজন। এতে তারা প্রায় ৩ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে অবৈধভাবে জমির জাল দলিল সাফ কবলা দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার ভুমিতে ভুয়া নামজারীর বিরুদ্ধে আপত্তি দিলেও জাল দলিল সাফ কবলার পরে খতিয়ান মেইক করে দেয়। এইভাবে ফুল চাটখিল ভুমি অফিস ঘূষের উপর চলে। এদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের কোন নজর নেই।
ভুমি অফিসে নামজারি করতে ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হয়েছে ।বাড়তি আরও লাগবে বলছে
দালালের মাধ্যমে না করলে হয়রানির শিকার ।
ঘুষ চেয়েছিলো মধুখলি ভূমি অফস এর সার্ভেয়ার ।জমি মিটিশন ২বার আবেদন করিয়েছে শেষ পর্যন্ত জমি তাও কম মিটিশন করিয়েছে
প্রতিটি টিআর কাবিখা থেকে ইউএনও ২০-৩০% টাকা দাবি করে। এক অর্থ বছরেই কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। পাশাপাশি মাটি কাটার বিনিময়ে ঘুষ নেয় ব্রিকফিল্ড এবং মাটিকেখুদের কাছ থেকে।
জমি খরিজ করার জন্য চা পানি খরচ বাবদ ৭,০০,০০০/- না দেওয়ার কারণে প্রায় ২ বছর যাবত আামার জমি খারিজ করে দেয় না নায়েব মোঃ শরিফ মিয়া দীঘ ১১ বছর রায়পুরা ভূমি অফিসে চাকুরী করিতেছে এবং নরসিংদী সদর তার নামে ১১ তালা ৪ টি বাড়ী আছে। মাষ্টার রোলে চাকুরী করে তার বর্তমান ১ কোটি টাকা বাড়ী নির্মন করেছে এবং রায়পুরা ভূমি অফিসে থেকে নাম তাদের সোহাগ মিয়া এবং মুস্তাকিন তারা দুই জনে রায়পুরা প্রায় ৪টা বাড়ী আছে বলিয়ম দেখতে গেলে ৫০০ টাকা কম ছাড়া তারা বলিয়েম দেখায় না । তারা দুই জন এবং নায়েব সাহেব মিলে রায়পুরা ভূমি অফিসে অসহায় মানুষদের জুলুম করিতেছে।
সাত শতাংশ জায়গার জন্য নামজারি করতে গিয়েছিলাম আমার কাছে ঘুস দাবি করে বসেছে ২ লাখ 🥲 । তার পরে অনেক রিকোয়েস্ট করে ১৫০০০০ হাজারে রাজি হয় । ওরা নিজেরা ফেছ হয় না মিডিয়ার মাধ্যমে তারা এই কাজগুলো করে থাকে। আমার জায়গাটি ক তফসিলে ভুলবশত রেখে দিছে কিন্তু আমার সকল কাগজপত্র ঠিক আছে এসব এ এবং আর এস দুই পর্চাতেই নাম আছে তার পরেও তারা এই কাজটি করেছে
আমাদের জমি কেড়ে নিয়েছিল নিয়ে আবার জমি ফেরত দেওয়ার জন্য টাকা ঘুষ নিয়েছে। গাইবান্ধা জেলার শাখাটা থানায় চন্দন পাট গ্রামের রেলগেটের 9একর জমি রেলের জমি খাস করে পরবর্তীতে সেটাকে আবার এক নম্বর খাস বানিয়ে নিয়েছে , বিচারপতির মাধ্যমে মামা বিচারপতি ছিল। একই ব্যক্তি গাইবান্ধা কোর্টের পেশকার ,জজ কোর্টে বিভিন্ন প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ খায় প্রত্যেকটা সেবা গ্রহনকারী নিকট হতে,থেকে।
সরকার আমার ১টি কেনা জমি থেকে কিছু অংশ সরকারি উন্নয়নের জন্য অধিগ্রহণ করে। যে কারণে আমি ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে তারা আমাদের থেকে ভূমি অধিগ্রহণ সংবাদ আনতে বলে চট্টগ্রাম কোর্ট অফিস থেকে। আমি উক্ত সংবাদ যখন আনতে কোর্ট অফিস যায় তখন কোর্ট অফিসের ১জন কর্মকর্তা আমাকে বলেন ৩৫০০টাকা দিলে তিনি কাজটি আমাদের করে দিবেন।আমি নিরুপায় হয়ে ১০০০ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করি কোন প্রমাণপত্র ছাড়া। এখনো আমি আমার কাগজটি পায়নি এবং বাকি টাকা এখনো পরিশোধ করিনি।
পুরাতন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে না। ১০ হাজার টাকা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করছি। কেউ কোটিপতি হতে চাইলে বি আর টি এ অফিসের পিওন হলেও চলবে
কক্সবাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাসপোর্ট তৈরি করা এক বিশ্বযুদ্ধ জয় করার সমান। পাসপোর্ট অফিসের লোকজন ১ থেকে ২ লক্ষ টাকার চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয় বেআইননি ভাবে। আর স্থানীয় লোকজন পাসপোর্ট তৈরি করতে হয়রানি করে। স্থানীয় লোকদের পাসপোর্ট তৈরিতে ৪ ধরনের অতিরিক্ত কাগজ লাগ, যার মধ্যে আছে- পাসপোর্ট সুপারিশপত্র, বিদেশি নাগরিক নয় এই মর্মে প্রত্যয়ন, রোহিঙ্গা নয় মর্মে প্রত্যয়ন, নাগরিক সনদ। এসব নিতে গেলে আবার ইউনিয়ন/পৌরসভায় দরবেশ বাবাকে খুশি করা লাগে টাকার বিনিময়ে। এরপর আসে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন নামের অত্যাচার (যদিও অন্যান্ন জেলায় এটা বন্ধ এখন)।
আরজেএসসিতে ফাউন্ডেশন/সোসাইটি নিবন্ধনে হয়রানি বন্ধে ১০ দফা দাবি আরজেএসসিতে একটি ফাউন্ডেশন বা সোসাইটি নিবন্ধনের সরকারি ফি মাত্র ২১,৭০০ টাকা। অথচ অনেক আবেদনকারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এখন NSI রিপোর্টও বাধ্যতামূলক নয়, তবুও দালাল ও ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই অনিয়ম বন্ধে জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। আমাদের দাবি শতভাগ অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সরকারি ফি ও সব চার্জ ওয়েবসাইটে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য অনলাইন ট্র্যাকিং নম্বর দিতে হবে। ফাইল কোন কর্মকর্তার কাছে এবং কতদিন আছে—তা অনলাইনে দেখা যাবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। সব সরকারি ফি ডিজিটাল পেমেন্টে গ্রহণ করে ই-রসিদ দিতে হ
আমি খারিজ করার জন্য সম্পূর্ণ কাগজ পাতি জমা দেই এক মাস হয়ে যায় আমার জমি খারিজ হয় না ভূমি অফিসে গেলে বলে ৭ হাজার টাকা লাগবে এরপর আমি 7000 টাকা দেওয়ার পরে চার দিনের মধ্যে আমার খারিজ হয়ে যায়
আমার বাবা আমাদের ভাই-বোনের নামে জমি দলীল করে লিখে দিয়েছে,সেই জমি আমাদের ভাই-বোনের নামে নামজারি করতে গেলে জায়গার পরিমাণ বেশি এ কথা বলে ১লাখ টাকা চায় যদি দেয়া হয় তাহলে নামজারি করে দিতে পারবে অন্যথায় নয়। আমাদের জমির কাগজপত্র সব ঠিক আছে কোন ঝামেলা নেই কিন্তু মাঝখান দিয়ে জমির পরিমাণ বেশি দেখে এই টাকা দাবি করে বসে আছে।