পুলিশ ভেরিফিকেশন আরমি সৈনিক
পুলিশ ভেরিফিকেশন তথ্য ঠিক ছিল এরপর ও ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়েছে, ছেলেটা অনেক গরিব ছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ভেরিফিকেশন তথ্য ঠিক ছিল এরপর ও ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়েছে, ছেলেটা অনেক গরিব ছিল
নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে।পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে আমার আবেদন কৃত ফর্ম টা জমা নেয় নি।বিভিন্ন তালবাহানা দেখিয়ে পরবর্তী দিন যেতে বলছে।তারপর পরের দিন গেলেও এদিক ওদিক করেও জমা দিতে পারছি না।কারন পাসপোর্ট অফিসে দ্বায়িত্ব প্রধান এডি সুপারিশ কৃত ফর্ম ছাড়া কোন ফর্ম স্বাক্ষর করে না। প্রত্যেক টা সুপারিশ কৃত ফর্ম ওনার জন্য বরাদ্ধ থাকা ঘুসের টাকা।তারপর অফিসে দ্বায়িত্ব থাকা আনসার দের সাথে বিষয় টা নিয়ে কথা বললে ওনি ব্যাংক ড্রাপ থেকে বাড়তি ২০০০ টাকা দাবি করে।তারপর আমি এতো ঘুরাঘুরি করে ক্লান্ত হওয়ায় বাড়তি ২০০০ টাকা দিয়ে করাতে ওনার সাথে ডিল করি।সে ডিল টাকা পাসপোর্ট অফিসে থাকা আনসার থাকার রুমে আমাকে নেয়।সে রুমে আমি বাড়তি ২০০০ টাকা প্রদান করি।
আমি আমার এই পাসপোর্ট এর জন্য সরকারিভাবে অনলাইনে আবেদন করেছি, আমি ফাইল নিয়ে যখন পাসপোর্ট অফিসে যায়, ওনার বলে আমার নাকি আবেদনের ভুল আছে, আমার ফাইলটি ছিড়ে ফেলে দেয়, এইটি হবে না, পরবর্তীতে আমি আমার বাড়িতে চলে যাই কয়েকদিন পর আমি একজন দালালের মাধ্যমে ওই ফাইলটি জমা দেই, একই ফাইল শুধু দালালের মাধ্যমে একটি সিল মেরে দেয়, কোন প্রশ্ন না করে ওই ফাইলটি জমা নিয়ে নেয় পরবর্তীতে আমি আমার পাসপোর্ট হাতে পাই, একই কাগজপত্র যখন আমি নিজে নিজে যায় জমা দেই তখন এই কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে দেয় অথচ যখন দাদালের মাধ্যমে জমা দি কেমনে এটা সঠিক হয় এটাই আমার প্রশ্ন।
সাংবাদিক মানে চোরে উপর বাটপারী করে,আপনি থানা,হাসপতাল,ভুমি আফিস,ডিসি অফিস,রেজিস্টার অফিস,,বি আ টি অফিস এমনকি দুদুক অফিসেও কোন অফিস নাই যেখানে সাংবাদিকচাদাঁ না খায়, আপনি দেখবেন আপনার থেকে একটা লোক 500 টাকা নিয়ে আপনার কাজটা করে দিতেছে বা আপনি খুশি মনেই দিতেছেন,দিন শেষে ওই লোকটা থেকে সাংবাদিক যেয়ে একটা অংশ নিয়ে আসতেছে।কিন্তু আজ পযর্ন্ত কোন সাংবাদিক নামে কোন রিপোট হয়েছে? আমি বলবো না। সাংবাদিকরা কয় টাকাই পায় সাংবাদিক বলেন কিন্ত তারা এত টাকা পয়সা পায় কই,কেও এই বিষয়ে কথা বলে না।আমার জানা মতে এক জায়গা থেকে পাচঁ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবি করে কিছু সাংবাদিক,কিন্তু তারা দেয়নাই।কোন অফিসার যদি সত হয় তাহলে দেখবেন সাংবাদিকরা বলেবে সেখানে দুর্নীতি হয়।আর যেখানে দুর্নীতি হয় কিন্ত সাংবাদিক চাদাঁ পায় তারা বলবে ভাল
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করলে চ খওয়ার জন্য অথবা আইটি চার্জ ইত্যাদি বলে 200 টাকা দাবি করা হয় এবং তা সকলে দিয়েও দেয় এবং নতুন ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ওনাদের সাথে কন্ট্রাক্ট করতে হয় প্রতি ট্রেড লাইসেন্স এ 2000-2500 ক্ষেত্র বিশেষে 3000 টাকাও দাবি করা হয়, না দিলে বিভিন্ন সমস্যা বের হয়ে যায়, সময় বেড়ে যায় যেমন- 2 দিনের কাজ 30 দিনেও হয়না। আমি টাকা কিছু কমানোর কথা বলায় উত্তরে বলে “1500-1700 টাকা উর্ধতন কর্মকর্তাদেরই দিতে হয়, আমি কাজটা কষ্ট করে করবো আমার আর কি থাকে বলেন”। আমদের আসলে বাধ্য হয়েই ঘুষ দিতে হয়, সময়মত নবায়ন না করলেও জরিমানা দিতে হয়।
সরকারি জমি দখল মুক্ত করার জন্য তাদের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এজন্য জমি পুনরায় পরিমাপের জন্য সার্ভেয়ার প্রেরন করা দরকার ছিল । আমি ঘুষ অপার করি নাই আমার কাছে ঘুষ চাওয়ার সাহস তারা করে নাই । তবে তারা কোন রকমে বাধ্য হয়ে আমাকে সার্ভিস দিয়েছে কিন্তু অনেক ঘুরাইছে । একটি আধা ঘন্টার চিঠি ইস্যু করতে আড়াই মাস ঘুরাইছে
১০/০৬/২০২৬। আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাসানো হবে, বলে ফাডি থানা পুলিশ হুমকি দেয় এবং ৫০০০ টাকা দাবি করে। যা দিতে অস্বীকার করি। ২০০০ টাকা দেই। কিন্তু ৫০০০ টাকা না পাওয়ার আমাকে মামলায় ফাসিয়ে দেওয়া হয়। এবং জেল খেটে মামলার ঘানি টানতেছি।। প্রতিপক্ষ এর কাছ থেকে ৩০০০০ হাজার টাকা পেয়ে আমাকে রাতে ধরে নিয়ে গিয়ে হাজত এ প্রেরণ করে। আমি অস্বহায় এতিম কার কাছে যাব। কারকাছে বিচার চাইব। কিভাবে মামলা থেকে বাঁচব।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ২০০০ টাকা দেওয়া লাগছে এক্সট্রা সরকারি ফি বাদে।
পাসপোর্ট বানানোর জন্য অক্ষরে অক্ষরে সকল কাগজ ঠিক নিয়ে যাবার পরেও এটা সেটা ভুল ধরে আমাকে ২ দিন ফেরত দেয়া হয়। পরে ৩য় বার ফেরত দিলে, বাহিরে এসে ১৩০০ টাকা দেয়া মাত্র ভিতরে নিয়ে গিয়ে সেইম একই কাগজ দিয়ে কয়েক মিনিটেই ছবি ও ফিঙ্গার হয়ে যায়।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করে গ্রহন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়।
আমার পক্ষে হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট রায় থাকার পরও ভিপি কেসের নামজারি করাতে ৫০,০০০/ টাকা দাবি করেছে আমি দেইনি বলে নামজারি বাতিল করে দিয়েছে আর অন্য একজন ৪৯০০০/ টাকা দিয়েছে বলে তার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।
এটা হল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ ভূমি অফিস সেখানে আমি আমার নিজের জায়গার নামজারি করতে গিয়েছিলাম বিভিন্ন তারাভিবিন্ন অজুহাত দিয়ে আমার ফাইল রিটার্ন করে দিত, এভাবে আমাকে প্রায় তিনবার আবেদন করতে হয়েছে তারপরও আমি নামজারি করতে পারিনি। একেক বার একেক সমস্যা দেখায়, পরবর্তীতে আমি বুঝতে পারলাম যে এটা আমি নিজে করতে পারবো না দাঁডরাল ধরতে হবে তখন দালালের মাধ্যমে যে নাম জারি করতে ১১০০ টাকা লাগে ওই নাজারি করতে হয়েছে পনের হাজার টাকা দিয়ে আমি তো নিরুপায় কি করব নাম জারি আমার করতেই হবে তাই দিয়েছি। নাম জারি করার পর এখন খাজনা দিব আরেক সমস্যা খাজনা আমার আসছে ৯০০০ টাকা সেখানে তারা প্রায় আমার টাকার ৪গুন বারিয়ে জরিমানা লেখে রাখছে সবমিলিয়ে জরিমানা দিয়া দেখাইতেছে আমার ৩০ হাজার টাকা আসছে খাসনা, ওই খাজনাই দালালের
বিভাগে অফিস থেকে বিভাগীয় অফিসার জেলাভিত্তিক তার অফিসের লোককে দায়িত্ব দেন ঘুষ তোলার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠান বাবদ টাকা দিতে হয় ৩ লক্ষ যদি এই টাকা দিতে ব্যর্থ হন ঠিক তার প্রতিষ্ঠানের উপরে ভাঙচুর চালায় বিভিন্ন হুমকি দেন যার প্রেক্ষিতে আমরা ভয়ে টাকা পরিশোধ করে দেই এমনটাই চলে আসছে বিগত বছর, এক একটা উপজেলায় ৫০-১০০ ইটভাটা থাকেন প্রতিটা ইট বাটা হইতে তিন লক্ষ টাকা অফিসে নেন বিভাগীয় অফিসের টাকার পরিমাণ কি দাঁড়ায় আপনারাই হিসাব করুন,
টিএ ডিএ বিলের টাকা খেয়েছে। তাদের ৫% না দিলে ফাইল নড়ে না।
আমার ফ্ল্যাটটি ভূমি অফিসে রেকর্ড আছে কিনা যাচাই করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ডিসি অফিস থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আমি রাগা রাগি করে ৩০০০ টাকা দিয়ে ১সপ্তাহ ঘুরে রিপুর্ট নেই।
আমি একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক। বর্তমানে আমার সিঙ্গাপুরে Class 3 এবং Heavy Vehicle—উভয় ধরনের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে গাড়ি চালানোর বাস্তব অভিজ্ঞতাও আমার রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এসে বিআরটিএ-এর ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় আমাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হয়রানিমূলক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিআরটিএ-এর নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি এবং নির্ধারিত পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আমার কাছে অনৈতিকভাবে অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ দাবি করা হয় বলে আমি অভিযোগ করছি। আমাকে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে টাকা প্রদান করলে .....
এক ব্যক্তি আমার থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে এখন আর কল ধরতেছে না বাড়িতে নাই চলে গেছে এখন পুলিশের কাছে গিয়ে মামলা করার পরে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে টাকা উদ্ধার করার জন্য আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ চাচ্ছে আমি দিনে-বিধে আমার মামলা যে এখনো পেন্ডিং অবস্থায় আছে আজকে প্রায় দেড় বছর এখনো এ মামলা নিয়ে কোন কাজ করা হয়নি
আমার এপ্লিকেশন ডেট ভুল ছিল তাই বলছি নতুন করে আবেদন করে আসতে অনেক সময় লাগবে ক্যানসেল করে দিতে তারা বলছি যদি টাকা দেই তাহলে আর কিছুই করতে হবে
ভিসা সংক্রান্ত কাজ এর জন্য মেডিকেল রিপোর্ট লাগে আর সবকিছু পরীক্ষার পর সিভিল সার্জন এর সিল & স্বাক্ষর লাগে সত্যায়িত করার জন্য। আমাকে সেই স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হয় অফিস এর সহকর্মী এর কাছে।
টাকা না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়েছে যেই টাকা দিয়েছি সাব সমাধান হয়েছে