অফ লাইন নামজারি অন লাইন করা
৩০০০ টাকা না দিলে অফিস সহাকারি অফ লাইন নামজারি অন লাইন করে দিবেন না।টাকা দেই নি তাই ৪ মাস আগে আবেদন এখনো নিস্পত্তি হয় নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৩০০০ টাকা না দিলে অফিস সহাকারি অফ লাইন নামজারি অন লাইন করে দিবেন না।টাকা দেই নি তাই ৪ মাস আগে আবেদন এখনো নিস্পত্তি হয় নি।
বলেছে টাকাটা সম্পূর্ণ তুলতে হলে চার লাখ টাকার মতো খরচ হবে পরে ৩০ হাজার টাকা কমিয়ে তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা চায় আর এক টাকাও কম নিবে না ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকায় দিতে হবে দিতে না চাওয়ায় বলে এই টাকাটা নাকি তোলা যাবে না তিনি বলেন এই টাকাটা উনি নিবেন না এটা নাকি উপরের কর্মকর্তার কাছে চলে যায়
বিএমইটি কার্ড এর জন্য তিন দিনের যে ট্রেনিং করতে হয় গাজীপুর জয়দেবপুর যে ট্রেনিং সেন্টার আছে। অনলাইন সাইড অফ করে রেখে অফলাইনের মাধ্যমে কাগজ পাতি জমা নিয়ে বড় অংকের টাকা দাবী করা হয়। খুব সতর্কতার সহিত এই কাজগুলো করা হয় যার কোন গ্রহণযোগ্য প্রমাণ থাকে না। ৪০০ টাকার অনলাইন খরচ ১০০০ টাকা গ্রহণ করা হয়। আর ২০০ টাকার অনলাইন খরচ ৬০০ টাকা গ্রহণ করা হয়।
নামজারি করতে জটিলতা প্রদর্শন করে অতিরিক্ত টাকা দাবী।
বিপদে পড়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ৯৯৯ এ ফোন করেছিলাম। বোয়ালিয়া থানা থেকে কয়েকজন পুলিশ এসেছিলেন। তারা সর্বোচ্চ ১৫-২০ মিনিট ছিলেন। যাওয়ার সময় চা খাওয়ার জন্য কিছু দিতে বলেন। ৫০০ টাকা দিলে রেগে জান, শেষ পর্যন্ত ২০০০ টাকা নেন চা খাওয়ার জন্য। ঘটনাটা ২০২২-২০২২ এর। নিশ্চয়ই এখন চায়ের কাপের দাম আরও বেড়ে গেছে সময়ের সাথে!
জমি খারিজের নাম দিয়ে দালাল রা আমার কাছ থেকে ২৪০০০ হাজার টাকা দাবি করে, পরে আমি ২০০০০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়, পর্যায়ক্রমে ১৭৫০০ টাকা দিয়েছি, তবুও জিজ্ঞেস করলে বলে এই কাগজ ঐ কাগজের সমস্যা, আবার নিয়া গিয়ে আবার আরেকটা সমস্যা দেখায়। দালাল ভূমি অফিস গুলোতে ভরে গেছে
আমি বিমান বাহিনী তে নতুন গাড়ি চালক পদে চাকরিতে জয়েন করেছি।আমার চাকরি ৫ মাস রানিং চলে আমার বেতন চালু করতে বিমান বাহিনী ফাইন্যান্স একাউন্ট সদর দপ্তর যোগাযোগ করতে গিয়েছিলাম। তারা আমার বেতন চালু করতে ২০০০ হাজার টাকা নিয়েছেন
আমি বুধহাটা পল্লী বিদ্যুৎ এ একটি মিটার নিয়ে বাড়িএসে তার স;জোগ দিবে তার জন্য ৫০০টাকা দাবি করবে না দিলে বিভিন্ন কিছু বলে মিটার ফিরিয়ে নেয়।
আবেদন করার এক সপ্তাহের কোন খবর ছিল না, পরে অফিসে গিয়ে কথা বলে জানতে পারি যেখানে আবেদন করেছিলাম আমার আবেদনপত্র ওখানে পড়ে রয়েছে, পরে বিভিন্ন আকারেঙ্গে তে কথাবার্তায় এর মাধ্যমে এমন কথা বলে যে তাদের না দেখলে তারা ফাইল কিভাবে দেখবে, মানে ইনডাইরেক্টলি তারা কিছু দাবি করতেছে, আমি বলি কিভাবে দেখতে হবে বা দুই দিনের মধ্যেও শেষ করতে কত টাকা লাগবে তখন অফিসের পিয়ন দাবি করে ১০ হাজার টাকা দিয়ে যান দুইদিন পরে এসে নিয়ে যাইয়েন
নামজারি করতে গেছি জমি ২ মাস ধরে ঘুরতাছি টাকা ছাড়া ফাইল ধরে না!
আমার বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। শেষবার অসুস্থ হলে তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত্যু ঘোষনা করেন। তখন বলা হয়েছিল পরে টিকিট দেখালে মৃত্যু সনদ দেয়া হবে। কিছুদিন পরে আমার প্রয়োজন হলে সনদ আনতে গেলে যিনি সনদ লেখেন তিনি ১৫০০ টাকা চাইছিলেন। অনেক কষ্টে ৫০০ টাকা দিয়ে নিয়েছি।
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
আমি আমার সাটিফিকেট আনতে যাই যেটা ছিলো স্কুল থেকে ফ্রীতেই দেওয়া হয়। কিন্তু সেই সময় ওই সাটিফিকেট তোলার জন্য আমাকে অফিস সহায়ককে ৫০০ টাকা দিতে হয়। শুধু এই জায়গাই এ না সব সরকারি সেক্টর এ অফিস সহায়ক কে কাটা দিতে হয়। আর যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে এই সমস্যা ওই সমস্যা করে অনেক দিন ঘুরায়। আর যদি ওনার উপর এ যে অফিসার থাকে ওনাকে বিষয়টি অবগত করা হলে সেই অফিসার বলে আমি বিষয়টি দেখতাছি, এবং সেই বিষয়টি সেই পযন্তই থাকে। আমার থেকে টাকা নিয়েছে গাইবান্ধা এন.এইচ. মর্ডাণ হাই স্কুল এর অফিস সহায়ক। এবং বহু জায়গায় আমাকে টাকা দিতে হয়েছে, যেটা আমি প্রতিবাদ করেও কিছু করতে পারিনি।
নিয়মিত ভ্যাট প্রদানের পরও হটাৎ এআরও দোকানে এসে খাতাপত্র নিয়ে যায়,তারপর বলে আপনারা যে ভ্যাট দেন তার পরিমাণ কম আপনাদের ৫ লাখ টাকা আরও ট্রেজারী চালান করতে হবে।সন্ধ্যার পর দেখা করেন বিস্তারিত বলছি।সন্ধ্যার পর দেখা করলে ২লাখ টাকা ঘুষ চাই অন্যথায় মামলার ভয় দেখায় বাধ্য হয়ে ১৫০০০০ টাকা দেই।
ঢাকার দোলাইপাড়ে অবস্থিত ডেমরা ভূমি অফিসে ভূমি ইউনিয়ন কর্মকর্তা অনলাইনে নামজারী আবেদন করার পর তা কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সময় নষ্ট করে, একাধিকবার যাওয়ার পরও কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করে সময় নিদিষ্ট সময় অতিবাহিত করে নামজারী আবেদন না-মঞ্জুর করার কথা বললে তখন অনুরোধ করলে ২০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে
ami choloman bds khatiyan korty giyesilam shob pepars shothik asey tar poreo amar kasty key. bds khatiyan. kore dewar jonno upar ullekito tka dabi kory.
ইমারজেন্সি রোগির জন্য চাইছিলো
একটি মাত্র নামজারি করতে আমার থেকে 1,00,000 টাকা দাবি করেছিল. ফাইনালি নাম জারি করতে 90,000 টাকা দিতে হয়েছিল. আমার কাগজ সব ঠিক ছিলো এবং এই কাগজেই নামজারি হয়েছে. যে দাবি করেছিল সে একজন সাধারণ কর্মচারী (পাবনা সদর ভূমি অফিস) মনে হয় রেকর্ড রুমের কেউ, ওনার নাম মনে আছে কিন্তু বলব না. কিন্তু আওয়ার ফেস সারাজীবন মনে রাখব. আর ওনার জন্য দোয়া করব, উনি সহ ওনার রক্তের সকলে আল্লাহ যেন হাশরের ময়দানে এই টাকার হিসাব নেই. আর এই দনিয়াতে আমার যদি টাকা ফেরত না দেই, তাহলে ওনাকে হাশরের ময়দানে আমি আটকিয়ে দিব তার জীবনের সকল নেকি দিয়ে আমাকে পরিশোধ করতে হবে. প্রতিদিন পাবনাতে ভূমি অফিসে এমন অসংখ্য কাজ হয়.
কোন ব্যক্তি যদি হাইকোটে রিট মামলা করতে যায় তাহলে মামলার আগে তাকে কোন একটি কোটের অনুমতি লাগে আমি সেই অনুমতি আনতে গেলে ঐ কোটে অনুমতির জন্য আমি তাকে ৩০০ টাকা দেই, সে আর ও দাবি করে
লাইসেন্স এর জন্য গিয়ে করতে পারি নাই।বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে বাদ দিয়ে দেয় পরে ১১ হাজার এর মাধ্যামে পরিক্ষা ছাড়া করে দিয়েছে।