সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৯,০৬৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

এর ভিতরে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পার্কিং

পাবনা জেলা প্রশাসক অফিসের ভেতরে পার্কিংয়ের জন্য প্রতি মোটরসাইকেল থেকে ২০ টাকা করে নেওয়া এবং তা আমি পরিশোধও করছি

ঘুষ দিয়েছি
পাবনা ৳২০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RJG9ZW35
মন্তব্য
কর অফিস

রিটার্ন জমা

একটা নতুন প্রতিষ্ঠান তার প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে। সঠিক সময়ে রিটার্ন জমা দেয়ার পরেও অফিসের খরচের জন্য ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, যদি না দিই সার্টিফিকেট দিবেনা। অথচ সার্টিফিকেট দেয়া তাদের জন্য বাধ্যতামুলক।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ DKXSQVDC
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বই কোম্পানির কাছ থেকে টাকা নেওয়া

মুজিবনগর, মেহেরপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকাশনী সংস্থার কাছ থেকে টাকা নেই। প্রকাশনী সংস্থাগুলো আবার শিক্ষার্থীদের কাছে বেশি দামে বই বিক্রি করে সেই টাকাগুলো উঠিয়ে নেই।

ঘুষ দিইনি
মুজিবনগর, মেহেরপুর ৳১.৪০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KH38AMZP
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ফ্যামেলী কার্ড

ফ্যামেলী কার্ডের জন্য আমি আমার এলাকার একজন তথ্যসংগ্রহ কারীর সাথে যোগাযোগ করি, যার জন্য আবেদন করবো তিনি ফ্যামেলী কার্ড পাওয়ার জন্য উপযুক্ত, সরকার যে শর্ত গুলো দিয়েছে তার মধ্যে এগুলো রয়েছে, এবং তথ্যসংগ্রহ কারী যে প্রতিনিধি রয়েছেন তিনিও জানেন, কিন্তু এর পরেও তথ্যসংগ্রহ কারী ঐ কর্মকর্তা ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং বলেন ঐ টাকা দিলে অনুমোদন করিয়ে দিবেন।

শুধু দাবি করেছে
গোয়াইনঘাট ৫ পূর্ব আলীরগাও ইউনিয়ন ৳১৫.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ SY6D6GVD
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ ভেরিফিকেশন

নতুন সরকারি চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাড়িতে এসেছিলো, পরে ৫ হাজার টাকা দাবি করে। আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় ১,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। এতে তারা পূর্ণ ভেরিফিকেশন না করে চলে যায় এবং শহরে একটা এড্রেস দিয়ে অন্যদিন ওখানে আসতে বলে, পরে আবার ৫ হাজার টাকা চায়। পরে আমি ১,৫০০ টাকা দিতে বাদ্য হয়েছি। অর্থাৎ সর্বমোট ২,৫০০৳

ঘুষ দিয়েছি
কক্সবাজার ৳২.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTB583U7
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্টারি

দলিলে নামের সামান্য হেরফের ছিল তাই রেজিস্টারি করে দিবেনা পরে মরি বলল আমি সাবের সাতে সমজুতা করে নিয়েছি ৩০০০০ হাজার টাকা দিলে হয়ে যাবে। পরে ৩০০০০ হাজার টাকা নিয়ে রেজিস্টারি করে দিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট সদর ৳৩০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ SYQQZVZD
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট নবায়ন

আমার বাবার পাসপোর্টের মেয়াদ এখনও ১ বছর আছে। নতুন করে পাসপোর্ট করতে গেলে বলে ৭৫০০ টাকা হলে করে দেওয়া যাবে।

ঘুষ দিয়েছি
সিরাজগঞ্জ ৳৭.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RJYT9K2L
মন্তব্য
ভূমি অফিস

খাজনা পরিশোধ

সহকারী কমিশনার না থাকায় সার্ভেয়ার ডিমার্কেশন এর আবেদন গ্রহণ করবেন না। আবেদনের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি নৈশ্যপ্রহরীর সাথে কথা বলতে বললেন। নৈশ্য প্রহরী সকল ডকুমেন্ট দেখে বললেন অনেক ঝামেলার কাজ। আবেদন হয় নাই, আবার লিখতে হবে খরচও আছে। পরে আলোচনা আর কাজ দেখে কমানো যাবে।

শুধু দাবি করেছে
মাদারীপুর ৳৫.০০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKDV8VLZ
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট বানানো

আমি সৌদি আরব থাকি আমার দুই জমজ ছেলের পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে আমার দুই ছেলের বর্তমান বয়স এক বছর দশ মাস কাগজপত্র সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও আমার ওয়াইফ কে হয়রানি করা হয়েছে দুই সন্তানের পাসপোর্ট এর জন্য আড়াই হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে এবং তাদেরকে অনেক হয়রানি করেছে দুই তিন দিন তাদেরকে ঘুরিয়েছে তারা শুধু টাকার জন্য এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে তাদেরকে পাঠিয়েছে ঘুষ দেওয়ার পর আমার ছেলে সন্তানের এর আবেদন গ্রহণ করেছে

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTBFCF9E
মন্তব্য
ভূমি অফিস

একটা নাম জারির জন্য

আমার বাবা পড়াশোনা না করা, একজন গ্রামের সহজ সরল মানুষ। জমির খারিজা করার জন্য কাগজ পত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেন, একদিন একটা কাগজের বিষয় নিয়ে কথা হয়। তখন বলে পর্চা কাগজ সম্ভবত হবে। এই কাগজ দাম কতো হবে, আমি বলি কত ২ তিন টাক হবে আর পিন করে দিলে নিবে ১০ টাকা বা ২০ টাকা; তখন আমার বাবা বলে আমার কাছ থেকে কম্পিউটারে বসে থাকে ঐ ছেলেটা ২০০ টাকা নিছে, আমি তখন বাবাকে বললাম এই হলো বাবা সরকারি চাকরি আর দেশের অবস্থা।

ঘুষ দিয়েছি
নারায়ণগঞ্জ ৳২০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKAHTSFD
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ ক্লিয়ারেন্চ

সম্ভবত ২০২১ সালের ঘটনা।বর্তমানে আমি সৌদিআরবে আছি।২০২১ সালে যখন আমি সৌদিতে আসার জন্য কাগজ,পত্র রেডি কোরছি তখন আমাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্চ এর প্রয়জন হয়েছিলো।আমি অনলাইনে সব কিছু ওকে করে যখন থানায় কাগজ কোরতে গিয়েছিলাম তখন এক এ এস আই আমার কাছে টাকা দাবি করে।।ঐ দিন আমি টাকা দেয়নি পরে যখন আমার এলাকায় ভেরিবেকেশনে আসে তখন আমি তাদের টাকা পরিষোধ করি।।পরে ২/৩ দিন পরে থানায় যায় কিন্তুু তারা বলে আপনার ক্লিয়ারেন্চ যশোর ডিএসবি অফিসে চলে এসেছে ওখানে আজকে যেয়ে নিতে পারেন অথবা যদি দুই দিন পর নেন তাহলে থানা থেকে নিতে পারবেন কিন্তুু আমি ঔই দিনই যশোর ডিএসবি অফিসে যেয়ে নিয়ে আসি।।

ঘুষ দিয়েছি
যশোর জেলা চৌগাছা থানা ৳৩.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KH6VRACR
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

পেনশন

সরকারি প্রজ্ঞা্পন অনুযায়ী আমি প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে যুক্ত হওয়া একজন কর্মকর্তা ছিলঅম। বার বার বিভিন্ন কাগজপত্র দেয়া সত্ত্বেও আরো নতুন নতুন তথ্যের জন্য হয়রানি করছিল, পেনশনের চূড়ান্ত ফাইলটি নথিভূক্ত করছিল না বা উর্ধতনের নিকট পৌছানো হচ্ছিল না। বাধ্য হই প্রায় চার মাস পর টাকা দিতে। এবং চার দিনের মধ্যে সকল কাজ সমাধা হয়!!!! এটাই কি ঘুষ বা স্পিড মানি ? এখানে একটি কথা উল্লেখ করতে চাই, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হলেও কেন জানি িএই হিসাব রক্ষক অফিসকে রেহাই দিয়ে রিপোর্ট করা হয়!!!

ঘুষ দিয়েছি
রংপুর ৳১০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RNXKS45D
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

কাজী অফিস

সারা বাংলাদেশের বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত প্রায় প্রতিটি বিবাহ নিবন্ধন ও তালাক নিবন্ধন অর্থাৎ কাজি অফিসগুলোতে বিবাহের মোহরাণার ক্ষেত্রে লাখ প্রতি ১৪০০ টাকা অর্থাৎ এক হাজারে ১৪ টাকা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে বেশি নেওয়া হয় এবং ৫লাখের উপরে যেকোন অতিরিক্ত মোহরাণা জন্য লাখ হিসাবে প্রতি লাখে ১০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও বেশি নেওয়া হয়। যেকোনো প্রকার তালাক ফি ১০০০ টাকা হলেও নেওয়া হয় ২০০০ টাকা বা তারও বেশি।এছাড়াও বিবাহ ও তালাকের নকল উত্তোলনের নির্ধারিত ফি ৫০ টাকা হলেও নেওয়া হয় ৫০০ টাকা বা তারও বেশি। এছাড়াও ৩০০-৪০০ টাকা খরচের কোর্ট এফিডেভিটকে কোর্ট ম্যারেজ নাম দিয়ে চলে হাজার টাকার রমরমা ব্যবসা।পাশাপাশি কাজিদের দ্বারা অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে এলাকার জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন ব্যক্তিরা ভাগা খায়।

ঘুষ দিইনি
সারা বাংলাদেশ ৳২.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DK6UX9YB
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

মেম্বার ও তার ছেলের দূর্নীতি

একটি বয়স্ক বাতা কার্ড করে দিবে বলে মেম্বারের ছেলে ৩০০০/-টাকা দাবি করে, আমার আম্মুর কাছ থেকে আগেই কাগজ পত্র নিয়ে গেছে, তারপর মা যখন আমাকে বলে তখন আমি না করে দেই, যে ঘুষ দিয়ে কার্ড নেওয়ার দরকার নেই, তারপর মেম্বারের ছেলেও আমাকে কল করে ফোনে কথা বলে তার সাথে ও আমি না করে দেই, মেম্বারের ছেরে তো কাগজ পত্র আগেই জমা দিয়ে দিয়েছে,যখন টাকা আসে তখন মায়ের কাছ থেকে ৩০০০/- টাকা নিয়ে যায়, আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যাদের কে বয়স্ক বাতা বিধবা বাতা কার্ড দিছে তাদের কাছ থেকে ৩০০০/- টাকা এবং যারা বীজ অথবা সার নিছে তাদের কাছ থেকে ১০০০/২০০০/- করে নিছে, মেম্বার ও তার ছেলে মিলে এসব করে চলছে।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা, মুরাদনগর, ধামঘর ইউনিয়ন, পরমতলা গ্রাম ৳৩.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTGPNV24
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

পেনশন

আমার মা একজন স্কুলশিক্ষক। পেনশনের সম্পূর্ণ টাকা পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য থানা শিক্ষা অফিস থেকে ২০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক এই টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রায় দুই বছর ধরে পেনশনের প্রক্রিয়াটি আটকে ছিল এবং তিনি পেনশন পাচ্ছিলেন না। পরবর্তীতে আমার মা নিজের ২০,০০০ টাকা এবং ওই প্রধান শিক্ষকের জন্য আরও ২০,০০০ টাকা ঋণ হিসেবে প্রদান করেন। অর্থাৎ, মোট ৪০,০০০ টাকা দেওয়ার পর আমরা আমারা পেনশনের টাকা গ্রহণ করতে সক্ষম হই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKET8LJ7
মন্তব্য