সরকারি সেবা
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের দ্রুত ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন (দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থাকা রোগীদের) দালাল চক্র। তারা উক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মরত। যদিও টাকার পরিমাণ খুব বেশি নায় কিন্তু এটা তো অবৈধ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের দ্রুত ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন (দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থাকা রোগীদের) দালাল চক্র। তারা উক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মরত। যদিও টাকার পরিমাণ খুব বেশি নায় কিন্তু এটা তো অবৈধ।
আমি একটা পাসপোর্ট পাঠাব বিদেশে তাই অনুমতিপত্র লাগবে। সে বলল কোন সমস্যা নাই লোক আছে করে দেয়া যাবে। তবে পনের হাজার টাকা লাগবে। আমি ভেবাচেকা খেয়ে গেলাম, কারণ DHL অফিস থেকে বলেছিল এটা ফ্রি সেবা কোন টাকা লাগবেনা। বাড়িতে ফোন দিলাম, আমার বোন জানাল নোয়াখালীতে তার এক দেবর DHL এ চাকরি করে, ওর সাথে যোগাযোগ করতে। পরে S.A পরিবহনে করে পাসপোর্ট নোয়াখালী পাঠালাম ওখান থেকে south africa মাত্র দশ হাজার টাকায়। thi is our bangladesh 🇧🇩 😆.
সরকারী চাকুরির আবেদন করার জন্য ব্যাংক ড্রাফট সম্পর্ণ করার জন্য এবং আবেদন করার পেপার্স গুলো সত্যায়িত করার জন্য উপজেলা কার্যালয়ে যায় তখন বিকাল ৩ টা দায়িত্ব রত কর্মকর্তা বসে ফোন টিপিতেছে আমি গিয়ে ওনাকে সব খুলে বললাম তখন তিনি একটি ফাইল খুলে মনোযোগ দিয়ে কি দেখিতেছেন এবং আমাকে বললেন এখন ব্যাস্ত আছি পরে এসো আমি বললাম স্যার ৫ টায় তো অফিস বন্ধ হয়ে যাবে তখন কি করবো তখন তিনি বললেন পরের দিন আসবে এই বলে তিনে আমাকে বিদায় করে দিলেন আমার কাজটি করতে ওনার সময় লাগতো সর্বোচ্চ ২ মিনিট রুম থেকে বের হয়ে দরজায় আসলাম তখন ওনার পাশে বসা ব্যাক্তিও আসলে এবং আমাকে বললেন ৫০০ টাকা দাও আমি ওনাকে রিকোয়েস্ট করে দেখি ৫০০ টাকা দিলে হয়তো কাজটি করে দিবেন তখন আমি একরকম বাধ্য হয়ে ৫০০ টিকা দিলাম এবং তিনি হাসি মুখে পেপার্সে সই করলেন
আমার নাম তোবা,আমি ১০ম শ্রেনিতে পরি,আমি স্কুলের ফি দিতে বাড়ি থেকে ৫০০টাকা নিয়ে যাই, কিন্তু দূরভাগ্য ক্রমে আমার টাকা টা হারায় যায়! কিন্তু পরের দিনে আমার স্কুলের একটা ছোট বোন টাকাটা পেয়ে লাইব্রেরীতে দিয়ে আসে,আমি খবর পেয়ে টাকাটা আনতে যাই,গিয়েই পরি একটা ঝামেলায় স্যাররা বলেন এই টাকা নিতে হলে তাদের ৫০%টাকা দিতে হবে নইলে আমাকে টাকা দিবে না,😔 কী আর করার আমি ২০০টাকার মিস্টি কিনে দিয়ে আমার ঐ টাকা নিয়ে আসতে হয়েছে!
আমি একজন ডিগ্রি পরিখারতি প্রথম বছরে আমাকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেয়নি কলেজ কর্তৃপক্ষ তারা রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি হারায় ফেলছে আমাকে বলছে পথ দ্বিতীয় বর্ষে দিবে দ্বিতীয় বর্ষ দ্বিতীয় বর্ষ তারা কার্ড দেয়নি এখন আমি ফাইনাল দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষা দিয়েছি রেজাল্ট এখনো বের হয়নি সামনে মাসে বের হবে তার আগে থেকে আমি রেজিস্ট্রেশন কার্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে যাচ্ছি কিন্তু তারা আমাকে না দিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ডটা উল্টো টাকা দাবি করতেছে
আমি জমি খারিজ করতে ভূমি অফিসে যাই।তারপর কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে আমার কাছে ২০,০০০/- টাকা দাবি করে।আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার খারিজ আটকিয়ে রাখেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে প্রতিটি কম্পানিকে অফিস খরচ দিতে হয় যার কোনো রশিদ নাই
খুলনার দিখলিয়া উপজেলার ভুৃমি অফিসে সব থেকে বেশি দূর্নীতি চলে সামান্য মিউটেশনের জন্য দশ থেকে বারো হাজার টাকা দিবি করে এবং নেয় ও, দিঘলিয়ার নিজ এলাকার কিছু লোক চাকরি করে ভুমি অফিসে তারা বেশি দুর্নীতি করে ( অফিস সহকারী) একজন আছে তাকে টাকা না দিলে কথা ও বলতে দেয় না
বসতবাড়ি গাছ কাটা
আমি আমার ৪ শতক জমির খাজনা অনলাইনের মাধ্যমে প্রদান করার জন্য সব ব্যবস্থা করি, কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি অফিস সিস্টেমে অথরাইজ করার জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করে। খাজনা ছিলো মাত্র ১২ টাকা।
আমার ছেলের জন্মদিবন্ধন আবেদন করেচি, প্রথমবারে আবেদন ফ্রী ছাড়া ৫০০ টাকা নেয়, বলচে হবে অপেক্ষা করুণ, পরর্বতীতে আবার যোগযোগ করলে বলা হয় আবেদন পূনরায় করতে হবে আবেদন পুনরায় করলাম তখন পাঁচ'শ টাকা দিতে হয়েছে! দীর্ঘদদিন পরে আবার যোগাযোগ করলাম বলছে এটাতে সসমস্যা আছে টাকা ১৫ শ লাগবে! পরর্বতীতে আবার যোগাযোগ করলে সচিব চার হাজার দাবি করে,সর্বশেষ ২৫শ টাকা দিয়ে জন্মদিবন্ধন বের করি। প্রায় দেড় বছর লেগেছে একটা নিবন্ধন বের করতে, ৭ হাজার খরচ হইচে আর হয়রানি আর কি বলবো।
একটি মাত্র নামজারি করতে আমার থেকে 1,00,000 টাকা দাবি করেছিল. ফাইনালি নাম জারি করতে 90,000 টাকা দিতে হয়েছিল. আমার কাগজ সব ঠিক ছিলো এবং এই কাগজেই নামজারি হয়েছে. যে দাবি করেছিল সে একজন সাধারণ কর্মচারী (পাবনা সদর ভূমি অফিস) মনে হয় রেকর্ড রুমের কেউ, ওনার নাম মনে আছে কিন্তু বলব না. কিন্তু আওয়ার ফেস সারাজীবন মনে রাখব. আর ওনার জন্য দোয়া করব, উনি সহ ওনার রক্তের সকলে আল্লাহ যেন হাশরের ময়দানে এই টাকার হিসাব নেই. আর এই দনিয়াতে আমার যদি টাকা ফেরত না দেই, তাহলে ওনাকে হাশরের ময়দানে আমি আটকিয়ে দিব তার জীবনের সকল নেকি দিয়ে আমাকে পরিশোধ করতে হবে. প্রতিদিন পাবনাতে ভূমি অফিসে এমন অসংখ্য কাজ হয়.
কোন ব্যক্তি যদি হাইকোটে রিট মামলা করতে যায় তাহলে মামলার আগে তাকে কোন একটি কোটের অনুমতি লাগে আমি সেই অনুমতি আনতে গেলে ঐ কোটে অনুমতির জন্য আমি তাকে ৩০০ টাকা দেই, সে আর ও দাবি করে
লাইসেন্স এর জন্য গিয়ে করতে পারি নাই।বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে বাদ দিয়ে দেয় পরে ১১ হাজার এর মাধ্যামে পরিক্ষা ছাড়া করে দিয়েছে।
Officeer sobaike dia file sarie ante hoy
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়া ৪৫০০ টাকা দালালদেরকে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।
খারিজ করতে যা প্রয়োজন তার ডাবল টাকা নিতাছে ভুলভাল বইলা মিথ্যা কথা বইলা
৩-৪ দিন যাওয়ার পর বলছে কয়েক টেবিল ঘুরবে চা-পানি খাওয়ার পয়সা দিতে হবে।চেয়েছিলো ৭ হাজার পরে ৬০০০/- দেই।
আমার ১৮ বছর হওয়ার পরেও আমার ভোট না হয় আমি নির্বাচন অফিসে একজন ভোটার হতে যাই। তখন আমার প্রয়োজনে কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলে। কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার পরেও দুই থেকে তিন দিন ঘুরায়। এরপর আমার ভোটার আবেদন করে। আবেদন করার পর আমার কাছ থেকে টাকা চায়। এবং ২৫০ টাকা নেই।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী দেখানো ও হুইলচেয়ার নিতে ঘুষ দেওয়া লাগে ১০০/৩০০