ট্রাফিক
ট্রাফিক পুলিশ ঘুষ নিতে দেখেছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রাফিক পুলিশ ঘুষ নিতে দেখেছি
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ পেতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ — লাকসাম থানা দপ্তর: লাকসাম থানা, বাংলাদেশ পুলিশ সেবা: পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (PCC) স্থান: লাকসাম, কুমিল্লা আমি একজন সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিক। গত প্রায় আট বছর আমি প্রবাসে ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা, অপরাধ বা কোনো ধরনের ক্রিমিনাল অভিযোগ নেই। আমার একটি জরুরি প্রয়োজনের কারণে দ্রুত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে জমা দেওয়া প্রয়োজন ছিল। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য সরকারি ফি মাত্র ১,৫০০ টাকা, কিন্তু আমার কাছ থেকে এই সরকারি ফি-এর বাইরে ১৬,০০০ টাকারও বেশি অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে। আমি স্বেচ্ছায় এই অতিরিক্ত অর্থ দিতে চাইনি। কিন্তু আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন ছিল এবং নির্ধারিত সময়ে
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস যিনি passport application যাচাই - বাছাই করেন, সব ধরনের কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও application জমা নিচ্ছিল না এভাবে টানা ৩ দিন শুধু rejected করছিল এবং ৪ নম্বর দিন 1700 টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে passport application বিশেষ চিহ্ন করা তখন কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়া আমার passport application জমা নিয়েছে, মানে ঘুস এবং বিশেষ চিহ্ন ছাড়া তারা কোনো application জমা নেয় না, জামালপুর পাসপোর্ট অফিস যিনি আবেদন পত্র যাচাই বাছাই করেন আমি তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ গুলো করছি।
আমাকে বলে অনেক সমস্যা কাগজে ভেজাল এই সেই বলে প্রায় তিন মাস গুরিয়েছে তারপর এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকা দিয়েছি কাজ হয়েছে
আমার এবং আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করে না দেওয়ায় ২!দিন ঘুরায় আবেদন ও ফিঙ্গার নেয় না বিভিন্ন কারণ দেখায় । তারপর ৩য় দিন বাধ্য হয়ে ২২০০ টাকা দেই । @গাইবান্ধা পাসপোর্ট অফিস এ টাকা ছাড়া কোনো পাসপোর্ট রেডি করা ইম্পসিবল হয়ে গেছে ।
আমি পাসপোর্ট তৈরি করতে গেলে আমাকে সিরিয়াল না দিয়ে সে এক হাজার টাকার বিনিময়ে সে আমাকে ও তাই মোবারক হয়ে যাওয়ার পরেও সে আমাকে জমা দিয়ে ছবি তুলেছে
আমি মাতৃত্বকালীন ভাতার একটি কার্ড করবার জন্য গয়হাটা সরকারি হসপিটালে যাই । সেখানেই ঘটনা ঘটে । বলা হয়েছিল মাতৃত্বকালীন কার্ড অনলাইন করতে হয় । সেই জন্য কিছু টাকা পয়সা খরচ হয় । আমি বললাম কত টাকা । মহিলা ম্যাডাম তিনি বললেন ৫০০ টাকা । আমি বললাম ৩০০ টাকা রাখেন । উনি এক টাকাও কম রাখেনি ।
Maramari niye bectim theke 30 hajar taka ghush neyese theke a si taka na dele mama more afr korbe
Ami new driving license korcilam. Shunecilam driving license e taka cara pash kora jay na. Tai akta dalal dhore 5000 taka ghus diyecilam.
শ্রম ও কলকারখানা অধিদপ্তর থেকে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, তারপর থেকে এই ওই কাগজ নাই, এই ওই প্ল্যান নাই, প্রতিষ্ঠান বরাবর চিঠি দেয়া হয়েছে, চিঠি অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করতে হবে, তাদের পছন্দমতো কাজ হতে হবে, কলকারখানা অধিদপ্তরের লিস্টেড ভেন্ডর এর কাছ থেকে, অফিসার বললেন চিঠি অনুযায়ী কাজ অনেক টাকা, ১,০০,০০০/- টাকা দিয়ে যান, চিঠি উধাও হয়ে যাবে। তারপর নেগোসিয়েশন এবং ৭০,০০০/- টাকা পরিশোধ, চিঠি উধাও।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বন্ধুর পাসপোর্ট আবেদন জমা দেওয়ার সাথে জন্য গিয়েছিলাম। অফিসের পাশে একটি দোকান থেকে অনলাইনে আবেদন ও সরকারি ফি পরিশোধ করার পর দোকানদার অতিরিক্ত ১,৫০০ টাকা দাবি করেন। তিনি বলেন, এই টাকা দিলে অফিসে কাগজপত্র জমা দিতে কোনো ঝামেলা হবে না। অতিরিক্ত টাকা না দিয়ে অফিসে গেলে কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরও শিক্ষাগত সার্টিফিকেট চাওয়া হয় এবং বলে কাগজ পত্রে ঝামেলা আছে আরেকদিন আসেন, আসার সময় অফিসের একজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কথা বলা হয় এবং জানানো হয় এটা নাকি অফিস খরচ।শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য । বিঃদ্রঃ টাকা দেওয়ার পর আবেদন পত্রের উপরে সাংকেতিক চিহ্ন বা সাইন দেওয়া হয় দোকানেও দেখেছি যারা অতিরিক্ত টাকা দিচ্ছেন তাদের আবেদন পত্রের উপরে এমনটা।
পুলিশ ভেরিফিকেশন তথ্য ঠিক ছিল এরপর ও ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়েছে, ছেলেটা অনেক গরিব ছিল
নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে।পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে আমার আবেদন কৃত ফর্ম টা জমা নেয় নি।বিভিন্ন তালবাহানা দেখিয়ে পরবর্তী দিন যেতে বলছে।তারপর পরের দিন গেলেও এদিক ওদিক করেও জমা দিতে পারছি না।কারন পাসপোর্ট অফিসে দ্বায়িত্ব প্রধান এডি সুপারিশ কৃত ফর্ম ছাড়া কোন ফর্ম স্বাক্ষর করে না। প্রত্যেক টা সুপারিশ কৃত ফর্ম ওনার জন্য বরাদ্ধ থাকা ঘুসের টাকা।তারপর অফিসে দ্বায়িত্ব থাকা আনসার দের সাথে বিষয় টা নিয়ে কথা বললে ওনি ব্যাংক ড্রাপ থেকে বাড়তি ২০০০ টাকা দাবি করে।তারপর আমি এতো ঘুরাঘুরি করে ক্লান্ত হওয়ায় বাড়তি ২০০০ টাকা দিয়ে করাতে ওনার সাথে ডিল করি।সে ডিল টাকা পাসপোর্ট অফিসে থাকা আনসার থাকার রুমে আমাকে নেয়।সে রুমে আমি বাড়তি ২০০০ টাকা প্রদান করি।
আমি আমার এই পাসপোর্ট এর জন্য সরকারিভাবে অনলাইনে আবেদন করেছি, আমি ফাইল নিয়ে যখন পাসপোর্ট অফিসে যায়, ওনার বলে আমার নাকি আবেদনের ভুল আছে, আমার ফাইলটি ছিড়ে ফেলে দেয়, এইটি হবে না, পরবর্তীতে আমি আমার বাড়িতে চলে যাই কয়েকদিন পর আমি একজন দালালের মাধ্যমে ওই ফাইলটি জমা দেই, একই ফাইল শুধু দালালের মাধ্যমে একটি সিল মেরে দেয়, কোন প্রশ্ন না করে ওই ফাইলটি জমা নিয়ে নেয় পরবর্তীতে আমি আমার পাসপোর্ট হাতে পাই, একই কাগজপত্র যখন আমি নিজে নিজে যায় জমা দেই তখন এই কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে দেয় অথচ যখন দাদালের মাধ্যমে জমা দি কেমনে এটা সঠিক হয় এটাই আমার প্রশ্ন।
সাংবাদিক মানে চোরে উপর বাটপারী করে,আপনি থানা,হাসপতাল,ভুমি আফিস,ডিসি অফিস,রেজিস্টার অফিস,,বি আ টি অফিস এমনকি দুদুক অফিসেও কোন অফিস নাই যেখানে সাংবাদিকচাদাঁ না খায়, আপনি দেখবেন আপনার থেকে একটা লোক 500 টাকা নিয়ে আপনার কাজটা করে দিতেছে বা আপনি খুশি মনেই দিতেছেন,দিন শেষে ওই লোকটা থেকে সাংবাদিক যেয়ে একটা অংশ নিয়ে আসতেছে।কিন্তু আজ পযর্ন্ত কোন সাংবাদিক নামে কোন রিপোট হয়েছে? আমি বলবো না। সাংবাদিকরা কয় টাকাই পায় সাংবাদিক বলেন কিন্ত তারা এত টাকা পয়সা পায় কই,কেও এই বিষয়ে কথা বলে না।আমার জানা মতে এক জায়গা থেকে পাচঁ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবি করে কিছু সাংবাদিক,কিন্তু তারা দেয়নাই।কোন অফিসার যদি সত হয় তাহলে দেখবেন সাংবাদিকরা বলেবে সেখানে দুর্নীতি হয়।আর যেখানে দুর্নীতি হয় কিন্ত সাংবাদিক চাদাঁ পায় তারা বলবে ভাল
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করলে চ খওয়ার জন্য অথবা আইটি চার্জ ইত্যাদি বলে 200 টাকা দাবি করা হয় এবং তা সকলে দিয়েও দেয় এবং নতুন ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ওনাদের সাথে কন্ট্রাক্ট করতে হয় প্রতি ট্রেড লাইসেন্স এ 2000-2500 ক্ষেত্র বিশেষে 3000 টাকাও দাবি করা হয়, না দিলে বিভিন্ন সমস্যা বের হয়ে যায়, সময় বেড়ে যায় যেমন- 2 দিনের কাজ 30 দিনেও হয়না। আমি টাকা কিছু কমানোর কথা বলায় উত্তরে বলে “1500-1700 টাকা উর্ধতন কর্মকর্তাদেরই দিতে হয়, আমি কাজটা কষ্ট করে করবো আমার আর কি থাকে বলেন”। আমদের আসলে বাধ্য হয়েই ঘুষ দিতে হয়, সময়মত নবায়ন না করলেও জরিমানা দিতে হয়।
আমি পাসপোর্ট সংক্রান্ত সরকারি সেবা গ্রহণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হই। সেবা গ্রহণের সময় সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা দাবি করা হয়। আমি উক্ত অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে আমার কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন অতিরিক্ত কাগজপত্র দাবি করা হয় এবং নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। পরবর্তীতে আমার সরকারি সেবাটি সম্পন্ন করার জন্য বাধ্য হয়ে ২,৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। সরকারি সেবা প্রদানের বিনিময়ে নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও গ্রহণ এবং অতিরিক্ত অর্থ না দিলে হয়রানি করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর।
সরকারি জমি দখল মুক্ত করার জন্য তাদের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এজন্য জমি পুনরায় পরিমাপের জন্য সার্ভেয়ার প্রেরন করা দরকার ছিল । আমি ঘুষ অপার করি নাই আমার কাছে ঘুষ চাওয়ার সাহস তারা করে নাই । তবে তারা কোন রকমে বাধ্য হয়ে আমাকে সার্ভিস দিয়েছে কিন্তু অনেক ঘুরাইছে । একটি আধা ঘন্টার চিঠি ইস্যু করতে আড়াই মাস ঘুরাইছে
১০/০৬/২০২৬। আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাসানো হবে, বলে ফাডি থানা পুলিশ হুমকি দেয় এবং ৫০০০ টাকা দাবি করে। যা দিতে অস্বীকার করি। ২০০০ টাকা দেই। কিন্তু ৫০০০ টাকা না পাওয়ার আমাকে মামলায় ফাসিয়ে দেওয়া হয়। এবং জেল খেটে মামলার ঘানি টানতেছি।। প্রতিপক্ষ এর কাছ থেকে ৩০০০০ হাজার টাকা পেয়ে আমাকে রাতে ধরে নিয়ে গিয়ে হাজত এ প্রেরণ করে। আমি অস্বহায় এতিম কার কাছে যাব। কারকাছে বিচার চাইব। কিভাবে মামলা থেকে বাঁচব।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ২০০০ টাকা দেওয়া লাগছে এক্সট্রা সরকারি ফি বাদে।