ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
আমাদের প্রতিষ্ঠানের তিনটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি, দুইটা গত বছর নবায়ন করা হয় নাই। জরিমনা দিতে হবে না কিন্তু ত্রিশ হাজার টাকা ছাড়া লাইসেন্স নবায়ন করবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের প্রতিষ্ঠানের তিনটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি, দুইটা গত বছর নবায়ন করা হয় নাই। জরিমনা দিতে হবে না কিন্তু ত্রিশ হাজার টাকা ছাড়া লাইসেন্স নবায়ন করবে না।
পৌরসভার রাস্তার ডেনের জন্য ২ শতাংশ জায়গা নিছে ৫০০০০ টাকা দিছে বাকি টাকার খবর নাই
কিশোরগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম নতুন পাসপোর্ট করতে। অনলাইনের ফর্ম ফিলাপ করে, সব ডকুমেন্ট নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তারা রিজেক্ট করে। তখন সিলেট জব করতাম। সিলেট থেকে কিশোরগঞ্জ গিয়ে ছিলাম ৩বার এই পাসপোর্ট করার জন্য। ২বার রিজেক্ট করে। ৩য় বার দালালরা বলে আমাদের ১৫০০ টাকা দিন আমরা আজকের মধ্যেই সব ওকে করে দিচ্ছি। যেই কথা সেই কাজ। টাকা দিলাম এখন সব ওকে।
নাম জারি করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই আমার কাগজপত্র সব ঠিক আছে কোন সমস্যা নেই। নাইবের সাথে কথা বলি উনি বলেন অফিস সহকারীর সাথে কথা বলতে অফিস সহকারী ৭০০০ টাকা দাবি করে । আমি বললাম যে কি বলেন ১১৭০ টাকা লাগার কথা সেই জায়গায় ৭০০০ টাকা কেন দাবি করছেন ? উনি বললেন বিভিন্ন টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয় নয়তো স্যাররা সাইন করে না ।। আমার নামজারি করা বিশেষ প্রয়োজন অনেক চেষ্টা করার পরেও ৭০০০ টাকার কমে নামজারি করাতে পারিনি।
Epz কুমিল্লা, এখানে দুর্নীতির স্বর্গ রাজ্য বানিয়ে রেখেছে। বাহিরের কোন সাপ্লায়ার কাজ করতে গেলেই তাদের কে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কিছু করা যায় না।
পরিচ্ছন্ন কর্মিরা বেড ফাঁকা থকার পরেও উঠানোর জন্য ঘুষ দিতে হলো আর ব্যবহার তো নিক্রিষ্ট
আমার School থেকে Testimonial নিতে গেলে ৫০০ টাকা দাবী করে । পরবর্তীতে রিকুয়েস্ট করে ৩০০ টাকা দিয়ে নিয়ে এসেছি । আমার প্রশ্ন Testimonial নেওয়ার জন্য কোন টাকা দিতে হবে ? এবং পরবর্ততী আবার সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য কী টাকা দিতে হবে ?
চাকুরীতে যোগদান এর সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করে আবেদন করি এবং কিছুদিন পর থানাতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাথে নিয়ে গিয়ে দেখা করতে যাই। সকল ডকুমেন্টস যাচাই করেও অহেতুক হয়রানির উদ্দেশ্যে অপ্রাসঙ্গিক কাগজপত্র যেমন বাসার জমির দলিলের ফটোকপি, সদ্য তোলা পর্চা ও গত পাঁচ বছরে যেসকল এলাকাতে এক মাসের অধিক সময় অবস্থান করেছি, সেখানের বাড়িওয়ালাদের নিকট থেকে সত্যয়িত প্রমানপত্র, এরকম কাগজপত্র দাবি করে। আমি ২ দিন পর বাড়ির জমির দলিলের ফটোকপি এবং পর্চা নিয়ে থানাতে গেলে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন এইকাজে বিলম্ব না ঘটাতে চাইলে যেনো দুই হাজার টাকা টাইপ রাইটারকে চা নাস্তা খেতে দেয়া হয়, আমি এক হাজারে রাজি করিয়ে সেটা দিয়ে দিয়েছিলাম।
২০১৫ সালের আগে যখন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটির হাতে নিয়োগ ছিল তখন ঝালকাঠি টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য কলেজের জমি ক্রয়ের কখা বলে আমার কাছ থেকে নগদ ৫০০০০০ ( পাঁচ লাখ) টাকা হাতিয়ে নিয়েছে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রভাষকসহ ৩ থেকে ৪ জন লোক। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আজ পর্যন্ত আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এসব কিছুর জন্য দায়ী একমাত্র বর্তমানে কর্মরত অধ্যক্ষ মহোদয়।
আমি ও আমার ৪ কলিগ বকেয়া বেতন এরিয়ার হিসেবে পেয়েছিলাম। টাকা ছাড় করতে আমাদের ১০০০০০ টাকা দিতে হয়েছে।টাকা না দেয়া পর্যন্ত বিভিন্ন হয়রানি করেছে।
জমির নামজারি খারিজ করার জন্য জমা করি সরকারি ফি থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়।
Amar baba, Maa'r passport korar jonno 2500 tk ghush dewa lagse
Driving license korar jonno ghush dite hoyeche 7000tk. tk na dile license hobe na brta Ekuria office a tai এই tk diyechilam.
আমি খাজনা যে নাম্বার পরিশোধ করি সেই নাম্বার ভুলে গিয়েছিলাম। সেই নাম্বার রেব করার জন্য ১00 টাকা নিয়েছে।
সবকিছু শতভাগ সঠিক থাকার পর ও নানানভাবে নানা ইস্যু দেখিয়ে হয়রানি করে।অসুস্থ মাকে নিয়ে অনেকক্ষণ দৌড়াদৌড়ি করেও শেষ পর্যন্ত ঘুষ দিয়েই কাজ করাতে হয়েছে
আমি জমির খাজনা মিটিয়ে মিউটিশন করতে গিয়েছিলাম,তারা বললো ৭৫০০ টাকা খরচ হবে।আর যদি ১৫ দিনের মধ্যে করে দেয় তাহলে ২৫০০ টাকা এক্সট্রা দিতে হবে।
আমি পাসপোর্ট করতে যাই। অনলাইনে আবেদন করার পর যে সব কাগজ পএ দিছে! ওই গুলা নিয়া যায়। তখন সকাল ১০ টা থেকে ২ টা পযন্ত দারিয়ে থাকার পর ও সিরিয়াল পাই না। কাজগপএ জমা দিতে পারলাম না। কিন্তু যারা আমার পরে এসে চলে যাচ্ছে ফাইল জমা দিয়ে। তাদের মধ্যে আমি একজনকে জিগাইলাম। আপনি ভাই এখন এসে এত তারাতারি কিভাবে জমা দিলেন ভাই। ওনি আমাকে বললো বাহির থেকে মাল দিয়ে আসলে আপনার ও সারা দিন দরে দাড়াই থাকা লাগতো না। পরের দিন আমিও দালাল কে ১৫০০ টাকা দিই ১০ মিনিটের মধ্যে আমার কাগজ ও ওই দালাল জমা দিয়ে দেয়।
সেবাটি ছিল নাগরিকত্ব সনদ উত্তলোন। টাকা সরাসরি চায়না কিন্ত নাগরিকত্ত সনদ নেওয়ার জন্য অনেক হয়রানী করা হয়েছে যেই সেবাটা আগে আমরা 10 মিনিটে পেতাম সেটা এখন 15 থেকে 1 মাসেও হচ্ছে না। পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে হয়রানী করা হচ্ছে এমনো প্রমান রয়েছে যে নাগরিকত্ব সনদের জন্য আমাদের শ্রীপুর পৌরসভায় গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য 500 থেকে 1500 টাকা পর্যন্ত থানার পুলিশ ভেরিফিকেশন অফিসার ঘুষ চায়। টাকা না দিলে জমা ফরম হারিয়ে গেছে বলে জানায়।
আমার কলিং আমার কাছে ৫৫০০০ টাকা ধার নিয়েছিল, কিন্তু সে সেটা পরিশোধ না করে চাকরি ছেড়ে তার বাসায় পালিয়ে যাই। সে টাকা উদ্ধারের জন্য আমি থানায় জিডি করেছিলাম। এবং সেটা একটা এস আই এর হাতে পড়েছিল। এসআই আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে। কিন্তু আমার কাছে তখন এক হাজার টাকায় ছিল। আমি রকেটে টাকা দিতে চাইলাম কিন্তু সে রকেটে নিবে না বিকাশও নিবে না। শুধু হ্যাং ক্যাশ নেবে। পরবর্তীতে আমার কাজ না করেই টাকাটা মেরে দিল। পরে বুঝলাম সে আসলে বিকাশে টাকা নিতে চাই নাই কারণ সেখানে ডকুমেন্ট থেকে যাবে।
আমি আমার মোবাইল দিয়ে ই- পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে একটি আবেদন করি ১০ বছর মেয়াদি ই পাসপোর্ট এর। সরকারি নির্ধারিত ফি ৫৭৫০৳ সোনালী ব্যাংকে জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই। এমন কোনো ডকুমেন্টস নেই যা আমার কাছে অনুপস্থিত ছিল না, এক কথায় যা যা প্রয়োজন সব সাথে ছিল। কিন্তু পাসপোর্ট অফিসে আমার ফরম জমা না নিয়ে ফেরত দিয়ে একেবার একেকটা অহেতুক সমস্যা উল্লেখ করে। পরবর্তীতে আমার বড় ভাই অফিস সংলগ্ন এক দালান কে হেল্প করতে বললে সে বলে ১১০০ টাকা অফিস ফি আমাকে ৫০০ দাও আমার রেফারেন্স দিব সাথে সাথে সব কাজ হয়ে যাবে। যেই কথা সেই কাজ, আমার সেইম ফাইল অফিসে এক কর্মকর্তার নিকট জমা দিলে সাথে সাথে আমার ইনরোলমেন্ট হয়ে যায়। বি:দ্র: উক্ত অভিযোগ নতুন নয়। উপর মহলের ইশার দালাল আর অফিস কর্মকর্তার রমরমা ব্যবসা চলছে।